বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের মহতী উদ্যোগে ১৫ গুণিজনকে সম্মাননা ও ১২২ শিক্ষার্থীকে শিক্ষা বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। গতকাল রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতি, ঢাকা আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষা, কৃষি, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, বিজ্ঞান, গবেষণা ও সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের বিশিষ্ট ১৫ গুণিজনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে অধ্যয়নরত ১২২ মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে উচ্চশিক্ষা বৃত্তির চেক তুলে দেওয়া হয়েছে। যার পুরো টাকা দিয়েছে আর্তমানবতার কল্যাণে কাজ করা বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ‘বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন’। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও সমিতির সাবেক সভাপতি এম এ খালেক (পিএসসি), বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম, বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য নাসরীন জাহান, বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেজর (অব.) এস এম সাইদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞা (এমদাদ) প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি ও সাবেক সচিব মোহাম্মদ মোফাক্কের। জোনায়েদ সাকী বলেন, বাঞ্ছারামপুরের সব মানুষ একই দল করবে না এটাই স্বাভাবিক। তবে সবাইকে দলমত নির্বিশেষে এই উপজেলার কল্যাণে কাজ করতে হবে। এই সংগঠনের একটি উদ্দেশ্য হচ্ছে উপজেলার কল্যাণে কাজ করা। কল্যাণের মধ্যে বৃত্তি, উচ্চশিক্ষা বৃত্তি ও গুণিজনকে সম্মাননা করা। বৃত্তি ও সম্মাননা এগুলো উৎসাহ হিসেবে কাজ করে। আমরা সবাই দলমত নির্বিশেষে বাঞ্ছারামপুরের উন্নয়নে এক হব এবং কাজ করব।
ময়নাল হোসেন চৌধুরী বলেন, আজকে যারা উচ্চশিক্ষা বৃত্তি পাচ্ছেন তাদেরকে মুবারকবাদ জানাচ্ছি। এই বৃত্তি বসুন্ধরা ফাউন্ডেশন থেকে দেওয়া হয়েছে। আজকের অনুষ্ঠানে গুণিজনদেরও সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। বাস্তবে আমরা গুণিজনদের সম্মান করি না। তিনি বলেন, মুরাদনগর ও নবীনগরে দুটি এতিমখানা পরিচালনার পাশাপাশি গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে বসুন্ধরা গ্রুপ। তিনি বাঞ্ছরামপুরের মাদক সমস্যা সমাধানে প্রতিমন্ত্রীকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
সম্মাননাপ্রাপ্ত গুণিজনরা হলেন- এম এ খালেক পিএসসি, ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন, অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম, এহসানুল হক ফারুক, ড. এ এইচ এম হাবিবুর রহমান, প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন, প্রকৌশলী আজহারুল হক ও মো. আতিকুর রহমান সিআইপি। এ ছাড়া মরণোত্তর সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন- গোলাম মহিউদ্দীন আহমেদ আফতাব, এ টি এম ওয়ালী আশরাফ, শাহজাহান হাওলাদার সুজন, মেয়র সৈয়দ আবদুল মান্নান, সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বীরপ্রতীক ও দিলবরেন্নেসা।