শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:০২, বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬

গাজীপুর জেলা পরিষদ

এফডিআরের ৬২ কোটি টাকা সিইওর কবজায়!

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
এফডিআরের ৬২ কোটি টাকা সিইওর কবজায়!

রক্ষকই যেন ভক্ষক! অনেকটা ‘বেড়ায় ক্ষেত খাওয়ার’ মতো অবস্থা! যেখানে ‘কাস্টোডিয়ান’ হয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের তহবিলের সুরক্ষা দেওয়ার কথা, সেখানে তিনি নিজেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ‘ঘুমে রেখে’ এক-দুই লাখ নয়; একেবারে ৬২ কোটি টাকা ব্যাংক থেকে তুলে নিজের জিম্মায় রেখেছেন। তা-ও আবার রয়েসয়ে নয়; এক দিনে, একযোগে। সরকারি সব আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে, সবার অগোচরে নীতিবহির্ভূতভাবে এমন তুঘলকি কাণ্ড ঘটিয়েছেন গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও মো. নজরুল ইসলাম। এখন তিনি নতুন করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে তা আবারও জমা করবেন বলে জানিয়েছেন।

যদিও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া এফডিআর ভাঙার যেমন কোনো সুযোগ সুযোগ নেই, তেমনি নতুন অ্যাকাউন্ট খোলারও বিধান নেই। অনুসন্ধানে এমন জালিয়াতির ঘটনা ধরা পড়ে। অবশ্য এই কাজে প্রশাসকের সায় আছে বলে সিইও দাবি করলেও প্রশাসক তা অস্বীকার করেন। উপসচিব মো. নজরুল ইসলাম গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর গাজীপুর জেলা পরিষদের সিইও হিসেবে যোগ দেন।

এর আগে তিনি কুমিল্লায় পাঁচ মাস এবং শরীয়তপুরে চার মাস দায়িত্ব পালন করেন। ওইসব কর্মস্থলেও নানা কারণে বিতর্কিত নজরুল ইসলাম গাজীপুরে এসে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠেন বলে বিভিন্ন মহলে চাউর হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গাজীপুর জেলা পরিষদের ৬২ কোটি টাকার এফডিআর ভেঙে পে অর্ডার বানিয়ে তাঁর নিজের কাছে রেখে দেওয়ার মতো অভিনব জালিয়াতির খবর পাওয়া যায়। পরে এটি নিয়ে অনুসন্ধানে গিয়ে সিইও নজরুল ইসলামের তুঘলকি এমন কাণ্ড ধরা পড়ে।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, গাজীপুর জেলা পরিষদের নামে ৬২ কোটি টাকারও বেশি অঙ্কের এফডিআর আগে থেকেই বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে রয়েছে। এসব এফডিআরের আয়ের একটি অংশ নিয়মিতভাবে জেলা পরিষদের কর্মীদের বেতন বা নিত্য খরচের কাজে ব্যবহার করা হয়। এসব মেয়াদি এফডিআর পরিণত সময়ের আগে আকস্মিকভাবে ভেঙে ফেললে এর মুনাফা পাওয়া যায় না। অথচ জেলা পরিষদের সিইও নজরুল ইসলাম স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাউকে না জানিয়ে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে একযোগে একই দিনে ১৪টি ব্যাংকে চিঠি দিয়ে বিভিন্ন অঙ্কে করা এফডিআর ভেঙে ফেলেন।

অনুসন্ধান বলছে, চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল তিনি একযোগে যে ১৪টি ব্যাংককে এফডিআর ভাঙতে চিঠি দেন এর মধ্যে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক জয়দেবপুর চৌরাস্তা শাখা, জনতা ব্যাংক গাজীপুর শাখা, আইএফআইসি ব্যাংক বোর্ডবাজার শাখা, এনআরবি ব্যাংক মাওনা শাখা, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক জয়দেবপুর চৌরাস্তা শাখা, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক জয়দেবপুর চৌরাস্তা শাখা, রূপালী ব্যাংক জয়দেবপুর শাখা, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক আওড়াখালী শাখা, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক জয়দেবপুর শাখা ও প্রিমিয়ার ব্যাংক জয়দেবপুর চৌরাস্তা শাখা অন্যতম।

চিঠিতে সিইও নজরুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর স্থানীয় মহাব্যবস্থাপক কিংবা ব্যবস্থাপকদের উদ্দেশ করে লেখেন, ‘আপনার ব্যাংকে গাজীপুর জেলা পরিষদের নামে করা এফডিআর...হিসাব নম্বরের পুঞ্জীভূত অর্থ সুদসহ গাজীপুর জেলা পরিষদে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ওই হিসাবের পুরো অর্থ জেলা পরিষদের অনুকূলে পে অর্ডারের মাধ্যমে প্রেরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।’ এফডিআর থাকা ১৪টি ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তার নামে দেওয়া চিঠিতে প্রায় একই কথা উল্লেখ করা হয়। চিঠি পাওয়ার পর ওইসব ব্যাংকও তা অনুমোদন করে এবং গাজীপুর জেলা পরিষদের অনুকূলে তা পাঠিয়ে দেয়। ওইসব চিঠির বেশ কয়েকটি প্রতিবেদকদের কাছে এসেছে। ব্যাংকগুলো অবশ্য অনুমোদিত চিঠির অনুলিপি স্থানীয় সরকার ঢাকা বিভাগের পরিচালক, ঢাকার প্রশাসক, গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাবরক্ষক বরাবরও পাঠিয়ে দেয়। এর পরই বিষয়টি অনেকের দৃষ্টিগোচর হয়। সিইওর এমন জালিয়াতি যখন পরিষদের ভেতরে ‘কানাঘুষা’ হচ্ছিল, তখন সিইও এফডিআরের টাকা অন্য কোনো ব্যাংকে নতুন করে অ্যাকাউন্ট খুলে সেখানে জমা করবেন বলে জানান।

অনুসন্ধান করে জেনেছে, কোনো সিইও একক ক্ষমতায় জেলা পরিষদের কোনো এফডিআর ভাঙতে পারেন না। কোন জেলা পরিষদের এফডিআর ব্যবস্থাপনা কিভাবে হবে, তার একটি নির্দেশনা স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জারি করে। স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ অধিশাখা থেকে জারি করা ওই নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, ‘জেলা পরিষদের এফডিআরকৃত অর্থে গাড়ি ক্রয় বা অন্য কোনো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যাবে না। কোনো বিশেষ প্রয়োজনে এফডিআর ভাঙানোর প্রয়োজন হলে সে ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন প্রয়োজন হবে। শুধু তা-ই নয়; ওই নির্দেশনার আরেক স্থানে বলা হয়, জেলা পরিষদের নামে খোলা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরিবর্তন বা নতুন কোনো অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে না এবং জেলা পরিষদের নামে খোলা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়া অন্য কোনো অ্যাকাউন্টে জেলা পরিষদের কোনো অর্থ জমা বা লেনদেন করা যাবে না। এ ধরনের কোনো লেনদেন হলে সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

অথচ স্থানীয় সরকারের ওই নির্দেশনা পুরো উপেক্ষা করেছেন সিইও নজরুল ইসলাম। বরং এক দিনে একযোগে তিনি ১৪টি ব্যাংক থেকে ৬২ কোটি টাকার এফডিআর ভাঙিয়ে পে অর্ডার করে নিজের জিম্মায় রেখেছেন। এখন বলছেন, তা নতুন করে অ্যাকাউন্ট খুলে জমা করবেন। অথচ নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা বা নতুন করে এফডিআর ভেঙে লেনদেন করা আইনত অবৈধ।

এমন অভিনব জালিয়াতির বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নজরুল ইসলাম এ ধরনের কাজ করা যে অনিয়ম হয়েছে, সেটি স্বীকার করেন। তবে তিনি যুক্তি দেখান যে, অনেকগুলো ব্যাংক বর্তমানে ‘গ্রিন জোনের’ বাইরে চলে গেছে এবং সেগুলোতে সুদের হার কম বা অনেক পুরনো। তাই প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে এবং লভ্যাংশ বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি এই অর্থ আধুনিক ব্যাংক ও গ্রিন জোন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় স্থানান্তরের উদ্যোগ নিয়েছেন। সিইও আরো বলেন, পরিষদের প্রশাসকের জ্ঞাতসারেই এটি হয়েছে এবং টাকা অ্যাকাউন্ট পেয়ি চেকের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা হয়েছে।

এদিকে বিষয়টিতে তাঁর সম্মতি রয়েছে কি না তা জানতে গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকীর দৃষ্টি আর্কষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘আপনাদের মাধ্যমে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার অভিযোগগুলো আমি জানলাম। বিষয়গুলো তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেহেতু ঘটনাগুলো আমি দায়িত্ব নেওয়ার পূর্বের, সে ক্ষেত্রে সব ঘটনার দায়ভার তাঁকেই নিতে হবে।’

সরকারি তহবিলের টাকায় খোলা এফডিআর এভাবে একক সিদ্ধান্তে কোনো সিইও ভাঙতে পারেন কি না তা জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার বিভাগ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন অধিশাখা) ড. মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আর্থিক স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য মন্ত্রণালয় সমর্থন করে। কাজের ক্ষেত্রে অনেক সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত অনেকে আর্থিক স্বচ্ছতা মানতে চায় না। তাই মন্ত্রণালয় আগে থেকেই নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে। পরিপত্র কিংবা দাপ্তরিক কাগজেই নিয়ম-নীতি উল্লেখ করা আছে। এটি কেউ অমান্য করলে ব্যবস্থার বিধান আছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমতি না থাকলে কোনোভাবেই এফডিআর ভাঙতে পারবে না। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বিবেচনায় কিংবা শর্ত সাপেক্ষে এটি হতে পারে।’

কিন্তু গাজীপুর জেলা পরিষদের সিইও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের এ রকম কোনো বিশেষ বিবেচনার ধার ধারেননি। এমনকি ঊধ্বর্তন এমন কাউকে অবহিতও করেননি। আর এখন তা চাউর হয়ে যাওয়ার পর নতুন কোনো ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলে রাখবেন, সেটিরও কোনো অনুমোদন নেই। সিইওর এমন নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের ফলে সরকারি তহবিলের বিপুল অঙ্কের টাকা এখন পে অর্ডার আকারে একা সিইওর জিম্মায় রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এটিও অবৈধ। এভাবে তিনি টাকা নিজের কাছে রাখতে পারেন না। এতে একদিকে যেমন গাজীপুর জেলা পরিষদ বিপুল অঙ্কের টাকার মুনাফা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, তেমনি এতগুলো পে অর্ডার হারিয়ে যাওয়ারও ঝুঁকি রয়েছে।

সূত্র : কালের কণ্ঠ।

এই বিভাগের আরও খবর
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে পাঁচ জনের মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে পাঁচ জনের মৃত্যু
নিম্ন-কার্বন নগর উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ ইউএনডিপি ও বাংলাদেশের
নিম্ন-কার্বন নগর উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ ইউএনডিপি ও বাংলাদেশের
ঈদে সংবাদপত্রে ছুটি ৫ দিন
ঈদে সংবাদপত্রে ছুটি ৫ দিন
বিশ্ব নগর ফোরামের ত্রয়োদশ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ
বিশ্ব নগর ফোরামের ত্রয়োদশ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ
সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে নারী এমপিদের প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে নারী এমপিদের প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সংবিধান সংশোধন ও ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলকসহ ১৮ দফা দাবি
সংবিধান সংশোধন ও ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলকসহ ১৮ দফা দাবি
বাবার কবরের পাশে শায়িত সাবেক প্রতিমন্ত্রী সিনহা
বাবার কবরের পাশে শায়িত সাবেক প্রতিমন্ত্রী সিনহা
পুলিশ সংস্কার-সাইবার নিরাপত্তায় বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুরের যৌথ সহযোগিতার প্রত্যয়
পুলিশ সংস্কার-সাইবার নিরাপত্তায় বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুরের যৌথ সহযোগিতার প্রত্যয়
জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশনা মির্জা ফখরুলের
জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশনা মির্জা ফখরুলের
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয়, হাইকোর্টের রুল
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয়, হাইকোর্টের রুল
উচ্চশিক্ষায় বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদারে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা প্রত্যাশা ইউজিসির
উচ্চশিক্ষায় বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদারে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা প্রত্যাশা ইউজিসির
নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় জাতীয় সমন্বয় কমিটি গঠন
নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় জাতীয় সমন্বয় কমিটি গঠন
সর্বশেষ খবর
মহাকাশে রহস্যময় নীল আলোর উৎসে থাকতে পারে কৃষ্ণগহ্বর–তারার সংঘর্ষ
মহাকাশে রহস্যময় নীল আলোর উৎসে থাকতে পারে কৃষ্ণগহ্বর–তারার সংঘর্ষ

৮ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

চকরিয়ায় গলায় লিচুর বিচি আটকে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর
চকরিয়ায় গলায় লিচুর বিচি আটকে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাঁচার তাগিদে সন্তান বিক্রি করছে আফগানরা?
বাঁচার তাগিদে সন্তান বিক্রি করছে আফগানরা?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার
যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালদ্বীপে ভয়াবহ স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনা, নিখোঁজ চার ইতালি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার
মালদ্বীপে ভয়াবহ স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনা, নিখোঁজ চার ইতালি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশন হেক্সা, নেইমারকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে ব্রাজিল
মিশন হেক্সা, নেইমারকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে ব্রাজিল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উপসাগরীয় মিত্রদের অনুরোধে শেষ মুহূর্তে ইরানে হামলা স্থগিত করা হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের
উপসাগরীয় মিত্রদের অনুরোধে শেষ মুহূর্তে ইরানে হামলা স্থগিত করা হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নলছিটিতে লাশের খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় আহত ৪, পিকআপে আগুন
নলছিটিতে লাশের খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় আহত ৪, পিকআপে আগুন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সঞ্চয়পত্রে অশনিসংকেত
সঞ্চয়পত্রে অশনিসংকেত

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনোই সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়’
‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনোই সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়’

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়াগোতে মসজিদে বন্দুক হামলা, হতাহতের শঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়াগোতে মসজিদে বন্দুক হামলা, হতাহতের শঙ্কা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কর ফাঁকির মামলা থেকে শাকিরাকে অব্যাহতি, ফেরত পাবেন ৭৮৬ কোটি টাকা
কর ফাঁকির মামলা থেকে শাকিরাকে অব্যাহতি, ফেরত পাবেন ৭৮৬ কোটি টাকা

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সুইজারল্যান্ড যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে ইউপি চেয়ারম্যান আটক
সুইজারল্যান্ড যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে ইউপি চেয়ারম্যান আটক

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আরবদের অনুরোধে ইরান হামলা স্থগিত করার দাবি ট্রাম্পের
আরবদের অনুরোধে ইরান হামলা স্থগিত করার দাবি ট্রাম্পের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিয়েলিটি শো'তেই ধর্ষণ, ব্রিটিশ চ্যানেলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!
রিয়েলিটি শো'তেই ধর্ষণ, ব্রিটিশ চ্যানেলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাইবান্ধায় পদক্ষেপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালি আলোচনা ও নাটক মঞ্চায়ন
গাইবান্ধায় পদক্ষেপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালি আলোচনা ও নাটক মঞ্চায়ন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের সঙ্গে অভিমান করে ‘বিষপানে’ বৃদ্ধার মৃত্যু
ছেলের সঙ্গে অভিমান করে ‘বিষপানে’ বৃদ্ধার মৃত্যু

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম
মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম

৫ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

১০০০ গোলের লড়াই, রোনালদোকে চাপে রেখেছেন মেসি?
১০০০ গোলের লড়াই, রোনালদোকে চাপে রেখেছেন মেসি?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় নকল কসমেটিকস তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে জরিমানা, পণ্য ধ্বংস
ভাঙ্গায় নকল কসমেটিকস তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে জরিমানা, পণ্য ধ্বংস

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আদালতে হেরে গেলেন ইলন মাস্ক, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ
আদালতে হেরে গেলেন ইলন মাস্ক, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

নারায়ণগঞ্জে শিশুসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম
নারায়ণগঞ্জে শিশুসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিউবা ঘিরে বাড়ছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা
কিউবা ঘিরে বাড়ছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমান ও আমিরকে ‘পথপ্রদর্শক’ বললেন রাম চরণ
সালমান ও আমিরকে ‘পথপ্রদর্শক’ বললেন রাম চরণ

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল রহস্যময় এক রূপান্তরমান ছায়াপথ
হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল রহস্যময় এক রূপান্তরমান ছায়াপথ

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

যেভাবে ভবিষ্যত যুদ্ধের রূপরেখাই বদলে দিয়েছে ইরান
যেভাবে ভবিষ্যত যুদ্ধের রূপরেখাই বদলে দিয়েছে ইরান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার
পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোল্ডেন বুটের বাঁকে বাঁকে
গোল্ডেন বুটের বাঁকে বাঁকে

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রি স্টোরেজ নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে গুগল, ধরে রাখবেন যেভাবে
ফ্রি স্টোরেজ নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে গুগল, ধরে রাখবেন যেভাবে

৭ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

অনবরত হাঁচি? জেনে নিন ঘরোয়া উপায়ে মুক্তির উপায়
অনবরত হাঁচি? জেনে নিন ঘরোয়া উপায়ে মুক্তির উপায়

৭ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

সর্বাধিক পঠিত
মিটিং শেষ করেই গালি দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তবে আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি
মিটিং শেষ করেই গালি দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তবে আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান
বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ
বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান
হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে ১৬টি যুদ্ধবিমান ও ৮ হাজার সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের
সৌদিতে ১৬টি যুদ্ধবিমান ও ৮ হাজার সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’
‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান
ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে
মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট টুকরা মরদেহের পরিচয় মিলেছে
আট টুকরা মরদেহের পরিচয় মিলেছে

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান
মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৮ মে
চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৮ মে

১১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা
বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানের রাস্তায় যুদ্ধের আবহ, টিভিতে অস্ত্র প্রদর্শন
ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানের রাস্তায় যুদ্ধের আবহ, টিভিতে অস্ত্র প্রদর্শন

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শি-পুতিন বৈঠকের একদিন আগে চীনা জাহাজে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার
শি-পুতিন বৈঠকের একদিন আগে চীনা জাহাজে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা
বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির
মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমিরাতকে সতর্ক করলো ইরান
আমিরাতকে সতর্ক করলো ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার
মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক
তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের জেরে প্রবাসীকে হত্যার পর লাশ ৮ টুকরো
পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের জেরে প্রবাসীকে হত্যার পর লাশ ৮ টুকরো

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব, হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব, হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া চালাল বেলারুশ
পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া চালাল বেলারুশ

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮ জেলায় ভারি বর্ষণের শঙ্কা
৮ জেলায় ভারি বর্ষণের শঙ্কা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার
পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প
ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের ইরানে হামলার সম্ভাবনা: বিশ্লেষক
আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের ইরানে হামলার সম্ভাবনা: বিশ্লেষক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন, যে কারণে শপথ অনুষ্ঠানে যাননি থালাপতি বিজয়
কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন, যে কারণে শপথ অনুষ্ঠানে যাননি থালাপতি বিজয়

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ অবসানে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব
যুদ্ধ অবসানে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাল কাগজপত্র জমা দিলে প্রত্যাখ্যান হবে শেনজেন ভিসার আবেদন
জাল কাগজপত্র জমা দিলে প্রত্যাখ্যান হবে শেনজেন ভিসার আবেদন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ
ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জুয়ায় নিঃস্ব দেশ
জুয়ায় নিঃস্ব দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

অটোরিকশায় কুপোকাত এআই ট্রাফিকব্যবস্থা
অটোরিকশায় কুপোকাত এআই ট্রাফিকব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

চাপে আছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা
চাপে আছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধ!
৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধ!

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বিত্তবৈভব প্রতারণা ও জালিয়াতি
ইউনূসের বিত্তবৈভব প্রতারণা ও জালিয়াতি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বার বৃহৎ খামার
মরুর দুম্বার বৃহৎ খামার

পেছনের পৃষ্ঠা

কিংস অ্যারিনাতেই ফাইনাল
কিংস অ্যারিনাতেই ফাইনাল

মাঠে ময়দানে

হুমকিতে চট্টগ্রামের পারকি উপকূল
হুমকিতে চট্টগ্রামের পারকি উপকূল

পেছনের পৃষ্ঠা

আবাসন খাত চাঙা করার উদ্যোগ
আবাসন খাত চাঙা করার উদ্যোগ

শিল্প বাণিজ্য

সংসদ নির্বাচন নিয়ে জামায়াত এনসিপির প্রশ্ন
সংসদ নির্বাচন নিয়ে জামায়াত এনসিপির প্রশ্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

যমজ শিশুর একজন হামে আক্রান্ত আরেকজন ঝুঁকিতে
যমজ শিশুর একজন হামে আক্রান্ত আরেকজন ঝুঁকিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত জাইমা রহমানের
শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত জাইমা রহমানের

নগর জীবন

বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে কাতার
বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে কাতার

প্রথম পৃষ্ঠা

বান্ধবীকে ধর্ষণ তিন যুবক গ্রেপ্তার
বান্ধবীকে ধর্ষণ তিন যুবক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ হার অন্য ব্যাংকের সমান কেন নয়
গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ হার অন্য ব্যাংকের সমান কেন নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

করকাঠামোতে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন
করকাঠামোতে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন

শিল্প বাণিজ্য

মুশফিকের রেকর্ড পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের টার্গেট
মুশফিকের রেকর্ড পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের টার্গেট

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজবাড়ীর চন্দনা অপমৃত্যুর কবলে
রাজবাড়ীর চন্দনা অপমৃত্যুর কবলে

পেছনের পৃষ্ঠা

চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিএনএ পরীক্ষায় পোশাকে আরও একজনের রক্ত
ডিএনএ পরীক্ষায় পোশাকে আরও একজনের রক্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

লাশের ৭ টুকরোর পর মিলল মাথা
লাশের ৭ টুকরোর পর মিলল মাথা

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয় : হাই কোর্ট
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয় : হাই কোর্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্বব্যাংক আইএমএফ এডিবির দ্বারস্থ সরকার
বিশ্বব্যাংক আইএমএফ এডিবির দ্বারস্থ সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্ন মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
পর্ন মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

বাণিজ্য চুক্তি চাপ বাড়াবে অর্থনীতিতে
বাণিজ্য চুক্তি চাপ বাড়াবে অর্থনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রস্তুত চাহিদার দ্বিগুণ পশু
প্রস্তুত চাহিদার দ্বিগুণ পশু

দেশগ্রাম

পবিত্র ঈদুল আজহা ২৮ মে
পবিত্র ঈদুল আজহা ২৮ মে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড পরিদর্শন
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড পরিদর্শন

নগর জীবন

ভূমিসেবায় হয়রানি বন্ধ করা হবে
ভূমিসেবায় হয়রানি বন্ধ করা হবে

নগর জীবন