বাঙালি সংস্কৃতির আদলে গায়ে লাল শাড়ি, হাতে চুড়ি পরে একেবারে বধূর সাজে সেজেছেন মালয়েশিয়ার তরুণী হাফিজা আইডা। দেখে বোঝার উপায় নেই, তিনি একজন বিদেশি। প্রেমের টানে দূর প্রবাস পেরিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন তিনি। প্রেমিক রাকিব হাসানের হাত ধরে বৃহস্পতিবার বসেছেন বিয়ের পিঁড়িতে। ভালোবাসার এই গল্পে দুই দেশের দূরত্ব মুছে গিয়ে মিলেছে দুটি হৃদয়ে।
গাজীপুরের কাপাসিয়া সদরের বানারহওলা গ্রামের বাসিন্দা মো. আবদুল খালেকের ছেলে রাকিব হাসান রাহিম প্রায় ১০ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় কর্মরত ছিলেন। সেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় মালয়েশিয়ার তরুণী নুর হাফিজা আইডার সঙ্গে। শুরু হয় বন্ধুত্ব, আর সেই বন্ধুত্ব একসময় রূপ নেয় ভালোবাসায়। শুরুর দিকে দুই পরিবারের কেউই সম্পর্কটি সহজভাবে মেনে নিতে পারেনি। তবে দীর্ঘ চার বছরের ভালোবাসা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার পর অবশেষে দুই পরিবারের সম্মতিতেই রাজকীয় আয়োজনে সম্পন্ন হয় তাদের বিয়ে। পরিবারের সম্মতিতে ধর্মীয় ও ঠিক বাঙালি সংস্কৃতির আদলে আয়োজন করা হয় বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা। গায়ে হলুদ, বউভাতসহ জমকালো আয়োজনের মধ্য চলে আনুষ্ঠানিকতা। নবদম্পতিকে শুভকামনা জানিয়েছেন স্বজন ও অতিথিরা। ভালোবাসার মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়ে ভীষণ খুশি রাকিব। অন্যদিকে বাঙালি সংস্কৃতি, পারিবারিক বন্ধন ও আত্মীয়তার আন্তরিকতায় মুগ্ধ মালয়েশিয়ান নববধূ হাফিজা আইডাও। নতুন এই দম্পতি জানিয়েছেন, পরিবারের সবার সঙ্গে মিলেমিশে বাংলাদেশেই সুখেশান্তিতে বসবাস করতে চান তারা।