কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে মুক্তিপণ আদায় ও পাচারের উদ্দেশ্যে অপহরণের শিকার চার ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে র্যাব। টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ লম্বরী থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। এ সময় দুই অপহরণকারীকেও গ্রেপ্তার করে র্যাব-১৫-এর সিপিসি-১ টেকনাফ ইউনিট।
উদ্ধার হওয়া একজন ভিকটিম জানান, ১০ এপ্রিল বালুখালী ক্যাম্পের সামনে থেকে তাদের অপহরণ করে সিএনজিযোগে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসে। পথমধ্যে অটোরিকশার ভিতরই মারধর করে তার পরিবারের কাছে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
গতকাল র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক আ ম ফারুক জানান, শুক্রবার রাতে র্যাবের সিপিসি-১ জানতে পারে পাচারকারী চক্রের সদস্যরা জোরপূর্বক কিছু রোহিঙ্গাকে অবৈধভাবে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচার ও মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ লম্বরী সাকিনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এ সময় টেকনাফ সদরের পর্যটন বাজার থেকে মেরিন ড্রাইভগামী আমির আহম্মদের (৬০) মুদি দোকানের সামনে পাকা রাস্তার ওপর চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। তল্লাশিকালে সন্দেহজনক সিএনজি অটোরিকশাটি থামালে দুই ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স ও উপস্থিত জনসাধারণের সহায়তায় তাদের আটক করেন।
এরা হলেন নতুন পাল্লানপাড়ার নেয়ামত উল্লাহ (২৯) ও শাহ আলম (৩৭)। এ সময় চার ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের হয়েছে।