শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২০ মে, ২০২৬ আপডেট: ০১:৪৭, বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

রাবিতে যত অনিয়ম

আকতারুজ্জামান
প্রিন্ট ভার্সন
রাবিতে যত অনিয়ম

নিয়মের যেন কোনো বালাই নেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। একের পর এক বিধি লঙ্ঘনে যেন অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হয়েছে এ বিশ্ববিদ্যালয়। বিধিবিধান আর নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়েছে পদোন্নতি। ৫৬ জন শিক্ষক বিধি বহির্ভূতভাবে গ্রহণ করেছেন খণ্ডকালীন ভাতা। এ ছাড়া প্রাপ্যতার অতিরিক্ত ভাতা নিয়েছেন আরও ৩০৬ শিক্ষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ গ্রেডের চিকিৎসকরা বিধি ভেঙে নিয়েছেন দ্বিতীয় গ্রেড। পদ না থাকলেও কর্মকর্তারা বাগিয়ে নিয়েছেন কম্পিউটার অপারেশন ম্যানেজার পদ। এমন অনেক অনিয়ম উঠে এসেছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, শুধু ২০২৪-২৫ অর্থ বছরেই এ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১১৫ কোটি টাকার অনিয়ম হয়েছে। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী, ষষ্ঠ গ্রেডে পদোন্নতির জন্য নবম গ্রেডের কর্মকর্তাদের চাকরির বয়স হতে হবে কমপক্ষে পাঁচ বছর। চতুর্থ গ্রেড পদোন্নতির জন্য চাকরির মেয়াদ হতে হবে ১২ বছর। কিন্তু বিধি অনুযায়ী চাকরির মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সাত কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এঁরা হলেন সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নিলুফার ইয়াসমিন, উপ-রেজিস্ট্রার আখতারা বেগম, উপপরিচালক মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক রুমানা আহমেদ, উপপরিচালক আমিনুল হক, উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ ও উপ-রেজিস্ট্রার আজিজুল হক। বিধি অনুযায়ী এই সাত কর্মকর্তার পদোন্নতি হওয়ার কথা ২০২৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে। অথচ তাঁরা সবাই পদোন্নতিপ্রাপ্ত হয়েছেন ২০২৫ সালের মে মাসে। এসব অনিয়মের ফলে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৭৫ লাখ ৮৭ হাজার ১৬০ টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট অধ্যাপকের ২৫ শতাংশ প্রথম গ্রেড প্রাপ্য হবেন। কিন্তু এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৫৬ অধ্যাপকের মধ্যে বিধি লঙ্ঘন করে ১৫৭ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ পদ না থাকলেও দেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত ১৮ জনকে। এতে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯২০ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৬৮ শিক্ষককে প্রাপ্যতার অতিরিক্ত বই ভাতা প্রদান করা হয়েছে। এতে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে ১২ লাখ ৫৮ হাজার ৪০০ টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল ও কলেজের জনবলকে কোনো অবস্থাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জনবল হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। এ নির্দেশনা উপেক্ষা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজস্ব বাজেট থেকে বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়েছে। আর এতে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৪ কোটি ৩৬ লাখ ১৪ হাজার ৪২৮ টাকা।

চাকরি আদেশ অনুযায়ী, শিক্ষকদের মূল পদের বাইরে বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব প্রদান করা হলে ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে মূল বেতনের ১০ শতাংশ অথবা ১৫০০ টাকার মধ্যে যা কম হয় তা প্রদান করতে হবে। কিন্তু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মূল পদের বাইরে বিভিন্ন পদে (প্রক্টর, প্রভোস্ট, চেয়ারম্যান, তত্ত্বাবধায়ক, ছাত্র উপদেষ্টা) অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করে বিধি বহির্ভূতভাবে প্রাপ্যতার অতিরিক্ত ভাতা দেওয়া হয়েছে ৩০৬ শিক্ষককে। আর এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৬০ লাখ ৫২ হাজার ৬০ টাকা। চাকরি আদেশ অনুযায়ী, স্বশাসিত এবং রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী খণ্ডকালীন ভাতা নামে কোনো ভাতাপ্রাপ্য নন। অথচ এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬ শিক্ষক বিধি বহির্ভূতভাবে খণ্ডকালীন ভাতা গ্রহণ করেছেন। বিধি লঙ্ঘন করে প্রাপ্যতা ছাড়াই খণ্ডকালীন ভাতা গ্রহণ করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুযায়ী ৫৯ বছর শেষে বাধ্যতামূলক অবসরে যেতে হবে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়জন কর্মকর্তা ৫৯ বছরে পিআরএলে না গিয়ে ৬২ বছর চাকরি করার পর পিআরএলে গেছেন। তাঁদের অতিরিক্ত বেতন-ভাতা প্রদান করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১ কোটি ৯৩ লাখ ২৫ হাজার ১৯১ টাকা। এঁরা হলেন অতিরিক্ত প্রধান চিকিৎসক ডা. রেকসনা খাতুন, ডা. ফকির মো. আবু জাহিদ, কিউরেটর শফিকুল ইসলাম, প্রধান চিকিৎসক ডা. মো. তবিবুর রহমান, সহকারী রেজিস্ট্রার শফিকুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক হরেন্দ্রনাথ রায় ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার কাজেম আলী।

বিভিন্ন প্যাকেজে ভবন নির্মাণ কাজের জন্য ঠিকাদারদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন মেয়াদের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। কিন্তু ঠিকাদাররা কাজ বাস্তবায়নে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে তিন বছর বেশি (১ হাজার ৯৫ দিন) বিলম্ব করেন। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানগুলো হলো শিক্ষক কোয়ার্টারের নির্মমাণকাজ পাওয়া কবির সিন্ডিকেট লি. ও কে কে এন্টারপ্রাইজ; আবাসিক হল নির্মাণকাজ পাওয়া দি বিল্ডার্স ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েটস লি. এবং কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ভবনের নির্মাণকাজ পাওয়া মাজিদ সন্স কনস্ট্রাকশন লি.। চুক্তিপত্র অনুযায়ী, প্রতিদিন বিলম্বের জন্য অসম্পাদিত কার্য মূল্যের ০.০৫ থেকে ০.১০ শতাংশ জরিমানা আদায় করতে হবে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ঠিকাদারদের বিলম্ব জরিমানা না করেই বিল পরিশোধ করা হয়েছে। এর ফলে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ২৩ কোটি ৬৫ লাখ ২ হাজার ৮৪১ টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয় অর্গানোগ্রামে কম্পিউটার অপারেশন ম্যানেজার নামে কোনো পদ না থাকলেও এ পদে ৩০ জনকে পদায়ন করা হয়েছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী অর্গানোগ্রামের বাইরে কোনো পদে নিয়োগ, পদোন্নতি প্রদান করা যাবে না। কম্পিউটার অপারেশন ম্যানেজারদের বেতন-ভাতা বাবদ বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৩ কোটি ৩৩ লাখ ৫২ হাজার ৭৬৪ টাকা। গত বছরের মার্চে অনুষ্ঠিত ৫৩৭তম সিন্ডিকেট সভায় আট কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষভাবে পদোন্নতি প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে পদোন্নতি প্রাপ্তি কার্যকরের তারিখ থেকে বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়। এতে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৭ লাখ ৭৪ হাজার ৭৬০ টাকা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে সম্মান প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় ৩২ কোটি ৭৪ লাখ ৩৭ হাজার টাকা আয় হলেও এ টাকা আয়-ব্যয়ের বিবরণী, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, বিল ভাউচার কিছুই উপস্থাপন করা হয়নি সরকারের শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরে। এ ছাড়া হিসাববিজ্ঞান ও তথ্যব্যবস্থা বিভাগ, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ, মার্কেটিং বিভাগ, ফাইন্যান্স ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগ তাদের সান্ধ্যকালীন কোর্সে ভর্তিসংক্রান্ত তথ্য, আয়ব্যয় বিবরণী, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, ক্যাশবুক শিক্ষা অডিটের নিরীক্ষা দলের কাছে উপস্থাপন করেনি।

আইবিএ ডিপার্টমেন্টের তিনটি প্রোগ্রাম থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা আয় হলেও এর এক চতুর্থাংশ কেন্দ্রীয় তহবিলে জমা না করায় আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৭ টাকা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ববর্তী প্রশাসন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সমিতির ‘চাপে পড়ে’ বিভিন্ন দাবি মেনে নিয়েছে। পরে সেগুলো সিন্ডিকেটে পাস করিছেয়ে; যা সরকারের বিভিন্ন বিধি অনুমোদন করে না। কিন্তু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী পরিচালিত হয়। অধ্যাদেশের ক্ষমতা ও সরকারি বিভিন্ন বিধির ফারাক সব সময় থেকেই যায়।

এই বিভাগের আরও খবর
দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত কৃষক দল সভাপতি
দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত কৃষক দল সভাপতি
বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান
বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান
সিলেটে বিশেষ অভিযানে ১৮৪ জন গ্রেপ্তার
সিলেটে বিশেষ অভিযানে ১৮৪ জন গ্রেপ্তার
এক দিন পর ঘুরে দাঁড়াল শেয়ারবাজার
এক দিন পর ঘুরে দাঁড়াল শেয়ারবাজার
অনার্স পর্যায়ে বাংলাসহ ছয় বিষয় বাতিলের খবর ভিত্তিহীন
অনার্স পর্যায়ে বাংলাসহ ছয় বিষয় বাতিলের খবর ভিত্তিহীন
হার্টের রিংয়ের নতুন দাম বাস্তবায়নে চিঠি  হাসপাতালগুলোকে
হার্টের রিংয়ের নতুন দাম বাস্তবায়নে চিঠি হাসপাতালগুলোকে
বৃষ্টির মাঝেও বিস্তৃত হতে পারে তাপপ্রবাহ
বৃষ্টির মাঝেও বিস্তৃত হতে পারে তাপপ্রবাহ
সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত
সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত
থ্রি-হুইলার আটক করায় পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর
থ্রি-হুইলার আটক করায় পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর
সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন কারাভোগী ৬১ আইনজীবী
ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন কারাভোগী ৬১ আইনজীবী
গরমে বছরে ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা
গরমে বছরে ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা
সর্বশেষ খবর
ভিটে বিক্রি করেও মুক্তি মেলেনি লিবিয়ায় জিম্মি ফয়সলের!
ভিটে বিক্রি করেও মুক্তি মেলেনি লিবিয়ায় জিম্মি ফয়সলের!

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১০ জুন ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১০ জুন ২০২৬

২৫ সেকেন্ড আগে | ইসলামী জীবন

পিরোজপুরে ট্রাকের চাপে ভেঙে পড়ল ব্রিজ, যোগাযোগ বন্ধ
পিরোজপুরে ট্রাকের চাপে ভেঙে পড়ল ব্রিজ, যোগাযোগ বন্ধ

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

৩০০ কোটি টাকা মূল্যের যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান
৩০০ কোটি টাকা মূল্যের যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী
সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল শিশু, এখনো খোঁজ মেলেনি
বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল শিশু, এখনো খোঁজ মেলেনি

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেসি নাকি রোনালদো, বিশ্বকাপে পেনাল্টিতে কে বেশি কার্যকর?
মেসি নাকি রোনালদো, বিশ্বকাপে পেনাল্টিতে কে বেশি কার্যকর?

৩৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে রেল যোগাযোগ বন্ধ
ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে রেল যোগাযোগ বন্ধ

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কেরানীগঞ্জে ভেজাল খাদ্যপণ্যের কারখানায় র‌্যাবের অভিযান, ৪ লাখ টাকা জরিমানা
কেরানীগঞ্জে ভেজাল খাদ্যপণ্যের কারখানায় র‌্যাবের অভিযান, ৪ লাখ টাকা জরিমানা

৩৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

ফটিকছড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
ফটিকছড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পলাতক এমপি বাহারের বিচারের দাবিতে কুমিল্লায় বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকা দাহ
পলাতক এমপি বাহারের বিচারের দাবিতে কুমিল্লায় বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকা দাহ

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আলভারেজকে নিয়ে রিয়াল-বার্সার লড়াই, ১৫০ মিলিয়নের মেগা অফার প্রত্যাখ্যান অ্যাতলেটিকোর
আলভারেজকে নিয়ে রিয়াল-বার্সার লড়াই, ১৫০ মিলিয়নের মেগা অফার প্রত্যাখ্যান অ্যাতলেটিকোর

৪৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আনচেলত্তি ভাঙতে পারবেন কি শতবর্ষের সেই ‘অভিশাপ’?
আনচেলত্তি ভাঙতে পারবেন কি শতবর্ষের সেই ‘অভিশাপ’?

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

প্রক্টরের ওপর শিক্ষার্থীর হামলা, বিচার দাবিতে শিক্ষকদের মৌন মিছিল
প্রক্টরের ওপর শিক্ষার্থীর হামলা, বিচার দাবিতে শিক্ষকদের মৌন মিছিল

৫৫ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

চার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নাম: ভিন্ন মহাদেশে ছড়িয়ে থাকা চার ‘সাস্ট’-এর গল্প
চার বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নাম: ভিন্ন মহাদেশে ছড়িয়ে থাকা চার ‘সাস্ট’-এর গল্প

৫৮ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

রাজশাহীতে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
রাজশাহীতে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আজ ঢাকার বাতাসের মান কেমন?
আজ ঢাকার বাতাসের মান কেমন?

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে যে গোপন অস্ত্র ব্যবহার করবে মেক্সিকো
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে যে গোপন অস্ত্র ব্যবহার করবে মেক্সিকো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে স্মরণ: বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সম্মান ও স্বীকৃতির গল্প
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে স্মরণ: বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সম্মান ও স্বীকৃতির গল্প

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নজরদারির ফাঁকেই চলছে ‘প্রেসক্রিপশন বাণিজ্য’
নজরদারির ফাঁকেই চলছে ‘প্রেসক্রিপশন বাণিজ্য’

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাঁচতে চাইলে আমাদের অঞ্চল ছেড়ে যান, মার্কিন সেনাদের ইরানের হুঁশিয়ারি
বাঁচতে চাইলে আমাদের অঞ্চল ছেড়ে যান, মার্কিন সেনাদের ইরানের হুঁশিয়ারি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান
বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মেসি মাঠে নামলেন, গোল করলেন, জয়ও পেলেন
মেসি মাঠে নামলেন, গোল করলেন, জয়ও পেলেন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নাসির-তামিমার মামলায় কোন ধারায় কি সাজা?
নাসির-তামিমার মামলায় কোন ধারায় কি সাজা?

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পেনাল্টি থেকে মেসির গোল, ৩-০তে আইসল্যান্ডকে উড়াল আর্জেন্টিনা
পেনাল্টি থেকে মেসির গোল, ৩-০তে আইসল্যান্ডকে উড়াল আর্জেন্টিনা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সংঘাতের মধ্যে নতুন ৫ পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা ইরানের
সংঘাতের মধ্যে নতুন ৫ পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মোংলার চিলা ব্রিজে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন দলের ১৮০টি পতাকা
বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মোংলার চিলা ব্রিজে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন দলের ১৮০টি পতাকা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাহরাইন-কুয়েত-জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা
বাহরাইন-কুয়েত-জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা
পাটজাত মোড়ক ব্যবহার না করায় দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এক নজরে দেখে নিন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি
এক নজরে দেখে নিন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এক নজরে দেখে নিন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি
এক নজরে দেখে নিন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন ভারতের, দাবি রিপোর্টে
প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন ভারতের, দাবি রিপোর্টে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সে আমার স্ত্রীকে নিয়ে গেছে, পরে আমিও তার স্ত্রীকে নিয়ে এসে বিয়ে করেছি’
‘সে আমার স্ত্রীকে নিয়ে গেছে, পরে আমিও তার স্ত্রীকে নিয়ে এসে বিয়ে করেছি’

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাহরাইন-কুয়েত-জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা
বাহরাইন-কুয়েত-জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাসির-তামিমার মামলায় কোন ধারায় কি সাজা?
নাসির-তামিমার মামলায় কোন ধারায় কি সাজা?

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যর্থ হয়েছে ইরানকে ঘিরে নেতানিয়াহুর ‘স্বপ্নের প্রকল্প’: ইসরায়েলি বিশ্লেষক
ব্যর্থ হয়েছে ইরানকে ঘিরে নেতানিয়াহুর ‘স্বপ্নের প্রকল্প’: ইসরায়েলি বিশ্লেষক

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংঘাতের মধ্যে নতুন ৫ পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা ইরানের
সংঘাতের মধ্যে নতুন ৫ পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের ঘোষণা ইরানের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী ব্যাংকে অনিয়মগুলো মনে হয় ইসলামের নামেই হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসলামী ব্যাংকে অনিয়মগুলো মনে হয় ইসলামের নামেই হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে ছয় দেশের সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা
ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে ছয় দেশের সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ করেই ইরানে হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র
হঠাৎ করেই ইরানে হামলা চালালো যুক্তরাষ্ট্র

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালীতে ‘চুইয়ে’ বের হচ্ছে তেল: সিএনএন
হরমুজ প্রণালীতে ‘চুইয়ে’ বের হচ্ছে তেল: সিএনএন

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইয়াসের-তাবিথের ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ কাটল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ব্ল্যাকআউটের শঙ্কা
ইয়াসের-তাবিথের ‘মাস্টারস্ট্রোকে’ কাটল বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ব্ল্যাকআউটের শঙ্কা

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিনা জামানতে উদ্যোক্তাদের ১০ লাখ টাকা ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক
বিনা জামানতে উদ্যোক্তাদের ১০ লাখ টাকা ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

১৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ডাকাতি করতে গিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
ডাকাতি করতে গিয়ে প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে
রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে হামলা শুরু ইসরায়েলের, বাড়ছে উত্তেজনা
দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে হামলা শুরু ইসরায়েলের, বাড়ছে উত্তেজনা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্প যা বলবেন, নেতানিয়াহুকে তাই করতে হবে: ইসরায়েলি বিশ্লেষক
ট্রাম্প যা বলবেন, নেতানিয়াহুকে তাই করতে হবে: ইসরায়েলি বিশ্লেষক

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত
সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিশ্বকাপ : যে রেকর্ড এখনও রজার মিলারের, তালিকায় রোনালদো-মেসিও
বিশ্বকাপ : যে রেকর্ড এখনও রজার মিলারের, তালিকায় রোনালদো-মেসিও

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিল্প মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আব্দুন নাসের
শিল্প মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আব্দুন নাসের

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাসির-তামিমা দম্পতির বিরুদ্ধে মামলার রায় বুধবার
নাসির-তামিমা দম্পতির বিরুদ্ধে মামলার রায় বুধবার

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্সে ঢুকতে পারবেন না ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী স্মোটরিচ
ফ্রান্সে ঢুকতে পারবেন না ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী স্মোটরিচ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন কোর্স বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’ : শিক্ষা মন্ত্রণালয়
অনার্সে বাংলা, ইতিহাস ও দর্শন কোর্স বাতিলের খবর ‘ভিত্তিহীন’ : শিক্ষা মন্ত্রণালয়

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত
হরমুজে মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মানদণ্ড পূরণ করলে যে কেউ স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে : জাহেদ উর রহমান
মানদণ্ড পূরণ করলে যে কেউ স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে : জাহেদ উর রহমান

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, যেভাবে উদ্ধার হলো দুই মার্কিন সেনা
হরমুজে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, যেভাবে উদ্ধার হলো দুই মার্কিন সেনা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৫ জুনের পর হবে খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতা
২৫ জুনের পর হবে খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমালোচনার জবাব দিলেন নাজনীন নীহা
সমালোচনার জবাব দিলেন নাজনীন নীহা

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
ডাকাতির পর প্রবাসীর স্ত্রী কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!
ডাকাতির পর প্রবাসীর স্ত্রী কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!

প্রথম পৃষ্ঠা

সীমান্তে আতঙ্ক, দিল্লিতে বৈঠক
সীমান্তে আতঙ্ক, দিল্লিতে বৈঠক

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বৃষ্টিপাত কমার ভয়ংকর প্রভাব রাজশাহীতে
বৃষ্টিপাত কমার ভয়ংকর প্রভাব রাজশাহীতে

নগর জীবন

জনসংখ্যার বড় অংশ শ্রমবাজারের বাইরে
জনসংখ্যার বড় অংশ শ্রমবাজারের বাইরে

প্রথম পৃষ্ঠা

খড়মপট্টি আছে খড়ম নেই
খড়মপট্টি আছে খড়ম নেই

পেছনের পৃষ্ঠা

কমতে পারে রেফ্রিজারেটর ও এসির দাম
কমতে পারে রেফ্রিজারেটর ও এসির দাম

প্রথম পৃষ্ঠা

শর্ত মেনে তারা নির্বাচন করতে পারবে
শর্ত মেনে তারা নির্বাচন করতে পারবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়
ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে
আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ

মাঠে ময়দানে

শোলমারি নদী শুকিয়ে নালা
শোলমারি নদী শুকিয়ে নালা

পেছনের পৃষ্ঠা

২২০ টন আমন বীজে পোকা
২২০ টন আমন বীজে পোকা

দেশগ্রাম

অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া!
অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া!

পেছনের পৃষ্ঠা

কৃষি বরাদ্দের ওপর নির্ভর করবে খাদ্যনিরাপত্তা
কৃষি বরাদ্দের ওপর নির্ভর করবে খাদ্যনিরাপত্তা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রযুক্তির অন্ধ ব্যবহারে ধ্বংস ভবিষ্যৎ প্রজন্ম
প্রযুক্তির অন্ধ ব্যবহারে ধ্বংস ভবিষ্যৎ প্রজন্ম

পেছনের পৃষ্ঠা

শান্তিরক্ষীরা দেশকে তুলে ধরছেন গৌরবময় জাতি হিসেবে
শান্তিরক্ষীরা দেশকে তুলে ধরছেন গৌরবময় জাতি হিসেবে

প্রথম পৃষ্ঠা

চবিতে প্রথম মহাসাগরীয় উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র উদ্বোধন
চবিতে প্রথম মহাসাগরীয় উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র উদ্বোধন

নগর জীবন

ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ
ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ

প্রথম পৃষ্ঠা

ময়লার টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে খুন, গ্রেপ্তার ২
ময়লার টাকা ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে খুন, গ্রেপ্তার ২

প্রথম পৃষ্ঠা

শিশু ধর্ষণ, এপেস্টাইন ও সুদি মহাজন
শিশু ধর্ষণ, এপেস্টাইন ও সুদি মহাজন

সম্পাদকীয়

ইসলামী ব্যাংক লুটে দুর্নীতিবাজদের বসাচ্ছে
ইসলামী ব্যাংক লুটে দুর্নীতিবাজদের বসাচ্ছে

প্রথম পৃষ্ঠা

হার্টের রিংয়ের নতুন দাম বাস্তবায়নে চিঠি  হাসপাতালগুলোকে
হার্টের রিংয়ের নতুন দাম বাস্তবায়নে চিঠি হাসপাতালগুলোকে

পেছনের পৃষ্ঠা

কিশোরীকে হত্যার জেরে অগ্নিসংযোগ
কিশোরীকে হত্যার জেরে অগ্নিসংযোগ

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনি অঙ্গীকার ও ব্যয় বৃদ্ধির বাজেট
নির্বাচনি অঙ্গীকার ও ব্যয় বৃদ্ধির বাজেট

প্রথম পৃষ্ঠা

সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

অর্থবছর ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করার প্রস্তাব দেব
অর্থবছর ক্যালেন্ডার ইয়ারের সঙ্গে মিলিয়ে করার প্রস্তাব দেব

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় স্থগিত
স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় স্থগিত

প্রথম পৃষ্ঠা

থ্রি-হুইলার আটক করায় পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর
থ্রি-হুইলার আটক করায় পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

পেছনের পৃষ্ঠা

ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন কারাভোগী ৬১ আইনজীবী
ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন কারাভোগী ৬১ আইনজীবী

পেছনের পৃষ্ঠা