জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) শিবিরের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিনিধিসহ ১২ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার জবি সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- বাংলাদেশ প্রতিদিনের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মিলন হোসেন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার মাহামুদুর রহমান নাজিদ, জনকণ্ঠের ওমর ফারুক, যায়যায়দিনের মিজান উদ্দিন মাসুদ, প্রথম আলোর শাহাদাত হোসেন, দৈনিক বর্তমানের আরিফুল ইসলাম, তরুণ কণ্ঠের আবিদ হাসান বাঁধন, ব্রেকিং নিউজ ডটকমের ইয়াসিন সাইফ, বাংলাদেশ গার্ডিয়ানের হাবিবুর রহমান, রুপালি বাংলাদেশের নাফিজ উদ্দিন, রেডিও টুডের আবুল হাসনাত ও ছাত্র অধিকার পরিষদের জবি সভাপতি এ কে এম রাকিব।
আহত সাংবাদিকরা অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির নির্বাচনের ভোটার তালিকায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। শিবির এবং জকসু প্রতিনিধিরা সাংবাদিক সমিতির কার্যালয় দখল করে সমিতির নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি করছিলেন। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি না হওয়ার বিষয়টি জিজ্ঞেস করলে শিবিরের ও জকসু নেতা এবং তাদের মতাদর্শী সাংবাদিকরা স্ট্যাম্প ও লাঠি দিয়ে হামলা চালায়। বাংলাদেশ প্রতিদিনের জবি প্রতিনিধি মিলন হোসেন বলেন, ‘তারা অতর্কিতভাবে হামলা করে। হামলায় আমি বুকে আঘাত পাই। শ্বাসকষ্টের অসুবিধা থাকায় আমার দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়।’
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার জবি প্রতিনিধি মাহামুদুর রহমান নাজিদ বলেন, ‘হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক ও জকসুর জিএস আবদুল আলিম আরিফ এবং ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জকসুর শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল নেতৃত্ব দেন।’