শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:৪২, শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬

আট উপদেষ্টার কী হবে

সীমাহীন দুর্নীতির প্রমাণ আছে বলে আগেই জানিয়েছিলেন এ বি এম আবদুস সাত্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক
অনলাইন ভার্সন
আট উপদেষ্টার কী হবে

অন্তর্বর্তী সরকারের আট উপদেষ্টা ও দুই সচিবের বিরুদ্ধে ‘সীমাহীন দুর্নীতি’র প্রমাণ নিজের কাছে রয়েছে, এমন দাবি করে গত বছর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে আলোড়ন তুলেছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার। উপদেষ্টাদের নাম প্রকাশ না করে তিনি এ অভিযোগ করেছিলেন। যেদিন তিনি এ তথ্য দিয়েছিলেন, সেদিন তিনি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব। বর্তমানে তিনি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব। দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সব ক্ষমতা তাঁর আছে। সে কারণেই দুর্নীতিবাজদের নাম প্রকাশ ও দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শুরুর ব্যাপারে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠছে।

এ ব্যাপারে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘এ বি এম আবদুস সাত্তার গত বছর যখন এ অভিযোগ তুলেছিলেন, তখনই এ বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়া উনার দায়িত্ব ছিল। সেটা না দিয়ে থাকলে এখনই তথ্যপ্রমাণ দুদকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোয় সরবরাহ করা উচিত। উনি এখন প্রশাসনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন। দায়িত্ব বেড়েছে। প্রকাশ্যে অভিযোগ করেছিলেন উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে। সরকারি কর্মকর্তাদের সামনে সচিবদের দুর্নীতির ব্যাপারে বলেছিলেন। ওই বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণ করতে না পারলে নানান প্রশ্ন উঠবে। এ ব্যাপারে মানুষের জানার অধিকার ও আগ্রহ আছে। দুদকেরও উচিত এ ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা।’ গত বছরের ৮ আগস্ট রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও আগামী দিনের জনপ্রশাসন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে উপদেষ্টাদের দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, প্রমাণ ছাড়া তিনি কোনো কথা বলেন না এবং এ বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন আছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘উপদেষ্টাদের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ কোনো নিয়োগ বা বদলি হয় না। যে উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রমাণ হয়েছে, যে উপদেষ্টার পিয়নের অ্যাকাউন্টে ৪০০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে, যে উপদেষ্টার এপিএসের অ্যাকাউন্টে ২০০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে তাঁদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হলো না?’ ওই বক্তব্যে সংশ্লিষ্ট আট উপদেষ্টার নাম প্রকাশ না করেলেও কয়েকজন উপদেষ্টার কর্মদক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আবদুস সাত্তার। বিশেষ করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পরিচালনায় উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় অনভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে পরিচালনা করানো ঠিক হচ্ছে কি না তা ভাবার বিষয়।’ একইভাবে স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব একজন অনভিজ্ঞ উপদেষ্টার হাতে দেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

দুর্নীতির বিষয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি তখন বলেন, ‘আগামী দিনে যে সরকার আসবে, তাদের জুলাই সনদে স্বাক্ষর করে আসতে হচ্ছে। তাই হিসাব করে দুর্নীতি করবেন। এতে আপনার পরিবার ও ব্যক্তিজীবন ধূলিসাৎ হয়ে যেতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘অনেকের মতে অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরের দুর্নীতির পরিমাণ আগের ১৫ বছরের দুর্নীতিকেও ছাড়িয়ে গেছে। এর চেয়ে বড় অপবাদ আর কী হতে পারে!’ জুলাই আন্দোলনের রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় বসা অন্তত আটজন উপদেষ্টার সীমাহীন দুর্নীতির তথ্যপ্রমাণ দিতে পারবেন বলে দাবি করেন তিনি।

এ বক্তব্য তৎকালীন রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করে। বিভিন্ন মহল থেকে ওই আট উপদেষ্টার নাম প্রকাশের দাবি ওঠে। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান তখন সরকারকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করার কথা বলেছিলেন। একই সঙ্গে অভিযোগকারীকে দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণ যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে পরবর্তীতে বিষয়টির দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।

তবে আবদুস সাত্তারের বক্তব্যের পরদিনই সরকারের পক্ষ থেকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশীদের স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে তাঁর অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, অজ্ঞাতনামা উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে এবং এ ধরনের অভিযোগের প্রমাণ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

ওই ঘটনার পর বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আবদুস সাত্তারের বক্তব্যের দায় সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত এবং এর সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই।’

বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ’৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা এ বি এম আবদুস সাত্তারকে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যুগ্ম সচিব থাকাকালে অবসরে পাঠানো হয়। আওয়ামী লীগের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার তাঁকে ভূতপূর্ব সচিব পদে পদোন্নতি দেয়। বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আবদুস সাত্তার প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালনের প্রেক্ষাপটে আবারও আলোচনায় এসেছে তাঁর সেই বক্তব্য। বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে, যে আট উপদেষ্টার বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ থাকার দাবি তিনি করেছিলেন, তাঁদের নাম কি এবার প্রকাশ করা হবে? আর যদি সত্যিই এমন প্রমাণ থাকে, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি? এ ব্যাপারে জানতে গত রাতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এই বিভাগের আরও খবর
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত
হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন
হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন
সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি
এবার হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ ১৪ মে
এবার হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ ১৪ মে
দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়তে পারে
দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়তে পারে
বিদেশি বিনিয়োগে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন তানভীর গনি
বিদেশি বিনিয়োগে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন তানভীর গনি
প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
প্রচারণার মাধ্যমে হামের টিকাদান কর্মসূচিকে জনপ্রিয় করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হাসপাতালে অনেকটা সুস্থ আছেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু: একান্ত সচিব
হাসপাতালে অনেকটা সুস্থ আছেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু: একান্ত সচিব
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
ইসি থেকে ১২৫ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ
ইসি থেকে ১২৫ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ
সর্বশেষ খবর
কাশিয়ানীতে ৩০ লাখ টাকার মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার
কাশিয়ানীতে ৩০ লাখ টাকার মাদকসহ কারবারি গ্রেফতার

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

২ মিনিট আগে | জাতীয়

শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন
শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৩ শতাংশ
ইবির স্বতন্ত্র ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতি ৯৩ শতাংশ

৭ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বগুড়ায় যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন
বগুড়ায় যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে আগুন

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কোম্পানীগঞ্জে ১৯ মামলার আসামি ‘ডাকাত মাইস্যা’ গ্রেফতার
কোম্পানীগঞ্জে ১৯ মামলার আসামি ‘ডাকাত মাইস্যা’ গ্রেফতার

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ্যে ‘প্রধানমন্ত্রীর দরবার’ অনুষ্ঠিত

১৬ মিনিট আগে | জাতীয়

বরগুনায় ৮ বিঘার তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, থানায় অভিযোগ
বরগুনায় ৮ বিঘার তরমুজ ক্ষেত নষ্ট, থানায় অভিযোগ

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন
হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিনের জামিন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

সিলেটে একদিনে আরও ৩৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি
সিলেটে একদিনে আরও ৩৬ শিশু হাসপাতালে ভর্তি

২৪ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিবার পেল ৫০ লাখ টাকা
নারায়ণগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিবার পেল ৫০ লাখ টাকা

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দায়িত্ব গ্রহণের ২৮ দিন পর যা জানালেন কুমিল্লা সিটি প্রশাসক
দায়িত্ব গ্রহণের ২৮ দিন পর যা জানালেন কুমিল্লা সিটি প্রশাসক

৪০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তির পথে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ ইসরায়েল

৪৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাংনীতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন
গাংনীতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বরগুনায় আরও ১০ জনের হাম উপসর্গ, হেল্পডেস্ক উদ্বোধন
বরগুনায় আরও ১০ জনের হাম উপসর্গ, হেল্পডেস্ক উদ্বোধন

৪৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই
ভারতের কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

৫৮ মিনিট আগে | শোবিজ

২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা
২১ ঘণ্টার আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়ল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টাঙ্গাইলে আর্থিক অনুদান ও প্রকল্পের চেক বিতরণ
টাঙ্গাইলে আর্থিক অনুদান ও প্রকল্পের চেক বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মেহেরপুরে মুখোমুখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত
মেহেরপুরে মুখোমুখি মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নদীতে ফুল ভাসিয়ে শুরু হলো ‘বিজু উৎসব’
নদীতে ফুল ভাসিয়ে শুরু হলো ‘বিজু উৎসব’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী
সশস্ত্র বাহিনী স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি, মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খাগড়াছড়ির চেঙ্গি নদীতে ফুল ভাসিয়ে ‘ফুল বিজু’ উদযাপন
খাগড়াছড়ির চেঙ্গি নদীতে ফুল ভাসিয়ে ‘ফুল বিজু’ উদযাপন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নির্বাচনি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে: এমপি বাবুল
নির্বাচনি ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে: এমপি বাবুল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাবির হল সংসদের এজিএসসহ তিনজনের আবাসিকতা বাতিল, ভিপিকে শোকজ
রাবির হল সংসদের এজিএসসহ তিনজনের আবাসিকতা বাতিল, ভিপিকে শোকজ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বসুন্ধরা শুভসংঘ পাঠাগারের সৌজন্যে সেরা পাঠকরা পেলেন পুরস্কার
বসুন্ধরা শুভসংঘ পাঠাগারের সৌজন্যে সেরা পাঠকরা পেলেন পুরস্কার

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল
পাকিস্তান ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধিদল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিডনিতে জমকালো আয়োজনে বৈশাখী মেলা
সিডনিতে জমকালো আয়োজনে বৈশাখী মেলা

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ ১৪ মে
এবার হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রকাশ ১৪ মে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স
২১ ঘণ্টার আলোচনায়ও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি: ভ্যান্স

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল
আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ
যুদ্ধবিরতি আলোচনার মধ্যেই পাকিস্তানে ইরানের তিন কার্গো বিমানের রহস্যময় অবতরণ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু
অস্তিত্ব টেকাতে যুদ্ধবিরতি ‘ভিক্ষা’ করছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, টেলিভিশন ভাষণে নেতানিয়াহু

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু
ইরানে আসলে কী করতে চায় ইসরায়েল, খোলাসা করলেন নেতানিয়াহু

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কোন কোন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে জানাল ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা
কেমন আছেন মোজতবা খামেনি, জানা গেল সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা, এ পর্যন্ত কি কি হলো?

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানকে অস্ত্র দিলে চীনের জন্য ‘বড় সমস্যা’ তৈরি হবে, ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প
ইরান চুক্তি করুক বা না করুক ‌‘জয় আমাদেরই’: ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প
ক্ষমতা ছাড়ার আগে সবাইকে গণক্ষমা করবেন ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স
ইরানের সঙ্গে চুক্তি ছাড়াই পাকিস্তান ছাড়লেন ভ্যান্স

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শরীরে এইচআইভি জীবাণু পুশ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব
ভাঙল আলোচনা: যুদ্ধ নাকি শান্তি, ট্রাম্পের সামনে ৩ পথের ভয়ংকর হিসাব

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের
প্রধানমন্ত্রী, যুবদল ও কালের কণ্ঠকে কৃতজ্ঞতা ডা. কামরুলের

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প
পাকিস্তানে শুরু যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তি আলোচনা, ইরানকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বললেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'
ইরানে হামলার জন্য বুশ-ওবামা-বাইডেনকেও চাপ দিয়েছিলো ইসরায়েল, ফাঁদে পড়লেন শুধু 'ট্রাম্প'

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান
সৌদি আরবে যুদ্ধ বিমান পাঠাল পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন
ইরানের কাছে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ
যুদ্ধবিমান দিয়ে জেডি ভ্যান্সের বিমান পাহারা দিয়ে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু
আবারও ইরানের পরমাণু অস্ত্র নিয়ে অদ্ভূত দাবি করলেন নেতানিয়াহু

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ‌‘চরম মতভেদ’

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ
কুকুরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে বলায় বৃদ্ধাকে মারধর, অভিযুক্ত তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান
হরমুজ দিয়ে সামরিক জাহাজ চলাচল নয়, সতর্ক করল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র, জানাল তেহরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’
দ্বিতীয় দিনে গড়াল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা বৈঠক, উভয়পক্ষই ‘নমনীয়’

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ
যুদ্ধবিরতি পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও সৌদি যুবরাজের ফোনালাপ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু
ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান
সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেন সংগীতশিল্পী দিলরুবা খান

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী
ওরা ১১ জন এক-এগারোর মূল ষড়যন্ত্রকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং
চোখের পানিতে ভাসছে আনন্দ হাউজিং

প্রথম পৃষ্ঠা

আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত
আস্তানায় জনতার হামলা কথিত পীর নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার
মাদক সাম্রাজ্যে ১৬২০ গডফাদার

প্রথম পৃষ্ঠা

চাপে পড়েছেন দোকানিরা
চাপে পড়েছেন দোকানিরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি
তেলের জন্য পাম্পে এখনো চাপ, কমছে না ভোগান্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সপরিবার নাটক দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব
রূপগঞ্জে মাটিখেকো সিন্ডিকেটের তান্ডব

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ
ফুল বিজুতে শুরু বর্ষবরণ

পেছনের পৃষ্ঠা

যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে
যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি চিকিৎসকের কাছে

প্রথম পৃষ্ঠা

জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি
জাপানে বৈশাখী মেলায় আঁখি ও রুমি

শোবিজ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস
কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সার্কাস

শোবিজ

চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস
চ্যাম্পিয়নের পথে এগোচ্ছে বসুন্ধরা কিংস

মাঠে ময়দানে

বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে
বিশ্ব তাকিয়ে ইসলামাবাদে

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬
তিন মাসে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৬

পেছনের পৃষ্ঠা

সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান
সমাজ সংস্কারে ইসলামি শিক্ষার অবদান

সম্পাদকীয়

দলে নেই নতুন মুখ
দলে নেই নতুন মুখ

মাঠে ময়দানে

ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প
ক্যানসার : বিবর্তনের গল্প

সম্পাদকীয়

হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু
হেমন্তের জীবনের সেরা পুরস্কার নারকেল নাড়ু

শোবিজ

নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে
নিউজিল্যান্ড সিরিজের টিকিট অনলাইনে

মাঠে ময়দানে

স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা
স্মৃতিকাতর পূর্ণিমা

শোবিজ

চোটে ইমনের পিএসএল শেষ
চোটে ইমনের পিএসএল শেষ

মাঠে ময়দানে

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ত্রাণমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে
ড্রয়ে রিয়ালের শিরোপা পুনরুদ্ধার স্বপ্ন ফিকে

মাঠে ময়দানে

চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী
চাঁদের আঙিনা ঘুরে পৃথিবীতে ফিরলেন চার নভোচারী

প্রথম পৃষ্ঠা

ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি
ইসরায়েলের ফাঁদে পড়লেন শুধু ট্রাম্প : জন কেরি

পূর্ব-পশ্চিম

তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই
তেল আছে শুধু সংসদে দেশে নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না
বাংলাদেশ কেন ‘আদর্শ রাষ্ট্র’ হতে পারছে না

সম্পাদকীয়

ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত
ইরানের কাছে এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র মজুত

পূর্ব-পশ্চিম