Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
প্রকাশ : ১৫ মে, ২০১৯ ১৭:০৪

প্রধানমন্ত্রী পদে রাহুল গান্ধীকে মেনে নেবে তৃণমূল!

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী পদে রাহুল গান্ধীকে মেনে নেবে তৃণমূল!

ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে বদল দেখতে চায় দেশটির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেটা  যাতে হয় তার জন্য কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে আপত্তি নেই দলটি। নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরাতে রাহুলকে মেনে নেবে বলে তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে এমনটাই জানা গেছে। খবর এনডিটিভির।

এদিকে, মঙ্গলবার আরও একবার রাজনৈতিক দল দ্রাভিড়া মুন্নেট্রা কাড়াগাম (ডিএমকে) সভাপতি স্ট্যালিন বলেছেন, দেশের আগামী প্রধানমন্ত্রী হবেন রাহুল গান্ধীই। এরপর তৃণমূল সূত্রে বলা হয়, মোদিকে ক্ষমতাচ্যুত করাই বড় ব্যাপার। কে প্রধানমন্ত্রী হলেন সেটা কোনও বিষয় নয়। তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা প্রথম থেকেই বলে আসছেন নির্বাচনী প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তে আসা উচিত নয়। ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি বুঝে বিরোধীদের মধ্যে থেকে আলোচনা করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাউকে বেছে নেওয়া হবে বলে একাধিকবার জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। তার মনে হয়েছে এখন এ নিয়ে আলোচনা করলে বিরোধী ঐক্যে ধাক্কা লাগতে পারে।  

কয়েকটি আঞ্চলিক দল জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তালিকায় মায়াবতীর বিএসপি'র পাশাপাশি মমতার তৃণমূলও রয়েছে। অনেকেই মনে করেন রাহুলের সঙ্গে মমতার সমস্যা থাকাতেই পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস এবং তৃণমূলের জোট হয়নি। শেষমেশ বিরোধী দলগুলির মধ্যে ঐক্য তৈরি হবে কি না তা অনেকাংশেই নির্ভর করছে এই সমীকরণের উপর।       

অন্যদিকে, দেশের দক্ষিণ প্রান্তে অন্য ধরনের রাজনৈতিক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও দক্ষিণ ভারতে একাধিক রাজ্যে সফর করেছেন। বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের নেতার সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। দীর্ঘ দিন ধরেই আঞ্চলিক দলগুলির নৈকট্যের পক্ষে সওয়াল করে আসছেন টিআরএস প্রধান। এই উদ্যোগেও আশার আলো দেখছে তৃণমূল। তারা মনে করছে এভাবেই আঞ্চলিক দলগুলি কাছাকাছি আসছে এবং নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পথ আরও চওড়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন মমতা। গত বছর তৃণমূল প্রধানের সঙ্গে দেখা করেছিলেন তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী। সে সময় মমতাও তেলেঙ্গানা যাওয়ার কথা বলেছিলেন। এখনও পর্যন্ত সেটা হয়নি।

ইতিমধ্যে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, তামিলনাড়ুর বিরোধী দলনেতা এম কে স্ট্যালিন, অন্ধপ্রদেশের নেতা জগমোহন রেড্ডি, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামীর সঙ্গে দেখা করেছেন চন্দ্রশেখর রাও।

নির্বাচনের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ হয়ে এলেও কয়েকটি দলের অবস্থান নিয়ে সংশয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়কের দল বিজেডি। নবীন শেষমেশ কোন দিকে যান তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। তবে রাজনৈতিক মহল মনে করছে শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে সমদূরত্ব  রক্ষা করবেন বিজেডি প্রধান।   

বিডি-প্রতিদিন/১৫ মে, ২০১৯/মাহবুব


আপনার মন্তব্য