শিরোনাম
প্রকাশ: ০৭:৫৪, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ভোটের মাঠে অবৈধ অস্ত্রের ভয়

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ভোটের মাঠে অবৈধ অস্ত্রের ভয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সামনে ভোটের মাঠে এখনো অবৈধ অস্ত্রের ছড়াছড়ি রয়েছে। নির্বাচনের বাকি রয়েছে আর মাত্র দুই দিন। দেশের সব নির্বাচনী এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের প্রচার এখন তুঙ্গে। একই সঙ্গে প্রার্থীদের সমর্থকরা নানাভাবে এলাকায় প্রভাব বিস্তারে তৎপর।


এতে বিরোধ থেকে প্রায়ই ঘটছে সংঘাত। ব্যবহৃত হচ্ছে অবৈধ অস্ত্র। ঘটছে খুনাখুনির মতো ঘটনা।
এর মধ্যে সীমান্তপথে নানাভাবে অবৈধ অস্ত্রের আমদানির ঘটনা বাড়তি উত্তেজনা যোগ করেছে।

এসব ঘটনা অনেক ভোটারের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা ও ভীতি সৃষ্টি করেছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শনিবার থেকে সারা দেশে যৌথ বাহিনী আরো সক্রিয় হয়ে মাঠে নেমেছে।
অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, এখনো জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে উদ্বেগের বড় কারণ অবৈধ অস্ত্র। থানা ও ফাঁড়ি থেকে লুট হওয়া এসব আগ্নেয়াস্ত্র ভোটে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।


দ্রুত এসব অস্ত্র উদ্ধার করে ভোটারদের স্বস্তি ফেরানোর বিকল্প নেই।
নির্বাচন সামনে রেখে থানা থেকে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে তৎপরতা বাড়াতে মাঠ পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। এ নিয়ে পুলিশ দফায় দফায় বৈঠক করেছে। সর্বশেষ গত ২৯ ডিসেম্বর পুলিশ সদর দপ্তরে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ ব্যাপারে তিনি আরো কঠোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সারা দেশে থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের এক হাজার ৩৩১টি আগ্নেয়াস্ত্র গত ১৭ মাসেও উদ্ধার হয়নি।


দুই হয়নি। দুই লাখ ৫৭ হাজার ১৪৪টি গুলি এখনো উদ্ধার করা যায়নি। পুলিশ বলছে, এর বেশির ভাগ চলে গেছে সন্ত্রাসীদের হাতে।
জুলাই গণ-আন্দোলনের সময় বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি ও পুলিশি স্থাপনা থেকে পাঁচ হাজার ৭৫৩টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট হয়। এর মধ্যে গণভবন থেকে লুট হওয়া স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) ৩২টি ভয়ংকর অস্ত্রও রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অভিযানে বেশির ভাগ অস্ত্র উদ্ধার হলেও এক হাজার ৩৩১টি অস্ত্র এখানো উদ্ধার হয়নি।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র বলছে, রাজধানীর পল্টনে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যার পর থেকে দেশে অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২ শুরু হয়। এই বিশেষ অভিযানে এ পর্যন্ত ৭২৫টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তল্লাশিকালে ২৫ হাজার ৪১৯ রাউন্ড গুলি, এক হাজার ৭৫৪ রাউন্ড কার্তুজ, ৪৩৯টি ককটেল এবং ৮২টি বোমা উদ্ধার করা হয়। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয় ২৫ হাজার ৭০২ জনকে।

গত শুক্রবার রাজধানীর মধ্য বাড্ডার বেপারিপাড়ায় একটি বাড়ি থেকে ১১টি অত্যাধুনিক বিদেশি অস্ত্র, ৩৯৪টি গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সহযোগী মেহেদী হাসান দিপুকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনী।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বাড্ডা অঞ্চলের সহকারী কমিশনার আসাদুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার মেহেদীর বিরুদ্ধে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া অস্ত্রের উৎস জানার চেষ্টা চলছে। তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

পুলিশ, হাসপাতাল ও মানবাধিকার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রে খুনাখুনির ঘটনা বেড়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত গত ১৩ মাসে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় তিন শতাধিক বিভিন্ন মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়। নিহত হয়েছে শতাধিক।

গত শনিবার মুন্সীগঞ্জ সদর আসন ও গোপালগঞ্জ-২ আসনে সহিংসতার ঘটনায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার হয়। মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মুন্সীকান্দি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে গুলির ঘটনায় তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়।

আগের দিন গত শুক্রবার নির্বাচনী প্রচার শেষে বাড়ি ফেরার পথে গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সিপন ভূঁইয়ার ওপর দুর্বৃত্তদের গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর প্রার্থীসহ কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ভীতি ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে খুলনায় সেলুন থেকে টেনে বের করে রাকিব হোসেন নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় শহরের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনকে ঘিরে সভা-সমাবেশ, চায়ের দোকানে আড্ডা আর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বিশেষ অভিযান চলছিল।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সারা দেশে সহিংসতায় দলীয় কোন্দল ও অন্তঃকোন্দলে পাঁচজন নিহত হয়েছে। বিভিন্ন দল এবং দলের মনোনীত প্রার্থী ও বঞ্চিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকের মধ্যে সংঘর্ষ, হামলা, ইশতেহার ঘোষণার প্রোগ্রামে বসা নিয়ে সংঘর্ষসহ বিভিন্ন সহিংসতার ঘটনায় রাজনৈতিক দলের ৯৭০ জনের বেশি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ আহত হয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনী সহিংসতার ১৬২টি ঘটনার মধ্যে বিএনপির অন্তঃকোন্দলে ৪০টি ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ৩৩৪ জন এবং নিহত হয়েছে তিনজন। এ ছাড়া বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে ৫০টি সংঘর্ষে আহত হয়েছে ৫৬০ জন এবং নিহত হয়েছে একজন, বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে দুটি সংঘর্ষে আহত হয়েছে দুজন, বিএনপি-এনসিপির মধ্যে আটটি সংঘর্ষে আহত হয়েছে ৩৯ জন এবং বিএনপি-অন্যান্য দলের মধ্যে আটটি সংঘর্ষে আহত হয়েছে ৩২ জন। বিভিন্ন দলের মধ্যে দুটি ঘটনায় আহত হয়েছে তিনজন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তফসিল ঘোষণার পর থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অন্তত ১২টি ঘটনায় কমপক্ষে ১৮ জন নারী হেনস্তার শিকার হয়েছে এবং ছয়জন নারী আহত হয়েছে। হেনস্তার শিকার এসব নারীর মধ্যে ১৭ জন জামায়াত সমর্থক এবং একজন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সমর্থক নারী রয়েছে। তবে ১২টি হেনস্তা ও হামলার ঘটনার মধ্যে ১১টি ঘটনায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং একটি ঘটনায় জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য রয়েছে, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে দেশে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ অস্ত্র ঢুকছে। এসব অস্ত্র হত্যা, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, দখলবাজিসহ ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করার প্রমাণ রয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ীসহ রাজধানীর অন্যান্য এলাকায় কিশোর গ্যাংসহ অন্য সন্ত্রাসীদের হাতে এখন অনেক আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সীমান্ত দিয়ে দেশে অবৈধ অস্ত্র প্রবেশ করছে। থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী তৎপর রয়েছে। 


অবৈধ অস্ত্রে বাড়ছে খুনাখুনি : গত বছর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি শহীদ হওয়া ছাড়াও অর্ধশতাধিক ব্যক্তি রাজনৈতিক বিরোধের কারণে গুলিতে নিহত হন। এর মধ্যে চট্টগ্রামের ব্যস্ততম সড়কে আব্দুল হাকিম নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, নির্বাচনী ডামাডোলের মধ্যেই সাম্প্রতিক সময়ে কেরানীগঞ্জের হযরতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসান মোল্লাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। হাসান মোল্লার এই হত্যাকাণ্ডে ওই এলাকায় আসন্ন নির্বাচনের আগে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। কক্সবাজারের রামুতে গুলি করে হত্যা করা হয় এক যুবককে।

গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার না হওয়া এসব অস্ত্র এখন সন্ত্রাসীদের হাতবদল হয়ে চলে গেছে চরমপন্থী, জঙ্গি ও জেল পালানো আসামিদের হাতে। গোয়েন্দাদের মতে, সীমান্তপথে ছোট ছোট আগ্নেয়াস্ত্রের অনুপ্রবেশ এই ঝুঁকিকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের সূত্র মতে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের ২৭টি সীমান্তবর্তী জেলায় সক্রিয় রয়েছে প্রায় ৭০০ ‘লাইনম্যান’। এই লাইনম্যানদের মাধ্যমে দেশে ঢুকছে ছোট ও মাঝারি আগ্নেয়াস্ত্র। বিশেষ করে পিস্তল ও রিভলভারের মতো ছোট অস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে হাতে পৌঁছে যাচ্ছে, যা বহন করা সহজ এবং যে কাউকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো সহজতর।

সীমান্তে বিজিবির ৬৪ অস্ত্র উদ্ধার : বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সূত্র বলছে, দেশের বিভিন্ন সীমান্ত থেকে সম্প্রতি ৬৪টি বিভিন্ন ধরনের অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া চার হাজার রাউন্ডের বেশি গুলিসহ শতাধিক হাতবোমা, হ্যান্ড গ্রেনেডসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

গতকাল রবিবার বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম জানান, বিজিবি গত জানুয়ারি মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ অন্যান্য স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৪টি বিদেশি ও দেশি পিস্তল, একটি হ্যান্ড গ্রেনেড, ১৩টি ম্যাগাজিন, ১৮৫ রাউন্ড গোলাবারুদ, একটি মর্টার শেল, একটি ককটেল এবং ২৮টি অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক বলেন, নির্বাচনের আগে থানা থেকে লুট হওয়া এবং সীমান্ত পেরিয়ে আসা অনেক আগ্নেয়াস্ত্র এখন সন্ত্রাসীদের হাতে। এত দিন সন্ত্রাসীরা অস্ত্রগুলো মজুদ করে বসে ছিল, এগুলো এখন তারা কাজে লাগাচ্ছে। এ থেকে উত্তরণের জন্য শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ওপর ভরসা করলে হবে না, যেসব জনপ্রতিনিধি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাঁদেরও ভূমিকা রাখতে হবে। 

সৌজন্যে :  কালের কণ্ঠ

এই বিভাগের আরও খবর
পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ
পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ
প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি
প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি
দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী
দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী
যারা সরকার পতনের স্বপ্ন দেখছেন তারা সাবধান হয়ে যান : মির্জা আব্বাস
যারা সরকার পতনের স্বপ্ন দেখছেন তারা সাবধান হয়ে যান : মির্জা আব্বাস
দুদকের মামলায় জামিন মেলেনি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের
দুদকের মামলায় জামিন মেলেনি সাংবাদিক আনিস আলমগীরের
১৫ মার্চের মধ্যে সম্মানী পাবেন ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় নেতারা
১৫ মার্চের মধ্যে সম্মানী পাবেন ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় নেতারা
লেবাননের কয়েকটি এলাকা থেকে বাংলাদেশিদের সরে যাওয়ার আহ্বান দূতাবাসের
লেবাননের কয়েকটি এলাকা থেকে বাংলাদেশিদের সরে যাওয়ার আহ্বান দূতাবাসের
দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি দেন স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি
দেশে নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি দেন স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি
জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে পরিচালিত হবে মোবাইল কোর্ট
জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে পরিচালিত হবে মোবাইল কোর্ট
সহিংসতা ও যৌন হয়রানির শিকার ৩২,৩৮৬ নারীকে সেবা দিয়েছে ৯৯৯
সহিংসতা ও যৌন হয়রানির শিকার ৩২,৩৮৬ নারীকে সেবা দিয়েছে ৯৯৯
বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলেন যুদ্ধে যাই’
বাড়ির দরজা খুলেই প্রধানমন্ত্রী বললেন, ‘চলেন যুদ্ধে যাই’
সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
সর্বশেষ খবর
ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন
ডিআরইউতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন

৫২ সেকেন্ড আগে | নগর জীবন

মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া
১৭৫ দিন পর কারামুক্ত আলগী ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিক মিয়া

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
খাগড়াছড়িতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে
হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থায় ইরাকের তেল উৎপাদন ৭০ শতাংশ কমেছে

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ
উপসাগরীয় দেশে ইরানের হামলা নিয়ে যা বলল আরব লীগ

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ
প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের দিয়ে পাঁচ বছরে ৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ

২৮ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ
পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা করায় বিএনপি নেতাকে শোকজ

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি
বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি

৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন

মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক
মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের কবলে দুদক মহাপরিচালক

৩১ মিনিট আগে | নগর জীবন

বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত
বিএনপি মিডিয়া সেল কমিটির ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি
প্রতিরক্ষা হিসাব কার্যালয়সমূহ পরিদর্শন করলেন সিএজি

৩৪ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন
গাইবান্ধায় তিন বছর পর লাশ উত্তোলন

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ
মুন্সীগঞ্জে ২০ লাখ টাকার জাটকা জব্দ

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত
ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল ভারত

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী
দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারীদের ভূমিকা রয়েছে : নিপুণ রায় চৌধুরী

৪৭ মিনিট আগে | জাতীয়

চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ
চৌগাছায় অভিযান: প্রায় ৬ হাজার লিটার জ্বালানি তেল জব্দ

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান
কেরানীগঞ্জে অবৈধ স্ট্যান্ড ও ফুটপাত দখল উচ্ছেদে যৌথ অভিযান

৫২ মিনিট আগে | নগর জীবন

বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার
বরিশালে প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ ঈদ যাত্রায় যত চ্যালেঞ্জ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে
নিরাপদ ঈদ যাত্রায় যত চ্যালেঞ্জ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ইয়াবা চিবিয়ে খেয়ে যুবকের মৃত্যু
ইয়াবা চিবিয়ে খেয়ে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সমন্বিত আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
সমন্বিত আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানি নাগরিকদের ঘরে থাকার আহ্বান, নতুন সতর্ক বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানি নাগরিকদের ঘরে থাকার আহ্বান, নতুন সতর্ক বার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? যা জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া? যা জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা উত্তর সিটির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বরখাস্ত
ঢাকা উত্তর সিটির অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বরখাস্ত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

জবি উপাচার্যের প্রতি অনাস্থা ও পদত্যাগের দাবি ইউট্যাবের
জবি উপাচার্যের প্রতি অনাস্থা ও পদত্যাগের দাবি ইউট্যাবের

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বাংলাদেশের সামনে উজবেকিস্তান আর কঠিন সমীকরণ
বাংলাদেশের সামনে উজবেকিস্তান আর কঠিন সমীকরণ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পরিস্থিতি খারাপ হলে প্রবাসীদের দেশে আনার প্রস্তুতি রয়েছে: আরিফুল হক
পরিস্থিতি খারাপ হলে প্রবাসীদের দেশে আনার প্রস্তুতি রয়েছে: আরিফুল হক

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

আপনাদের দ্বারে দ্বারে আমি আসব, কাউকে ঢাকা যেতে হবে না: এস এম জিলানী
আপনাদের দ্বারে দ্বারে আমি আসব, কাউকে ঢাকা যেতে হবে না: এস এম জিলানী

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যারা সরকার পতনের স্বপ্ন দেখছেন তারা সাবধান হয়ে যান : মির্জা আব্বাস
যারা সরকার পতনের স্বপ্ন দেখছেন তারা সাবধান হয়ে যান : মির্জা আব্বাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা
ট্রাম্পকে দুঃসংবাদ দিল মার্কিন গোয়েন্দারা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?
ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধানই মোসাদ এজেন্ট, খামেনি হত্যার সহযোগী?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প
বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত, ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়
ইরানের প্রেসিডেন্টের ক্ষমা প্রার্থনায় তোলপাড়

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকে প্রত্যাহার

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'
হামলার ক্ষয়ক্ষতির ছবি শেয়ার করলেই 'কঠোর ব্যবস্থা'

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান
যুদ্ধ হচ্ছে ইরানে, কিন্তু কঠিন বিপদে পাকিস্তান

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা
ভালো জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
অবশেষে ইরানে হামলার কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা
সাক্ষাৎকারের মাঝেই বেজে ওঠে সাইরেন, নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেন সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির
ট্রাম্পকে সতর্ক করে যা বললেন কাতারের আামির

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!
যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে ইরানকে ‘শত্রু’ বললেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট!

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী
রওনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরান সংঘাত নিয়ে হঠাৎ এমন কথা কেন বললেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?
ইরানের পরমাণু মজুত জব্দ করতে বিশেষ বাহিনী পাঠাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!
ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্পের জীবনে এর আগে এমন মহাবিপদ আসেনি!

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি
হরমুজে ট্রাম্পের জাহাজ চালানোর ঘোষণা, চ্যালেঞ্জ জানাল আইআরজিসি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি
ইরানে ঝরছে 'কালো তেলমিশ্রিত' বৃষ্টি

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ
নতুন নিয়মে জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে আজ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...
ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প, তবে...

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?
‘বড় শয়তান’ যাকে অগ্রহণযোগ্য বলেছে, তিনিই কি হচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব
শেখ মুজিবুর পাকিস্তান রাষ্ট্রকে একসঙ্গে রাখার চেষ্টা করেছিলেন: আবদুর রব

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা
ফাইনালে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ, বাদ পড়তে পারেন বিশ্বের এক নম্বর তারকা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’
তেহরানের আকাশে ঘন কালো মেঘ, ঝরছে ‘কালো বৃষ্টি’

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের সর্বশেষ: এক নজরে আজকের সব বড় খবর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?
সত্যিই কি ইরান যুদ্ধে সৌদির নতুন দুবাই বানানো দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে?

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত
তেল কিনতে এসে কথা-কাটাকাটি, বিক্রয়কর্মীদের মারধরে যুবক নিহত

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: নবম দিনে যা ঘটছে, দেখুন একনজরে

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আদালতে তলব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?
ইরানের কুর্দীরা এই সময়ে কেন জোট তৈরি করলো?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব
এমডিসহ শতাধিক কর্মকর্তার নথি তলব

পেছনের পৃষ্ঠা

তেল নিয়ে তুলকালাম
তেল নিয়ে তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

থামছে না ভেজালের কারবার
থামছে না ভেজালের কারবার

পেছনের পৃষ্ঠা

হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র
হামলায় এবার ভয়ংকর অস্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা
স্পিকারকে অভিভাবক মেনেই এগিয়ে যাবেন এমপিরা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম
ভারতের তৃতীয় নাকি নিউজিল্যান্ডের প্রথম

মাঠে ময়দানে

যানজট শঙ্কা মহাসড়কে
যানজট শঙ্কা মহাসড়কে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি
বসুন্ধরা সিটিতে পুরুষের পছন্দ বাহারি পাঞ্জাবি

নগর জীবন

রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ
রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়
ডিজিটাল ভিক্ষুক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প
স্বপ্নের প্যারিস তালা যেখানে বলে ভালোবাসার গল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা
রেমিট্যান্স প্রবাহ বাধাগ্রস্তের শঙ্কা

নগর জীবন

সদকাতুল ফিতর ও জাকাত
সদকাতুল ফিতর ও জাকাত

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র
নেপালে নির্বাচনে জেন-জিদের বাজিমাত প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র

প্রথম পৃষ্ঠা

৬০০ লাশের কী পরিচয়
৬০০ লাশের কী পরিচয়

প্রথম পৃষ্ঠা

উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন
উল্টো পথে নারীর ক্ষমতায়ন

পেছনের পৃষ্ঠা

মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত
মধুমতীর চর যেন একখন্ড সৈকত

দেশগ্রাম

অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না
অসাধু উপায়ে দ্রব্যমূল্য বাড়াবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত
মাটির নিচে পানির ট্যাংকিতে জ্বালানি তেল মজুত

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি
ব্যবসায়ীদের অনুকূল পরিবেশ জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের
ফর্টিস পিছু ছাড়ছে না কিংসের

মাঠে ময়দানে

শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান
শত্রু ছাড়া অন্যদের জন্য হরমুজ খুলে দিল ইরান

প্রথম পৃষ্ঠা

বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর
বদর যুদ্ধ ন্যায় প্রতিষ্ঠার আপসহীন চেতনার বাতিঘর

খবর

তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি
তারেক রহমানের সেই বিমানে বড় ত্রুটি

পেছনের পৃষ্ঠা

সংশোধন
সংশোধন

প্রথম পৃষ্ঠা

সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক
সাইপ্রাসে এফ-১৬ মোতায়েন করছে তুরস্ক

পূর্ব-পশ্চিম

নারী অধিকার নিয়ে শাবানা
নারী অধিকার নিয়ে শাবানা

শোবিজ

সামনে পাকিস্তান সিরিজ
সামনে পাকিস্তান সিরিজ

মাঠে ময়দানে