রাজধানীর বাজারে আবারও মুরগির দাম বেড়েছে। ব্রয়লার মুরগি কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ আর সোনালি মুরগিতে ১০ থেকে ২০ টাকা। রোজার শুরুতে হঠাৎ ব্রয়লার মুরগির কেজিতে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে ২১০-২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। কিছুদিন পর দাম কমে। এখন আবারও চড়া হয়েছে মুরগির দাম। লেবু-শসার দাম কিছুটা কমেছে। আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে বেগুন। শীতের মৌসুম শেষ হলেও পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সবজির দামও তেমন বাড়েনি। বিক্রেতারা বলছেন, মুরগির চাহিদা বাড়ায় সামান্য দাম বেড়েছে। ঈদের আগে দাম আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। লেবু-শসার চাহিদা কমায় দাম আগের চেয়ে কিছু কমেছে। সবজির সরবরাহও স্বাভাবিক আছে। গতকাল মিরপুর-১১ ও মিরপুর-৬ বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০-২০০ টাকায়, যা এক সপ্তাহ আগেও ১৭০-১৮০ টাকা ছিল। সোনালি মুরগি ৩২০-৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০০-১১০ টাকায়।
লেবু মানভেদে পিস বিক্রি হচ্ছে ১২-১৫ টাকায়। হালি ৫০-৬০ টাকায়।
রোজার শুরুতে লেবু ১০০-১২০ টাকা হালি বিক্রি হয়েছিল। শসা ৬০-৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গোল ও লম্বা দুই ধরনের বেগুন ৭০-১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। মরিচ ১৪০-১৫০ টাকা। পেঁপে ৪০ এবং মিষ্টিকুমড়া ৪০-৫০ টাকা কেজি। শিম ৪০, টম্যাটো ৫০-৬০ টাকা। বাঁধাকপির পিস ৩০-৪০, ফুলকপি ৫০-৬০, মাঝারি মানের লাউ ৭০-৮০ টাকায়। করলা ১২০-১৩০, বরবটি ৮০-১০০ টাকা কেজি। নতুন পিঁয়াজের কেজি ৪৫-৫০ টাকা। ডালের মধ্যে চিকন মসুর ১৫৫, মোটা ১০০, বড় মুগ ১৪০, ছোট মুগ ১৭০, খেসারি ১০০, বুটের ডাল ১১৫, ছোলা ৮০-৯০ এবং মাষকলাই ১৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮২০-৮৫০ আর খাসির মাংস ১ হাজার ৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। মাছের মধ্যে রুই ৩০০-৩৫০, কাতলা ৩২০-৩৫০, পাঙাশ ১৮০-২০০, তেলাপিয়া ১৮০-২২০, চিংড়ি ৬৫০-৭৫০, মাঝারি আকারের কই ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩৫০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। চালের মধ্যে প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৮৫-৮৮, রশিদ মিনিকেট ৭৫-৮০, নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৭০ আর দামি মিনিকেট মোজাম্মেল বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা কেজি।