শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬ আপডেট: ০১:৩৬, সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬

পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট ভার্সন
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা-সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী কোনো বিচ্যুতি ছিল না। বরং এ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রণীত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ছিল গণতন্ত্রকে সুরক্ষা দেওয়ার একটি অপরিহার্য রক্ষাকবচ। বহুল আলোচিত নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় অসাংবিধানিক ও বাতিল ঘোষণা করে গত ২০ নভেম্বর এ রায় দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। ওই রায়ের ৭৪ পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি গত বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।

বেঞ্চে অন্য ছয় বিচারপতি হলেন- বিচারপতি মো. আশফাকুল  ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী (বর্তমান প্রধান বিচারপতি), বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান (অবসর) ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব। ওই রায়ে ত্রয়োদশ সংশোধনী বৈধ ঘোষণা করে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল ও পুনরুজ্জীবিত করেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে তৎকালীন আপিল বিভাগের রায় সম্পর্কে এ রায়ে বলা হয়েছে, পূর্ববর্তী রায়টি ছিল অনুমাননির্ভর এবং ত্রুটিপূর্ণ। তৎকালীন আপিল বিভাগ বলেছিলেন, ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অনির্বাচিত ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার বিধান সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে আঘাত করে। শুধু তাই না, এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্যও হুমকিস্বরূপ। একজন প্রধান বিচারপতি প্রধান উপদেষ্টার হওয়া জন্য প্রভাবিত হতে পারেন এ অনুমানের ওপর ভিত্তি করে কোনো আইন বাতিল করা মানে হচ্ছে তা অনুমাননির্ভর রায়। এ ধরনের অনুমাননির্ভর রায় বিচার বিভাগের আইন প্রণয়নমূলক জ্ঞান এবং সংশোধনমূলক ক্ষমতাকে ক্ষুণ্ন করে। শুধু তাই না, ওই রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ‘অগণতান্ত্রিক’ এবং ‘নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শাসনের পরিপন্থিী’ হিসেবে যে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, তা ছিল ত্রুটিপূর্ণ। এ রায়ে বলা হয়েছে, জনগণের সার্বভৌমত্ব কেবলমাত্র নির্বাচিত প্রতিনিধিদের শাসনের মাধ্যমেই নিশ্চিত হয় না, বরং জনগণের প্রকৃত সম্মতির প্রতিফলন ঘটে এমন একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই তা কার্যকর হয়। আদালত রায়ে বলেছেন, বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কোনো বিচ্ছিন্ন ধারণা ছিল না; এটি ছিল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা, দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অনাস্থা এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার একটি জাতীয় ঐকমত্যের ফসল। ত্রয়োদশ সংশোধনী কেবল একটি সাধারণ আইন ছিল না, এটি হয়ে উঠেছিল জনগণের সর্বোচ্চ আকাক্সক্ষার প্রতিফলন এবং একটি রাজনৈতিক সংকট উত্তরণের জন্য জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ।

রায়ে বলা হয়েছে, একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি শুধু শুধু তৈরি হয়নি। স্বাধীনতার পর থেকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর জনগণের আস্থা ক্রমাগত হ্রাস পাওয়ার প্রত্যক্ষ প্রতিক্রিয়া ছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা। প্রকৃতপক্ষে, এ ব্যবস্থাটির উদ্ভব হয়েছে একটি একটি অনন্য রাজনৈতিক সমঝোতা থেকে। এ ব্যবস্থা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মধ্যে গভীরভাবে প্রোথিত আস্থার সংকট কাটানোর পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে নিরপেক্ষ করে সবার জন্য সমান ক্ষেত্র তৈরি করার চেষ্টা করেছে। ফলে বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা জাতির রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

আদালত রায়ে অভিমত দিয়েছেন যে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন গণতন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যেহেতু তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা এ অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য তৈরি হয়েছিল, তাই এটি নিজেই সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ হয়ে উঠেছে। ২০১১ সালের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিলের পর ২০১৪, ২০১৯ এবং ২০২৪ সালের বিতর্কিত ও একতরফা নির্বাচনকে সর্বোচ্চ আদালত ‘গণতন্ত্রের করুণ পরিণতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন রায়ে। আদালত বলেছেন, তাত্ত্বিক গণতন্ত্রের চেয়ে কার্যকর ও বাস্তবমুখী গণতন্ত্রের জন্য নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অপরিহার্য।

পূর্ববর্তী রায়ের (বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের রায়) সংক্ষিপ্ত আদেশ এবং পূর্ণাঙ্গ রায় বের হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে সংসদে সংবিধানের ‘পঞ্চদশ সংশোধনী’ পাসের প্রক্রিয়া নিয়েও পর্যালোচনা উঠে এসেছে এ রায়ে। আদালত বলেছেন-২০১১ সালের সংক্ষিপ্ত আদেশে পরবর্তী দুটি সাধারণ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করার কথা থাকলেও তৎকালীন সংসদ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এ ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়। আদালতের মতে, এটি ছিল বিচার বিভাগের ওপর আইন বিভাগের এক ধরনের হস্তক্ষেপ এবং আদালতের নির্দেশনার লঙ্ঘন।

প্রকাশিত রায়ে পৃথক পর্যবেক্ষণে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম বলেছেন, ‘জনগণই সংসদ ও আদালতের প্রকৃত মালিক। সংবিধান ধ্বংসের জন্য নয়, বরং যারা সংবিধানকে কলুষিত করে তাদের উৎখাতের জন্যই জনগণ সর্বোচ্চ ক্ষমতা রাখে। আপিল বিভাগের এ বিচারপতি আরও বলেছেন, সংবিধানকে কেবল একটি অক্ষরের দলিল হিসেবে দেখলে হবে না, এর ভিতরের মূল স্পৃহা দিয়ে বুঝতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিলের ফলে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, এ রায়ের মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধারের পথ প্রশস্ত হলো। ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালে দেশে সংবিধান অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার অধীন জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। আর ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতার ভিত্তিতে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের অধীন। সেই সরকারের প্রধান ছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ। তখন তিনি প্রধান বিচারপতির পদ ছেড়ে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ত্রয়োদশ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৯ সালে একটি রিট করেন। চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাই কোর্টের বিশেষ বেঞ্চ রায় দেন। সেই রায়ে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বহাল থাকে। এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীপক্ষ। এ আপিল মঞ্জুর করে ২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেন। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে (৪:৩) ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। ২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের পূর্ণঙ্গ রায় প্রকাশ হলে বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের বিরুদ্ধে রায় পরিবর্তনের অভিযোগ ওঠে।

এই বিভাগের আরও খবর
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
সিলেটে প্রেমিকাকে ব্ল্যাকমেল করে অর্থ দাবি, যুবক গ্রেপ্তার
জর্ডানে বৈধ নিয়োগে খরচ লাগে না
জর্ডানে বৈধ নিয়োগে খরচ লাগে না
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
খুনির বাড়ি পুড়িয়ে দিল জনতা
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা মরার ভান করে বেঁচে গেল শিশুসন্তান
শেষ দিনে সাক্ষাৎকার বিএনপির ৪০০ মনোনয়নপ্রত্যাশীর
শেষ দিনে সাক্ষাৎকার বিএনপির ৪০০ মনোনয়নপ্রত্যাশীর
তিন দেশ থেকে একসঙ্গে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর লাশ
তিন দেশ থেকে একসঙ্গে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর লাশ
মাদারীপুরে এক রাতে ছয় সোনার দোকানে লুট
মাদারীপুরে এক রাতে ছয় সোনার দোকানে লুট
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
ব্যবহৃত অস্ত্রের ‘বিক্রেতা’ হেলালের স্বীকারোক্তি
হাতুড়ির আঘাতে হত্যা দুই দিনেও ক্লু মেলেনি
হাতুড়ির আঘাতে হত্যা দুই দিনেও ক্লু মেলেনি
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
ঢুকতে না দেওয়ায় হত্যা নিরাপত্তাকর্মীকে
পাঁচ জেলায় বজ্রপাতে ১১ জনের মৃত্যু
পাঁচ জেলায় বজ্রপাতে ১১ জনের মৃত্যু
১৫ গুণিজনকে সম্মাননা ও ১২২ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি
১৫ গুণিজনকে সম্মাননা ও ১২২ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি
সর্বশেষ খবর
মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম
মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম

৮ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

বাসভাড়া পুনর্নির্ধারণের বৈঠক অনুষ্ঠিত, সিদ্ধান্ত সোমবার
বাসভাড়া পুনর্নির্ধারণের বৈঠক অনুষ্ঠিত, সিদ্ধান্ত সোমবার

১২ মিনিট আগে | জাতীয়

অপরাধ না করেই শাস্তি পেয়েছেন মুজারাবানি, দাবি এজেন্টের
অপরাধ না করেই শাস্তি পেয়েছেন মুজারাবানি, দাবি এজেন্টের

১৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এখনো চলছে : নেতানিয়াহু
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এখনো চলছে : নেতানিয়াহু

৩৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীতে এবার কোরবানির পশুর হাট বসবে ২৬টি
রাজধানীতে এবার কোরবানির পশুর হাট বসবে ২৬টি

৪৫ মিনিট আগে | জাতীয়

আর্সেনালকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি
আর্সেনালকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দলবদল শেষে কেমন হলো প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ
দলবদল শেষে কেমন হলো প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি
রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁদপুর ছাদ থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু
চাঁদপুর ছাদ থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসছে না ইরান
যে কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসছে না ইরান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

লেবাননে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত
লেবাননে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের হাতে ৩ বাংলাদেশি আটক
মহেশপুর সীমান্তে বিএসএফের হাতে ৩ বাংলাদেশি আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোমবার থেকে ডিপোপর্যায়ে জ্বালানি তেল বর্ধিতহারে বরাদ্দ হবে : বিপিসি
সোমবার থেকে ডিপোপর্যায়ে জ্বালানি তেল বর্ধিতহারে বরাদ্দ হবে : বিপিসি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জে ভারতীয় এনার্জি ড্রিংকসসহ পাচারকারী আটক
নারায়ণগঞ্জে ভারতীয় এনার্জি ড্রিংকসসহ পাচারকারী আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিধানসভা নির্বাচন: পশ্চিমবঙ্গে যেসব প্রার্থী নিয়ে আলোচনা চলছে
বিধানসভা নির্বাচন: পশ্চিমবঙ্গে যেসব প্রার্থী নিয়ে আলোচনা চলছে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুক্তির আগেই আলোচনায় মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক
মুক্তির আগেই আলোচনায় মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অভিযানে গ্রেফতার ৫৪
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অভিযানে গ্রেফতার ৫৪

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিনে অবৈধ মজুতকৃত ১৫ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার
দুই দিনে অবৈধ মজুতকৃত ১৫ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৃজিত মুখার্জির সিনেমায় নায়িকা হতে চান অপু বিশ্বাস
সৃজিত মুখার্জির সিনেমায় নায়িকা হতে চান অপু বিশ্বাস

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সিলেটে অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ
সিলেটে অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সোমবার ‘বঞ্চিত’ বগুড়ার উন্নয়নের তালিকা তুলে দেবেন তারেক রহমান
সোমবার ‘বঞ্চিত’ বগুড়ার উন্নয়নের তালিকা তুলে দেবেন তারেক রহমান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ বন্ধে ‘ক্ষতি নেই’ বললেন ট্রাম্প, কিন্তু বাড়ছে তেলের দাম
হরমুজ বন্ধে ‘ক্ষতি নেই’ বললেন ট্রাম্প, কিন্তু বাড়ছে তেলের দাম

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কক্সবাজারে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি, গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার
কক্সবাজারে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি, গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, স্কুলশিক্ষক গ্রেফতার
বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, স্কুলশিক্ষক গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেষ মুহূর্তের গোলে এভারটনকে হারিয়ে লিভারপুলের জয়
শেষ মুহূর্তের গোলে এভারটনকে হারিয়ে লিভারপুলের জয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন
বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন

৩ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সিরাজগঞ্জে আগুনে ৪ বসতবাড়ি পুড়ে ছাই
সিরাজগঞ্জে আগুনে ৪ বসতবাড়ি পুড়ে ছাই

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পৃথক ইউনিট গঠনের উদ্যোগ পুলিশের
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পৃথক ইউনিট গঠনের উদ্যোগ পুলিশের

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল

১০ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা
সোমালিল্যান্ডে দূত নিয়োগ ইসরায়েলের, বাংলাদেশসহ ১২ দেশের নিন্দা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
তেলের দাম বাড়ানোয় সরকারকে সাধুবাদ জানালো পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা
এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন জুনায়েদ-রাফেরা

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

এলপিজির দাম বেড়েছে
এলপিজির দাম বেড়েছে

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অপ্রতিরোধ্য ইরান, নজিরবিহীন হামলার পরও অক্ষত তাদের বেশিরভাগ অস্ত্রভাণ্ডার!
অপ্রতিরোধ্য ইরান, নজিরবিহীন হামলার পরও অক্ষত তাদের বেশিরভাগ অস্ত্রভাণ্ডার!

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংকার বাস্টারেও অভেদ্য ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’, সেখানেই কি চলছে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ
বাংকার বাস্টারেও অভেদ্য ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’, সেখানেই কি চলছে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান
হরমুজে এখন আর টোল দিয়েও জাহাজ চলতে দেবে না ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির
হরমুজ প্রণালিতে দুটি ভারতীয় জাহাজে গুলি, ইরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব দিল্লির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের আটকে থাকা গোপন সম্পদের অংক ফাঁস
ইরানের আটকে থাকা গোপন সম্পদের অংক ফাঁস

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার
গভীর রাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর
দেশে জ্বালানি তেলের নতুন দাম আজ থেকে কার্যকর

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান
আগে ‘সমঝোতার রূপরেখা’ চূড়ান্ত, পরে আলোচনা: ইরান

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি
এবার বাব আল-মান্দেব প্রণালী বন্ধের হুঁশিয়ারি দিল হুথি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস
নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?
বিশ্বজুড়ে ইরানের জব্দ থাকা সম্পদের মূল্য কত?

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত
চীনের মুদ্রা দিয়ে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কিনছে ভারত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান
যুক্তরাষ্ট্রে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাঠাবে না ইরান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ
ইরানের ধাক্কা সামলে খুলছে দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘আগের চেয়েও দ্রুতগতিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চার পুনর্গঠন করছে ইরান’
‘আগের চেয়েও দ্রুতগতিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন লঞ্চার পুনর্গঠন করছে ইরান’

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
এসএসসি পরীক্ষায় সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র নিয়ে জরুরি নির্দেশনা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ট্রাম্প কে, প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের
ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ট্রাম্প কে, প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান
‘যেকোনো মুহূর্তে’ আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে: ইরান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতীতে কেউ ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবেন: নাহিদ
অতীতে কেউ ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবেন: নাহিদ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী
আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী
সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি
মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হজযাত্রী ছাড়া কেউ মক্কায় ঢুকলেই মোটা অঙ্কের জরিমানা
হজযাত্রী ছাড়া কেউ মক্কায় ঢুকলেই মোটা অঙ্কের জরিমানা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ
ইসরায়েলে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঞ্জুর ‘সামান্য’ শাস্তিতে খুশি নন জাহানারা আলম, করলেন যেসব অনুরোধ
মঞ্জুর ‘সামান্য’ শাস্তিতে খুশি নন জাহানারা আলম, করলেন যেসব অনুরোধ

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
চিকিৎসা মেলে বাগানে
চিকিৎসা মেলে বাগানে

প্রথম পৃষ্ঠা

টিকে থাকাই চ্যালেঞ্জ
টিকে থাকাই চ্যালেঞ্জ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবার যুদ্ধের ডামাডোল
আবার যুদ্ধের ডামাডোল

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ঋণ করে আমলাদের ঘি খাওয়ানো বন্ধ হবে কবে?
ঋণ করে আমলাদের ঘি খাওয়ানো বন্ধ হবে কবে?

প্রথম পৃষ্ঠা

আহসান মনসুরের বিচার দাবি
আহসান মনসুরের বিচার দাবি

প্রথম পৃষ্ঠা

কালোবাজারি নিয়ে সংসদে ক্ষোভ
কালোবাজারি নিয়ে সংসদে ক্ষোভ

প্রথম পৃষ্ঠা

দাম বাড়লেও কমেনি ভোগান্তি
দাম বাড়লেও কমেনি ভোগান্তি

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধকৌশল নিয়ে মতবিনিময়
প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধকৌশল নিয়ে মতবিনিময়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণখেলাপিরা রাজনৈতিক ব্যবস্থার অংশ হয়ে গেছে
ঋণখেলাপিরা রাজনৈতিক ব্যবস্থার অংশ হয়ে গেছে

প্রথম পৃষ্ঠা

সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ
সচিব পদমর্যাদায় তিন কর্মকর্তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

নগর জীবন

এবার বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা
এবার বন্ধ হয়ে গেল ডিএপি সার কারখানা

প্রথম পৃষ্ঠা

একাদশ নির্বাচনে মধুর সমস্যা
একাদশ নির্বাচনে মধুর সমস্যা

মাঠে ময়দানে

সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ
সীমান্তে ভারতীয় মালামাল জব্দ

দেশগ্রাম

অবৈধ মৎস্য ঘের উচ্ছেদ
অবৈধ মৎস্য ঘের উচ্ছেদ

দেশগ্রাম

দেশে প্রথম গভীর কূপ খনন শুরু
দেশে প্রথম গভীর কূপ খনন শুরু

খবর

বাংলাদেশের বিমানবন্দরে ‘ক্যালিব্রেশন সেবা’ দিতে চায় জার্মানি
বাংলাদেশের বিমানবন্দরে ‘ক্যালিব্রেশন সেবা’ দিতে চায় জার্মানি

নগর জীবন

কৃষিতে সহযোগিতা করতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস
কৃষিতে সহযোগিতা করতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস

নগর জীবন

গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লোডশেডিং
গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লোডশেডিং

নগর জীবন

সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৪৪৫৭ জন হজযাত্রী
সৌদি আরব পৌঁছেছেন ৪৪৫৭ জন হজযাত্রী

নগর জীবন

শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন
শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

দেশগ্রাম

মেহেরপুরে তেল পাম্পে ভাঙচুর
মেহেরপুরে তেল পাম্পে ভাঙচুর

দেশগ্রাম

সূচকের পতন তবে বেড়েছে লেনদেন
সূচকের পতন তবে বেড়েছে লেনদেন

নগর জীবন

পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

দেশগ্রাম

র‌্যাবের অভিযানে মাদক জব্দ
র‌্যাবের অভিযানে মাদক জব্দ

দেশগ্রাম

৯১ লিটার ডিজেল জব্দ, জরিমানা
৯১ লিটার ডিজেল জব্দ, জরিমানা

দেশগ্রাম

আফজাল প্রেসিডেন্ট রাজ্জাক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত
আফজাল প্রেসিডেন্ট রাজ্জাক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত

নগর জীবন

লাঠির শব্দে ফিরল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য
লাঠির শব্দে ফিরল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য

দেশগ্রাম

বেড়ায় অবরুদ্ধ ৩০ পরিবার
বেড়ায় অবরুদ্ধ ৩০ পরিবার

দেশগ্রাম

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাক পণ্যের দাম বাড়ান
জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাক পণ্যের দাম বাড়ান

নগর জীবন