প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালামের বিশেষ উদ্যোগে ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ‘জিয়া সরণি খাল’ পুনরুদ্ধার ও পানিপ্রবাহ সচল করার কাজ আবার পুরোদমে শুরু হয়েছে। এবার পানিপ্রবাহের দিক পরিবর্তন করে এই খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে সংযুক্ত করতে ইতোমধ্যে ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৯০০ কোটি টাকার শ্যামপুর খাল উন্নয়ন প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে।
গতকাল খালের বর্তমান অবস্থা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এ সময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জিয়া সরণি খালকে পুনরুদ্ধারে ডিএসসিসিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে সংযুক্ত করতে ইতোমধ্যে ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জুলাই মাস থেকে স্থায়ী গাইডওয়াল নির্মাণ, সৌন্দর্যবর্ধন এবং দুই পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণের কাজ শুরু হবে। এ ছাড়া প্রশাসক আবদুস সালামের দায়িত্ব গ্রহণের পর ৯০০ কোটি টাকার শ্যামপুর খাল উন্নয়ন প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে। এখানে আধুনিক নেটিং ব্যবস্থা ও হাঁটার রাস্তা তৈরি করা হবে। এ সময় ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং জনভোগান্তি দূর করতে আমরা এই খালটিকে বর্তমান পানিপ্রবাহের দিক পরিবর্তন করে বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে দ্রুততম সময়ে পানি নিষ্কাশন সম্ভব হয়। এই প্রকৌশলগত পরিবর্তনের ফলে নিষ্কাশন পথ কমে আসবে এবং এলাকার জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে দূর হবে। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং বিদ্যমান আইনে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিএস পরচা ও ম্যাপ অনুযায়ী খালের জায়গা দখলমুক্ত করা হবে বলেও জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। তিনি আরও জানান, ডিএসসিসির নিজস্ব অর্থে বর্তমানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও প্রাথমিক পরিষ্কার কার্যক্রম চলছে।
টানা তৃতীয় দিনের মতো সায়েদাবাদে অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদ অভিযান : এদিকে যানযট ও জনভোগান্তি নিরসনে সায়েদাবাদ আন্তজেলা বাস টার্মিনাল এলাকায় অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদে টানা তৃতীয় দিনের মতো ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে ডিএসসিসি। এ সময় ৩০টি অবৈধ কাউন্টার উচ্ছেদপূর্বক সিলগালা করে দেওয়া হয়।