শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৪০, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

বিষাক্ত আবর্জনায় মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছে রাজধানীর লেকগুলো

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
বিষাক্ত আবর্জনায় মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছে রাজধানীর লেকগুলো

রাজধানীর লেক গুলো এখন ময়লার ভাগাড়; দূষণে বিপর্যস্ত, মশা-মাছির প্রজননস্থল আর দুর্গন্ধের উৎস। নাগরিকদের স্বস্তির আশ্রয় হয়ে ওঠার পরিবর্তে ঢাকার লেকগুলো বরং এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। যা তৈরি করছে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি। বিষাক্ত আবর্জনা, দূষণ, দখল আর বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে ঢাকার লেকগুলো ক্রমেই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছে।

রাজধানীর অন্যতম অভিজাত এলাকা গুলশান-বনানী ও বারিধারা। বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও কূটনৈতিকদের বাসস্থান রয়েছে এ এলাকাগুলোয়। দেশের অনেক বড় ব্যবসায়ী ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদেরও বসবাস এখানে। এ এলাকায় রয়েছে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ জলাশয়—গুলশান-বনানী লেক। এ জলাশয়কে ২০০১ সালে পরিবেশ অধিদপ্তর প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু এরপর গত আড়াই দশকেও অভিজাত এলাকার এ লেককে আর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। গুলশান লেকে কোথাও কয়েক ইঞ্চি থিকথিকে ময়লার স্তর তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় বর্জ্য পচে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এ জলাশয় হয়ে উঠেছে মশা-মাছির আবাসস্থল। লেক থেকে আসা দুর্গন্ধে দুই পাশের ভবনের ছাদ কিংবা বারান্দায় বসতে চান না বাসিন্দারা। দুর্গন্ধ আর মশা-মাছি থেকে বাঁচতে বাসার দরজা-জানালা বন্ধ রাখেন অনেকে।

রাজধানীর নদ-নদী ও লেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পরীক্ষায় দীর্ঘ সময় ধরে গবেষণা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক। গবেষক দলের সদস্য অধ্যাপক ফাহমিদা পারভীন জানান, অত্যন্ত দূষিত বলে পরিচিত চীনের সাংহাই নদীর তলদেশে জমাকৃত প্রতি কেজি পলিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের পরিমাণ ৮০২টি এবং ইয়াংঝাং নদীর পলিতে ২৮৫টি। অন্যদিকে ধানমন্ডি লেকের প্রতি কেজি পলিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে ৩০ হাজারটি। গুলশান লেকের পানিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি বেশি। বিভিন্ন উৎস থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক ঢাকার লেকগুলোর তলদেশে গিয়ে জমা হচ্ছে। এতে জলজ জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে ঝুঁকি বাড়ছে মানবস্বাস্থ্যেরও।

কয়েক বছর আগে গুলশান লেকের পানির গুণগত মান নিয়ে স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক একটি তুলনামূলক পর্যালোচনা করেন। তাতে দেখা যায়, লেকের পানিতে একাধিক সূচকে উদ্বেগজনক অবনতি রয়েছে। গুলশান লেকে মোট দ্রবীভূত পদার্থ (টিডিএস) ও ঘোলাভাব হাতিরঝিলের লেকের তুলনায় বেশি পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে দুই লেকেই কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা, জৈব দূষণের সূচক (বিওডি) এবং রাসায়নিক দূষণের সূচক (সিওডি) নির্ধারিত মান অতিক্রম করেছে। এর ফলে গুলশান লেক ও হাতিরঝিল লেকের পানি ব্যবহার উপযোগিতা হারিয়ে ফেলেছে। এ পানি জলজ বাস্তুতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন গবেষকরা।

রাজধানীর আরেক পুরনো অভিজাত এলাকা ধানমন্ডি। এ এলাকায় আছে সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ লেক। গত এক দশকের বেশি সময়ে বিভিন্ন বাণিজ্যিক কার্যক্রমে ধানমন্ডি লেক তার সৌন্দর্য হারাচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, নতুন করে লেকটিতে আবাসিক ভবনের পয়ঃবর্জ্যের সংযোগ দেয়া হয়েছে। অবাধে লেকে ফেলা হচ্ছে প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিনসহ বিভিন্ন বর্জ্য। এসব কারণে লেকের পানি নষ্ট হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে। কমে গেছে মাছ ও জলজ উদ্ভিদের পরিমাণ। মানুষের নানা কর্মকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে লেকপারে বসতি গড়া পাখপাখালিও।

সম্প্রতি গুলশান-বনানী-বারিধারা লেক এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কোথাও কোথাও পানি ও পরিবেশের অবস্থা এতটাই খারাপ যে দুর্গন্ধে টেকা দায়। কালো মিশমিশে নোংরা পানির পাশাপাশি লেকের দুই পাড়ে জমে থাকা আবর্জনায় লেককে ময়লার ভাগাড় বলে মনে হতে পারে। গুলশান-২ থেকে বনানী যাওয়ার পথে দেখা যায় কামাল আতাতুর্ক সড়কের সেতুর অংশে লেক তীব্র দূষণের শিকার। প্রচণ্ড দুর্গন্ধে পথচারীরা নাকে হাত চেপে দ্রুত হেঁটে যাচ্ছেন। দেখা গেল, লেকের দুই পাশেই নানা ধরনের বর্জ্য জমে আছে। পানির ওপর কালচে রঙের গাঢ় আস্তরণ। সেতুর নিচের পাইপ দিয়ে আসছে কালো দুর্গন্ধযুক্ত পানি।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের এক জরিপের তথ্য বলছে, লেকের আশপাশে তিন হাজার ৮৩০টি বাড়ির মধ্যে ২ হাজার ২৬৫টি বা প্রায় ৮৫ শতাংশের সুয়ারেজ লাইনের সংযোগই দেয়া হয়েছে লেকে। সঙ্গে আছে আবর্জনা ফেলা আর দখল। মূলত এ কারণেই লেকের প্রাণ যায় যায় অবস্থা।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, ‘‌পৃথিবীর সব সভ্য নগরীরই একটা পরিকল্পনা থাকে। সেখানে কত মানুষ বসবাস করবে, কতটুকু সবুজ থাকবে, কতটুকু জল থাকবে। সে হিসেবে ঢাকায় মানুষ কয়েক গুণ বেশি, কিন্তু গাছ ও জল একেবারেই সামান্য। এ সামান্যের মধ্যেই আছে রাজধানীর অভিজাত এলাকার লেকগুলো। কিন্তু সে লেকগুলো এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। লেকগুলো এমন তীব্রভাবে নষ্ট হয়েছে যে সে দূষণ আমাদের খাদ্য শৃঙ্খলে ঢুকে পড়ছে খুব সহজেই। হয়তো গ্রাউন্ড ওয়াটারের মাধ্যমে অথবা সরাসরি কিংবা অন্য কোনো উপায়ে। যেমন রাস্তার হকাররা এসব লেকের পানি ব্যবহার করেন। তাদের থেকে খাবার খেলে আমাদের দেহে কিন্তু বিষাক্ত পানি ঢুকে যাচ্ছে। তখন আমরা মারাত্মক সব রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। এখানে মশা-মাছি জন্মে মৃত্যুঝুঁকি তৈরি করছে। দুর্গন্ধ আমাদের শ্বাসযন্ত্রকে দুর্বল করছে। শুধু তা-ই নয়, কোনো পাখি বা প্রাণী যদি এ লেকের পানি পান করে তাহলে ওই প্রাণী তো অসুস্থ হবেই, আশঙ্কা থাকে আমরাও তাদের মাধ্যমে অসুস্থ হতে পারি। তাই লেকগুলোকে অযত্নে ফেলে রাখা কেবল সৌন্দর্যের হানি এমন নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনা।’

ধানমন্ডি ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের কাছে সকাল কিংবা বিকালে হাঁটা ও বেড়ানোর জন্য লেকটি বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু কয়েক দশক ধরেই ধানমন্ডি লেক বাণিজ্যিক কার্যক্রমে শ্রী হারাচ্ছে। বারবার লেকটির মূল নকশা ভেঙে দোকান বাড়ানো এবং পার্কিংয়ের জন্য জায়গা বরাদ্দ দেয়া হয়। গত কয়েক বছর ধানমন্ডি লেকের রবীন্দ্র সরোবর এলাকাটি হয়ে উঠেছে মুখরোচক খাবারের জমজমাট কেন্দ্র। সেখানে নকশা অনুযায়ী চারটি ফুচকার ছোট দোকান থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে দোকানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০টির বেশি। এ দোকানগুলো তাদের নির্ধারিত সীমানা ছাড়িয়ে ফুটপাথ ও লেকের জায়গায়ও ছড়িয়ে পড়েছে। এসব দোকান থেকে প্রতিনিয়ত প্লাস্টিক ও সাধারণ বর্জ্য লেকে ফেলা হচ্ছে।

গতকাল ধানমন্ডি লেক এলাকায় সরজমিনে দেখা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই সেখানে পাঁচ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, কোথাও নতুন করে কংক্রিটের আচ্ছাদন দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে পার্কিং।

অতিরিক্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রমে ধানমন্ডি লেকের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, ‘‌এ লেকটি নষ্ট হয়েছে ব্যবহারকারীদের অসচেতনতার কারণেই। এখানে এত বেশি বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলছে, যা দেখে এটা যে স্বস্তির জায়গা তা বোঝার উপায় নেই। এভাবে তো লেক বাঁচানো যাবে না।’

ধানমন্ডি লেক বিষয়ে তার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‌আমি লেকটি পরিদর্শন করেছি। যারা ইজারা পেয়েছে, যতটুকু জায়গায় পেয়েছে, তার মধ্যে থাকতে পারলে ব্যবসা করবে, নয়তো তাদের বরাদ্দ বাতিল করা হবে। শুনেছি সেখানে এখন মেলা চলছে। আমরা তো মেলার অনুমতিও দিইনি। তাহলে কারা মেলা করছে? আমরা এখানে একটি কমিটি করে দেব। যাতে লেক রক্ষা পায়। শুধু মানুষ নয়, এ লেক তো মাছ-পাখির জন্যও। এটা ভুলে গেলে চলবে না।’

রাজধানীর আরেকটি বড় লেক হাতিরঝিল। এ লেকটিও এখন কালো পানি আর দুর্গন্ধের আধার। এখানে যারা হাঁটাচলা করেন এবং ওয়াটার ট্যাক্সিতে যাতায়াত করেন, তাদের চলতে হয় নাক চেপে।

২০২২ সালে হাতিরঝিলের দূষণ নিয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) গবেষকরা একটি গবেষণা করেন। এতে হাতিরঝিলের পানিতে নানা ধরনের জীবাণুর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এতে আরো বলা হয়, হাতিরঝিলের পানি মানবস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। এ পানিতে জীবাণুর ঘনত্ব অত্যন্ত বেশি। মূলত সুয়ারেজের দূষিত পানি মিশে যাচ্ছে বলেই অল্প পরিমাণ পানিতে প্রচুর পরিমাণে জীবাণু পাওয়া যাচ্ছে।

সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঢাকার লেকগুলো মশা-মাছির প্রজনন ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের এ অধ্যাপক বলেন, ‘‌এটা খুবই দুঃখজনক যে সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্যের আধার লেকগুলো এখন মশা-মাছি-ব্যাকটেরিয়ার প্রজননস্থলে পরিণত হয়েছে। লেকগুলো পরিষ্কার ও প্রবহমান রাখলে এ দুর্ভোগ তৈরি হতো না। তবে দায়িত্বরত সংস্থাগুলো যদি এখনো আন্তরিকতার সঙ্গে চায় তাহলে লেকগুলোর বাস্তুতন্ত্র ফিরিয়ে আনা সম্ভব। লেকগুলোতে উপযোগী মাছ যেমন গাপ্পি মাছ, ব্যাঙ ছাড়া যেতে পারে। তাহলে লেকগুলো মশা-মাছির প্রজননস্থল হবে না। লেকগুলো নষ্ট হয়েছে সুয়ারেজ বর্জ্যের মাধ্যমে। এখানে সরাসরি সুয়ারেজ বর্জ্য না ফেলে ট্রিটমেন্ট করে ফেললেই কিন্তু সমাধান হয়ে যায়। সমস্যা বড় হলেও সমাধান অযোগ্য নয়। অভাব শুধু আন্তরিক উদ্যোগের।’

সার্বিক বিষয় জানতে চাইলে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘‌ঢাকার লেকগুলো নষ্ট হয়েছে সুয়ারেজ বর্জ্যের কারণে। গুলশান লেক ও হাতিরঝিল লেক সরাসরি রাজউক তত্ত্বাবধান করে। কিন্তু এখানে আশপাশের বাড়ি থেকে আসা সুয়ারেজ বর্জ্য ঠেকানো যাচ্ছে না। ঢাকা ওয়াসা মাত্র ২০ শতাংশ পয়ঃবর্জ্য সংযোগ নির্মাণ করতে পেরেছে। আবার দাশেরকান্দিতে ট্রিটমেন্ট প্লান্ট করেছে, সেখানে সংযোগ নেই। যে কারণে ঢাকার লেকগুলো বাঁচিয়ে রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

সূত্র : বণিক বার্তা

এই বিভাগের আরও খবর
ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ
ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ
ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা
ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা
প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও
প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও
লন্ডনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সুদানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
লন্ডনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সুদানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
দুই ডিসিকে ডিএমপিতে পদায়ন
দুই ডিসিকে ডিএমপিতে পদায়ন
এখন সময় রাষ্ট্রকে পুনঃগঠন করা : প্রধানমন্ত্রী
এখন সময় রাষ্ট্রকে পুনঃগঠন করা : প্রধানমন্ত্রী
ছবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চাঁদপুর সফর
ছবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চাঁদপুর সফর
জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস
জুনের প্রথম সপ্তাহে দেশে ফিরতে পারেন মির্জা আব্বাস
আওয়ামী লীগ সরকার আর্থিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব
আওয়ামী লীগ সরকার আর্থিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব
হজ পালনে গিয়ে এ পর্যন্ত ১৫ বাংলাদেশির মৃত্যু
হজ পালনে গিয়ে এ পর্যন্ত ১৫ বাংলাদেশির মৃত্যু
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
সাবেক প্রতিমন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
সর্বশেষ খবর
ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ
ট্রেনে ঈদযাত্রা: ২৭ মে’র টিকিট মিলবে আজ

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু
রাজধানীতে অটোরিকশা উল্টে চালকের মৃত্যু

১৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মে ২০২৬

৩৭ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ
যেসব এলাকায় টানা ১৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ

৪৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা
ঢাকাসহ ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

৫৯ মিনিট আগে | জাতীয়

অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক
অস্কারের জন্য ‘ইতিহাস বিকৃতি’, নোলানের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন মাস্ক

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া
ইউরোভিশন গান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন বুলগেরিয়া

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া
হরমুজ প্রণালি নিয়ে আমেরিকার খসড়া প্রস্তাব ‘সঠিক নয়’: রাশিয়া

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান
ইসরায়েলের অপরাধ ঢাকতে মানবাধিকারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়
ঈদের আগে রফতানি খাতে ৩১০০ কোটি টাকা ছাড়

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী
বিজয়কে ‘ভালোবাসার বার্তা’ পৌঁছে দেবেন তৃষা, লাজুক হাসিতে ভাইরাল অভিনেত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার
ফুটপাতে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়ে ছুরি নিয়ে তাড়া, চালক গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক
পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ইউপিডিএফের ৩ সন্ত্রাসী আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’
জাতীয় সাইবার ড্রিলে চ্যাম্পিয়ন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ‘সাইবারস্যাভি’

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার
হবিগঞ্জে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে তিনজন গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি
হাভিয়ের বারদেমের ‘দ্য বিলাভেড’ দেখে দর্শকদের টানা ৭ মিনিটের করতালি

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?
ইরানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন দোদুল্যমান, কি বলছে ফিফা?

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার
১৫ মিনিটেই ফাইনাল নিশ্চিত, গোল্ডেন মাস্টার্সের দুয়ারে সিনার

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজের ২১ ঘণ্টা পর শিশু হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের
ইডেনে কলকাতার শততম ম্যাচে ২০০ পূর্ণ নারাইনের

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার
অভিষেকেই চোট, ৮ বল করে মাঠ ছাড়লেন ১৮ কোটির বোলার

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কোরবানি : ত্যাগের মহিমা
কোরবানি : ত্যাগের মহিমা

৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

প্রতিবাদ করায় ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হওয়ার আশঙ্কা মার্ক রাফালোর
প্রতিবাদ করায় ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হওয়ার আশঙ্কা মার্ক রাফালোর

৭ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ
রাষ্ট্র পরিচালনায় ডিগ্রি নয় চাই নৈতিক গুণ

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের
ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-ছেলের

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও
প্রতিশ্রুতি পূরণে অগ্রগতি, আছে সমালোচনাও

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তৃতীয় সন্তান হলেই অন্ধ্রপ্রদেশে মিলবে ২৫ হাজার রুপি-পুষ্টি ভাতা
তৃতীয় সন্তান হলেই অন্ধ্রপ্রদেশে মিলবে ২৫ হাজার রুপি-পুষ্টি ভাতা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেইনের হ্যাটট্রিকে শেষ ম্যাচে বায়ার্নের বড় জয়
কেইনের হ্যাটট্রিকে শেষ ম্যাচে বায়ার্নের বড় জয়

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা
হারিয়ে যাচ্ছে প্রাকৃতিক ইনসুলিন তেলাকুচা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিদ্ধিরগঞ্জে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
সিদ্ধিরগঞ্জে শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’
স্বামীর দেহ টুকরো টুকরো করা স্ত্রী বললেন- ‘জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি’

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই
সাবেক মন্ত্রী মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!
ভাড়া না দিতে পেরে বাড়িওয়ালাকে দিয়ে স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণ!

১৫ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা
যেভাবে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্পের চীন সফর: আল-জাজিরা

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল
বিশ্বকাপ ২০২৬: কোন শহরে থাকছে আপনার প্রিয় দল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন
নিয়মিত কাঠবাদাম খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা
এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও নিয়ম মানছেন চালকেরা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’
‘আমার মেয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন’

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?
সত্যিই কি মার্কিন গ্যাস স্টেশনে সাইবার হামলা চালিয়েছে ইরান?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে
পদ্মায় মিলল মরদেহ, পুলিশ বলছে—গাজীপুরে ৫ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান হতে পারে

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী
চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের
হরমুজ নিয়ে জাতিসংঘ প্রস্তাব ঘিরে নতুন উত্তেজনা, কঠোর বার্তা ইরানের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ
‘টাকা নিতি তাও দাওয়াত দিতি’, বন্ধুর বিয়েতে দাওয়াত না পেয়ে বিক্ষোভ

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?
দাবি ছিল ৩০০ মিলিয়ন, মাত্র ৬০ মিলিয়নে কেন রাজী হলো ফিফা?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত
জাতিসংঘে হরমুজ ইস্যুতে মার্কিন প্রস্তাবে চীনের আপত্তি, ভেটোর ইঙ্গিত

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার
জাবিতে ধর্ষণচেষ্টা: সিসিটিভিতে ধরা সেই ব্যক্তি কে, জানালে মিলবে পুরস্কার

১৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?
বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের মাঝে এক নারীর নজরকাড়া উপস্থিতি, কে এই জো কুনফেই?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত বেরোবির সাবেক উপাচার্য গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান
আইপিএলের ফাইনালে আমন্ত্রণ পেলেন পিসিবির চেয়ারম্যান

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী
জনগণের দাবি হলে কুমিল্লা বিভাগ হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক
সাত পাসপোর্টসহ লালমনিরহাট সীমান্তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক ডিজি সাব্বির আটক

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর
আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন
বিশাল ছাড়ে বিশ্বকাপ সম্প্রচার স্বত্ব কিনল চীন

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?
বিশ্বকাপের মাঝেই মুখোমুখি মেসি-রোনালদো! অবিশ্বাস্য এই সমীকরণ কীভাবে সম্ভব?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত
হরমুজ এড়াতে নতুন পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট
বিসিবির এডহক কমিটি বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে বুলবুল-আসিফ-পাইলটের রিট

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প
স্বাধীনতা ঘোষণা না করতে তাইওয়ানকে সতর্ক করলেন ট্রাম্প

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!
নথি ফাঁস: উইলিয়াম-কেটের বাড়ি ভাড়ার অংক শুনলে চোখ কপালে উঠবে!

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

প্রিন্ট সর্বাধিক
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের
হামলার নতুন ছক যুক্তরাষ্ট্রের

পেছনের পৃষ্ঠা

উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ
উচ্চ রক্তচাপ ডেকে আনছে বিপদ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত
জাপানি মিষ্টি আলুতে বাজিমাত

পেছনের পৃষ্ঠা

চরম সংকটে আবাসন খাত
চরম সংকটে আবাসন খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক
এবারও কি ক্রোয়েশিয়া চমক

মাঠে ময়দানে

মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট
মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে ফ্ল্যাট

প্রথম পৃষ্ঠা

ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার
ওষুধ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে চায় সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

পায়েলের যত অভিযোগ
পায়েলের যত অভিযোগ

শোবিজ

ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা
ঈদের ছবি প্রদর্শনে নতুন অস্থিরতা

শোবিজ

এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের
এক মৌসুমে তিন শিরোপা মোহামেডানকে স্পর্শ করার পালা কিংসের

মাঠে ময়দানে

প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’
প্রকাশ পেল থিম সং ‘দাই দাই’

মাঠে ময়দানে

শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি
শিরোপা জিতল ম্যানচেস্টার সিটি

মাঠে ময়দানে

মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক
মোহামেডানকে হারিয়ে শীর্ষে প্রাইম ব্যাংক

মাঠে ময়দানে

প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে
প্রেমের টানে আসা মালয়েশিয়ার তরুণীর জাঁকজমক বিয়ে

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিবের বিশেষ বার্তা
শাকিবের বিশেষ বার্তা

শোবিজ

সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি
সবুজ উইকেটে লিটনের সেঞ্চুরি

মাঠে ময়দানে

কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি
কোরবানি ঘিরে চাঙা অর্থনীতি

নগর জীবন

তাদের ‘না বলা গল্প’
তাদের ‘না বলা গল্প’

শোবিজ

টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল
টাইটেল স্পন্সর সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল

মাঠে ময়দানে

তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা
তানজিকা আমিনের স্নিগ্ধতা

শোবিজ

দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা
দেশ পুনর্গঠনই হোক প্রতিজ্ঞা

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র
ব্যবসায় বড় বাধা আমলাতন্ত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন
উত্তরণে সরকারের নীতিসহায়তা প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প
ডলারসংকট ও পুঁজির চাপে ধুঁকছে ইস্পাতশিল্প

প্রথম পৃষ্ঠা

ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণপ্রবাহ অব্যাহত রাখবে বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রথম পৃষ্ঠা

বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন
বগুড়ায় ২০ অসচ্ছল নারী পেলেন বসুন্ধরার সেলাই মেশিন

নগর জীবন

হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার
হামে শিশুমৃত্যুর দায় এড়াতে পারে না অন্তর্বর্তী সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ
পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার প্রধান আসামির লাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে
গঙ্গা চুক্তি অনন্ত কালের জন্য করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা