শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:২০, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ১১:২৩, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬

শিশুদের দরকার উদার মুক্ত পরিবেশ আর উৎসাহ

আহমেদ আকবর সোবহান
অনলাইন ভার্সন
শিশুদের দরকার উদার মুক্ত পরিবেশ আর উৎসাহ

কোমলমতি শিশুরা ফুলের মতো। এরা নিষ্পাপ, স্নিগ্ধ, নির্মল, সুন্দর। এরা চাঁদ-সূর্য-তারার মতো সত্য, বাস্তব। শিশুরা ষড়যন্ত্র চেনে না।

শত্রুতা বোঝে না। এরা কালোকে কালো বলে আর সাদাকে বলে সাদা। আমি বিশ্বাস করি, এই অপার্থিব মায়াময় শিশুরা যদি তাদের মনের ভেতরের এই চিরন্তন গুণাবলি আর সৌন্দর্য ধরে রেখে নিজেদের সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবিনাশী ও সাহসী করে গড়ে তুলতে পারে, তাহলে তারাই হবে আগামীর সুস্থ ও সুন্দর পৃথিবীর রূপকার। এদের হাত ধরেই তৈরি হবে জাতির আদর্শ ও মূল্যবোধের সৃজনশীল ও টেকসই কাঠামো।

এরা যদি সব ভালো কাজের জন্য মনের জানালা উন্মুক্ত রাখে, তাহলে এরাই তৈরি করবে বাসযোগ্য বিশ্বব্রহ্মাণ্ড। এদের দরকার উদার, মুক্ত পরিবেশ আর উৎসাহ।

শিশুদের এই অমিত সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই আমি তাদের জন্য একটি ছোট্ট আয়োজনের কথা ভেবেছি। আমার ধারণা, এমন একটি আয়োজন করা হবে, যেখানে তারা কিছুক্ষণের জন্য হলেও নিজেরাই নিজেদের মেলে ধরবে, মনের ইচ্ছার যত রং আছে, ক্যানভাসে মন খুলে তারা ফুটিয়ে তুলবে সম্ভাবনার শতফুল।

দেখা না-দেখা দেশ, মাটি আর মানুষের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে কল্পনার রঙে সাজাবে। এটাই ছিল আমার চাওয়া।

আর এই চাওয়া থেকে বসুন্ধরা গ্রুপের অনন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষকে বললাম, তারা যেন এমন একটি আয়োজন করে, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিশুরা আসবে, ছবি আঁকবে, নিজেদের ভাবনা ফুটিয়ে তুলবে। এমন একটি আয়োজন করবে, যা বিষয়বৈচিত্র্যে আর বিশালত্বে সেরা, অনন্য। এটাও বললাম, তাদের এই আয়োজনটি যেন আমাদের ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা ঘিরে হয়।


যেন শিশুরা তাদের কল্পনাশক্তি দিয়ে আজ থেকে প্রায় সাড়ে পাঁচ দশক আগের একটি অনিবার্য রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের বাস্তবতা ও পরিণতি তুলে ধরতে পারে।

একই সঙ্গে এ-ও বলেছি, তারা যেন রক্তাক্ত চব্বিশে তরুণদের আত্মত্যাগও তাদের রংতুলিতে চিত্রায়িত করে। একটি যেমন আমাদের জাতীয় জীবনের অনিবার্য-অতুলনীয় ঘটনা, তেমনি আরেকটি ঘটনাও মানুষের অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। শিশুরা একটি দেখেনি, হয়তো জেনে থাকবে কিভাবে বাংলাদেশ নামের একটি দেশের জন্ম হলো। ওরা হয়তো জেনে থাকবে এ দেশের কামার-কুমার, জেলে-তাঁতি, কৃষক-শ্রমিকরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে কিভাবে বাংলাদেশ নামের মানচিত্র ছিনিয়ে এনেছেন হানাদার বাহিনীর কবল থেকে। তাই তারা নিজেদের কল্পনাশক্তি ও সৃজনশীলতা দিয়ে সেই সময়, যুদ্ধ ও লাখো মানুষের আত্মত্যাগকে আঁকবে। একটি দেশের স্বাধীন হওয়ার না-দেখা ঐতিহাসিক ঘটনা তাদের বোধ ও মনোজগতে কতটা স্পষ্ট, তা যেমন তারা নিজেদের মতো করে তুলে ধরার সুযোগ পাবে, তেমনি একটি সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া গণ-আন্দোলন, যেখানে তারা অনেকেই সরাসরি অংশ নিয়েছে অথবা দেখেছে, জেনেছে—সেটিকে কিভাবে ধারণ করে তা-ও চিত্রায়িত করার সুযোগ পাবে। আমার ধারণা, আয়োজকরা আমার ইচ্ছা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে কাজ করতে পেরেছে।

গত ১২ ডিসেম্বর প্রতিযোগিতাটি সম্পন্ন হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার শিশু এ  প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করেছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও অভিভূত হয়েছি। আমার একটি ছোট্ট চিন্তা ঘিরে আয়োজিত এমন অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো শিশু ও তাদের অভিভাবকদের এমন সাড়া সত্যিই অভাবনীয়। তাদের একটি বড় অংশ সশরীরে আমাদের বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাস এবং পাশের বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে মা-বাবার হাত ধরে ছবি আঁকতে এসেছে—এই খবর ও ছবি দেখে আমার যে কী ভালো লেগেছে, সেটা বলে বোঝানো যাবে না! শিশুরা মেঝেতে বসে তাদের ছড়ানো-ছিটানো রংতুলি আর ক্যানভাসে আপন মনে ছবি আঁকছে—এমন অনিন্দ্যসুন্দর দৃশ্য আমার ভেতরেও দারুণ আশা জাগিয়েছে।

আমার মনে হয়েছে, এই প্রজন্ম শুধু ডিভাইসেই পড়ে থাকে না, তারা শুধু বিদেশি গেমস আর সোশ্যাল মিডিয়ায় বুঁদ হয়ে থাকে না, সুযোগ করে দিলে এরাও দেখাতে পারে তাদের ভেতরেও আছে অমিত সম্ভাবনার সীমাহীন ভাণ্ডার। আরো ভালো লেগেছে এই ভেবে যে এটিই দেশে এত বড় পরিসরে এমন আয়োজন। বসুন্ধরা গ্রুপও গর্বিত শিশুদের জন্য প্রেরণাদায়ক এমন প্রতিযোগিতার সুযোগ করে দিতে পেরে। আরো বড় বিষয় হলো, এই প্রতিযোগিতায় যাঁরা বিচারক হয়ে এসেছিলেন, তাঁরা দেশসেরা তো অবশ্যই, অনেকের খ্যাতি আবার বিশ্বজোড়া। তাঁরা এই আয়োজনে সাড়া দিয়েছেন বলে আমি তাঁদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এর মধ্য দিয়ে শিশুরাও দেশসেরা শিল্পীদের কাছ থেকে দেখার এবং তাঁদের অনুপ্রেরণা পাওয়ার সুযোগ পেল। এটাই হয়তো কোনো শিশুর জীবন বদলে দিতে পারে!

জানলাম, ছবি আঁকায় দেড় শর মতো প্রতিযোগী পুরস্কার পাচ্ছে। দেশসেরা চিত্রশিল্পীরা যাঁরা বিচারক হিসেবে ছিলেন, তাঁরা হয়তো ছবির মান বিচার করে কাউকে কাউকে বিজয়ী করবেন। কিন্তু আমার চোখে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সবাই বিজয়ী! এরা যে হাজার হাজার ছবি এঁকেছে, এদের কচি হাতের স্পর্শে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা এবং চব্বিশের গণ-আন্দোলনের যেসব অমূল্য ছবি তৈরি হয়েছে, এর মূল্য যেকোনো পুরস্কারের চেয়ে কম নয়। আমি মনে করি, এগুলো শুধুই ছবি নয়, বরং আগামী এই প্রজন্মের চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি, বুদ্ধিমত্তা, আদর্শ, মূল্যবোধ থেকে উৎসারিত একেকটি ছবি তাদের উন্নত, আধুনিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হয়ে ওঠার পাঠপর্বও। তাদের মা-বাবারাও শিশুদের এই আগ্রহে সঙ্গী হয়েছেন বলে তাঁরাও এক অর্থে আগামীর সুন্দর পৃথিবী বিনির্মাণের সারথি। তাঁদের প্রতিও আমার সালাম।

সত্যিকার অর্থে, যারা আজ বিজয়ী হিসেবে পুরস্কার নেবে, আমি তাদের অবশ্যই অভিনন্দিত করছি। তারা এখানকার সব প্রতিযোগীর মধ্যে নিঃসন্দেহে সেরা। তাদের আঁকা ছবি বিচারকদের চোখে সেরা হয়েছে শিল্পমান ও নানা সূচক বিবেচনায়। এই বিচার করার ক্ষমতা আমার নেই। তারা অবশ্যই এ পুরস্কার পাওয়ার মধ্য দিয়ে অনেক দূর যাবে। আরো সফল হবে—এই বিশ্বাসও আমার রয়েছে। আমি চাই, সামনে তারা তাদের সৃজনশীল কাজ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিশ্ব জয় করুক।

একই সঙ্গে যারা পুরস্কার পায়নি, তাদের প্রতিও আমার সমান অভিনন্দনবার্তা। তারা হয়তো এখানে বিজয়ী হতে পারেনি, কিন্তু তারা ঠিকই কোথাও না কোথাও তাদের সেরাটা দিতে পারবে। এখানকার প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার যে উৎসাহ ও উদ্যম, ঠিকই তা একদিন তাদের আরো উঁচু স্তরের কোনো প্রতিযোগিতায় সেরার মর্যাদা এনে দেবে। আমার জীবন থেকেই আমি বুঝি, মনে-প্রাণে কোনো কাজে লেগে থাকলে, আর সততা-একনিষ্ঠতার সঙ্গে কাজ করলে জীবনে সফলতা আসবেই। তাই তারাও একদিন সফল হবেই।

আজকের এ মহতী আয়োজনের এই পর্যায়ে আপনাদের আরো জানাতে চাই, বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ এ রকম ভালো কাজ অব্যাহত রাখবে। বিশেষ করে এই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রতিবছরই বিজ্ঞান, গণিত, ভাষা-কৃষ্টি বা এ ধরনের বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। এর ব্যাপ্তি বাড়ানোর মধ্য দিয়ে দেশবাসীকে আমরা এই বার্তা দিতে চাই, অনেক রক্ত আর আত্মত্যাগে অর্জিত বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থামবে না। একে এগিয়ে নিতেই হবে। নতুন প্রজন্ম হলো দেশের আগামীর সম্ভাবনা। তাদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লব কিংবা এআই প্রযুক্তিনির্ভর করে প্রস্তুত করতে হলে সব ধরনের সহপাঠ্যক্রমিক বিষয়েও সমান পারদর্শী হতে হবে। বসুন্ধরা গ্রুপ সামনে থেকে এসব কর্মকাণ্ডে সহায়তা করে যাবে।

আপনারা সবাই নিশ্চয় জানেন, বসুন্ধরা গ্রুপ দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্প গ্রুপ, যা দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই গ্রুপ বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থানসহ দেশের অর্থনীতিতে গতিসঞ্চার করছে। আমদানি-রপ্তানি, উৎপাদন ও সেবা খাতে বিশাল কর্মযজ্ঞ এই গ্রুপটির কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠানের। এর পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বিভিন্ন সময়ই এ রকম সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের আয়োজন করে থাকে বসুন্ধরা গ্রুপ ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো। এর মধ্য দিয়ে আমাদের একমাত্র ও প্রধান অগ্রাধিকারই হলো—সবার আগে বাংলাদেশ। এই দেশ যদি উন্নত হয়, তাহলেই বিশ্বদরবারে জাতি হিসেবে আমাদের মর্যাদা বাড়বে। আমরা সবার সমীহ অর্জন করব। আর এ জন্য যত প্রতিকূলতাই থাকুক না কেন, বসুন্ধরা গ্রুপ দেশ ও মানুষের জন্য যা কিছু ভালো, তার সঙ্গে সব সময় ছিল, আছে এবং থাকবে। সবার মঙ্গল হোক।

লেখক : চেয়ারম্যান, বসুন্ধরা গ্রুপ

এই বিভাগের আরও খবর
অমর একুশে বইমেলার স্টল ভাড়া ৫৫ শতাংশ মওকুফ
অমর একুশে বইমেলার স্টল ভাড়া ৫৫ শতাংশ মওকুফ
মেয়াদ অনিশ্চয়তায় অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি : ফাওজুল কবির
মেয়াদ অনিশ্চয়তায় অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি : ফাওজুল কবির
নির্বাচনে ৬৫-৭০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি আনোয়ারুল
নির্বাচনে ৬৫-৭০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি আনোয়ারুল
আনিসুল ও সালমানের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ২২ ফেব্রুয়ারি
আনিসুল ও সালমানের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ২২ ফেব্রুয়ারি
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আইআরআই’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আইআরআই’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সাক্ষাৎ
বুধবার সকাল থেকে ব্যালট পেপার কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাবে : ইসি সানাউল্লাহ
বুধবার সকাল থেকে ব্যালট পেপার কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাবে : ইসি সানাউল্লাহ
বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুরসহ চারজন রিমান্ডে
বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুরসহ চারজন রিমান্ডে
ফেসবুকে সম্পদের বিবরণী দিলেন প্রেস সচিব
ফেসবুকে সম্পদের বিবরণী দিলেন প্রেস সচিব
সারাদেশে ৬ দিন ড্রোন উড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা
সারাদেশে ৬ দিন ড্রোন উড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা
বুধবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সিইসি
বুধবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সিইসি
সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা
সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা
দেশে খাদ্যশস্যের মজুদ ২২ লাখ ১০ হাজার ৬৭০ টন : খাদ্য উপদেষ্টা
দেশে খাদ্যশস্যের মজুদ ২২ লাখ ১০ হাজার ৬৭০ টন : খাদ্য উপদেষ্টা
সর্বশেষ খবর
অ্যালেন-সাইফার্টের ঝড়ে নিউজিল্যান্ডের বিশ্ব রেকর্ড
অ্যালেন-সাইফার্টের ঝড়ে নিউজিল্যান্ডের বিশ্ব রেকর্ড

৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জাতীয় ছাত্রশক্তি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৬০ নেতাকর্মীর ছাত্রদলে যোগদান
জাতীয় ছাত্রশক্তি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৬০ নেতাকর্মীর ছাত্রদলে যোগদান

৫৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ধানের শীষকে সমর্থন দিলেন ইসলামী নেতৃবৃন্দ
ধানের শীষকে সমর্থন দিলেন ইসলামী নেতৃবৃন্দ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, অর্থনৈতিক সংকটে বাড়ছে চাপ
ইরানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ, অর্থনৈতিক সংকটে বাড়ছে চাপ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে ভারত-ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো পাকিস্তান
যে কারণে ভারত-ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো পাকিস্তান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অমর একুশে বইমেলার স্টল ভাড়া ৫৫ শতাংশ মওকুফ
অমর একুশে বইমেলার স্টল ভাড়া ৫৫ শতাংশ মওকুফ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম তীর নিয়ন্ত্রণে নতুন নিয়ম, দখল স্থায়ী করছে ইসরায়েল
পশ্চিম তীর নিয়ন্ত্রণে নতুন নিয়ম, দখল স্থায়ী করছে ইসরায়েল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেলতেলে ত্বক ও ব্রণের সমস্যা? উপকার মিলতে পারে ফিটকিরিতে
তেলতেলে ত্বক ও ব্রণের সমস্যা? উপকার মিলতে পারে ফিটকিরিতে

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

করণের উপর হঠাৎ কেন মেজাজ হারালেন গোবিন্দ
করণের উপর হঠাৎ কেন মেজাজ হারালেন গোবিন্দ

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানাল কানাডা
ট্রাম্পের হুমকির নিন্দা জানাল কানাডা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রশান্ত মহাসাগরে নৌযানে মার্কিন হামলায় নিহত ২
প্রশান্ত মহাসাগরে নৌযানে মার্কিন হামলায় নিহত ২

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফারহানের ব্যাটে যুক্তরাষ্ট্রকে ১৯১ রানের টার্গেট দিল পাকিস্তান
ফারহানের ব্যাটে যুক্তরাষ্ট্রকে ১৯১ রানের টার্গেট দিল পাকিস্তান

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করলো বিএনপি
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করলো বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মেয়াদ অনিশ্চয়তায় অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি : ফাওজুল কবির
মেয়াদ অনিশ্চয়তায় অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি : ফাওজুল কবির

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জুটির রেকর্ড
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জুটির রেকর্ড

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশ গড়ার চাবি আপনার হাতে, সঠিকভাবে ব্যবহার করুন: প্রধান উপদেষ্টা
দেশ গড়ার চাবি আপনার হাতে, সঠিকভাবে ব্যবহার করুন: প্রধান উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যৌন হয়রানির অভিযোগে রাবি শিক্ষককে অব্যাহতি
যৌন হয়রানির অভিযোগে রাবি শিক্ষককে অব্যাহতি

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কুমিল্লায় প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২৬ হাজার সদস্য
কুমিল্লায় প্রস্তুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২৬ হাজার সদস্য

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জে নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক
ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জে নির্বাচনী বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন বিজিবি মহাপরিচালক

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনে ৬৫-৭০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি আনোয়ারুল
নির্বাচনে ৬৫-৭০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে : ইসি আনোয়ারুল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলায় ছেলের 'চোখ নষ্টের' খবরে মায়ের মৃত্যু
নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলায় ছেলের 'চোখ নষ্টের' খবরে মায়ের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বিশ্বকাপ ক্রিকেটে নেই বাংলাদেশ, যা বলছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা
বিশ্বকাপ ক্রিকেটে নেই বাংলাদেশ, যা বলছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, দুই জনকে কারাদণ্ড
মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, দুই জনকে কারাদণ্ড

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনিসুল ও সালমানের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ২২ ফেব্রুয়ারি
আনিসুল ও সালমানের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ২২ ফেব্রুয়ারি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটের ছুটিতে খোলা থাকবে যেসব জরুরি সেবা
ভোটের ছুটিতে খোলা থাকবে যেসব জরুরি সেবা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আমরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার প্রত্যাশা করছি : নজরুল ইসলাম
আমরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার প্রত্যাশা করছি : নজরুল ইসলাম

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মর্মান্তিক, তিন শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজনের ‘আত্মহত্যা’!
মর্মান্তিক, তিন শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজনের ‘আত্মহত্যা’!

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

উজিরপুরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
উজিরপুরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের সম্মান রক্ষাই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: নাকভি
বাংলাদেশের সম্মান রক্ষাই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: নাকভি

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটের আগে নাটোরে ইসলামী ব্যাংকে চার কোটি টাকার লেনদেন, দুলুর অভিযোগ
ভোটের আগে নাটোরে ইসলামী ব্যাংকে চার কোটি টাকার লেনদেন, দুলুর অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সর্বাধিক পঠিত
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা হয় কীভাবে?
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা হয় কীভাবে?

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেল বাংলাদেশ
আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেল বাংলাদেশ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর
নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান
ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান
মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

১৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন
গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করলো বিএনপি
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করলো বিএনপি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আজ রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ
আজ রাত ১২টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান ঢাবি উপাচার্য
দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান ঢাবি উপাচার্য

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি
রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নতুন রাষ্ট্র গড়তে আওয়ামী লীগের অন্তর্ভুক্তি সম্ভব নয় : আসিফ নজরুল
নতুন রাষ্ট্র গড়তে আওয়ামী লীগের অন্তর্ভুক্তি সম্ভব নয় : আসিফ নজরুল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তিতে ভীষণ দুশ্চিন্তায় ভারত!
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তিতে ভীষণ দুশ্চিন্তায় ভারত!

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা আইনে বড় পরিবর্তন: অধ্যাদেশ জারি
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধা আইনে বড় পরিবর্তন: অধ্যাদেশ জারি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রশান্ত মহাসাগরে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র
প্রশান্ত মহাসাগরে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ছোটো দেশ, জনসংখ্যা মাত্র ৬০ লাখ; তবুও কেন তাদের হাতে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান?
ছোটো দেশ, জনসংখ্যা মাত্র ৬০ লাখ; তবুও কেন তাদের হাতে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোটের দিন ৫ ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
ভোটের দিন ৫ ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটের আগে নাটোরে ইসলামী ব্যাংকে চার কোটি টাকার লেনদেন, দুলুর অভিযোগ
ভোটের আগে নাটোরে ইসলামী ব্যাংকে চার কোটি টাকার লেনদেন, দুলুর অভিযোগ

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনে যেভাবে চ্যালেঞ্জিং প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠলেন জামায়াত আমির: রয়টার্স
নির্বাচনে যেভাবে চ্যালেঞ্জিং প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠলেন জামায়াত আমির: রয়টার্স

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুষ্টিয়ায় জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে জরিমানা, অনাদায়ে কারাদণ্ড
কুষ্টিয়ায় জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে জরিমানা, অনাদায়ে কারাদণ্ড

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সারাদেশে তাপমাত্রা বাড়বে নাকি কমবে, যা জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর
সারাদেশে তাপমাত্রা বাড়বে নাকি কমবে, যা জানালো আবহাওয়া অধিদপ্তর

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধানের শীষকে সমর্থন দিলেন ইসলামী নেতৃবৃন্দ
ধানের শীষকে সমর্থন দিলেন ইসলামী নেতৃবৃন্দ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যে কারণে ইরানে আক্রমণ করলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে চড়া মূল্য দিতে হবে
যে কারণে ইরানে আক্রমণ করলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে চড়া মূল্য দিতে হবে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসপাতালে ভর্তি রিজভী
হাসপাতালে ভর্তি রিজভী

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপ না খেলায় শাস্তি হবে না বিসিবির
বিশ্বকাপ না খেলায় শাস্তি হবে না বিসিবির

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহাকাশ যুদ্ধে নতুন মোড়, যুক্তরাষ্ট্রের মাথা ঘুরিয়ে দিল চীন?
মহাকাশ যুদ্ধে নতুন মোড়, যুক্তরাষ্ট্রের মাথা ঘুরিয়ে দিল চীন?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোটের দিন কেন্দ্র দখল ও সহিংসতার পরিকল্পনা চলছে: আমান
ভোটের দিন কেন্দ্র দখল ও সহিংসতার পরিকল্পনা চলছে: আমান

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন ৭০ বন্দি
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন ৭০ বন্দি

দেশগ্রাম

৫৩৯ ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ
৫৩৯ ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

দেশগ্রাম

দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম
দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের মানুষের হৃদয়রাজ্যে জিয়া পরিবার
দেশের মানুষের হৃদয়রাজ্যে জিয়া পরিবার

সম্পাদকীয়

আত্মবিশ্বাসী বিএনপি
আত্মবিশ্বাসী বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিতে ৮৬ ভাগ পণ্যে শূন্য শুল্ক
যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিতে ৮৬ ভাগ পণ্যে শূন্য শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

আশাবাদী জামায়াত
আশাবাদী জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

নারী ভোটার টানতে নানান চেষ্টা
নারী ভোটার টানতে নানান চেষ্টা

দেশগ্রাম

ভুল হলে সবাই ক্ষমা করবেন
ভুল হলে সবাই ক্ষমা করবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা
নির্বাচন ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

সম্পাদকীয়

ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি পেলেন আইনজীবী
ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি পেলেন আইনজীবী

পূর্ব-পশ্চিম

আসছেন সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আসছেন সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিন্ন কৌশলে প্রচার!
ভিন্ন কৌশলে প্রচার!

দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

পূর্ব-পশ্চিম

তিন দিন বন্ধ স্থলবন্দর
তিন দিন বন্ধ স্থলবন্দর

দেশগ্রাম

স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রচার, বহিষ্কার বিএনপির আট নেতা
স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রচার, বহিষ্কার বিএনপির আট নেতা

দেশগ্রাম

মণিপুরে ফের সহিংসতা, বন্ধ ইন্টারনেট
মণিপুরে ফের সহিংসতা, বন্ধ ইন্টারনেট

পূর্ব-পশ্চিম

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

দোকানে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা
দোকানে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা

দেশগ্রাম

নিরাপত্তা, সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা স্বতন্ত্র প্রার্থীর
নিরাপত্তা, সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা স্বতন্ত্র প্রার্থীর

দেশগ্রাম

এ নির্বাচন জাতিকে কী উপহার দেবে
এ নির্বাচন জাতিকে কী উপহার দেবে

সম্পাদকীয়

এনসিপি প্রার্থীর অভিযোগ
এনসিপি প্রার্থীর অভিযোগ

দেশগ্রাম

দুর্যোগকালীন সরঞ্জাম দেওয়া হলো সশস্ত্র বাহিনীকে
দুর্যোগকালীন সরঞ্জাম দেওয়া হলো সশস্ত্র বাহিনীকে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোটের ক্ষণগণনা
ভোটের ক্ষণগণনা

সম্পাদকীয়

লিবিয়া উপকূলে নৌকা ডুবে প্রাণহানি ৫৫
লিবিয়া উপকূলে নৌকা ডুবে প্রাণহানি ৫৫

পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তি

সম্পাদকীয়

ইসরায়েলের দখলদারিত্ব নিয়ে ট্রাম্পের আপত্তি
ইসরায়েলের দখলদারিত্ব নিয়ে ট্রাম্পের আপত্তি

পূর্ব-পশ্চিম

ভাষাভিত্তিক বই পড়ায় আলাদা টান অনুভব করি
ভাষাভিত্তিক বই পড়ায় আলাদা টান অনুভব করি

প্রথম পৃষ্ঠা

রামাদানের আগমন ও আমাদের প্রস্তুতি
রামাদানের আগমন ও আমাদের প্রস্তুতি

সম্পাদকীয়

নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনে জরিমানা
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনে জরিমানা

দেশগ্রাম