শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০০:৩০, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬

ড. ইউনূসের ঘোষণার এক বছর

১৪ লাখ রোহিঙ্গার ভবিষ্যৎ কী

দেশে ফেরার স্বপ্ন কি অধরাই থেকে যাবে
হাসানুর রশীদ, কক্সবাজার
প্রিন্ট ভার্সন
১৪ লাখ রোহিঙ্গার ভবিষ্যৎ কী

‘সামনের ঈদ রোহিঙ্গারা নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে গিয়ে উদ্‌যাপন করবেন’-এমন স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে পাশে বসিয়ে এমন আশার বার্তা দেওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মেয়াদও শেষ হয়েছে, কিন্তু কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে নিজ দেশে ফেরার অপেক্ষা শেষ হয়নি রোহিঙ্গাদের।

গেল বছর রমজানে (১৪ মার্চ) রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতার করতে গিয়ে এ কথা বলেছিলেন ড. ইউনূস। এরপর রোহিঙ্গারা আশায় বুক বাঁধলেও শুরু হয়নি একজন রোহিঙ্গারও প্রত্যাবাসন। উল্টো প্রায় প্রতিদিন রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গ্রহণযোগ্যতা, নোবেলজয়ী পরিচিতি ও কূটনৈতিক তৎপরতা সব মিলিয়ে তাঁর এমন অঙ্গীকারে উখিয়া ও টেকনাফের আশ্রয়শিবিরে তৈরি হয়েছিল নতুন প্রত্যাশা।

এরপর সময় গড়িয়েছে। ড. ইউনূস সরকারের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটছে। সামনে ঈদও এসে গেছে। কিন্তু রোহিঙ্গারা বন্দি রয়ে গেছে ঠিক কাঁটাতারের শরণার্থী শিবিরে। ২০১৭ সালে রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা আট বছরেও প্রত্যাবাসনের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখেনি। তবে স্বাভাবিকভাবেই তাদের সংখ্যা বেড়েছে; যা ইউএনএইচসিআরের হিসাবে প্রায় ১২ লাখ হলেও বেসরকারি হিসাবে ১৪ লাখের কাছাকাছি। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো.   মিজানুর রহমান বলেন, ‘মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও চলমান সংঘাত এখনো কোনো স্থায়ী সমাধানের দিকে এগোয়নি। এ কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় জটিলতা রয়ে গেছে।’ তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রোহিঙ্গাসংকট মোকাবিলায় যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতা বর্তমান সরকারও বজায় রাখবে। বিশেষ করে রোহিঙ্গাবিষয়ক দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বর্তমানে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আগে শুরু করা প্রক্রিয়াগুলো অব্যাহত রাখবেন বলেই বিশ্বাস করা হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকার তাদের সীমিত সময়ের মধ্যেও রোহিঙ্গাসংকট আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দৃশ্যমান করেছে দাবি করে মিজানুর রহমান বলেন, ‘জাতিসংঘে একটি স্পেশাল কনফারেন্স হয়েছে। বাংলাদেশে তিন দিনের একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের নজরে বিষয়টি আনা হয়েছে। বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি এসেছেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আবার এ নিয়ে সম্পৃক্ততা শুরু হয়েছে এটা বড় বিষয়। রোহিঙ্গাসংকট আন্তর্জাতিক ফোরামে অনেকটাই গুরুত্ব হারিয়ে ফেলেছিল। ইস্যুটা আবার আলোচনায় আনার চেষ্টা করা হয়েছে।’ ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় লাখ লাখ রোহিঙ্গা। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়শিবির গড়ে উঠেছে কক্সবাজারে।

বাংলাদেশ বহুবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নিলেও নিরাপত্তা ও নাগরিকত্ব নিশ্চয়তা না থাকায় তা সফল হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারে বিদায়ের পর ইউনূস সরকার স্বপ্ন দেখালেও শুরু করতে পারেনি কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাবাসন। কিন্তু নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রত্যাবাসন নিয়ে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের মাঝে। তারা আশা করছে শিগগিরই নাগরিকত্ব, নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে স্বদেশে ফিরতে পারবে।

ক্যাম্প-১৮-এর বাসিন্দা আবদুল হাই বলেন, ‘১৯৯১-৯২ সালে বিএনপি সরকার রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন করিয়েছিল। বর্তমান বিএনপি সরকারও অতীতের মতো উদ্যোগ নিয়ে তাদের নিরাপত্তার সঙ্গে স্বদেশে ফেরত পাঠাবে বলে আশা করছি।’

উখিয়ার ক্যাম্প-১৬-এর বাসিন্দা করিম আলী বলেন, ‘ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় আমরা নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে অনেক আশাবাদী ছিলাম। তবে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বর্তমানে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসায় আমরা নতুন করে আশা করছি, একটি নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হবে।’

উখিয়ার কুতুপালং শিবিরে বসবাসরত আবদুস সালাম বলেন, ‘ড. ইউনূসের আশ্বাসে আমরা সত্যিই প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। মনে হয়েছিল এবার হয়তো সত্যি ফিরব। কিন্তু সেই আশা পূরণ হলো না।’

‘ইউনাইটেড কাউন্সিল ফর রোহিঙ্গা’র প্রেসিডেন্ট সৈয়দ উল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের জন্য কোনো জাতীয় নীতিমালা নেই। প্রতিনিধিত্বমূলক অন্তর্ভুক্তি ছাড়া এ সংকটের সমাধান সম্ভব নয়।’

উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক দাঙ্গা, সংঘাত ও সামরিক অভ্যুত্থানের কারণে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপন এখন অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়েছে। প্রত্যাবাসনের সবচেয়ে বড় বাধা হলো রাখাইনের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা। সেখানে কোনো বৈধ, কার্যকর সরকার নেই। এ অবস্থায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন বাস্তবসম্মতভাবে অনিশ্চিত।’ রোহিঙ্গাসংশ্লিষ্টদের মতে বাস্তবতা এখন আরও জটিল। নতুন সরকারের সামনে রোহিঙ্গাসংকট আগের মতোই এক কঠিন বাস্তবতা। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত পরিস্থিতি প্রত্যাবাসনপ্রক্রিয়া কঠিন করে তুলেছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য রাজনৈতিক ঐকমত্য, জাতীয় নীতিমালা আর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়িয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে হবে। আর স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে বসবাস করছে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ১৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা নাগরিক। ইউএনএইচসিআরের তথ্যমতে ২০২৪ সালের শুরু থেকে নতুন করে সংঘাত ও নিপীড়নের কারণে আনুমানিক দেড় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে, যা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে।

 

এই বিভাগের আরও খবর
মধ্যপ্রাচ্যের চার রুটে স্থগিত বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্যের চার রুটে স্থগিত বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট
মিরপুরে স্পা সেন্টারে আগুন দুজনের মৃত্যু
মিরপুরে স্পা সেন্টারে আগুন দুজনের মৃত্যু
বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১৬ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১৬ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল
কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী
কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী
চার বেসরকারি ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষক নিয়োগ
চার বেসরকারি ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষক নিয়োগ
সন্দেহে মাদক কারবারের দ্বন্দ্ব ও পূর্বশত্রুতার জের
সন্দেহে মাদক কারবারের দ্বন্দ্ব ও পূর্বশত্রুতার জের
সংঘাত দীর্ঘ হলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে রেমিট্যান্সে
সংঘাত দীর্ঘ হলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে রেমিট্যান্সে
ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে মারধর ছিনতাই
ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে মারধর ছিনতাই
ইমিসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ
ইমিসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ
এনআইডি সংশোধন ফি বাড়ানোর প্রস্তাব
এনআইডি সংশোধন ফি বাড়ানোর প্রস্তাব
নওগাঁয় বসতবাড়িতে হামলা লুট
নওগাঁয় বসতবাড়িতে হামলা লুট
সর্বশেষ খবর
ঢাকায় ৪৭টি মাথার খুলি ও হাড়-কঙ্কালসহ গ্রেফতার ৪
ঢাকায় ৪৭টি মাথার খুলি ও হাড়-কঙ্কালসহ গ্রেফতার ৪

এই মাত্র | নগর জীবন

ইরানের আরেকটি স্কুলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত
ইরানের আরেকটি স্কুলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা বন্ধ, নোংরা পানির স্রোত সড়কে
বগুড়ায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা বন্ধ, নোংরা পানির স্রোত সড়কে

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়া
গোপালগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়া

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বেনাপোলে আমদানি নিষিদ্ধ পাটবীজ জব্দ
বেনাপোলে আমদানি নিষিদ্ধ পাটবীজ জব্দ

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
রাজধানীতে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

১৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারকারীরা দৈনিক পাবেন ৫ লিটার তেল
মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারকারীরা দৈনিক পাবেন ৫ লিটার তেল

৩৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

শাহজাহানপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
শাহজাহানপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

৩৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

গাজীপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ইফতার ও আলোচনা সভা
গাজীপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ইফতার ও আলোচনা সভা

৪০ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার
১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

৪০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীসহ ওয়াসার সাবেক এমডি আব্দুস সালামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
স্ত্রীসহ ওয়াসার সাবেক এমডি আব্দুস সালামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

এফএ কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি ম্যানসিটি–লিভারপুল
এফএ কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি ম্যানসিটি–লিভারপুল

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অনিশ্চয়তায় শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান সিরিজ
অনিশ্চয়তায় শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান সিরিজ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শাহজালালে ৩৬১ ফ্লাইট বাতিল
শাহজালালে ৩৬১ ফ্লাইট বাতিল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, টিঅ্যান্ডটি মাঠে জনতার ঢল
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, টিঅ্যান্ডটি মাঠে জনতার ঢল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনএসইউ সোশ্যাল সার্ভিস ক্লাবের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ
এনএসইউ সোশ্যাল সার্ভিস ক্লাবের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আইফোন ও টাকার লোভে কলেজছাত্রকে হত্যা, গ্রেফতার ২
আইফোন ও টাকার লোভে কলেজছাত্রকে হত্যা, গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মনপুরায় অসহায় মরিয়মের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
মনপুরায় অসহায় মরিয়মের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ইফতারে শসার স্বাস্থ্যকর সালাদ
ইফতারে শসার স্বাস্থ্যকর সালাদ

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

লাস ভেগাসে ‘মেটালিকা’ ব্যান্ডের ২৪ কনসার্ট
লাস ভেগাসে ‘মেটালিকা’ ব্যান্ডের ২৪ কনসার্ট

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সূচকের বড় উত্থানে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন
সূচকের বড় উত্থানে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কিউবা দখলের ব্যাপারে যা জানালেন ট্রাম্প
কিউবা দখলের ব্যাপারে যা জানালেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছেই, বাংলাদেশের সামনে কী ঝুঁকি?
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছেই, বাংলাদেশের সামনে কী ঝুঁকি?

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টাঙ্গাইল কমিউনিটি ইন পর্তুগালের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল
টাঙ্গাইল কমিউনিটি ইন পর্তুগালের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

আজ যেসব এলাকায় দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড
আজ যেসব এলাকায় দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিয়াল মাদ্রিদের চোটের তালিকায় নতুন নাম কাররেয়াস
রিয়াল মাদ্রিদের চোটের তালিকায় নতুন নাম কাররেয়াস

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সিলেটে পেট্রোল পাম্পে হামলার প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক
সিলেটে পেট্রোল পাম্পে হামলার প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হারানো লাগেজ খুঁজে পেতে নতুন ফিচার আনল গুগল
হারানো লাগেজ খুঁজে পেতে নতুন ফিচার আনল গুগল

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার
গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়
প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল
হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)
যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের
সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি
যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল
হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি
ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা
বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে
পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে
যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট
তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী
কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী

পেছনের পৃষ্ঠা