শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬ আপডেট: ০১:৫৭, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

দালাল চক্রের প্রলোভনে নিঃস্ব একটি পরিবার

লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার জিহাদের শরীরে পচন

কামরুজ্জামান সোহেল, ফরিদপুর
প্রিন্ট ভার্সন
লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার জিহাদের শরীরে পচন

‘সারাক্ষণ শরীরের বিভিন্ন স্থানে চুলকায়, ক্ষত স্থানে প্রচণ্ড ব্যথা, যন্ত্রণায় ঘুমাতে পারি না, টাকার অভাবে চিকিৎসাও হচ্ছে না’। কথাগুলো লিবিয়ায় দালাল চক্রের হাতে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হওয়া ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের রাঙামুলারকান্দি গ্রামের জিহাদ মোল্লার (২২)। কথা বলার সময় ঠিকমতো দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিলেন না তিনি। ক্রাচে ভর করে এখন তাকে চলতে হয়। কোনো কাজকর্ম করতে পারেন না। শরীরের বিভিন্ন স্থানে দগদগে ঘা। হাতে ও পায়ে নির্যাতনে বড় ধরনের ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। একটি পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। ঘা থেকে পচনের সৃষ্টি হয়েছে। তীব্র যন্ত্রণা নিয়ে তিনি এখনো বেঁচে থাকলেও তার পরিবারের সদস্যদের পালিয়ে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে। মানব পাচারকারী চক্রের কবলে পড়ে সবকিছু হারিয়ে পরিবারটি দিশেহারা।

প্রাপ্ত অভিযোগ ও সরেজমিন এলাকায় গিয়ে জানা গেছে, রাঙামুলারকান্দি গ্রামেন দিনমজুর ফারুক মোল্লার বড় ছেলে জিহাদ মোল্লাকে ইতালি পাঠানোর কথা বলে স্থানীয় মনির মল্লিক বিভিন্ন সময় ১৯ লাখ টাকা নেয়। ২০২৪ সালের ৮ জানুয়ারি জিহাদকে লিবিয়ায় নিয়ে যায় মনির মল্লিক। কিন্তু দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও জিহাদকে ইতালি নিতে পারেনি। এ নিয়ে জিহাদের বাবা ফারুক মোল্লার সঙ্গে মনির মল্লিকের বাদানুবাদ হয়। একপর্যায়ে মানব পাচারকারী মনির মল্লিক জিহাদকে লিবিয়ার স্থানীয় একটি চক্রের কাছে বিক্রি করে দেয়। চক্রটি জিহাদকে আটকে রেখে পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। এসময় জিহাদকে মুখে স্কচটেপ মেরে ও হাত-পা বেঁধে নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে পরিবারের কাছে টাকা চাওয়া হয়। ছেলেকে মৃত্যুর কবল থেকে ফিরিয়ে আনতে জায়গা-জমি বিক্রি করে এবং বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ঋণ করে মাদারীপুরের টেকেরহাটে পাচারকারী চক্রের স্থানীয় এজেন্টদের কাছে ১২ লাখ টাকা দেওয়া হয়। টাকা পাওয়ার পর ২০২৬ সালের ২৫ ডিসেম্বর জিহাদকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এসময় মারাত্মক অসুস্থ জিহাদ বাংলাদেশের এক ব্যক্তির কাছে থেকে চিকিৎসা নেন। পরে ২৬ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি দেশে ফিরে আসেন। এরপর জিহাদের বাবা ফারুক মোল্লা মানব পাচারকারী চক্রের হোতা মনির মল্লিকের কাছে তার পাওয়া টাকা ফেরত চান। কিন্তু মনির টাকা দিতে অস্বীকার করে এবং ফারুক মোল্লাসহ তার পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। ফারুক মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, ছেলেকে ইতালি নেওয়ার কথা বলে ১৯ লাখ টাকা দেওয়া হয়। পরে আমার ছেলেকে তারা বিক্রি করে দেয়। সে সময় তারা নির্যাতনের ভিডিও দেখিয়ে আমার কাছ থেকে আরও ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। আমি টাকা ফেরত চাইলে মনির মল্লিক আমার ও পরিবারের নামে একাধিক মামলা করে। আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখায়। মনির মল্লিক লিবিয়ায় থেকে মানব পাচার করলেও তার স্থানীয় এজেন্টরা বেশ শক্তিশালী। তিনি বলেন, আমি আমার পৈতৃক জমি বিক্রি করে এবং বোনদের জমি বিক্রি ও টাকা ধার নিয়ে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু মনির মল্লিক আমার সব টাকা মেরে দিয়েছে। আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। ছেলেটার কোনো চিকিৎসা করাতে পারি না। ওর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পচন ধরেছে। আমি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এর বিচার চাই। আমি যদি কোনো বিচার না পাই তাহলে পরিবারসহ সবাইকে আত্মহত্যা করতে হবে। নির্যাতনের শিকার হওয়া জিহাদ মোল্লা বলেন, আমাকে লিবিয়ায় নেওয়ার পর মনির মল্লিক স্থানীয় একটি চক্রের কাছে বিক্রি করে দেয়। চক্রটি আমাকেসহ আরও তিনজনকে দীর্ঘদিন আটকে রেখে নির্যাতন করে। মুখে কাপড় গুজে, হাতে-পায়ে কাঁটাতার দিয়ে বেঁধে না খাইয়ে ৯ দিন রাখে। এ সময় একজন মারা যায়। তাকে তারা অন্যত্র ফেলে দেয়। আমাকে নির্যাতন করে সেই ভিডিও ধারণ করে দেশে থাকা মা-বাবাকে দেখিয়ে টাকা আদায় করে।

জিহাদ জানান, মনির মল্লিক লিবিয়ায় বড় একটি চক্রের হোতা। তার অধীনে সেখানকার বেশকিছু মানুষ কাজ করে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রলোভন দেখিয়ে ইতালি নেওয়ার কথা বলে লিবিয়ায় নিয়ে তাদের বিক্রি করে দেয় এবং নির্যাতন করে পরিবারের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়। জিহাদ মোল্লা বলেন, আমি এখন ঠিকমতো চলতে পারি না। আমার কোনো চিকিৎসাও হচ্ছে না। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত মনির মল্লিকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করি। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, মনির মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে আদম ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ ব্যবসা করে সে এখন কোটিপতি। তারা জানান, কয়েক বছর আগেও মনির এলাকায় ভ্যান চালাত। এখন দেশে ডুপ্লেক্স ভবন করেছে, এলাকায় বিস্তর জমি রেখেছে। তারা জানান, মনিরের বিরুদ্ধে কেউ টু শব্দ করলে তাকে হয়রানি করতে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। ফলে ভয়ে অনেকেই তার বিরুদ্ধে কোনো কথা বলে না। আদম ব্যবসায়ী মনির মল্লিকের বিরুদ্ধে সব অভিযোগ আমলে এনে তার বিচার দাবি করেন তারা। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মনির মল্লিক লিবিয়ায় থাকায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দেশে থাকা মনির মল্লিকের স্ত্রী আসমা বেগমের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি কোনো কথা বলেননি।

এই বিভাগের আরও খবর
চলন্ত ট্রেনে আগুন অল্পের জন্য রক্ষা
চলন্ত ট্রেনে আগুন অল্পের জন্য রক্ষা
এসএসসি পরীক্ষা শুরু ৭ জানুয়ারি এইচএসসি ৬ জুন
এসএসসি পরীক্ষা শুরু ৭ জানুয়ারি এইচএসসি ৬ জুন
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত
‘শিশু স্বর্গ মডেল’ উদ্বোধন করলেন জুবাইদা রহমান
‘শিশু স্বর্গ মডেল’ উদ্বোধন করলেন জুবাইদা রহমান
ঢাকার শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি বাড়ছে স্থূলতা মানসিক ঝুঁকি
ঢাকার শিশুদের স্ক্রিন আসক্তি বাড়ছে স্থূলতা মানসিক ঝুঁকি
কুমার নদের করুণ দশা
কুমার নদের করুণ দশা
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
সড়ক যেন বিভীষিকা
সড়ক যেন বিভীষিকা
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
মোদি-শুভেন্দুসহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ির সংখ্যা কমল
মোদি-শুভেন্দুসহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ির সংখ্যা কমল
বাকিতে পণ্য না পেয়ে দোকান ভাঙচুর গুলি, পাঁচজন আহত
বাকিতে পণ্য না পেয়ে দোকান ভাঙচুর গুলি, পাঁচজন আহত
সর্বশেষ খবর
বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি
বগুড়া-জয়পুরহাট আমার নিজের বাড়ি, উন্নয়নে বৈষম্য হবে না: সুরাইয়া জেরিন রনি

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা
বরিশালে ৫ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন
জার্মান রাষ্ট্রদূতের চমেক ভেনম রিসার্চ সেন্টার পরিদর্শন

১২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা
মাগুরায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশুখাদ্য বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জিলহজের প্রথম দশকের আমল
জিলহজের প্রথম দশকের আমল

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কোন আমলে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনারের দায়িত্বে নজরুল ইসলাম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন
বরিশালে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ চক্রের রহস্য উদঘাটন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা
অনির্ধারিত ট্রেন থামিয়ে তল্লাশি, টয়লেটে মিলল ১০ কেজি গাঁজা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু
ভারতে বজ্রপাত ও ভারী বর্ষণে ১১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
কৃষ্ণচূড়ায় রঙিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর
মুন্সীগঞ্জে করবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছদ্মবেশে গান গেয়ে ৭ মাদকসেবীকে ধরল পুলিশ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার
বাঙালি নদী থেকে যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার
দুর্নীতি ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ডেপুটি স্পিকার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ
মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ
মুন্সীগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল
নোয়াখালীতে গাঁজাসহ আটক ৫ মাদকসেবীর জেল

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় জাদুঘরে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণে বর্ণাঢ্য আয়োজন
জাতীয় জাদুঘরে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণে বর্ণাঢ্য আয়োজন

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
কুমিল্লায় বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়কর আইনজীবী সমিতির নির্বাচন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ
৯ জেলায় নতুন এডিসি নিয়োগ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. এম এম শরীফুল করীম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. এম এম শরীফুল করীম

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

পাহাড়ে পশুর হাটে অজ্ঞান পার্টির আতঙ্ক
পাহাড়ে পশুর হাটে অজ্ঞান পার্টির আতঙ্ক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, চারজন গ্রেফতার
স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, চারজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু
সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ ১৫ মে

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

খাদ্য গুদামের সাবেক কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড
খাদ্য গুদামের সাবেক কর্মকর্তার ৮ বছরের কারাদণ্ড

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল গঠন, নেতৃত্বে আবদুল হাই-জুবায়ের বাবু
টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল গঠন, নেতৃত্বে আবদুল হাই-জুবায়ের বাবু

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারের সাফল্য প্রচারে মঙ্গলবার সমাবেশের ডাক দিল সিলেট মহানগর বিএনপি
সরকারের সাফল্য প্রচারে মঙ্গলবার সমাবেশের ডাক দিল সিলেট মহানগর বিএনপি

৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সর্বাধিক পঠিত
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু
ওমানে গাড়ির ভেতর বাংলাদেশি ৪ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

১৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার
আলাভেসের কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙল বার্সেলোনার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি
ঈদুল আজহায় ছুটি ৭ দিন, প্রজ্ঞাপন জারি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য
গাজীপুরে ৫ খুনের পর উধাও ফোরকান, সিসিটিভিতে নদীতে ঝাঁপের দৃশ্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর
ইরান যুদ্ধের মাঝে গোপনে আমিরাত সফর নেতানিয়াহুর

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র
তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সংঘাত হতে পারে, ট্রাম্পকে সতর্কবার্তা শি’র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর
‘জীবনের মূল্যবান ১৭টি বছর নষ্ট করেছি’, তিন বিয়ে নিয়ে আক্ষেপ অভিনেত্রীর

১৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন
৭ জানুয়ারি শুরু এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি ৬ জুন

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প
আপনার বন্ধু হতে পারা সম্মানের, শি’র উদ্দেশে ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা
আদালতে আইনজীবীর ভূমিকায় মমতা, লড়বেন ভোট পরবর্তী প্রতিহিংসা মামলা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
কোচিং সেন্টার নিয়ে যে কড়া বার্তা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’
ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ঘনিষ্ঠতা’র জেরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীর ‘চড়’

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন
ট্রাম্পকে যে রাজকীয় খাবার খাওয়াল চীন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ
দ্বিতীয় টেস্টে পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি
টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস, ১৪ হাজার রানে প্রথম ভারতীয় কোহলি

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের
চীন-পাকিস্তানের ভয়ে বঙ্গোপসাগরে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ভারতের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ
ওমান উপকূলে ‘হামলায়’ ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি
মেসির হ্যাটট্রিকে সিনসিনাটিকে বিধ্বস্ত করল মায়ামি

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
ওমানে গাড়ির ভেতরে চার ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু
রেললাইনে বসে মোবাইলে গেমস খেলার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ২ কিশোরের মৃত্যু

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স
‘রেড লাইন’ না মানলে ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নয় : জেডি ভ্যান্স

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর
দক্ষিণ কোরিয়া গমনেচ্ছুদের বিক্ষোভ, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস মন্ত্রীর

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান
নীরব ব্রিকস, এবার মুখ খুলতে বলছে ইরান

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত
পাঁচ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন
ভোটে হারের পর আদালতে মমতা, পুরনো পেশায় প্রত্যাবর্তন

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি
প্যালেসকে হারিয়ে শিরোপার লড়াই জমিয়ে তুলল ম্যানসিটি

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৪ মে)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৪ মে)

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার
এনার্জি বাড়ানোর নামে আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ভারতীয় ‘জম্বি ড্রাগ’, প্রায় ৪০০ মরদেহ উদ্ধার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইনুর মামলার রায় যেকোনো দিন

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক
চীনে ট্রাম্প-জিনপিং ঐতিহাসিক বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

শর্টকাটে বড়লোক!
শর্টকাটে বড়লোক!

প্রথম পৃষ্ঠা

জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?
জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে রাজনীতি?

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়ক যেন বিভীষিকা
সড়ক যেন বিভীষিকা

পেছনের পৃষ্ঠা

রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা
রায়ের অপেক্ষায় দুই মামলা

প্রথম পৃষ্ঠা

জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস
জিতলেই চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’
আলোচনায় সিলেটের ‘সবুজ উইকেট’

মাঠে ময়দানে

কুমার নদের করুণ দশা
কুমার নদের করুণ দশা

পেছনের পৃষ্ঠা

আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের
আমদানিনীতিতে সুবিধা বাড়ছে রপ্তানি খাতের

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা
ট্যানারি মালিকদের কাছে জিম্মি আড়তদাররা

নগর জীবন

আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী
আইসিসিবিতে শুরু দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব
রাজনৈতিক আক্রমণের ভাষা ও মনস্তত্ত্ব

সম্পাদকীয়

গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!
গবাদি পশুর শেডে পাঠদান!

দেশগ্রাম

২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু
২০ টাকা নিয়ে ধস্তাধস্তি, বৃদ্ধের মৃত্যু

দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আবার উত্তেজনা

প্রথম পৃষ্ঠা

কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান
কাল চাঁদপুর যাচ্ছেন তারেক রহমান

নগর জীবন

ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১
ভুট্টা খেতে শিশুর লাশ, আটক ১

দেশগ্রাম

দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’
দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে ‘মায়াপাখি’

শোবিজ

পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন
পাথরবোঝাই ট্রাকে নিষিদ্ধ ইনজেকশন

দেশগ্রাম

রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে
রেললাইনে মোবাইলে গেম খেলছিল দুই কিশোর কাটা পড়ল ট্রেনে

দেশগ্রাম

মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি
মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি

দেশগ্রাম

মায়ের ছায়া
মায়ের ছায়া

ডাংগুলি

শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার
শিশু শিক্ষার্থী নির্যাতন শিক্ষক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়
ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন মৌনী রায়

শোবিজ

ভালোবাসি মাগো
ভালোবাসি মাগো

ডাংগুলি

শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা
শিক্ষাবঞ্চিত চরের শিশুরা

দেশগ্রাম

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল
‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার সেন্সর বাতিল

শোবিজ

নারীর টাকা ছিনতাই, প্রাণনাশের হুমকি
নারীর টাকা ছিনতাই, প্রাণনাশের হুমকি

দেশগ্রাম