শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০০:৩২, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

আমি এবং শহীদ জিয়া বিজয়ের খবর পেয়েছিলাম চা-বাগানে বসে

ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম
প্রিন্ট ভার্সন
আমি এবং শহীদ জিয়া বিজয়ের খবর পেয়েছিলাম চা-বাগানে বসে

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস, বাঙালি জাতির বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় গৌরবময় দিন। বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার দিন। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের নাম জানান দেওয়ার দিন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক সেনাদের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের দুই দিন আগে ১৪ ডিসেম্বর আমরা সিলেটকে শত্রুমুক্ত করি। এরপর ১৬ ডিসেম্বরে আমি এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জেডফোর্স ও প্রথম বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে সিলেটেই ছিলাম। ১৬ ডিসেম্বর আমরা সিলেটে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ একটি চা বাগানে অবস্থান করেছিলাম।

বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠতম আনন্দঘন দিন ১৬ ডিসেম্বর। নয় মাস রক্তস্নাত স্বাধীনতা সংগ্রামের পরে আমরা পাই মহান বিজয়। পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার জয় আনন্দ গৌরবের। আমরা সেই দিন খুব আনন্দিত হয়েছি। স্বাধীনতার সংগ্রামে অংশ নিতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। জিয়াউর রহমান যখন স্বাধীনতার ঘোষণা করেন, তখন আমি পাশে বসে ছিলাম। ১৯৭৩ সালে জিয়াউর রহমানের নিজ হাতে লেখা একটি ডকুমেন্ট আছে আমার কাছে। তিনি লিখেছেন, ক্যাপ্টেন অলি আহমদ বিদ্রোহের জন্য মুখ্য ভূমিকা পালন করে।

১৯৭১ সালে আমি ছিলাম চট্টগ্রাম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত তরুণ এক অফিসার। লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুজিবুর রহমান, মেজর জিয়াউর রহমান প্রমুখের সান্নিধ্যে থাকার কারণে তখন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হয়েও জনগণের পক্ষে ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা আমার হয়েছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং সঠিক সময়ে বিদ্রোহ করে অস্ত্রশস্ত্রসহ সদলবলে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার অভিজ্ঞতা ছিল খুবই রোমহর্ষক। ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় পাকিস্তান বাহিনীর ক্র্যাকডাউনের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেজর জিয়ার নেতৃত্বে আমি সর্বপ্রথম অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্টকে নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করি। সে সময় বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক ছিলেন কর্নেল আবদুর রশিদ জানজুয়া এবং সহঅধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান।

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। এর সঙ্গে ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক-মজদুর-জনতা নিজেদের জীবন বাজি রেখে অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধে বীরের মতো লড়াই করে বাংলাদেশের স্বাধীন ভূখণ্ডস্বাধীনতা ছিনিয়ে আনে। ’৭০-এর নির্বাচনের ফলাফলের পরই আমাদের মনে হয়েছে, পাকিস্তানিরা ক্ষমতা ছাড়বে না। তাই আমরা নির্বাচিত নেতার কাছে গিয়ে বলেছিলাম, পাকিস্তানিরা ক্ষমতা হস্তান্তর করবে না। কারণ তারা মনে করছে আপনি যদি প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে পাকিস্তানি জেনারেলরা হুমকির মুখে পড়বে। এ ছাড়া সত্তরের ওই নির্বাচনের পরই দেখছি নতুন নতুন পাকিস্তানি রেজিমেন্ট তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে আসছে। ’৭১ সালে আমরা বাঙালি অফিসার, যারা সামরিক বাহিনীতে ছিলাম তারা নিশ্চিত ছিলাম যে, পাকিস্তানিদের প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেই তারা ক্র্যাকডাউন করবে। তাই ফেব্রুয়ারি মাসেই আমরা বিদ্রোহের পরিকল্পনার কথা শেখ মুজিবুর রহমানকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু সব শুনে তিনি বলে দিলেন, না, তোমাদের কোনো সাহায্যের প্রয়োজন আমার নেই।

অষ্টম ইস্ট বেঙ্গলের বিদ্রোহ : ঢাকায় ক্র্যাকডাউনের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেজর জিয়ার নেতৃত্বে আমরা অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকরা বিদ্রোহ করি। তবে তা হঠাৎ করে ঝোঁকের মাথায় সংঘটিত কোনো বিদ্রোহ ছিল না, বরং তা ছিল পরিকল্পিত ও সুসংগঠিত। বিদ্রোহ পরিকল্পনার নেপথ্যে ছিলেন সিলেটের গোলাপগঞ্জের রণকেলি গ্রামের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মেজর জিয়াউর রহমান ও আমি। ২৫ মার্চ ঢাকায় যখন পাকিস্তান হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, তখন আমি ছিলাম চট্টগ্রামে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে। সে সময় অষ্টম বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল ঝানঝুয়া এবং সহঅধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। বিদ্রোহের শুরুতেই রেজিমেন্ট অধিনায়ক ঝানঝুয়া নিহত হন। এরপর ব্যারাকে ফিরে মেজর জিয়া আনুষ্ঠানিক বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। এ সময় আমি তার সঙ্গেই ছিলাম। প্রথমেই আমরা চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র দখল করি, সেখান থেকে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

যুদ্ধের স্মৃতি : ১৩ এপ্রিল রাতে মেজর জিয়া আমাকে মিরসরাইয়ে যেতে বলেন এবং ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী শত্রু বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা পেয়ে রাতেই রামগড় থেকে ৩৫ মাইল দূরে মিরসরাইয়ে এসে উপস্থিত হই। এ সময় আমার সঙ্গে ছিল দুই প্লাটুন প্রাক্তন ইপিআর সদস্য এবং এক প্লাটুন নতুন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা। অস্ত্রের মধ্যে ছিল একটি তিন ইঞ্চি মর্টার, একটি মেশিনগান আর একটি ৭৫ মিলিমিটার-বিধ্বংসী ছোট কামান। আমরা যুদ্ধে গেরিলা কৌশল অবলম্বন করলাম। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় গোপনে রাস্তার দুই পাশে বাংকার তৈরি করে সেখানে অবস্থান নিলাম। আর শত্রু বাহিনীকে আমাদের পাতা ফাঁদে ফেলার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম।

অপারেশন মিরসরাই : ১৯ এপ্রিল ভোরে কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে আমি নায়েক ফয়েজ আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে আক্রমণের প্রস্তুতি পরিদর্শন করতে গিয়ে দেখলাম, প্লাটুন কমান্ডার সিরাজুল ইসলাম ও প্লাটুন হাবিলদার স্ব স্ব বাংকারে নেই। খবর দিয়ে দ্রুত তাদের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হয়। প্রস্তুতি শেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম প্রধান সড়কে উঠেই চমকে গেলাম। দেখলাম, একটি মাইক্রোবাস আসছে। তার একটু পেছনে একটি সাধারণ তিন টনি ট্রাক। তার একটু পেছনেই সারিবদ্ধভাবে আসছে ২০টি সামরিক ট্রাকের বহর। প্রতিটিই সৈন্যবাহী ট্রাক। আমি দ্রুত আড়াল নিলাম। পুরো শত্রু বাহিনী আমাদের অবস্থানে ঢুকে পড়তেই আমি ফায়ার ওপেন করলাম। দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট থেকে ধার করা ৭৫ মিলিমিটার-বিধ্বংসী কামান দিয়ে আমি সবচেয়ে পেছনের ট্রাকটি ধ্বংস করে দিই। হাবিলদার সিদ্দিক মর্টার ফায়ার করে সামনে ও মাঝখানের তিনটি সামরিক ট্রাক উড়িয়ে দেন। অধিকাংশ শত্রুসেনা নিজ গাড়ির মধ্যেই নিহত হয়। আমার কোম্পানি সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শত্রুসেনাদের মিরসরাইয়ে আটকে রাখে। এর মধ্যে ইপিআরের আরেকটি প্লাটুন সুবেদার সাইদুলের নেতৃত্বে আমাদের সঙ্গে যোগ দেয়। যুদ্ধের একপর্যায়ে শত্রু বাহিনীর গুলিতে হাবিলদার সিদ্দিক আহত হন। ল্যান্স নায়েক আবুল কালামও অতর্কিত এক মর্টার শেলের আঘাতে ঘটনাস্থলেই শহীদ হন। এ সময় আরও চারজন মুক্তিযোদ্ধা আহত হন। তবে আমরা এ যুদ্ধে ১৫০ জন শত্রু সেনাকে খতম করি এবং তাদের আটটি সামরিক যান ধ্বংস করে দিই, যা আমাদের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ সাফল্য হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। এ যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকার আমাকে বীরবিক্রম খেতাব প্রদান করে।

১০ এপ্রিল অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনায় মেজর জিয়াউর রহমানকে কমান্ডার করে গঠন করা হয় ১ নম্বর সেক্টর। এই সেক্টরের আওতাধীন এলাকা ছিল চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে ফেনী নদী পর্যন্ত। ২৫ জুন পর্যন্ত ১ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন জিয়াউর রহমান। এ সময় তার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, রাঙামাটি, মিরসরাই, রামগড়, ফেনীতে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিবাহিনীর একাধিক যুদ্ধ হয়। মুক্তিযুদ্ধের ২৬ জুন মেজর জিয়াউর রহমানকে সেক্টর কমান্ডার করে গঠিত হয় ১১ নম্বর সেক্টর। এই সেক্টরের আওতাধীন এলাকা ছিল কিশোরগঞ্জ মহকুমা বাদে সমগ্র ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল জেলা এবং নগরবাড়ী-আরিচা থেকে ফুলছড়ি-বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত যমুনা নদী ও তীর অঞ্চল। ৭ জুলাই প্রথম, তৃতীয় ও অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এবং দ্বিতীয় ফিল্ড আর্টিলারি ব্যাটারি নিয়ে গঠিত হয় জেড ফোর্স ব্রিগেড। এই ব্রিগেডের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান।

মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউর রহমান বিখ্যাত সব যুদ্ধের নির্দেশনা ও পরিকল্পনা করেছিলেন। কামালপুরের প্রথম যুদ্ধ, বিলোনিয়ার যুদ্ধ, নকশি বিওপির যুদ্ধ, বাহাদুরাবাদ যুদ্ধ, দেওয়ানগঞ্জ থানা আক্রমণ, চিলমারী উভচর অভিযান, হাজীপাড়া, ছোটখাল, গোয়াইনঘাট, টেংরাটিলা, গোবিন্দগঞ্জ, সালুটিকর বিমানবন্দর, ধলাই চা-বাগান, ধামাই চা-বাগান, জকিগঞ্জ, আলি ময়দান, এমসি কলেজের যুদ্ধ, ভানুগাছ যুদ্ধ, কানাইঘাট যুদ্ধ, বয়মপুর যুদ্ধ, ফুলতলা চা-বাগান যুদ্ধসহ অসংখ্য যুদ্ধ মেজর জিয়াউর রহমানের প্রত্যক্ষ নির্দেশ ও পরিকল্পনায় হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে উত্তরাঞ্চলের স্বাধীন অঞ্চলগুলো নিরাপদ রাখা ছিল জিয়াউর রহমান ও তাঁর অধীনে গঠিত জেড ফোর্সের অন্যতম প্রধান কাজ। এর অংশ হিসেবে জিয়াউর রহমানের নির্দেশে ও পরিকল্পনায় জেড ফোর্স বেশ কয়েকটি অঞ্চল স্বাধীন করে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলে। মুক্তিযুদ্ধে মেজর জিয়াউর রহমান ছিলেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকায়। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের কারণে তিনি বীরউত্তম খেতাব পেয়েছেন।

লেখক : সাবেক মন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপি

এই বিভাগের আরও খবর
মুক্তিযুদ্ধে মওলানা ভাসানী
মুক্তিযুদ্ধে মওলানা ভাসানী
মহান মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান অনন্য
মহান মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান অনন্য
বিজয় দুর্বল হয়ে পড়বে, যদি জাতীয় মুক্তি না আসে
বিজয় দুর্বল হয়ে পড়বে, যদি জাতীয় মুক্তি না আসে
সর্বশেষ খবর
রশি ছাড়াই ১০১ তলা ভবনের চূড়ায় মার্কিন পর্বতারোহী
রশি ছাড়াই ১০১ তলা ভবনের চূড়ায় মার্কিন পর্বতারোহী

১ সেকেন্ড আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সোমবার যেসব এলাকায় ৭ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
সোমবার যেসব এলাকায় ৭ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

১ মিনিট আগে | জাতীয়

দিনাজপুর চাঁদাবাজমুক্ত করা হবে: জাহাঙ্গীর আলম
দিনাজপুর চাঁদাবাজমুক্ত করা হবে: জাহাঙ্গীর আলম

১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ঢাকার ১৩টি আসনে ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম গঠন
ঢাকার ১৩টি আসনে ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম গঠন

১ মিনিট আগে | জাতীয়

সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ও তার পরিবারের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ
সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ও তার পরিবারের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ

৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

বিএনপি বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থায় বিশ্বাসী: ডা. জাহিদ
বিএনপি বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থায় বিশ্বাসী: ডা. জাহিদ

১০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

রাঙামাটির ছোটহরিণায় বিজিবির অভিযান: ১৩৫০ কেজি রসুন উদ্ধার
রাঙামাটির ছোটহরিণায় বিজিবির অভিযান: ১৩৫০ কেজি রসুন উদ্ধার

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যে রিপোর্টের কারণে ভারতে দল পাঠায়নি বাংলাদেশ
যে রিপোর্টের কারণে ভারতে দল পাঠায়নি বাংলাদেশ

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জ্বালানি উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
জ্বালানি উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

চালকের দক্ষতায় বেঁচে ফিরলেন ৪ পুলিশ
চালকের দক্ষতায় বেঁচে ফিরলেন ৪ পুলিশ

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শেষ হলো মিয়ানমারের নির্বাচন, বড় জয়ের পথে সেনাসমর্থিত দল
শেষ হলো মিয়ানমারের নির্বাচন, বড় জয়ের পথে সেনাসমর্থিত দল

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

বিশ্বজুড়ে ভাইরাল পেঙ্গুইনের একাকী যাত্রা, আসলে কী ঘটেছিল
বিশ্বজুড়ে ভাইরাল পেঙ্গুইনের একাকী যাত্রা, আসলে কী ঘটেছিল

১৮ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

গ্রিনল্যান্ডে পানি-ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত
গ্রিনল্যান্ডে পানি-ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবাসন ভাতার দাবিতে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ জবি শিক্ষার্থীদের
আবাসন ভাতার দাবিতে প্রশাসনিক ভবন অবরোধ জবি শিক্ষার্থীদের

২০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেলা প্রসঙ্গে যা বললেন জন্টি রোডস
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ না খেলা প্রসঙ্গে যা বললেন জন্টি রোডস

২১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দেশকে লুটেপুটে খাওয়ার জন্য মসনদে বসতে চাই না : জামায়াত আমির
দেশকে লুটেপুটে খাওয়ার জন্য মসনদে বসতে চাই না : জামায়াত আমির

২৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

গ্রিস উপকূলে নৌকা ডুবে ২ জনের প্রাণহানি
গ্রিস উপকূলে নৌকা ডুবে ২ জনের প্রাণহানি

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেরিঘাট নিয়ে রাজনীতি না করার আহ্বান নৌপরিবহন উপদেষ্টার
ফেরিঘাট নিয়ে রাজনীতি না করার আহ্বান নৌপরিবহন উপদেষ্টার

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন না হলে অর্থায়ন বন্ধ : পরিকল্পনা উপদেষ্টা
নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন না হলে অর্থায়ন বন্ধ : পরিকল্পনা উপদেষ্টা

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

দেশের উচ্চশিক্ষা পদ্ধতির ভবিষ্যৎ নিয়ে সমীক্ষা করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
দেশের উচ্চশিক্ষা পদ্ধতির ভবিষ্যৎ নিয়ে সমীক্ষা করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

৩৬ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব হত্যার আসামি কক্সবাজারে গ্রেফতার
জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব হত্যার আসামি কক্সবাজারে গ্রেফতার

৩৭ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

নিকলীতে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ
নিকলীতে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ

৩৭ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নয়, সরকার অপরাধীদের জামিনের বিরুদ্ধে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নয়, সরকার অপরাধীদের জামিনের বিরুদ্ধে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

বেরোবি উপাচার্যকে ঘিরে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি অবস্থান
বেরোবি উপাচার্যকে ঘিরে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি অবস্থান

৪৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ব্যাটারিচালিত রিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু
ব্যাটারিচালিত রিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু

৪৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বাসাইলে স্ত্রীর আপত্তিকর ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার
বাসাইলে স্ত্রীর আপত্তিকর ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার

৪৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন বিএনপির মোবাশ্বের আলম
প্রার্থিতা ফিরে পেলেন বিএনপির মোবাশ্বের আলম

৫১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

লক্ষ্মীপুরে জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়
লক্ষ্মীপুরে জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

টানা ডেস্কে কাজ করলে হাতব্যথা? সহজ সমাধান জেনে নিন
টানা ডেস্কে কাজ করলে হাতব্যথা? সহজ সমাধান জেনে নিন

৫৫ মিনিট আগে | জীবন ধারা

যুক্তরাষ্ট্রে তুষারঝড়ে বিদ্যুৎহীন আড়াই লাখ মানুষ
যুক্তরাষ্ট্রে তুষারঝড়ে বিদ্যুৎহীন আড়াই লাখ মানুষ

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে যা বললো বিসিবি
আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে যা বললো বিসিবি

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হওয়ার কথা ছিল গণ-অভ্যুত্থানের নেতা, হয়ে গেছে ওবায়দুল কাদের : তাজনুভা
হওয়ার কথা ছিল গণ-অভ্যুত্থানের নেতা, হয়ে গেছে ওবায়দুল কাদের : তাজনুভা

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি ঘোষণা
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি ঘোষণা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া নয়, সবচেয়ে বেশি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র যে দেশের হাতে
যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া নয়, সবচেয়ে বেশি হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র যে দেশের হাতে

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্থিক ক্ষতি হলেও পাকিস্তানকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শেহবাজ শরিফের উপদেষ্টার
আর্থিক ক্ষতি হলেও পাকিস্তানকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান শেহবাজ শরিফের উপদেষ্টার

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ ছাড়াই বিশ্বকাপ, আইসিসির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি
বাংলাদেশ ছাড়াই বিশ্বকাপ, আইসিসির আনুষ্ঠানিক বিবৃতি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত
সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নিশ্চিত

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ালে নিষেধাজ্ঞাসহ যে কঠিন শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান!
বাংলাদেশের পক্ষে দাঁড়ালে নিষেধাজ্ঞাসহ যে কঠিন শাস্তি পেতে পারে পাকিস্তান!

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিরপরাধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা ১০ দলীয় জোটে আসতে পারেন: হান্নান মাসউদ
নিরপরাধ আওয়ামী লীগ কর্মীরা ১০ দলীয় জোটে আসতে পারেন: হান্নান মাসউদ

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

'শেখ হাসিনা ভারতে নিরাপদে থাকলে ক্রিকেটাররা কেন খেলতে পারবে না'
'শেখ হাসিনা ভারতে নিরাপদে থাকলে ক্রিকেটাররা কেন খেলতে পারবে না'

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাদুরো অপহরণ, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
মাদুরো অপহরণ, চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা কি ইসরায়েলি আক্রমণ ঠেকাতে পারবে?
ইরানি আকাশ প্রতিরক্ষা কি ইসরায়েলি আক্রমণ ঠেকাতে পারবে?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবিতে ছয় মাসের দুর্নীতি পাপন আমলের ১৫ বছরকেও ছাড়িয়ে গেছে : বোর্ড পরিচালক
বিসিবিতে ছয় মাসের দুর্নীতি পাপন আমলের ১৫ বছরকেও ছাড়িয়ে গেছে : বোর্ড পরিচালক

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সরকার নির্দেশ দিলে বিশ্বকাপ খেলবে না পাকিস্তান
সরকার নির্দেশ দিলে বিশ্বকাপ খেলবে না পাকিস্তান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফের ১১ দলীয় জোট গঠন জামায়াতের
ফের ১১ দলীয় জোট গঠন জামায়াতের

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজ স্বার্থে ওসমান হাদিকে বিক্রি করছেন : আবদুল কাদের
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজ স্বার্থে ওসমান হাদিকে বিক্রি করছেন : আবদুল কাদের

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

চীন কানাডাকে জ্যান্ত গিলে খাবে, ১০০ শতাংশ শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের
চীন কানাডাকে জ্যান্ত গিলে খাবে, ১০০ শতাংশ শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

‘মওদুদীবাদী জামায়াতের বিষয়ে জাতিকে সতর্ক করা আলেমদের ধর্মীয় দায়িত্ব’
‘মওদুদীবাদী জামায়াতের বিষয়ে জাতিকে সতর্ক করা আলেমদের ধর্মীয় দায়িত্ব’

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর
ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভাঙনের মুখে ইরান, আরও বড় ধাক্কা আসছে?
ভাঙনের মুখে ইরান, আরও বড় ধাক্কা আসছে?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবম পে-স্কেল: প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বাড়বে কত?
নবম পে-স্কেল: প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন বাড়বে কত?

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যেকোনো মূল্যে বিএনপি দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে : তারেক রহমান
যেকোনো মূল্যে বিএনপি দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে : তারেক রহমান

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপ ইস্যু: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যা বললেন পিসিবি চেয়ারম্যান
বিশ্বকাপ ইস্যু: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যা বললেন পিসিবি চেয়ারম্যান

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অর্থ বিভাগের দায়িত্ব ফিরে পেলেন বিসিবির সেই পরিচালক
অর্থ বিভাগের দায়িত্ব ফিরে পেলেন বিসিবির সেই পরিচালক

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্ব জনগণের জন্য সুবিধা বয়ে এনেছে : প্রণয় ভার্মা
বাংলাদেশ-ভারত অংশীদারিত্ব জনগণের জন্য সুবিধা বয়ে এনেছে : প্রণয় ভার্মা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের জনগণকে জামায়াতের শুভেচ্ছা
প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের জনগণকে জামায়াতের শুভেচ্ছা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘পাকিস্তান বিশ্বকাপে না গেলে সেখানে খেলবে উগান্ডা’
‘পাকিস্তান বিশ্বকাপে না গেলে সেখানে খেলবে উগান্ডা’

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন উপকারিতা
খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন উপকারিতা

৭ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিসিবি পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকের পদত্যাগ
বিসিবি পরিচালক ইশতিয়াক সাদেকের পদত্যাগ

প্রথম পৃষ্ঠা

সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত জিততে পারবে না
সুষ্ঠু ভোট হলে জামায়াত জিততে পারবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

গুইসাপের অভয়ারণ্য তীরচর
গুইসাপের অভয়ারণ্য তীরচর

পেছনের পৃষ্ঠা

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে পাল্টাপাল্টি
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে পাল্টাপাল্টি

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তপ্ত ভোটের মাঠ
উত্তপ্ত ভোটের মাঠ

প্রথম পৃষ্ঠা

একটি দল ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন
একটি দল ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্মাণাধীন ভবনের রড পড়ে পথচারী নিহত
নির্মাণাধীন ভবনের রড পড়ে পথচারী নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

তেলা মাথায় আর কত তেল দেবেন?
তেলা মাথায় আর কত তেল দেবেন?

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গণিতে দুর্বলতা উদ্বেগের
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের গণিতে দুর্বলতা উদ্বেগের

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুটসালে ইতিহাস গড়ার দিন
ফুটসালে ইতিহাস গড়ার দিন

মাঠে ময়দানে

সরকারে গেলে গুরুত্ব পাবে প্রাথমিক শিক্ষা
সরকারে গেলে গুরুত্ব পাবে প্রাথমিক শিক্ষা

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন দিন পর কৃষিবিদের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার
তিন দিন পর কৃষিবিদের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিভক্তির নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই
বিভক্তির নয়, ঐক্যের বাংলাদেশ চাই

প্রথম পৃষ্ঠা

কেরানীগঞ্জে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতার মৃত্যু
কেরানীগঞ্জে গুলিবিদ্ধ বিএনপি নেতার মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

সিন্ডিকেট চক্রে জিম্মি প্রশিক্ষণার্থীরা
সিন্ডিকেট চক্রে জিম্মি প্রশিক্ষণার্থীরা

নগর জীবন

নানান কৌশলে প্রচার
নানান কৌশলে প্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভোট কেনার কৌশল
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভোট কেনার কৌশল

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও হলো ‘১১-দলীয় জোট’
আবারও হলো ‘১১-দলীয় জোট’

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনে চলছে টাকার খেলা
নির্বাচনে চলছে টাকার খেলা

প্রথম পৃষ্ঠা

মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম অনুপ্রেরণা জোগায়
মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম অনুপ্রেরণা জোগায়

প্রথম পৃষ্ঠা

নাটকে ফিরছে পারিবারিক গল্প
নাটকে ফিরছে পারিবারিক গল্প

শোবিজ

ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণার কারণেই কোকোর মৃত্যু
ফ্যাসিবাদের যন্ত্রণার কারণেই কোকোর মৃত্যু

প্রথম পৃষ্ঠা

আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন অবশেষে গ্রেপ্তার
আইফোনের জন্য বন্ধুকে খুন অবশেষে গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের জায়গায় খেলবে স্কটল্যান্ড
বাংলাদেশের জায়গায় খেলবে স্কটল্যান্ড

প্রথম পৃষ্ঠা

সভা-সম্মেলনে ফল শূন্য
সভা-সম্মেলনে ফল শূন্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশ সফরেও কমছে এফডিআই
বিদেশ সফরেও কমছে এফডিআই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি যুক্তরাজ্যের
বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি যুক্তরাজ্যের

পেছনের পৃষ্ঠা

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে দ্রুত পাঠানোর তাগাদা ইসির
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে দ্রুত পাঠানোর তাগাদা ইসির

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনি প্রচার উৎসবে দেশ
নির্বাচনি প্রচার উৎসবে দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা