শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ০২:২৯, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নাগরিক ভাবনা

মানুষ চায় শান্তি ও স্বস্তি

রুকনুজ্জামান অঞ্জন
প্রিন্ট ভার্সন
মানুষ চায় শান্তি ও স্বস্তি

দৃশ্যপট-০১ : রাজধানীর রূপনগর আবাসিক এলাকায় ভ্যানে সবজি বিক্রি করে সংসার চালায় দুলাল। নির্বাচনের পর কী প্রত্যাশা? এমন প্রশ্নের একটাই উত্তর আসে তার মুখ থেকে। ফাল্গুনের দুপুরে ঘাড়ের গামছায় কপালের ঘাম মুছে জবাব দেন, ‘আন্দোলন-ফান্দোলন মেলা অইছে, অহন এট্টু শান্তি চাই।’

দৃশ্যপট-০২ : নির্বাচনের পর এখনো ঢাকা জমে ওঠেনি। দীর্ঘ ছুটি পেয়ে বিভিন্ন পেশার মানুষ যারা বাড়ি গিয়েছিলেন, তারা ফিরছেন। ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে ঢাকায় ফেরা এমনই এক গার্মেন্টশ্রমিক সাইদুল জানান, ‘গত দেড় বছর মেলা গন্ডগোল অইছে। মানুষ পুড়াইয়াও মারছে। এইসব মব-টব দেখবার চাই না আর। দেশে শান্তি চাই।’

দৃশ্যপট-০৩ : রাজধানীর একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সহকারী শিক্ষিকা প্রিয়াঙ্কা একটু ভিন্নভাবে প্রশ্নের উত্তরটি দেন। তিনি বলেন, ‘গত দেড় বছর কোথাও কোনো শৃঙ্খলা ছিল না। রাজনৈতিক দলগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়িয়েছে। এমন কি নিজ প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদেরও কিছু বলতে পারিনি। শ্রেণিকক্ষে বিশৃঙ্খলা করলেও শাসন করতে পারিনি। সব সময় একটা ভয় ছিল। কী থেকে কী হয়ে যায়...। নির্বাচনের পর এই ভয়ের পরিবেশটা কেটে যাক। আমরা এখন শান্তি চাই, সবখানে শৃঙ্খলা চাই...।’

দৃশ্যপট-০৪ : অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান, পেশায় আয়কর আইনজীবী। রাজধানীর পল্টন থেকে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে তিনি বলেন, ‘গত দেড় বছর দেশের পরিস্থিতি এত নাজুক ছিল যে, মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খেয়েছে। বেশির ভাগ মানুষের আয় কমেছে। দেশের ব্যবসাবাণিজ্যে আস্থার পরিবেশ ছিল না। রাস্তাঘাট, কলকারখানা, এমন কি কর্মরত প্রতিষ্ঠানেও মানুষ নিরাপদ ছিল না। কে, কাকে, কখন, কী বলে- দোষারোপ করে, রাজনৈতিক বিভেদ ছড়িয়ে দেয়- সেই ভয় ছিল মানুষের মনে। এসব আমরা দেখতে চাই না। আমরা বাংলাদেশের মানুষ- শান্তি পছন্দ করি, আমরা স্বস্তিতে থাকতে চাই।’ মানুষগুলো ভিন্ন ভিন্ন, তাদের জীবন-জীবকা, পেশাও ভিন্ন। তবে চাওয়াটা এক। মানুষ চায় শান্তি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার দেশে একদলীয় স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা কয়েম করেছিল; রাষ্ট্রের প্রতিটি খাত ভেঙে পড়েছিল; নজিরবিহীন লুটপাট, ব্যাংক দখল এবং বেনামি ঋণের মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের অর্থ পাচার করা হয়েছে। খেলাপি ঋণের পরিমাণ রেকর্ড ছাড়িয়েছে এবং ব্যাংকিং খাতের ৮০ শতাংশ অর্থই বাইরে চলে গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দলীয়করণের ফলে স্বাস্থ্যসেবার মান মারাত্মকভাবে হ্রাস পায় এবং বাজেট বরাদ্দের একটি বড় অংশ দুর্নীতির কবলে পড়ে। শিক্ষাব্যবস্থায় অপ্রয়োজনীয় কারিকুলাম পরিবর্তন এবং দলীয় রাজনীতির প্রভাবে ব্যাপক অস্থিরতা ও বিপর্যয় দেখা দেয়। পরপর তিনটি বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অকার্যকর করে ফেলার অভিযোগ আন্তর্জাতিকভাবেও আলোচিত হয়। রাষ্ট্রের এই বিপর্যয় থেকে বাঁচতেই দেশের মানুষ দলমত নির্বিশেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়েছিল। সেই আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল এবার শান্তি ফিরে আসবে। তবে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর আবদুল বায়েস বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘একটি সরকারের স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাবের কারণে যখন রাষ্ট্র বিপর্যয়ে পড়ে- তখন দেশের মানুষ অপেক্ষায় থাকে একটি আহ্বানের। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অরাজনৈতিক ছাত্ররা যখন সেই আহ্বান জানাল, মানুষ তাৎক্ষণিক সেই আহ্বানে সাড়া দিল। দলমত, ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সবাই আন্দোলনে শরিক হলো। সরকার পতনের মধ্য দিয়ে সেই আন্দোলন সফল হওয়ার পর দেখা গেল, বিভক্তি আরও বেড়ে গেছে।’

বিশিষ্ট এই শিক্ষাবিদ জানান, সমাজে এত বেশি বিভক্তি আর কখনো দেখা যায়নি। দলে দলে, ধর্মে ধর্মে, সেই বিভেদ, হানাহানি আর ঘৃণা এত বেশি ছড়িয়ে গেল যে, মানুষ দলবেঁধে মাজার ভাঙল, ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারল...। কথায় কথায় মব ভায়োল্যান্সের মতো সহিংস ঘটনা ঘটতে লাগল। এই যে অনিশ্চয়তা, এটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করল অর্থনীতির। ব্যবসাবাণিজ্যে স্থবিরতার কারণে শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে গেল। একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী নতুন করে ৪০ লাখ লোক বেকার হলো। শুধু তাই নয়, ব্যবসাবাণিজ্য এমন কি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও সেই বিভেদ আর হানাহানি ছড়িয়ে দেওয়া হলো। কারও কারও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। হয়রানির উদ্দেশে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে কারও কারও নামে। শুধু কি ব্যবসায়ী, মিথ্যা অভিযোগে হয়রানির উদ্দেশে হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদেরও।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির সাবেক এই শিক্ষক বলেন, আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে যে স্বৈরতন্ত্র কায়েম হয়েছিল, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তা কমেনি। মানবাধিকার পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়নি। অনাচার আরও বেড়েছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মানুষের মধ্যে ভয়, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আর অনিশ্চয়তাও বেড়েছে। তবে এসব কিছুর পরও একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে পেরেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এখন দেশের মানুষ এই উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা আর অনিশ্চয়তা থেকে রেহাই পেতে চায়। তারা সবখানে, সর্বক্ষেত্রে শান্তির পরিবেশ চায়।

এই বিভাগের আরও খবর
পাম্প কর্মচারীদের পিটুনিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা নিহত
পাম্প কর্মচারীদের পিটুনিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা নিহত
ব্রিটেনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
ব্রিটেনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
ওলামা-মাশায়েখ ও এতিমদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী
ওলামা-মাশায়েখ ও এতিমদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি
তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি
কাস্টমস ও ব্যাংক খোলা রাখার দাবি রপ্তানিকারকদের
কাস্টমস ও ব্যাংক খোলা রাখার দাবি রপ্তানিকারকদের
ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শেষ কাল
ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শেষ কাল
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সত্যিকার অর্থে জনগণকেন্দ্রিক
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক সত্যিকার অর্থে জনগণকেন্দ্রিক
বিএনপি কার্যালয়ে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ
বিএনপি কার্যালয়ে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ
মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত
মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত
ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প
স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প
সর্বশেষ খবর
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর কোন দেশে কত মানুষ নিহত হয়েছেন?
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর কোন দেশে কত মানুষ নিহত হয়েছেন?

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন
ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন

১১ মিনিট আগে | নগর জীবন

মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া
১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

১৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে
হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ
উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ

৩৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ
পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি
বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি

৪১ মিনিট আগে | নগর জীবন

মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক
মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক

৪১ মিনিট আগে | নগর জীবন

বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত
বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

৪৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি
প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি

৪৪ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন
গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ
মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত
ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী
দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী

৫৭ মিনিট আগে | জাতীয়

চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ
চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান
কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার
বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ ঈদ যাত্রায় যত চ্যালেঞ্জ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে
নিরাপদ ঈদ যাত্রায় যত চ্যালেঞ্জ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইয়াবা চিবিয়ে খেয়ে যুবকের মৃত্যু
ইয়াবা চিবিয়ে খেয়ে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সমন্বিত আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
সমন্বিত আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানি নাগরিকদের ঘরে থাকার আহ্বান, নতুন সতর্ক বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানি নাগরিকদের ঘরে থাকার আহ্বান, নতুন সতর্ক বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? যা জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? যা জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা উত্তর সিটির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বরখাস্ত
ঢাকা উত্তর সিটির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বরখাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জবি উপাচার্যের প্রতি অনাস্থা ও পদত্যাগের দাবি ইউট্যাবের
জবি উপাচার্যের প্রতি অনাস্থা ও পদত্যাগের দাবি ইউট্যাবের

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বাংলাদেশের সামনে উজবেকিস্তান আর কঠিন সমীকরণ
বাংলাদেশের সামনে উজবেকিস্তান আর কঠিন সমীকরণ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পরিস্থিতি খারাপ হলে প্রবাসীদের দেশে আনার প্রস্তুতি রয়েছে: আরিফুল হক
পরিস্থিতি খারাপ হলে প্রবাসীদের দেশে আনার প্রস্তুতি রয়েছে: আরিফুল হক

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

আপনাদের দ্বারে দ্বারে আমি আসব, কাউকে ঢাকা যেতে হবে না: এস এম জিলানী
আপনাদের দ্বারে দ্বারে আমি আসব, কাউকে ঢাকা যেতে হবে না: এস এম জিলানী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?
ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প
বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়
ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'
হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান
যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা
ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা
সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির
ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী
রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?
ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!
ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি
হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি
ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ
নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?
‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...
ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’
তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব
শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা
ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?
সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত
তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?
ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তুলকালাম
তেল নিয়ে তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থামছে না ভেজালের কারবার
থামছে না ভেজালের কারবার

পেছনের পৃষ্ঠা

হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র
হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা
স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম
ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম

মাঠে ময়দানে

যানজট শঙ্কা মহাসড়কে
যানজট শঙ্কা মহাসড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি
বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি

নগর জীবন

রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ
রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প
স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা

নগর জীবন

সদকাতুল ফিতর ও জাকাত
সদকাতুল ফিতর ও জাকাত

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র

প্রথম পৃষ্ঠা

৬০০ লাশের কী পরিচয়
৬০০ লাশের কী পরিচয়

প্রথম পৃষ্ঠা

উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন
উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত
মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত

দেশগ্রাম

অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না
অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত
মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি
ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের
ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের

মাঠে ময়দানে

শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান
শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর
বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর

খবর

সংশোধন
সংশোধন

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি
তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি

পেছনের পৃষ্ঠা

সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক
সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক

পূর্ব-পশ্চিম

নারী অধিকার নিয়ে শাবানা
নারী অধিকার নিয়ে শাবানা

শোবিজ

সামনে পাকিস্তান সিরিজ
সামনে পাকিস্তান সিরিজ

মাঠে ময়দানে