শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০০:২৭, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬

চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা

অকেজো লাখ লাখ নলকূপ, শুকিয়ে গেছে নদী-খাল, অনেক এলাকায় বন্ধ কৃষিকাজ
শামীম আহমেদ
প্রিন্ট ভার্সন
চরম হুমকিতে পানি নিরাপত্তা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের ধরমণ্ডল গ্রামের রুহুল আমিন চৌধুরী এক দশক আগে খাবার পানি ও সেচের জন্য দুটি গভীর নলকূপ বসিয়েছিলেন। একটি বাড়িতে। আরেকটি চাষাবাদের জন্য জমিতে। চার বছর আগে সেটি দিয়ে পানি ওঠা বন্ধ হয়ে যায়। পরে সাবমার্সিবল পাম্প যুক্ত করেন। তিন বছর পানি উঠলেও এখন আর উঠছে না। একই গ্রামের খসরু চৌধুরীর দুই বছর আগে বসানো পাম্পেও পানি ওঠে না। নিচে নেমে গেছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর। পাশের বলভদ্র নদীটি শুকিয়ে চৌচির। পরিণত হয়েছে খালে। বন্ধ হয়ে গেছে ইরি আবাদ। বাড়ির নলকূপে পানি না ওঠায় দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির তীব্র সংকট। আগে যেখানে ৭০ থেকে ৮০ ফুট গভীর থেকে নির্বিঘ্নে পানি উঠত। এখন সেখানে ১৫০-২০০ ফুট গভীর থেকে পানি তুলতে হচ্ছে। এ জাতীয় পাম্পগুলোও কতদিন সচল থাকে তার নিশ্চয়তা নেই। শুধু গ্রাম নয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের বেশির ভাগ বাসাবাড়ির নলকূপেও পানি উঠছে না। এ চিত্র এখন দেশের বহু জেলার। ভূপৃষ্ঠের পানির উৎস কমছে, ভূগর্ভস্থ স্তর নামছে- দুই দিক থেকেই চাপে বাংলাদেশ। অচল হয়ে পড়েছে লাখো নলকূপ। ফেনীতে ১ লাখ ৬৭ হাজার নলকূপে পানি উঠছে না বলে জানিয়েছে স্থানীয় জনস্বাস্থ্য বিভাগ। সুনামগঞ্জের ছাতকে ১৮ হাজার নলকূপের মধ্যে প্রায় ১২ হাজার অকেজো। যশোরের কেশবপুরে এ বছরই পানির স্তর ৩-৪ ফুট নিচে নেমেছে। গত ২৮ অক্টোবর গেজেট প্রজ্ঞাপনে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার ১৫৩টি ইউনিয়ন ও ৭২টি মৌজাকে পানি সংকটাপন্ন ঘোষণা করা হয়। সরকারি হিসাবে রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর ২৫টি উপজেলার ৪৭টি ইউনিয়ন অতি উচ্চ, ৪০টি উচ্চ এবং ৬৬টি মধ্যম মাত্রার সংকটে রয়েছে। ২০২২ সালে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ৪৬৫টি অগভীর পর্যবেক্ষণ কূপের ৪০ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে জানায়, দেশের দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর গড়ে বছরে ১ থেকে ৩ মিটার পর্যন্ত নিচে নামছে। ঢাকায় ১৯৯৬ সালে পানির স্তর ছিল ২৫ মিটার গভীরে। ২০১০ সালে ৬০ মিটার, আর ২০২৪ সালে ৮৬ মিটারে নেমেছে। অর্থাৎ অনেক এলাকায় এখন প্রায় ২৮২ ফুট গভীরে পাইপ নামাতে হচ্ছে।

ঢাকা ওয়াসা প্রতিদিন ২৯০-৩০০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করে, যার প্রায় ৭০ শতাংশই ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে। কৃষি খাতে ব্যবহৃত পানির ৬৫-৭০ শতাংশও আসে ভূগর্ভ থেকে। ঢাকার চারপাশে নদী থাকলেও দূষণের কারণে সেগুলোর পানি ব্যবহার অনুপযোগী। গাজীপুরে প্রায় তিন হাজার পোশাক কারখানার চাহিদা মেটাতে গভীর নলকূপের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে; অনেক এলাকায় প্রতি বছর ৪-৫ ফুট পর্যন্ত পানির স্তর নামছে। কাগজে-কলমে দেশে ১ হাজার ৪০০-এর বেশি নদী থাকলেও বাস্তবে দুই-তৃতীয়াংশই অস্তিত্বহীন বা মৃতপ্রায়। ২৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথের মধ্যে বর্ষায় সচল থাকে প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার; এর বড় অংশের গভীরতা দেড় মিটারেরও কম। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)-এর স্যাটেলাইট বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৮ বছরে ঢাকা অঞ্চলের ৮৫ শতাংশ জলাভূমি হারিয়েছে। ফলে প্রাকৃতিক পুনর্ভরণ ভেঙে পড়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণাঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও উজানের প্রবাহ কমে যাওয়ায় লবণাক্ততা বাড়ছে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পানি সম্পদ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিকা ইউনূস বলেন, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নেমে যাওয়া, নদ-নদীর নাব্য ও প্রবাহ কমে আসা, শিল্পদূষণ ও লবণাক্ততার বিস্তার- সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ধীরে ধীরে এক গভীর সুপেয় পানির সংকটের দিকে এগোচ্ছে। রাজধানী থেকে গ্রামাঞ্চল, উত্তর-পশ্চিমের বরেন্দ্র অঞ্চল থেকে উপকূলীয় জেলা- প্রায় সর্বত্রই একই চিত্র : নলকূপে পানি উঠছে না, পুকুর-খাল শুকিয়ে যাচ্ছে, আর গভীর নলকূপের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে বিপজ্জনক হারে। জলাধার ভরাট ও কংক্রিটায়ন বাড়ায় বৃষ্টির পানি ভূগর্ভে ঢুকতে পারছে না। উত্তরবঙ্গের সেচ পুরোপুরি ভূগর্ভনির্ভর। বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে সেচ ব্যয় বাড়বে, কৃষি উৎপাদন কমবে, খাদ্যদাম ঊর্ধ্বমুখী হবে।

তিনি বলেন, পানি সংকট এখন কেবল পরিবেশ বা অবকাঠামোর ইস্যু নয়- এটি খাদ্যনিরাপত্তা, জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির প্রশ্ন। কার্যকর নীতি ও কঠোর বাস্তবায়ন ছাড়া দেশ সুপেয় পানির কঠিন সংকটে পড়বে।

পানির দামের ঊর্ধ্বগতিও সংকটের বার্তা দিচ্ছে। মরু দেশ সৌদি আরবে খুচরা বাজারে ১ লিটার বোতলজাত পানির দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৩২ থেকে ৯৭ টাকার সমপরিমাণ। বাংলাদেশে ১ লিটার বোতলজাত পানি ৩০ টাকা; পাঁচতারকা হোটেলসহ কিছু স্থানে ২০০ টাকাও নেওয়া হচ্ছে। ঢাকা ওয়াসা গত ১ মার্চ থেকে এটিএম বুথের পানির দাম লিটারে ২০ পয়সা বাড়িয়েছে; ২০২৩ সালের ১ আগস্টেও দ্বিগুণ করা হয়েছিল। খুলনা ওয়াসা ১ মার্চ থেকে ৫ শতাংশ দাম বাড়িয়েছে; গত ১০ বছরে আটবার মূল্য বাড়িয়েছে সংস্থাটি। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এ কে এম সাইফুল ইসলাম বলেন, পানি সংকট এখন ভবিষ্যতের শঙ্কা নয়, বর্তমান বাস্তবতা। দূষণের কারণে পানি বিশুদ্ধকরণ খরচও বাড়ছে। সমন্বিত জাতীয় পানি ব্যবস্থাপনা কৌশল জরুরি। অবিলম্বে নদী-খাল পুনরুদ্ধার ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ, শিল্পে পুনর্ব্যবহৃত পানি বাধ্যতামূলক, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কৃত্রিম পুনর্ভরণ, কৃষিতে সাশ্রয়ী সেচপ্রযুক্তি, পানি ব্যবহারে দরিদ্রদের জন্য লাইফলাইন ট্যারিফ চালু, ভূগর্ভের ওপর নির্ভরতা কমানো, শিল্প ও পয়োবর্জ্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তিনি আন্তসীমান্ত নদীর ন্যায্য হিস্সা নিয়ে দ্রুত আলোচনার তাগিদ দিয়ে বলেন, ফারাক্কা চুক্তি শেষের পথে। সরকারের খাল খনন উদ্যোগের প্রশংসা করে এই অধ্যাপক বলেন, একই সঙ্গে নদীর প্রবাহ না বাড়ালে খালগুলো পানি পাবে না।

এই বিভাগের আরও খবর
হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু
হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু
ভিজিটর ভিসার মেয়াদ শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে থাকা যাবে না
ভিজিটর ভিসার মেয়াদ শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে থাকা যাবে না
কাপাসিয়ায় পাঁচ নবজাতকসহ মা সুস্থ আছেন
কাপাসিয়ায় পাঁচ নবজাতকসহ মা সুস্থ আছেন
বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতেই এসআইআর করা হয়েছে
বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতেই এসআইআর করা হয়েছে
রাজধানীর দুই খাল পুনরুদ্ধারে ১২০০ কোটির প্রকল্প
রাজধানীর দুই খাল পুনরুদ্ধারে ১২০০ কোটির প্রকল্প
চাঁদাবাজদের নিরপেক্ষ তালিকা করছে র‌্যাব দ্রুতই অভিযান
চাঁদাবাজদের নিরপেক্ষ তালিকা করছে র‌্যাব দ্রুতই অভিযান
পাচারকালে চার ভিকটিম উদ্ধার
পাচারকালে চার ভিকটিম উদ্ধার
ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশির মৃত্যুতে ফিলিস্তিনের নিন্দা
ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশির মৃত্যুতে ফিলিস্তিনের নিন্দা
ঋণখেলাপিদের তথ্য চায় ইসি
ঋণখেলাপিদের তথ্য চায় ইসি
পুলিশের কেউ অপরাধ করলে ছাড় নয়
পুলিশের কেউ অপরাধ করলে ছাড় নয়
দুই অধ্যাদেশ বাতিল দেশকে ভয়ানক পরিস্থিতিতে ফেলবে
দুই অধ্যাদেশ বাতিল দেশকে ভয়ানক পরিস্থিতিতে ফেলবে
মার্চে সড়কে ঝরল ৫৩২ প্রাণ বেশি মোটরসাইকেলে
মার্চে সড়কে ঝরল ৫৩২ প্রাণ বেশি মোটরসাইকেলে
সর্বশেষ খবর
সিলেটে একদিনে আরও ৩৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি
সিলেটে একদিনে আরও ৩৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি

এই মাত্র | চায়ের দেশ

নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিবার পেল ৫০ লাখ টাকা
নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিবার পেল ৫০ লাখ টাকা

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দায়িত্ব গ্রহণের ২৮ দিন পর যা জানালেন কুমিল্লা সিটি প্রশাসক
দায়িত্ব গ্রহণের ২৮ দিন পর যা জানালেন কুমিল্লা সিটি প্রশাসক

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাংনীতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন
গাংনীতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরগুনায় আরও ১০ জনের হাম উপসর্গ, হেল্পডেস্ক উদ্বোধন
বরগুনায় আরও ১০ জনের হাম উপসর্গ, হেল্পডেস্ক উদ্বোধন

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

৩৩ মিনিট আগে | শোবিজ

২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা
২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাঙ্গাইলে আর্থিক অনুদান ও প্রকল্পের চেক বিতরণ
টাঙ্গাইলে আর্থিক অনুদান ও প্রকল্পের চেক বিতরণ

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেহেরপুরে মুখোমুখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত
মেহেরপুরে মুখোমুখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নদীতে ফুল ভাসিয়ে শুরু হলো ‘বিজু উৎসব’
নদীতে ফুল ভাসিয়ে শুরু হলো ‘বিজু উৎসব’

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খাগড়াছড়ির চেঙ্গি নদীতে ফুল ভাসিয়ে ‘ফুল বিজু’ উদযাপন
খাগড়াছড়ির চেঙ্গি নদীতে ফুল ভাসিয়ে ‘ফুল বিজু’ উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে: এমপি বাবুল
নির্বাচনি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে: এমপি বাবুল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাবির হল সংসদের এজিএসসহ তিনজনের আবাসিকতা বাতিল, ভিপিকে শোকজ
রাবির হল সংসদের এজিএসসহ তিনজনের আবাসিকতা বাতিল, ভিপিকে শোকজ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসুন্ধরা শুভসংঘ পাঠাগারের সৌজন্যে সেরা পাঠকরা পেলেন পুরস্কার
বসুন্ধরা শুভসংঘ পাঠাগারের সৌজন্যে সেরা পাঠকরা পেলেন পুরস্কার

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিডনিতে জমকালো আয়োজনে বৈশাখী মেলা
সিডনিতে জমকালো আয়োজনে বৈশাখী মেলা

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ ১৪ মে
এবার হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ ১৪ মে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কৃষককে পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করে কার্ড বিতরণ তিন ধাপে বাস্তবায়ন হবে’
‘কৃষককে পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করে কার্ড বিতরণ তিন ধাপে বাস্তবায়ন হবে’

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে
চুক্তি হতে হতে ভাঙল, শেষ মুহূর্তে কী ঘটল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকে

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়তে পারে
দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়তে পারে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এক বৈঠকেই সমাধান সম্ভব নয় কেন, ব্যাখ্যা তেহরানের
এক বৈঠকেই সমাধান সম্ভব নয় কেন, ব্যাখ্যা তেহরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোর গোলে শিরোপার আরও কাছে আল-নাসর
রোনালদোর গোলে শিরোপার আরও কাছে আল-নাসর

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে ‘ক্যাফে ক্যাপটিভিটি’ কিডস শপ উদ্বোধন
শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে ‘ক্যাফে ক্যাপটিভিটি’ কিডস শপ উদ্বোধন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সারা দেশে হামের টিকা কার্যক্রম শুরু ২০ এপ্রিল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
সারা দেশে হামের টিকা কার্যক্রম শুরু ২০ এপ্রিল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল
আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা
কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প
ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'
ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান
সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছবিতে দেখুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে ইসলামাবাদে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা
ছবিতে দেখুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার আগে ইসলামাবাদে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন
ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ
যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর যা বললেন শাহবাজ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর যা বললেন শাহবাজ

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে
ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে

মাঠে ময়দানে

চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

সম্পাদকীয়

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম

উল্টে যাওয়া সিএনজিতে বিপুল মাদক
উল্টে যাওয়া সিএনজিতে বিপুল মাদক

দেশগ্রাম