দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া অনেকটা শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। কেন্দ্রের ভিতরে-বাইরে ভোটারদের মধ্যে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোট কেন্দ্রগুলোতে ছিল নারী-পুরুষের দীর্ঘ লাইন। ভোট দিতে আসা তরুণদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতির মধ্যে সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে দলীয় কর্মী-এজেন্টদের সহাবস্থান। সরেজমিন কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা গেছে, ভোটাররা হাতে জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে ভোট দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের হচ্ছেন। কেন্দ্রের আশপাশের রেস্তোরাঁ, ফুটপাত ও চায়ের দোকানে বসা আড্ডাগুলোতে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি নেতা-কর্মীদের একসঙ্গে নির্বাচনি ভোটের পর্যালোচনা করছেন।
ঢাকা-১১ আসনের বাসিন্দা ফারহানা আক্তার বলেন, বন্ধুদের সঙ্গে ভোট দিতে এসেছি। কেন্দ্রের পরিবেশ দেখে আমি হতবাক হয়েছি। প্রার্থীদের এজেন্টরা সহযোগিতা করেছেন। অন্য বছরের মতো ভোট কেন্দ্রে দলীয় কর্মীদের পাওয়া যায়নি।
ঢাকা-৯ ও ঢাকা-১১ আসনের ভোট কেন্দ্রগুলো ঘুরেও একই পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। আসন দুটোতেই ১০ জন করে প্রার্থী থাকলেও অধিকাংশ আসনেই চার থেকে পাঁচজন প্রার্থীর এজেন্ট পাওয়া যায়। তবে কোনো কেন্দ্রেই ফুটবল, কাস্তে, উদীয়মান সূর্যের এজেন্ট পাওয়া যায়নি। প্রত্যেক কেন্দ্রে বিএনপি, এনসিপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এজেন্টরা সহাবস্থানে থেকে ভোটারদের সহায়তা করতে দেখা যায়। কেন্দ্রগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে। তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল লক্ষণীয়। অনেকেই প্রথম ভোটের অভিজ্ঞতা স্মরণীয় করে রাখতে ছবি তুলছেন, আবার কেউ সামাজিক মাধ্যমে অনুভূতি ভাগাভাগী করছেন। নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সঠিক দায়িত্ব পালনে ভোটারদের মধ্যে আস্থা বেড়েছে। ফয়জুর রহমান কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মিনহাজুল আবেদিন বলেন, ইতিহাস সেরা সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। ভোটারদের মধ্যে উৎসব লক্ষ্য করা গেছে।