নেপালের বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচনে ভোট গণনার প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, অনেক বেশি ভোট পেয়ে বিজয়ী হিসেবে সরকার গঠন করতে চলেছে ২০২৫ সালে জেন-জি অভ্যুত্থানকারীরা। সরকার পতনের পর এটাই ছিল দেশটিতে প্রথম সাধারণ নির্বাচন। ভোট গণনায় বিপুলভাবে এগিয়ে আছেন তরুণদের নেতা বালেন্দ্র শাহ। সূত্র : রয়টার্স।
প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, গতকালের সাধারণ নির্বাচনের প্রাথমিক ভোট গণনায় র?্যাপার থেকে রাজনৈতিক নেতা বনে যাওয়া বালেন্দ্র শাহর দল বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। গণনা অনুযায়ী, তিনি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় অনেক বেশি ভোট পাচ্ছেন। বালেন্দ্রর প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলিও রয়েছেন। গত বছর জেন-জি প্রজন্মের তরুণদের প্রবল আন্দোলনের মুখে অলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।
নির্বাচন কমিশনের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মাত্র তিন বছর আগে প্রতিষ্ঠিত বালেন্দ্র শাহর মধ্যপন্থি দল ‘রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি’ ৩৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলির দল ‘কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল’ (ইউএমএল) মাত্র তিনটি আসনে এগিয়ে আছে। ৪৯ বছর বয়সি গগন থাপার নেতৃত্বাধীন নেপালের প্রাচীনতম দল নেপালি কংগ্রেস’ ৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, আজকের মধ্যে নির্বাচনের ফলাফল পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে যাবে। নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের মোট ২৭৫টি আসনের মধ্যে ১৬৫টি আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়েছে। সংসদের বাকি ১১০ আসন আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে নির্ধারিত হবে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভোট গণনা অব্যাহত ছিল।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, জেন-জি আন্দোলনের সময় প্রশাসনের অংশ হয়েও শিক্ষার্থীদের অভ্যুত্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন ‘বালেন’ নামে পরিচিত কাঠমান্ডুর সাবেক মেয়র বালেন্দ্র শাহ। ধারণা করা হচ্ছে, নির্বাচনে জেন-জি অভ্যুত্থানকারীরাই বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।