শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:৩৮, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ২১:৫৪, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫

‘রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে এখন মানুষ ক্লিয়ার ম্যাসেজ চায়’

‘মানুষ জানতে চায় ক্ষমতায় গেলে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের জন্য কী করবে’

বিএনপি চায়, মতামত প্রকাশের জন্য আবরার ফাহাদের মতো কেউ যেন আগামীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার না হন
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
‘মানুষ জানতে চায় ক্ষমতায় গেলে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের জন্য কী করবে’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি দেশ গড়ার যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে তার ৪০ ভাগও বাস্তবায়ন করতে পারলে এদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। আগামী নির্বাচনে জনগণের রায় চায় বিএনপি। কে খারাপ কে ভালো এসব বিতর্ক বাদ দিয়ে মানুষ জানতে চায় ক্ষমতায় গেলে রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের জন্য কী করবে।

বুধবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে জেতাতে হবে; এর কোনো বিকল্প নেই। ধানের শীষকে জেতানোর মাধ্যমে জনগণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। ধানের শীষকে জেতানোর মাধ্যমে দেশকে রক্ষা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ এবং সবার আগে বাংলাদেশ। নো কম্প্রোমাইজ।’

তারেক রহমান বলেন, সামনের নির্বাচনে আমরা জনগণের রায় চাই, সমর্থন চাই। এ জন্য জনগণের কাছে যেতে হবে। তাদের ভালোবাসা অর্জন করতে হবে। যেকোনো মূল্যে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। এর মাধ্যমেই দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে হবে। এটা যদি করতে ব্যর্থ হই, তাহলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, অতীতে দেশ যতবার বিপদে পড়েছে, ততবারই বিএনপি দেশকে রক্ষা করেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার আগে প্রতিবারই দেশ ধ্বংসের মুখে পতিত হয়েছিল। এবারও দেশকে বিএনপিই রক্ষা করবে।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আইনশৃঙ্খলা কঠোর করা, ফ্রি ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালু, প্রান্তিক মানুষ থেকে শুরু করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান, কৃষকদের জন্য ফার্ম কার্ড, সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্য কার্ড, পরিবেশ রক্ষা ও ভোকেশনাল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তারেক রহমান।

তিনি আরও বলেন, পত্রিকার পাতা খুললেই বহু ডিবেট (তর্ক) চলতে থাকে। এর থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসতে হবে। রাজনীতিবিদরা যাদের সাধারণ মানুষ হিসেবে গণ্য করে, তারাই এই ডিবেট শুনতে শুনতে বিরক্ত। রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে এখন মানুষ ক্লিয়ার ম্যাসেজ চায়। বিএনপি প্রকাশিত দেশ গড়ার পরিকল্পনার মতো করে অন্য রাজনৈতিক দল প্ল্যানিং দিতে পারেনি। একমাত্র বিএনপিই দিয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সারা দেশের নারীদের স্বাবলম্বী করে তোলা হবে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দেশের অর্ধেক পপুলেশন নারী। তারা কেন ঘরের মধ্যে থাকবে? বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রায় চার কোটি পরিবারের নারী প্রধানদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ নেবে। এই কার্ডের মাধ্যমে একজন নারী যে ভাতা পাবে, সেটি দিয়ে শিশুদের সুষম খাদ্য ও লেখাপড়ার খরচ মিটিয়েও কিছু টাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে পারবেন বলে তিনি আশা রাখেন। এভাবে ধীরে ধীরে পুরো পরিবার স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে।

কৃষি কার্ডের মাধ্যমে একজন কৃষক সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষিঋণের সুবিধা পাবেন বলেও জানান তিনি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, এতে করে ধীরে ধীরে ওই কৃষক আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষককে কৃষি কার্ডের আওতায় আনা হবে। কৃষকের মেরুদণ্ড শক্তিশালী হলে কৃষি রপ্তানিতে আরও মনোযোগী হওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, ১৯৮০ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য রপ্তানি হতো। আমাদের সেই ধারাবাহিকতায় ফিরে যেতে হবে।

দেশের স্বাস্থ্যখাতের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমাদের চিকিৎসা সেবার সক্ষমতার তুলনায় রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে; যার ৮০-৮৫ শতাংশই হবে নারী। তাদের কাজ হবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে সচেতন করা। তাহলে হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা কমবে।

তারেক রহমান আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সবচেয়ে বেশি নজর দেওয়া হবে কর্মসংস্থানের দিকে। কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপায় নিয়ে ইতোমধ্যে কাজ চলছে। তরুণ সমাজকে আরও সমৃদ্ধ করতে আইটি খাতকে সমৃদ্ধ করা হবে। দেশের স্কুল-কলেজ, ক্যাফে ও ক্যাম্পাসসহ সব স্থানে সরকারি উদ্যোগে ওয়াইফাই চালুর ব্যবস্থা করা হবে।

বিগত স্বৈরাচারের সময় মেগা প্রকল্প হলেও সেগুলোর উদ্দেশ্য সফল হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, পতিত স্বৈরাচারের সময়ে আইটি পার্কের নামে বহু অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু সেগুলোতে এখন বিয়েশাদি মতো সামাজিক অনুষ্ঠান হচ্ছে। যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে করা হয়েছিল, তা সফল হয়নি।

তারেক রহমান বলেন, মেগা প্রকল্প মানেই মেগা দুর্নীতি। তাই বিএনপি নতুন করে মেগা প্রকল্পে যাবে না। কারণ দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে। রাষ্ট্রের অর্থ জনগণের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের উন্নতির পেছনে খরচ করতে হবে। সে জন্যই নতুন আইটি পার্ক বানানোর পরিকল্পনা নেই আমাদের। যেগুলো আছে, সেগুলোর সংস্কার করা হবে। তারপর তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে যারা কাজ করতে চান, তাদের কাজের সুযোগ করে দেওয়া হবে।

কর্মসূচিতে উপস্থিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ও কৃষক দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আর সময় নেই; যুদ্ধে নেমে পড়তে হবে। এই যুদ্ধ হলো—মানুষের পক্ষে, মানুষের জন্য, দেশের পক্ষে, দেশের জন্য।

তিনি আরও বলেন, এই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হলে দেশ গড়ার পরিকল্পনা শুধু পরিকল্পনার মধ্যে রাখলে হবে না। জনগণকে সামনে নিয়ে বিগত দিনের আন্দোলনের মতো তাদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করতে হবে। আমরা দেশ গড়ার ৮টি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব। আমরা যে কাজ শুরু করব, পরবর্তী প্রজন্ম সেটা চালিয়ে নেবে।বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশ গড়ার পরিকল্পনাগুলো জনগণকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করা হবে। যদি আমরা ৪০ শতাংশও করতে পারি, তাতেও জনগণের ভাগ্যের শুভ পরিবর্তন ঘটবে।

উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, এই কথাগুলো বিশ্বাস করে হৃদয় দিয়ে ধারণ করতে হবে। দেশ গড়ার পরিকল্পনা সবার কাছে পৌঁছানো হয়েছে। সেগুলো নিয়ে রেখে দিলে লাভ নেই। আপনার জেলা, ইউনিয়ন, পৌরসভা, গ্রাম ও সংগঠনসহ বিএনপির অন্যান্য নেতাকর্মীদের নিয়ে বসুন। আপনার এলাকা ও নির্বাচনী এলাকার প্রত্যেকটি ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের সামনে দলের পরিকল্পনা তুলে ধরুন। তবেই এগুলো সফলতার মুখ দেখবে।

মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে তিনি বলেন, বিগত স্বৈরাচারের সময়ে রাজনৈতিক কর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মানবাধিকার হরণ করা হয়েছে। দল হিসেবে বিএনপি সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ভিন্ন মতাদর্শের মানুষ আবারও নিরাপদে তাদের মতামত জানাতে পারবে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার মালিক জনগণ। বিএনপি চায়, মতামত প্রকাশের জন্য আবরার ফাহাদের মতো কেউ যেন আগামীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার না হন।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। সেখানে আরও বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলম, যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সঞ্চালনা করেন দলের আরেক যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান (সোহেল)।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ   
 

এই বিভাগের আরও খবর
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
প্রধান উপদেষ্টাকে বিএনপি চেয়ারম‍্যান ও তার পরিবারের ফুলেল শুভেচ্ছা
প্রধান উপদেষ্টাকে বিএনপি চেয়ারম‍্যান ও তার পরিবারের ফুলেল শুভেচ্ছা
জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মিরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মিরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিরাপদ জেনেটিক প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি : মৎস্য উপদেষ্টা
জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিরাপদ জেনেটিক প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি : মৎস্য উপদেষ্টা
নতুন বাংলাদেশ গড়তে পাহাড়ের মানুষও গণভোটে অংশ নিন: উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা
নতুন বাংলাদেশ গড়তে পাহাড়ের মানুষও গণভোটে অংশ নিন: উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা
শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে অনীহা ও শৈথিল্য দেখালে ব্যবস্থা
নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে অনীহা ও শৈথিল্য দেখালে ব্যবস্থা
তারেক রহমানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
তারেক রহমানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
কারা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসায় বিশেষ নির্দেশনা
কারা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসায় বিশেষ নির্দেশনা
তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
সর্বশেষ খবর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্কারোপ ট্রাম্পের, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্কারোপ ট্রাম্পের, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের
২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা
ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

অতীতের মতো কালো রাজনীতির পরিবেশ দেখতে চাই না: নুর
অতীতের মতো কালো রাজনীতির পরিবেশ দেখতে চাই না: নুর

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ইসরায়েল
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া
চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

শেষবিদায়ের নামাজ
শেষবিদায়ের নামাজ

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু
গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার
নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা
নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ
আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন
রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার
মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা
গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক
গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!
গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে
বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত
জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার
বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি
টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি
ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

প্রথম পৃষ্ঠা

চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার

প্রথম পৃষ্ঠা

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা
আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা

পেছনের পৃষ্ঠা

দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও
দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও

পেছনের পৃষ্ঠা

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

দেশগ্রাম

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম
সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম

দেশগ্রাম

ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

দেশগ্রাম

পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ
পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

নগর জীবন

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩

নগর জীবন

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া
এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া

নগর জীবন

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি
একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি

নগর জীবন

শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ
শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ

দেশগ্রাম

খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক
খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক

নগর জীবন