শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ০৪ মার্চ, ২০২৬

স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদন- শেষ

তথ্য ছিল না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী-গোয়েন্দার কাছে

বিদ্যুৎসহ সেবা সংস্থার নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন
সাখাওয়াত কাওসার
প্রিন্ট ভার্সন
তথ্য ছিল না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী-গোয়েন্দার কাছে

পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের মহা আয়োজন থাকলেও গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর কাছে ছিটেফোঁটা তথ্যও ছিল না। অন্ধকারে ছিল তৎকালীন বিডিআর (বাংলাদেশ রাইফেলস) এর নিজস্ব গোয়েন্দা সংস্থাও। শুধু তাই নয়, হত্যাযজ্ঞ চলাকালীন পুরো ৩৬ ঘণ্টা বিদুৎসহ অন্যান্য সেবা সংস্থার ভূমিকা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।

অন্যদিকে, জিম্মিদের পরিস্থিতি না জেনেই বিদ্রোহীদের সঙ্গে আলোচনায় বসে সরকারের শীর্ষ মহল। জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বিদ্রোহের আগে বিডিআর সদস্যদের বিতরণ করা লিফলেটে সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি হুমকি ছিল। ২১ ফেব্রুয়ারি সদর দপ্তরের ভিতরে এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি ফার্মগেটে থেকে একই লিফলেট উদ্ধার হয়। তবু হুমকিকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো লিফলেট সম্পর্কে অবগত থাকলেও করণীয় বিষয়ে কার্যকর পরামর্শ দেয়নি। আরেকটি প্রভাবশালী সংস্থার কোনো কার্যক্রম ছিল না প্যারামিলিটারি ফোর্সে ওপর। তবে ২০০৯ সালের জাতীয় কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়, এনএসআই লিফলেটটি হাতে পেয়েছিল। পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) কোনো আগাম সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেনি।

সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর বক্তব্যে দেখা যায়, ২৫ ফেব্রুয়ারির বিদ্রোহ সম্পর্কে লিফলেটের হুমকি ছাড়া তাদের কাছে নির্দিষ্ট কোনো আগাম তথ্য ছিল না। তবে তদন্ত নথিতে মন্তব্য করা হয়েছে বিডিআরের মতো একটি বাহিনীতে এমন পরিকল্পনা চললেও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সম্পূর্ণ অজ্ঞ ছিল। এ দাবি গ্রহণযোগ্য নয়।

বিডিআরের নিজস্ব গোয়েন্দা ইউনিট (আরএসইউ) পরিকল্পনার কোনো আভাস পায়নি। তদন্তে বলা হয়েছে, অন্তত দুই মাস আগে পরিকল্পনা শুরু হলেও আরএসইউ তা ধরতে ব্যর্থ হয়। দরবার শুরুর আগেই অস্ত্রাগার দখল হলেও তাদের কোনো পূর্বাভাস ছিল না। এটিকে চরম অদক্ষতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আরএসইউর কর্মকর্তারা অন্ধকারে থাকলেও তাদের অধস্তনরা বিদ্রোহ সম্পর্কে অবগত ছিল। একই সঙ্গে তাদের অনেকেই বিদ্রোহে অংশ নিয়েছে।

সিদ্ধান্তহীনতা ও প্যারালাল কমান্ড : প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেড দ্রুত পিলখানার কাছাকাছি পৌঁছায়। কিন্তু তাদের ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও পাল্টা গুলি চালানোর নির্দেশ মেলেনি। আনুষ্ঠানিক কমান্ড চ্যানেলের বাইরে মৌখিক নির্দেশ ও প্যারালাল কমান্ডের প্রভাব পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। রাজনৈতিক সমাধানের নামে সময়ক্ষেপণ চলতে থাকে। এই সময়ের মধ্যে পিলখানার অভ্যন্তরে চলতে থাকে নারকীয় হত্যাকাণ্ড। লাশ গুম ও আলামত ধ্বংসের সুযোগ তৈরি হয়।

র‌্যাব ও পুলিশ ভিতরে প্রবেশের অনুমতি না পেয়ে বাইরে অবস্থান নেয়। র‌্যাব-২ ও র‌্যাব-৩-এর দল ঘটনাস্থলের কাছে থাকলেও অভিযান চালানো হয়নি। তৎকালীন কোম্পানি কমান্ডার ক্যাপ্টেন রেজাউল করিম নিউমার্কেট গেটে গুলি করলে তাকে তাৎক্ষণিক স্ট্যান্ড রিলিজ করেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল রেজানুর খান। কিছুদিন পর তাকেসহ মোট পাঁচজন সেনা কর্মকর্তাকে গুম করা হয়।

বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রাখা হয় : ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত আটটার পর পিলখানার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। তদন্তে উল্লেখ আছে, বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে এর স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় ভিতরে অপরাধ সংঘটনের সুযোগ আরও বেড়েছিল বলে নথিতে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিদ্রোহীদের প্রতিনিধি দল গেলে তাদের পরিচয় লিপিবদ্ধ করা হয়নি এ অভিযোগও রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এ ধরনের ঘাটতিকে দায়িত্বহীনতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিকল্পিত হামলা, পরবর্তী বিচার : তদন্ত বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, অস্ত্রাগার দখল, দরবারে হামলা, সমন্বিত আক্রমণ সব মিলিয়ে এটি ছিল সুপরিকল্পিত। ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। ২৭৮ জন খালাস পান। বিচারকালীন চার আসামি মারা যান। নথিপত্রের এসব পর্যবেক্ষণ গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা কাঠামোর সক্ষমতা, সমন্বয় এবং সেবা সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

প্রসঙ্গত ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস (বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সদর দপ্তরে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন নিহত হন। গণ অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্যউন্মোচনে দীর্ঘ ১৬ বছর পর অন্তর্র্বর্তী সরকারের উদ্যোগে গঠিত হয় জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন। গত ৩০ নভেম্বর কমিশনের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান অন্য সদস্যরা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন।

 

এই বিভাগের আরও খবর
মধ্যপ্রাচ্যের চার রুটে স্থগিত বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট
মধ্যপ্রাচ্যের চার রুটে স্থগিত বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট
মিরপুরে স্পা সেন্টারে আগুন দুজনের মৃত্যু
মিরপুরে স্পা সেন্টারে আগুন দুজনের মৃত্যু
বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১৬ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ১৬ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল
কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী
কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী
চার বেসরকারি ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষক নিয়োগ
চার বেসরকারি ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষক নিয়োগ
সন্দেহে মাদক কারবারের দ্বন্দ্ব ও পূর্বশত্রুতার জের
সন্দেহে মাদক কারবারের দ্বন্দ্ব ও পূর্বশত্রুতার জের
সংঘাত দীর্ঘ হলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে রেমিট্যান্সে
সংঘাত দীর্ঘ হলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে রেমিট্যান্সে
ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে মারধর ছিনতাই
ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে মারধর ছিনতাই
ইমিসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ
ইমিসহ তিনজনের জামিন আবেদন নাকচ
এনআইডি সংশোধন ফি বাড়ানোর প্রস্তাব
এনআইডি সংশোধন ফি বাড়ানোর প্রস্তাব
নওগাঁয় বসতবাড়িতে হামলা লুট
নওগাঁয় বসতবাড়িতে হামলা লুট
সর্বশেষ খবর
প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, কথা রেখেছি: মির্জা ফখরুল
প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, কথা রেখেছি: মির্জা ফখরুল

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

টঙ্গীতে ককটেল নিক্ষেপ ও হত্যার হুমকি, গ্রেফতার হয়নি দুর্বৃত্তরা
টঙ্গীতে ককটেল নিক্ষেপ ও হত্যার হুমকি, গ্রেফতার হয়নি দুর্বৃত্তরা

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকায় ৪৭টি মাথার খুলি ও হাড়-কঙ্কালসহ গ্রেফতার ৪
ঢাকায় ৪৭টি মাথার খুলি ও হাড়-কঙ্কালসহ গ্রেফতার ৪

২৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইরানের আরেকটি স্কুলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত
ইরানের আরেকটি স্কুলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা বন্ধ, নোংরা পানির স্রোত সড়কে
বগুড়ায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা বন্ধ, নোংরা পানির স্রোত সড়কে

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়া
গোপালগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প বিষয়ক মহড়া

৩৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বেনাপোলে আমদানি নিষিদ্ধ পাটবীজ জব্দ
বেনাপোলে আমদানি নিষিদ্ধ পাটবীজ জব্দ

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
রাজধানীতে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

৩৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারকারীরা দৈনিক পাবেন ৫ লিটার তেল
মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারকারীরা দৈনিক পাবেন ৫ লিটার তেল

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শাহজাহানপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
শাহজাহানপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গাজীপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ইফতার ও আলোচনা সভা
গাজীপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ইফতার ও আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার
১১টি অত্যাধুনিক ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি ৩৩০ মিলিয়ন ডলার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীসহ ওয়াসার সাবেক এমডি আব্দুস সালামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
স্ত্রীসহ ওয়াসার সাবেক এমডি আব্দুস সালামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এফএ কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি ম্যানসিটি–লিভারপুল
এফএ কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি ম্যানসিটি–লিভারপুল

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অনিশ্চয়তায় শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান সিরিজ
অনিশ্চয়তায় শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান সিরিজ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালি দখলে নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শাহজালালে ৩৬১ ফ্লাইট বাতিল
শাহজালালে ৩৬১ ফ্লাইট বাতিল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, টিঅ্যান্ডটি মাঠে জনতার ঢল
ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, টিঅ্যান্ডটি মাঠে জনতার ঢল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনএসইউ সোশ্যাল সার্ভিস ক্লাবের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ
এনএসইউ সোশ্যাল সার্ভিস ক্লাবের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আইফোন ও টাকার লোভে কলেজছাত্রকে হত্যা, গ্রেফতার ২
আইফোন ও টাকার লোভে কলেজছাত্রকে হত্যা, গ্রেফতার ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মনপুরায় অসহায় মরিয়মের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
মনপুরায় অসহায় মরিয়মের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ইফতারে শসার স্বাস্থ্যকর সালাদ
ইফতারে শসার স্বাস্থ্যকর সালাদ

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

লাস ভেগাসে ‘মেটালিকা’ ব্যান্ডের ২৪ কনসার্ট
লাস ভেগাসে ‘মেটালিকা’ ব্যান্ডের ২৪ কনসার্ট

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সূচকের বড় উত্থানে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন
সূচকের বড় উত্থানে পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কিউবা দখলের ব্যাপারে যা জানালেন ট্রাম্প
কিউবা দখলের ব্যাপারে যা জানালেন ট্রাম্প

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছেই, বাংলাদেশের সামনে কী ঝুঁকি?
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছেই, বাংলাদেশের সামনে কী ঝুঁকি?

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টাঙ্গাইল কমিউনিটি ইন পর্তুগালের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল
টাঙ্গাইল কমিউনিটি ইন পর্তুগালের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

আজ যেসব এলাকায় দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড
আজ যেসব এলাকায় দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিয়াল মাদ্রিদের চোটের তালিকায় নতুন নাম কাররেয়াস
রিয়াল মাদ্রিদের চোটের তালিকায় নতুন নাম কাররেয়াস

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?
বিশ্বাসঘাতক জেনারেলকে ফাঁসি দিল ইরান?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান
ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের দূত বহিষ্কার করলে হরমুজ প্রণালিতে বাধা দেবে না ইরান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনকলে ইরান নিয়ে কী কথা বললেন পুতিন

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: ভারত থেকে ‘উধাও’ ৩১ লাখ কোটি রুপি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার
গোপনে ইরান থেকে তেল আমদানি, এখন বিপাকে মিয়ানমার

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান যুদ্ধ শেষ কয়েক দিনের মধ্যে, ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়
প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলার খরচ : যুদ্ধ নিয়ে মহাবিপদে ট্রাম্প খুঁজছে বাঁচার উপায়

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের
ইরান যুদ্ধকে ‘সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ’ বলে মন্তব্য ট্রাম্পের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ
ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে এমন বিপদে ফেলেছে, যা আগে পারেনি কেউ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না, স্পষ্ট বার্তা আমিরাতের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?
বিপজ্জনক পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র: খামেনি শেষ, পরের টার্গেট কি কিম জং উন?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা
নজিরবিহীন বিপর্যয়ে ইসরায়েলের উদ্ধারকারীরা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর
সৌদি আরব থেকে এলো মার্কিন সেনার মৃত্যুর খবর

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল
হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা গোপন করছে ইসরায়েল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)
যুদ্ধ থামানোর ডাক: নিউ ইয়র্কে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদ (দেখুন ছবিতে)

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের
ক্ষেপণাস্ত্রের আকাশসীমা লঙ্ঘন, ইরানকে কড়া বার্তা এরদোয়ানের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি
বিশ্বকাপের সেরা একাদশ প্রকাশ করল আইসিসি

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের
সাইপ্রাসে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন তুরস্কের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি
যুদ্ধের সময়সীমা ঠিক করবে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র নয়: আইআরজিসি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি
ইরানি ড্রোন মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রসহ ১১ দেশ ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে : জেলেনস্কি

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র
ইসরায়েল-আমেরিকার হামলার মধ্যেই তেহরানের রাস্তা জনসমুদ্র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া
ইরানের পাঁচ নারী ফুটবলারকে আশ্রয় দিলো অস্ট্রেলিয়া

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল
হামলায় অবৈধভাবে ‘সাদা ফসফরাস’ ছুড়েছে ইসরায়েল

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা
বাবার চেয়েও কঠোর মোজতবাকে বেছে নেওয়ার পেছনে যে কারণ : ইসরায়েল-আমেরিকার গলায় কাঁটা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব
ইরানি মিসাইলে আরবদের ঘুম হারাম, অনিশ্চিত পথে বিশ্ব

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর
ইরান যুদ্ধ থেকে প্রচুর লাভ হবে যুক্তরাষ্ট্রের: সিনেটর

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?
ইরানের পতন হলে পুতিন টিকবেন তো?

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে
পুলিশের ৫ অতিরিক্ত আইজিপি বাধ্যতামূলক অবসরে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের কাছাকাছি, বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন
দুদকের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ আলী হোসাইন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ
মনসুর ছাড়া কোনো গভর্নরই নেননি সিএসআরের অর্থ

প্রথম পৃষ্ঠা

যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ
যাত্রা করছে অনেক চমকের সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান
স্মরণকালের বৃহৎ অভিযান

প্রথম পৃষ্ঠা

৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
৬১ জনের ৪৪৫ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা
যুদ্ধে যাওয়ার সময় সঙ্গে ছিল মায়ের দেওয়া ৫ টাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি
শিগগিরই ফেরত আনা হবে হাদি হত্যার আসামি

প্রথম পৃষ্ঠা

মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’
মিডিয়ার প্রেশারেই ‘জজ মিয়া নাটক’

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রস্তুত

পেছনের পৃষ্ঠা

বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...
বলিউড তারকাদের অন্যরকম গল্প...

শোবিজ

রমজান নিয়ে দিলারা জামান
রমজান নিয়ে দিলারা জামান

শোবিজ

মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন
মিলছে না তেল কমে গেছে যানবাহন

নগর জীবন

মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন
মৃত্যুঝুঁকিতে প্রবাসীরা আতঙ্কে স্বজন

প্রথম পৃষ্ঠা

রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা
রুনা লায়লার কৃতজ্ঞতা

শোবিজ

তিন সিটি নির্বাচন কবে?
তিন সিটি নির্বাচন কবে?

পেছনের পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি
ওয়ানডে সিরিজে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

মাঠে ময়দানে

ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি
ঢালিউডে সফল যত রিমেক ছবি

শোবিজ

শিরোপার জয়জয়কার ভারতের
শিরোপার জয়জয়কার ভারতের

মাঠে ময়দানে

শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা
শূন্য হাতে ফিরছেন মেয়েরা

মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে
যুদ্ধ এবার তেল নিয়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ
নিউক্যাসলের মাঠে বার্সেলোনার চ্যালেঞ্জ

মাঠে ময়দানে

জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে
জাকাত ব্যবস্থাপনা কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা
রমজানে রসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাধনার স্মৃতি ও শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

সোনার দাম আবারও কমল
সোনার দাম আবারও কমল

পেছনের পৃষ্ঠা

তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট
তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট

প্রথম পৃষ্ঠা

ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট
ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ অস্ত্র লুট

প্রথম পৃষ্ঠা

দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ
দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দেশগ্রাম

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অসহনীয় বোঝা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশে কোনো তেলের সংকট নেই
দেশে কোনো তেলের সংকট নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী
কান থেকে দুল ছিঁড়ে নিয়ে গেল ছিনতাইকারী

পেছনের পৃষ্ঠা