দেশের বিভিন্ন আসনে রিকশা প্রতীকের এজেন্ট বের করে দেওয়া, জাল ভোট, হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন দলটির নেতারা। বৃহস্পতিবার দলটির মিডিয়া বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ঢাকা-১৩ আসনের ৩৩ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে বৈধ এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া এবং ভোটারদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী শামা ওবায়েদের বাড়ির ভোট কেন্দ্রসহ বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ এসেছে। নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর) উপজেলায় প্রশাসনের ভূমিকা অনেকটাই নিশ্চুপ ও রহস্যজনক বলে মনে হয়েছে। কেন্দ্রের নির্ধারিত চৌহদ্দির ভিতরে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে হুমকির অভিযোগ রয়েছে। ভোর ৩টা থেকে এজেন্টদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। চি গড় ইউনিয়নের মধুয়াকোনা কেন্দ্রের এজেন্ট শাহজাহানকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে এবং তাকে হাসপাতালে নিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা মানবাধিকার ও নির্বাচনি আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। গাজীপুর-৩ আসনে বুধবার রাত থেকেই এজেন্টদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়েছে। একজন এজেন্টের পরিবারকে জিম্মি করে তাকে ভোট কেন্দ্রে যাওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। এখনো ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত রয়েছে বলে তথ্য এসেছে। রাঙামাটি-২৯৯ আসনে বিভিন্ন কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের পোলিং এজেন্টরা ভোট কেন্দ্রের ভিতরে প্রকাশ্যে ভোটারদের নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিরাজগঞ্জে বেশ কিছু কেন্দ্রে বোরকা পরা মহিলা ভোটারদের পুরুষ এজেন্ট কর্তৃক অপদস্ত ও হেনস্তা করার অভিযোগ এসেছে।
জোরপূর্বক বোরকা খোলে নেওয়া হয়েছে। সারা দেশেই বোরকা পরা মহিলাদের ভোটাধিকার প্রয়োগে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে। নরসিংদী-৩ আসনের পুটিয়া ইউনিয়নের সৈয়দনগর কেন্দ্রে ধানের শীষের পক্ষে জাল ভোট প্রদানের তথ্য পাওয়া গেছে, যা অবিলম্বে তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি রাখে।