শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৩৫, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিরাপত্তাহীনতায় শুধু ভোটার নয়, রাজনীতিবিদরাও

গণতন্ত্র, সংস্কার ও ব্যাংকিং সংকট নিয়ে তীব্র উদ্বেগ
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
নিরাপত্তাহীনতায় শুধু ভোটার নয়, রাজনীতিবিদরাও

বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। এই উদ্বেগ শুধু ভোটার বা বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; রাজনীতিবিদরাও এখন নিজ নিজ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। সম্প্রতি ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনা সেই আশঙ্কাকে আরো জোরালো করেছে। এই হামলাই শেষ নয়—এমন ধারণাও তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এসব উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন। গতকাল রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বাংলাদেশ রিফর্ম ট্র্যাকার’ ওয়েবসাইটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ও বর্তমান সরকার রাজনীতিবিদদের জন্য একটি সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারবে কি না, সে বিষয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, ‘সাধারণত বিপন্ন জনগোষ্ঠী বলতে আমরা ধর্মীয় সংখ্যালঘু, আদিবাসী সম্প্রদায় বা ভিন্নমতাবলম্বীদের কথা বলি। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে রাজনীতিবিদদের নিরাপত্তাও একটি বড় উদ্বেগের বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আরো সহিংসতা বা হামলার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না, দেবপ্রিয় জানান, গত দেড় মাসে ‘বাংলাদেশ রিফর্ম ট্র্যাকার’ প্ল্যাটফর্ম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাক-নির্বাচনী সংলাপ আয়োজন করেছে। এসব সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা প্রায় সর্বত্রই নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাজনৈতিক পরিবেশ আদৌ নিশ্চিত করা যাবে কি না—এ নিয়ে অনেকেই নিশ্চিত নন। এসব আলোচনার ভিত্তিতে একটি নাগরিক ইশতেহার প্রস্তুত করা হচ্ছে, যা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

সংস্কার এজেন্ডা প্রসঙ্গে দেবপ্রিয় বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অবক্ষয়ের অভিজ্ঞতা থেকেই সংস্কার নিয়ে বর্তমান বিতর্কের ভিত তৈরি হয়েছে। তাঁর মতে, রাজনীতিবিদ, আমলা ও বড় ব্যাবসায়িক গোষ্ঠীর সমন্বয়ে একটি উচ্চবর্গীয় এলিট গোষ্ঠী গড়ে উঠেছিল, যা প্রতিযোগিতামূলক রাজনীতিকে দুর্বল করে দিয়েছে। এর ফল হিসেবে দেশে তৈরি হয়েছে প্রতিযোগিতাহীন অর্থনীতি। তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ক্রনি ক্যাপিটালিজম বা ‘চামচা পুঁজিবাদ’ বিকশিত হয়ে এক পর্যায়ে অলিগার্কিক বা লুটপাটতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্ম দিয়েছে। এতে রাষ্ট্রের নীতি প্রণয়নের স্বাধীনতা ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়েছে।

বাংলাদেশের উন্নয়নের যে বয়ান তৈরি করা হয়েছিল, তা অনেক ক্ষেত্রেই অতিরঞ্জিত ছিল এবং অংশগ্রহণমূলক ছিল না। সাধারণ মানুষ সেই উন্নয়নের পূর্ণ সুবিধা সব সময় পায়নি।

দেবপ্রিয় উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে সংস্কার কোনো নতুন বিষয় নয়। তবে বর্তমান উদ্যোগটি আলাদা, কারণ এটি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কমিশন ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এ সুযোগ তৈরিতে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করলেও তিনি বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়ার শুরুতে যে উদ্দীপনা ও গতি ছিল, তা ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাঁর ভাষায়, সংস্কার প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, তথ্য-উপাত্তের ধারাবাহিকতা এবং কার্যকর যোগাযোগ সব সময় বজায় রাখা হয়নি। সরকারের ভেতরে সমন্বয়ের ঘাটতি ছিল এবং অংশীজনদের সংগঠিত করার ক্ষেত্রেও পর্যাপ্ত উদ্যোগ দেখা যায়নি। শুধু নকশা বা পরিকল্পনা করলেই সংস্কার সফল হয় না; নাগরিকদের সচেতন ও ধারাবাহিক অংশগ্রহণ ছাড়া সংস্কার অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

অনুষ্ঠানে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দেশ সংস্কারের বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য থাকলেও সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক ও আমলাশক্তি। তাঁর মতে, জুলাই আন্দোলন থেকেও এসব গোষ্ঠী কোনো শিক্ষা নেয়নি। গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজেও স্বার্থান্বেষী শক্তির সক্রিয় উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে কাজ করতে গিয়ে তিনি সর্বত্রই ‘চুরির মহাসাগর’ দেখতে পেয়েছেন। সেই মহাসাগর শুকিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হলেও এটি অত্যন্ত কঠিন বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, মাফিয়াদের তাড়াতে এক বছর লেগেছে, আর এখন আবার নতুন নতুন মাফিয়া তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, সংসদে ব্যবসায়ীদের আধিক্য রাজনীতির নৈতিকতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বর্তমানে সংসদের প্রায় ৬০ শতাংশ সদস্যই ব্যবসায়ী, যা স্বার্থের সংঘাত তৈরি করছে। পাশাপাশি প্রশাসনের ভঙ্গুর বাস্তবতায় অল্প সময়ে প্রত্যাশিত সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নির্বাচন কমিশন সংস্কার কমিশনের সব সুপারিশ বাস্তবসম্মত নয়, এমন হতাশাও প্রকাশ করেন উপদেষ্টা।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকিং খাতের গভীর সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। বক্তারা জানান, দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে প্রায় ছয় লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি কামরান তানভিরুর রহমান বলেন, কিছু রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ৯৭ শতাংশ ছাড়িয়েছে। পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করাই যথেষ্ট নয়, ব্যাংক খাতে আরো কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন।

সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রেহমান সোবহান বলেন, বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে, সমস্যা আইন প্রণয়নে নয়, বরং বাস্তবায়নের ব্যর্থতায়। তিনি প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ের উদাহরণ টেনে বলেন, বড় সংস্কার না হলেও সৎ নেতৃত্বের কারণে তখন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হয়েছিল।

এ সময় সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব সুস্পষ্ট করার পাশাপাশি তাঁদের কার্যপ্রণালির নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। তিনি বলেন, এমপিদের দায়িত্ব পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা জরুরি। একজন এমপিকে সব ধরনের কাজের এখতিয়ার দিলে অনিয়ম হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।

নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা ফেরানো সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, গত দেড় দশকে কমিশনের প্রতি আস্থা ও আত্মবিশ্বাসের ‘বড় অধঃপতন’ ঘটেছে। এ আস্থা পুনরুদ্ধারই এখন কমিশনের অগ্রাধিকার। মনোনয়ন বাণিজ্যের ব্যাপারে তিনি বলেন, মনোনয়ন বাণিজ্য সাধারণত গোপনে হয়। তবে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পেলে নির্বাচন কমিশন অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে।

অনুষ্ঠানে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয় এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ আজ
দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ আজ
কাদেরসহ ৭ আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি আজ
কাদেরসহ ৭ আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি আজ
‘বাংলাদেশ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে’
‘বাংলাদেশ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে’
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ
প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের শেষ দিনের শুনানি আজ
প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের শেষ দিনের শুনানি আজ
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
প্রধান উপদেষ্টাকে বিএনপি চেয়ারম‍্যান ও তার পরিবারের ফুলেল শুভেচ্ছা
প্রধান উপদেষ্টাকে বিএনপি চেয়ারম‍্যান ও তার পরিবারের ফুলেল শুভেচ্ছা
জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মিরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মিরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিরাপদ জেনেটিক প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি : মৎস্য উপদেষ্টা
জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিরাপদ জেনেটিক প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি : মৎস্য উপদেষ্টা
সর্বশেষ খবর
মিশরের স্বপ্নভঙ্গ, সালাহর ভুলেই ব্রোঞ্জ পদক হাতছাড়া
মিশরের স্বপ্নভঙ্গ, সালাহর ভুলেই ব্রোঞ্জ পদক হাতছাড়া

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা
আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ আজ
দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ আজ

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ এরদোয়ান ও সিসিকে চান ট্রাম্প
গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ এরদোয়ান ও সিসিকে চান ট্রাম্প

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

৩৭ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘যে কাউকে হারানোর বিশ্বাস আমার আছে’
‘যে কাউকে হারানোর বিশ্বাস আমার আছে’

৪০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি
দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি

৪২ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বিক্ষোভে ‘হাজার হাজার’ নিহতের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
বিক্ষোভে ‘হাজার হাজার’ নিহতের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাদেরসহ ৭ আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি আজ
কাদেরসহ ৭ আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি আজ

৫৩ মিনিট আগে | জাতীয়

ডেমরায় লেগুনার ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত
ডেমরায় লেগুনার ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৈশ্বিক ইন্টারনেট ছাড়ছে ইরান, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ও মেসেজিং অ্যাপ চালুর উদ্যোগ
বৈশ্বিক ইন্টারনেট ছাড়ছে ইরান, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ও মেসেজিং অ্যাপ চালুর উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম
আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের
গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খালি পেটে খেজুর ভেজানো পানি পানের উপকারিতা জেনে নিন
খালি পেটে খেজুর ভেজানো পানি পানের উপকারিতা জেনে নিন

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

লাভজনক ম্যানচেস্টার রুট স্থগিতে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা
লাভজনক ম্যানচেস্টার রুট স্থগিতে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধি দল
শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধি দল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকতে পারে
ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকতে পারে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের শেষ দিনের শুনানি আজ
প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের শেষ দিনের শুনানি আজ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্জেন্টাইন তারকাকে দলে ভেড়াতে চায় বার্সেলোনা
আর্জেন্টাইন তারকাকে দলে ভেড়াতে চায় বার্সেলোনা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজ টিভিতে যা দেখবেন
আজ টিভিতে যা দেখবেন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মনুষ্যজাতির অপার শক্তি ও গুরুদায়িত্ব
মনুষ্যজাতির অপার শক্তি ও গুরুদায়িত্ব

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

বিশ্বকাপ দলে না থাকা প্রসঙ্গে নাহিদ বললেন ‌‘সুযোগ এলে প্রমাণ করব’
বিশ্বকাপ দলে না থাকা প্রসঙ্গে নাহিদ বললেন ‌‘সুযোগ এলে প্রমাণ করব’

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘সুন্দরী নন’ বলে সিনেমা হাতছাড়া হয় অস্কারজয়ী অভিনেত্রীর
‘সুন্দরী নন’ বলে সিনেমা হাতছাড়া হয় অস্কারজয়ী অভিনেত্রীর

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যাত্রাবাড়ীতে দ্রুতগতির ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথশিশুর
যাত্রাবাড়ীতে দ্রুতগতির ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথশিশুর

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের
২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি
টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও
দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও

পেছনের পৃষ্ঠা

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও বাংলা চ্যানেল চ্যাম্পিয়ন সাইফুল
আবারও বাংলা চ্যানেল চ্যাম্পিয়ন সাইফুল

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা
আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা

পেছনের পৃষ্ঠা

কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধরেনি বিএনপি
কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধরেনি বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৭ বছর পর ঘরোয়া লিগে পাকিস্তানের ফুটবলার
৪৭ বছর পর ঘরোয়া লিগে পাকিস্তানের ফুটবলার

মাঠে ময়দানে

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

শীর্ষ তারকাদের সন্তানরা কেন চলচ্চিত্রে নেই
শীর্ষ তারকাদের সন্তানরা কেন চলচ্চিত্রে নেই

শোবিজ

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

প্রথম পৃষ্ঠা

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

দেড় দশকে বিপুল অর্থ পাচার লুটপাট
দেড় দশকে বিপুল অর্থ পাচার লুটপাট

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি
দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

দেশগ্রাম

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানে ট্রাম্পের জয়ের কোনো সহজ পথ নেই
ইরানে ট্রাম্পের জয়ের কোনো সহজ পথ নেই

প্রথম পৃষ্ঠা