শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৫৯, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬

বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক

আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা রাষ্ট্রের স্বার্থবিরোধী আইন প্রণয়নের মূল হোতা
বিশেষ প্রতিনিধি
অনলাইন ভার্সন
বিতর্কিত অধ্যাদেশ সংসদে যাচাই হোক

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বর্তী সরকার তার ১৮ মাসের মেয়াদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করে। অর্থাৎ প্রতি বছর গড়ে ৮৮টি অধ্যাদেশ জারি হয়েছে, যা সংসদীয় আইন প্রণয়নের গড় হারের তুলনায় ১৩২ শতাংশ বেশি।

সদ্য বিদায়ি অন্তর্র্বর্তী সরকারের আমলে ‘সুপারসনিক গতিতে’ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। প্রায় দুই দশক আগে ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন জরুরি অবস্থার সরকারের রেকর্ডকেও এটি ছাড়িয়ে গেছে। সরকারের শেষদিকে বিশেষ করে শেষ দেড় মাসে আইন প্রণয়নের গতি ‘সুপারসনিক’ মাত্রাকেও ছাড়িয়ে যায়। মাত্র ৪৭ দিনে ৩৬টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

সাপ্তাহিক ছুটি বাদ দিলে প্রতিদিন গড়ে অন্তত একটি করে অধ্যাদেশ জারির নজির তৈরি হয়। ২০২৫ সালে মোট ৮০টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। অন্যদিকে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট সরকার গঠনের পর প্রথম পাঁচ মাসে প্রণীত আইনের সংখ্যা ছিল মাত্র ১৯।

অধ্যাদেশের মাধ্যমে একদিকে নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, অন্যদিকে বিদ্যমান বহু আইনে সংশোধনী আনা হয়েছে। এ বিষয়ে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দাবি করেছেন, এটি ‘জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনার মূলে থাকা প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের’ অংশ ছিল।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া বিদায়ি ভাষণে মুহাম্মদ  ইউনূস তাঁর সরকারের ‘আইন প্রণয়নে সুপারসনিক গতির’ কৃতিত্বের কথা উল্লেখ করেন। সরকারি সংস্কার উদ্যোগের দিকটি তুলে ধরে ইউনূস বলেন, তাঁর অন্তর্র্বর্তী প্রশাসন প্রায় ১৩০টি নতুন আইন ও সংশোধনী প্রণয়ন করেছে [যদিও আইন মন্ত্রণালয়ের নোটে এ সংখ্যা ১৩৩টি উল্লেখ করা হয়েছে] এবং প্রায় ৬০০টি নির্বাহী আদেশ জারি করেছে।

সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব নির্বাহী আদেশের প্রায় ৮৪ শতাংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। ড. ইউনূস বলেন, ‘এ সংস্কারগুলো নাগরিক অধিকার সুসংহত করেছে, বিচার বিভাগকে শক্তিশালী করেছে এবং গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সংস্কৃতি যাতে আর ফিরে না আসে তা নিশ্চিত করেছে।’তবে তাঁর সরকারের আইন প্রণয়নের রেকর্ড ততটা উজ্জ্বল নয় যতটা তিনি দাবি করেছেন। কারণ একাধিক অধ্যাদেশের বৈধতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, এসব আইন জাতীয় ও জনগণের স্বার্থবিরোধী।

নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৩৩টি অধ্যাদেশই উপস্থাপন করতে হবে। এখন পর্যন্ত এসব অধ্যাদেশের নির্দিষ্ট কোনো মেয়াদ নেই। তবে প্রথম অধিবেশনে উত্থাপিত হওয়ার পর এগুলোর কার্যকারিতা থাকবে মাত্র ৩০ দিন। অধ্যাদেশের মাধ্যমে আগেই বাতিল করা না হলে, ৩০ দিন পূর্তির সঙ্গে সঙ্গেই সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে। সংসদ কোনো অধ্যাদেশ অনুসমর্থন করতে পারে না; তবে ৩০ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে যেকোনো অধ্যাদেশ বাতিল বা অননুমোদন করতে পারে। ফলে অধ্যাদেশগুলোর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তায় ঝুলে আছে। আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন বসছে। মাত্র ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশের বিধানসংবলিত সমসংখ্যক বিল পাস করে ১৩৩টি আইন বহাল রাখা সংসদের জন্য নিঃসন্দেহে দুঃসাধ্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। সিনিয়র আইনজীবী শাহ্দীন মালিক বলেছেন, অল্প সময়ে এত অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে; সেক্ষেত্রে প্রতিটি অধ্যাদেশের জন্য গড়ে পাঁচ দিনের কম সময় লেগেছে। শাহ্দীন মালিক উল্লেখ করেন, সংসদ বসা থেকে ৩০ দিনের মধ্যে যে অধ্যাদেশগুলোর আইনি ভিত্তি দেওয়া সম্ভব হবে না, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘মৃত’ বা বাতিল হয়ে যাবে। বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, অন্তর্র্বর্তী সরকারের সময়ের অধ্যাদেশগুলো তারা যাচাইবাছাই করছে।

কিন্তু কতটি বা কোন অধ্যাদেশগুলোর আইনি ভিত্তি দেবে তারা, সেটা এখনো স্পষ্ট নয়। অন্তর্র্বর্তী সরকারের সময়ে করা বিভিন্ন অধ্যাদেশের মধ্যে একটি বিতর্কিত এবং সর্বনাশা অধ্যাদেশ হলো ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬’। অধ্যাদেশটি গত ১৯ জানুয়ারি তড়িঘড়ি করে জারি করা হয়। নির্বাচনের ঠিক আগে কেন এরকম একটি বিতর্কিত আইন প্রণয়ন করার প্রয়োজন হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান একটি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধারের জন্য এ কালো আইন প্রণয়ন করেছেন। এ আইনকে বলা হচ্ছে কৃষকবিরোধী, পরিকল্পনা ও উন্নয়নবিনাশী অধ্যাদেশ। এ আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে পিছিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

অধ্যাদেশে বলা হয়, অনুমোদন ছাড়া কোনো ভূমির জোন পরিবর্তন করলে সর্বোচ্চ ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে। অনুমোদন ছাড়া কৃষিভূমি অকৃষি কাজে ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। কৃষিভূমি, জলাধার বা জলাভূমিতে বাণিজ্যিক আবাসন, রিসোর্ট, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কারখানা বা অনুরূপ স্থাপনা কিংবা অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

ইটভাটায় বা অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য কৃষিভূমির উপরিভাগের মাটি (টপ সয়েল), পাহাড় ও টিলা অথবা জলাধারের পাড়ের মাটি ক্রয়, বিক্রয়, অপসারণ, পরিবহন বা ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

বিশেষ কৃষি অঞ্চলের ভূমির ক্ষতিসাধন, ভূমিরূপ পরিবর্তন বা কৃষি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ তিন বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ ও সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া যাবে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। অধ্যাদেশে জলাধার, জলাভূমি, পাহাড় ও টিলা এবং বন ও বনভূমির ক্ষতিসাধন ও ভূমিরূপ পরিবর্তনের অপরাধগুলোকে অ-আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও অ-আপসযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইনের একই প্রকৃতির অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের বিধান অনুসরণ করা হবে। পাশাপাশি অতিরিক্তভাবে ক্ষতিপূরণ আদায়, ভূমির প্রকৃতি পুনর্¯’াপন, অবৈধভাবে ভরাট করা মাটি ও স্থাপনা অপসারণ এবং বৃক্ষরোপণসহ প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে।

কিন্তু এ আইনের পদে পদে স্ববিরোধিতা এবং দেশের ও জনগণের স্বার্থবিরোধী তৎপরতা লক্ষ করা যায়। এ অধ্যাদেশে বাস্তবসম্মত ও বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড উপেক্ষা করে কেবল প্রথাগত কিছু নামের তালিকা দিয়ে কৃষিভূমি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পরিকল্পিত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। অধ্যাদেশে কৃষি ভূমির অর্থ এমনভাবে বাড়ানো হয়েছে যে, ভিটা, ভিটি, ডাঙ্গা, নার্সারি, রাস্তার পাশের এলাকা, ভাগাড়, এমনকি বসতবাড়িসংলগ্ন পরিত্যক্ত জমিকেও কৃষিজমি হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এটা অযৌক্তিক ও অবাস্তব। কৃষকদের বসতবাড়ি কীভাবে কৃষিজমি হয়? এরকম আইন থাকলে কৃষকরা প্রতিনিয়ত হয়রানি এবং আইনি জটিলতার সম্মুখীন হবেন। লঙ্ঘিত হবে কৃষকের মৌলিক অধিকার। ভবিষ্যতে নিজেদের ভিটায় ঘর তোলা সংস্কারের ক্ষেত্রে চরম আইনগত ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার মধ্যে পড়বে কৃষক। নিজেদের ভূমির অধিকার হারাবে কৃষকরা।

ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬ আইনের কৃষিজমির ত্রুটিপূর্ণ ও অস্পষ্ট সংজ্ঞার কারণে ভূমি নিয়ে দুর্নীতি বাড়বে। সামান্য সংস্কারের জন্য প্রশাসনিক গোলকধাঁধায় পড়বে নিরীহ কৃষকরা।

অধ্যাদেশে নদীর চরের জমি বা রাস্তার ঢালকেও কৃষিজমির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব জমি প্রাকৃতিকভাবেই অস্থিতিশীল। এসব জমি পরিবেশ সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব জমি ঢালাওভাবে কৃষিজমি বলায় পরিবেশ নীতি তৈরি ও বাস্তবায়নে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে।

যদি প্রায় সব ধরনের খোলা বা অনির্দিষ্ট জমিকে কৃষিভূমি হিসেবে গণ্য করা হয়, তবে পরিকল্পিত শহর সম্প্রসারণ, শিল্পায়ন বা সরকারি বড় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলো অযৌক্তিক বাধার মুখে পড়বে। অন্যদিকে নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, প্রায় সব ধরনের খোলা জমিকে কৃষি ভূমি হিসেবে চিহ্নিত করলে শহরের পরিকল্পিত সম্প্রসারণ, শিল্পায়ন ও বড় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলো অযৌক্তিক বাধার মুখে পড়বে।

গেজেটে এক ফসলি, দুই ফসলি বা তিন ফসলি শ্রেণিবিন্যাসকে কৃষি ভূমির ‘মৌলিক সংজ্ঞার’ অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। কিন্তু পদ্ধতিগতভাবে এটি সঠিক নয়। ফসলের সংখ্যা হলো জমির উৎপাদনশীলতা বা ব্যবহারের একটি বিশ্লেষণাত্মক পদ্ধতি মাত্র, এটি ভূমির মৌলিক সংজ্ঞা হতে পারে না। ভূমির ‘স্থায়ী বৈশিষ্ট্য আর সাময়িক ব্যবহারিক বৈশিষ্ট্যকে এক করে দেখা একটি পদ্ধতিগত ভুল। আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনায় কৃষি ভূমি নির্ধারণের ক্ষেত্রে মাটির উর্বরতা, টপোগ্রাফি (ভূমির উচ্চতা), জলবায়ু, সেচ সুবিধা এবং দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদন সক্ষমতাকে (খধহফ ঈধঢ়ধনরষরঃু) গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু এই গেজেটে মাটির বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ বা সক্ষমতাকে তোয়াক্কা না করে কেবল ঐতিহ্যগত বা স্থানীয় কিছু নাম ব্যবহার করে ভূমি নির্ধারণ করা হয়েছে। অথচ বসতভিটার মাটি সাধারণত অনুর্বর থাকে, যা বৃহৎ পরিসরে কৃষিকাজের উপযোগী নয়। সংজ্ঞাটিতে ‘উদ্যান ফসলি’ (ফল, ফুল, সবজি) এবং ‘মাঠ ফসলি (ধান, গম, ভুট্টা) জমিকে একই কাতারে রাখা হয়েছে। বাস্তবে এ দুটি কৃষি ব্যবস্থাপনার ভিন্ন ভিন্ন শাখা। এ দুই ধরনের জমিকে একইভাবে সংজ্ঞায়িত করলে কৃষি পরিসংখ্যান এবং উৎপাদন পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশাসনিক জটিলতা দেখা দেবে। কৃষি ভূমির একটি সঠিক সংজ্ঞা হওয়া উচিত সংক্ষিপ্ত, বৈজ্ঞানিক এবং বাস্তবভিত্তিক। সেখানে স্পষ্ট উল্লেখ থাকা প্রয়োজন যে, যে ভূমি মূলত কৃষি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় এবং যার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য কৃষিকাজের উপযোগী, কেবল সেটিই কৃষি ভূমি। বসতভিটা, অবকাঠামো বা নদীর চরকে ঢালাওভাবে এ সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা যৌক্তিক নয়। এ অধ্যাদেশটি একটি উদাহরণ মাত্র। এরকম প্রচুর গণবিরোধী, অগণতান্ত্রিক অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে গত ১৮ মাসে। যেসব অধ্যাদেশ জারির মূল হোতা ছিলেন আসিফ নজরুল এবং রিজওয়ানা হাসান।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জাতীয় সংসদের উচিত হবে, প্রতিটি অধ্যাদেশের যৌক্তিকতা যাচাই করা। কোনটা দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে তা বিবেচনা করা। যেসব অধ্যাদেশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও জনস্বার্থবিরোধী, সেগুলোকে আমলে না নেওয়া। জাতীয় সংসদ গণবিরোধী অধ্যাদেশগুলো বিবেচনায় না নিলে, এমনিতেই এসব বাতিল হয়ে যাবে। জনগণ কালো আইনের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পাবে।

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
রাতের মধ্যে দেশের তিন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
রাতের মধ্যে দেশের তিন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি
আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি
বিতাড়িত স্বৈরাচারের ভূত বিরোধীদলের কাঁধে চেপেছে: প্রধানমন্ত্রী
বিতাড়িত স্বৈরাচারের ভূত বিরোধীদলের কাঁধে চেপেছে: প্রধানমন্ত্রী
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী
ছবিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় বর্ষবরণ
ছবিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় বর্ষবরণ
ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল ফের রিমান্ডে
ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল ফের রিমান্ডে
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু
ঢাকায় পহেলা বৈশাখের উদযাপন ছিল সত্যিই অসাধারণ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত
ঢাকায় পহেলা বৈশাখের উদযাপন ছিল সত্যিই অসাধারণ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত
২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী
২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী
৫ বিভাগে বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা
৫ বিভাগে বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা
সংস্কৃতির সব প্রকাশ যেন নির্বিঘ্ন হয়: ছায়ানট সভাপতি
সংস্কৃতির সব প্রকাশ যেন নির্বিঘ্ন হয়: ছায়ানট সভাপতি
টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
কুবিতে বৈশাখী উৎসব
কুবিতে বৈশাখী উৎসব

৫০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

বাংলাদেশ–ফিলিপাইন বাণিজ্য বাড়াতে নতুন রোডম্যাপ
বাংলাদেশ–ফিলিপাইন বাণিজ্য বাড়াতে নতুন রোডম্যাপ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

কুমিল্লায় যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার
কুমিল্লায় যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো
ইন্টার মায়ামি ছাড়লেন মাসচেরানো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ
আগের চেয়ে সহজ কানাডার নাগরিকত্ব, নতুন আইনে বড় সুযোগ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরুর ‘প্রবল সম্ভাবনা’ রয়েছে: গুতেরেস
যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে পুনরায় আলোচনা শুরুর ‘প্রবল সম্ভাবনা’ রয়েছে: গুতেরেস

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব
নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব

৩ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা
বেশি যোগ্য হয়েও কেন কম বেতনের চাকরি নিচ্ছেন কর্মীরা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ‘আগামী দুই দিনের মধ্যে’ বৈঠকে বসতে পারে: ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢামেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক কারাবন্দির মৃত্যু
ঢামেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক কারাবন্দির মৃত্যু

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলো মাস্টারকার্ড
‘স্পেন্ড অ্যান্ড উইন’ ক্যাম্পেইনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করলো মাস্টারকার্ড

৪ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকা আমাদের বড় দায়িত্ব’
‘সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকা আমাদের বড় দায়িত্ব’

৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

নববর্ষে মাদারীপুরে দাড়িয়াবান্ধা খেলা অনুষ্ঠিত
নববর্ষে মাদারীপুরে দাড়িয়াবান্ধা খেলা অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সংস্কারের বকেয়া রেখেই সরকার হালখাতা খুলেছে : নাহিদ
সংস্কারের বকেয়া রেখেই সরকার হালখাতা খুলেছে : নাহিদ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাঞ্ছারামপুরে মেঘনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, অভিযানে আটক ১২
বাঞ্ছারামপুরে মেঘনা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, অভিযানে আটক ১২

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন

৬ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

উত্তরায় বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ, তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা
উত্তরায় বর্ণিল আয়োজনে বর্ষবরণ, তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দক্ষিণী অভিনেত্রীর বাসায় বোমা হামলার হুমকি!
দক্ষিণী অভিনেত্রীর বাসায় বোমা হামলার হুমকি!

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?
পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পহেলা বৈশাখে নোয়াখালীতে বিএনপির নানা আয়োজন
পহেলা বৈশাখে নোয়াখালীতে বিএনপির নানা আয়োজন

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লেবাননে সংঘাত বন্ধ ও শান্তি আলোচনার আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের
লেবাননে সংঘাত বন্ধ ও শান্তি আলোচনার আহ্বান জার্মান চ্যান্সেলরের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলসান সোসাইটির উদ্যোগে লেকপার্কে মেলা
গুলসান সোসাইটির উদ্যোগে লেকপার্কে মেলা

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ক্ষতি ২৭০ বিলিয়ন ডলার

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মোদি দেশভক্ত নয়, দেশদ্রোহী: রাহুল গান্ধী
মোদি দেশভক্ত নয়, দেশদ্রোহী: রাহুল গান্ধী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির ফোনালাপ, কোন বিষয়ে আলোচনা?
ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির ফোনালাপ, কোন বিষয়ে আলোচনা?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাতের মধ্যে দেশের তিন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
রাতের মধ্যে দেশের তিন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনের দাবি ভ্যান্সের
ইরান যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনের দাবি ভ্যান্সের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
যে কারণে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিতে চায় রাশিয়া
যে কারণে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিতে চায় রাশিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরমুজ অতিক্রম করল চীনের মালিকানাধীন তেলবাহী জাহাজ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরমুজ অতিক্রম করল চীনের মালিকানাধীন তেলবাহী জাহাজ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন হুঁশিয়ারির মধ্যে হরমুজ পাড়ি দেওয়া চার জাহাজ নিয়ে যা জানা গেল
মার্কিন হুঁশিয়ারির মধ্যে হরমুজ পাড়ি দেওয়া চার জাহাজ নিয়ে যা জানা গেল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল
মার্কিন নৌ অবরোধ মোকাবিলায় ইরানের নতুন কৌশল

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিসহ পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের
সৌদিসহ পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী অ্যান্টোইন হে
বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী অ্যান্টোইন হে

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ট্রাম্পের শুল্ক হুমকির মুখে পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি চীনের
ট্রাম্পের শুল্ক হুমকির মুখে পাল্টা ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি চীনের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রকে অবরোধ তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব
যুক্তরাষ্ট্রকে অবরোধ তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ইসরায়েল’
‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন ইসরায়েল’

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের ওপর চাপ তৈরি করবে চীন, প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের ওপর চাপ তৈরি করবে চীন, প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্রের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা
রাজধানীতে জামায়াতে ইসলামীর বৈশাখী শোভাযাত্রা

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী
ট্রাম্পের তোপের মুখে ইতালির প্রধানমন্ত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান
পাঁচ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিতের প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শি জিনপিংয়ের ‘চার প্রস্তাব’, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটকে কটাক্ষ
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় শি জিনপিংয়ের ‘চার প্রস্তাব’, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটকে কটাক্ষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিতাড়িত স্বৈরাচারের ভূত বিরোধীদলের কাঁধে চেপেছে: প্রধানমন্ত্রী
বিতাড়িত স্বৈরাচারের ভূত বিরোধীদলের কাঁধে চেপেছে: প্রধানমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি
আন্দামান সাগরে নৌকাডুবিতে ২৫০ জন নিখোঁজ, রোহিঙ্গা ছাড়াও রয়েছেন বাংলাদেশি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি
ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ বছর পর সরাসরি ইসরায়েল-লেবানন বৈঠক, বড় চুক্তির লক্ষ্যে নেতানিয়াহু
৪০ বছর পর সরাসরি ইসরায়েল-লেবানন বৈঠক, বড় চুক্তির লক্ষ্যে নেতানিয়াহু

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে কাজ করছে না ট্রাম্পের শুল্ক কৌশল, বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি
ইরানের বিরুদ্ধে কাজ করছে না ট্রাম্পের শুল্ক কৌশল, বাড়ছে সংঘাতের ঝুঁকি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে ভারতকে ধুয়ে দিল উইজডেন
বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে ভারতকে ধুয়ে দিল উইজডেন

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি হবে কি না তা ঠিক করবে ইরান : জেডি ভ্যান্স
যুদ্ধ বন্ধে চুক্তি হবে কি না তা ঠিক করবে ইরান : জেডি ভ্যান্স

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?
পাকিস্তান কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ও সৌদির প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির ভারসাম্য রক্ষা করতে পারবে?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী
২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এ আই ড্রোন প্রযুক্তিতে চীন-রাশিয়ার কাছে হারছে যুক্তরাষ্ট্র
এ আই ড্রোন প্রযুক্তিতে চীন-রাশিয়ার কাছে হারছে যুক্তরাষ্ট্র

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কক্সবাজার ‘আইকনিক’ স্টেশন ইজারা নিতে ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহ
কক্সবাজার ‘আইকনিক’ স্টেশন ইজারা নিতে ব্যবসায়ীদের অনাগ্রহ

১৬ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
লেবানন-ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হলেন ডলি বেগম
কানাডায় প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফেডারেল এমপি নির্বাচিত হলেন ডলি বেগম

১৪ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মার্কিন নৌ-অবরোধ সার্বভৌমত্বের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ : ইরান
মার্কিন নৌ-অবরোধ সার্বভৌমত্বের ‘গুরুতর লঙ্ঘন’ : ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্কিন অবরোধকে ‘বিপজ্জনক পশ্চাৎপদ পদক্ষেপ’ বললেন শিপিং ফেডারেশন প্রধান
মার্কিন অবরোধকে ‘বিপজ্জনক পশ্চাৎপদ পদক্ষেপ’ বললেন শিপিং ফেডারেশন প্রধান

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পকে হতভাগা জলদস্যু বলে ইরানের বিদ্রুপ
ট্রাম্পকে হতভাগা জলদস্যু বলে ইরানের বিদ্রুপ

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক