শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৫৩, বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬ আপডেট: ১৭:১২, বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬

সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে নারাজ বসুন্ধরার বাসিন্দারা

# ‘সিটি করপোরেশনের আওতায় গেলে নষ্ট হবে নিরাপত্তা, বাড়বে সন্ত্রাস ও মাদকের ঝুঁকি’-বাসিন্দাদের আশঙ্কা  # নিজস্ব অর্থায়নে নিরাপত্তা, রাস্তা, ড্রেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ সব নাগরিক সেবা দিচ্ছে বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি  # হোল্ডিং ট্যাক্স ও সার্ভিস চার্জ স্থগিত রেখে বসুন্ধরাকে সিটি করপোরেশনের বাইরে রাখার দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
অনলাইন ভার্সন
সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে নারাজ বসুন্ধরার বাসিন্দারা

দেশসেরা স্মার্ট ও গ্রিন সিটি হিসেবে পরিচিত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নত, আধুনিক ও নিরাপদ নাগরিক সেবায় অভ্যস্ত। তাঁদের দাবি, দেশের অন্য যেকোনো আবাসিক এলাকার তুলনায় বসুন্ধরা বেশি নিরাপদ, সুরক্ষিত, পরিচ্ছন্ন এবং মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত। এসব সেবা নিশ্চিত করে আসছে বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি। এ কারণেই এলাকার বাসিন্দারা এই আবাসিক প্রকল্পের সেবার নিয়ন্ত্রণ কোনোভাবেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) হাতে দিতে চান না।

বাসিন্দারা মনে করেন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্লট ও ফ্ল্যাট মালিকদের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নিরলসভাবে কাজ করছে। তাই তাঁরা ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতায় যেতে আপত্তি জানিয়ে ইতিমধ্যে সম্মিলিত সম্মতিপত্রে সই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছেন।

ওই সম্মতিপত্রের আলোকে বিষয়টি সদয় বিবেচনার অনুরোধ জানিয়ে গত ৬ মে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বরাবর চিঠি দিয়েছেন বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল এমপি ও মহাসচিব ক্যাপ্টেন (অব.) শেখ এহসান রেজা। চিঠিটি দেওয়া হয়েছে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষে।

এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা সিটি করপোরেশনের আওতায় গেলে প্রথমেই এখানকার শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাঁদের মতে, বর্তমানে যে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, সেটি দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। এতে বহিরাগত সন্ত্রাসী, হকার, চাঁদাবাজ ও মাদকসেবীদের আনাগোনা বাড়তে পারে।
বর্তমানে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্রতিটি প্রবেশপথে নিজস্ব প্রশিক্ষিত নিরাপত্তাকর্মীরা ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি রয়েছে বিপুলসংখ্যক ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার নজরদারি। এই কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীর কারণেই অপরাধীরা সহজে এলাকায় প্রবেশ করতে পারে না বলে দাবি বাসিন্দাদের।

বাসিন্দারা আরও বলেন, ‘আমরা দিনের বেলায় একটি নিরাপদ ও আধুনিক সেবার বলয়ে যেমন শান্তিতে থাকি; তেমনি রাতের বেলায় থাকি আরও নিশ্চিন্ত। কারণ এমন নিরাপত্তাবেষ্টনী ঘেরা আবাসিক এলাকা বাংলাদেশে আর নেই। কিন্তু এটি সিটি করপোরেশনের আওতায় আসুক আমরা চাই না। কারণ এখানে সব আধুনিক সেবা বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির অর্থায়নে ও তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এটি সিটি করপোরেশন রক্ষা করতে পারবে না। বরং তা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অপরাধ বেড়ে যাবে। তখন এর মা-বাপ কেউ থাকবে না।’

বাসিন্দারা আরও জানান, এমন একটি শান্তিময় আবাসিক এলাকা সিটির আওতায় গেলে, সার্বিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে। এখন এ আবাসিক এলাকাটি যত্রতত্র চায়ের স্টল, হকার ও দোকানপাটমুক্ত। এর ফলে এটি পরিচ্ছন্ন ও কোলাহলমুক্ত। কঠিন নিরাপত্তাবলয়ের কারণে এখানে সন্ত্রাসী কিংবা মাদকসেবীরা আসতে পারে না। আর এর ব্যতিক্রম হলে- এখানে মাদকসেবী ও সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়ে যাবে। তাদের ঠেকাতে পারবে না সিটি করপোরেশন। কারণ, তাদের ওই জনবল ও ব্যবস্থাপনা কাঠামো নেই।

আবাসিক বাসিন্দাদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার প্রতিফলন দেখা যায়, সিটি করপোরেশনকে দেওয়া বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ারের চিঠিতে। ওই চিঠি থেকে আরও জানা যায়, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন বিশেষ করে রাস্তাঘাট নির্মাণ ও মেরামত, ফুটপাত রক্ষণাবেক্ষণ, ড্রেন পরিষ্কার রাখা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়কে বাতি স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ, পানি সরবরাহ, সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, মশা নিধন, বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপন ও তারের সংযোগের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতকরণসহ সামগ্রিক কাজ বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি নিজস্ব অর্থায়নে করে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কোনো আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করে না বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি।

শুধু তাই নয়; এই সোসাইটির ব্যবস্থাপনায় আবাসিক প্রকল্পটির সকল উন্নয়ন কাজ সম্ভাব্য ২০৩৪ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার অনুমতিও নিয়ে রাখা হয়েছে। এখানকার আবাসিক বাসিন্দা ও সকল প্লট ও ফ্ল্যাট মালিকরা সিটি করপোরেশনের আওতাধীন না যাওয়ার অভিপ্রায় জানিয়ে এর আগেও সিটি করপোরেশনে সম্মিলিতভাবে চিঠি দিয়েছিল। ওই চিঠির স্মারক নং- রাজউক/বওসো/২০২৬/০১ এর আলোকে বিষয়টি অবগত করে রাজউক চেয়ারম্যান বরাবর পত্র দেওয়া হয়েছে। একই সাথে এর অনুলিপি ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসককেও দেওয়া হয়েছে।

বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, এলাকাটি শুধু সেবার মানের দিক থেকেই নয়; এখানে দেশসেরা হাসপাতাল, বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ও আর্ন্তজাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিশ্বমানের স্পোর্টস সিটি, গল্ফ ক্লাব, শপিংমল, রেস্টুরেন্ট, বেশ কয়েকটি সুপারশপ, কমিউনিটি পার্কসহ উন্নত নাগরিক সেবার সব উপকরণই রয়েছে। এখানে যে কয়েকটি দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীরাও এখানে নিরাপদে বসবাস করেন, শান্তিতে ঘুরে বেড়ান, বসবাসের দিক থেকে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

এদিকে, সিটি করপোরেশনকে দেওয়া বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির চিঠিতেও এসবই তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্লট ও ফ্ল্যাট মালিক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে হোল্ডিং ট্যাক্স সার্ভিস চার্জ পরিশোধের জন্য যে চূড়ান্ত নোটিশ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন প্রদান করেছে তাতে বাসিন্দাদের মধ্যে যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে তাও উল্লেখ করা হয়। বাসিন্দাদের ওপর এটি যে আর্থিক বোঝার শামিল এবং তা পরিশোধে তারা অপারগ সেটিও জানানো হয়।

বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আশা করে এই প্রকল্পটি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন হওয়ার পূর্বপর্যন্ত সকল ধরনের হোল্ডিং ট্যাক্স ও সার্ভিস চার্জ স্থগিত করতে হবে এবং তা থেকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত সকল প্লট ও ফ্ল্যাট মালিক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অব্যাহতি প্রদান করবে।

বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বাসিন্দাদের পক্ষে আশা করে, উপরোক্ত সকল বিষয় সুবিবেচনায় নিয়ে বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্পের সকল প্লট ও ফ্ল্যাট মালিকদের মানসিক ও আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে বসুন্ধরা আবাসিক প্রকল্পকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন যেন না করা হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে পাঁচ জনের মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে পাঁচ জনের মৃত্যু
নিম্ন-কার্বন নগর উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ ইউএনডিপি ও বাংলাদেশের
নিম্ন-কার্বন নগর উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ ইউএনডিপি ও বাংলাদেশের
ঈদে সংবাদপত্রে ছুটি ৫ দিন
ঈদে সংবাদপত্রে ছুটি ৫ দিন
বিশ্ব নগর ফোরামের ত্রয়োদশ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ
বিশ্ব নগর ফোরামের ত্রয়োদশ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ
সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে নারী এমপিদের প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে নারী এমপিদের প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
সংবিধান সংশোধন ও ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলকসহ ১৮ দফা দাবি
সংবিধান সংশোধন ও ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলকসহ ১৮ দফা দাবি
বাবার কবরের পাশে শায়িত সাবেক প্রতিমন্ত্রী সিনহা
বাবার কবরের পাশে শায়িত সাবেক প্রতিমন্ত্রী সিনহা
পুলিশ সংস্কার-সাইবার নিরাপত্তায় বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুরের যৌথ সহযোগিতার প্রত্যয়
পুলিশ সংস্কার-সাইবার নিরাপত্তায় বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুরের যৌথ সহযোগিতার প্রত্যয়
জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশনা মির্জা ফখরুলের
জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশনা মির্জা ফখরুলের
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয়, হাইকোর্টের রুল
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয়, হাইকোর্টের রুল
উচ্চশিক্ষায় বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদারে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা প্রত্যাশা ইউজিসির
উচ্চশিক্ষায় বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদারে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা প্রত্যাশা ইউজিসির
নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় জাতীয় সমন্বয় কমিটি গঠন
নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় জাতীয় সমন্বয় কমিটি গঠন
সর্বশেষ খবর
মহাকাশে রহস্যময় নীল আলোর উৎসে থাকতে পারে কৃষ্ণগহ্বর–তারার সংঘর্ষ
মহাকাশে রহস্যময় নীল আলোর উৎসে থাকতে পারে কৃষ্ণগহ্বর–তারার সংঘর্ষ

৫০ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

চকরিয়ায় গলায় লিচুর বিচি আটকে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর
চকরিয়ায় গলায় লিচুর বিচি আটকে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাঁচার তাগিদে সন্তান বিক্রি করছে আফগানরা?
বাঁচার তাগিদে সন্তান বিক্রি করছে আফগানরা?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার
যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ কমপ্লেক্সে হামলায় নিহত ৩, দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মালদ্বীপে ভয়াবহ স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনা, নিখোঁজ চার ইতালি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার
মালদ্বীপে ভয়াবহ স্কুবা ডাইভিং দুর্ঘটনা, নিখোঁজ চার ইতালি নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশন হেক্সা, নেইমারকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে ব্রাজিল
মিশন হেক্সা, নেইমারকে নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছে ব্রাজিল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

উপসাগরীয় মিত্রদের অনুরোধে শেষ মুহূর্তে ইরানে হামলা স্থগিত করা হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের
উপসাগরীয় মিত্রদের অনুরোধে শেষ মুহূর্তে ইরানে হামলা স্থগিত করা হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নলছিটিতে লাশের খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় আহত ৪, পিকআপে আগুন
নলছিটিতে লাশের খাটিয়ায় পিকআপের ধাক্কায় আহত ৪, পিকআপে আগুন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সঞ্চয়পত্রে অশনিসংকেত
সঞ্চয়পত্রে অশনিসংকেত

৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনোই সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়’
‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনোই সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া উচিত নয়’

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়াগোতে মসজিদে বন্দুক হামলা, হতাহতের শঙ্কা
যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়াগোতে মসজিদে বন্দুক হামলা, হতাহতের শঙ্কা

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কর ফাঁকির মামলা থেকে শাকিরাকে অব্যাহতি, ফেরত পাবেন ৭৮৬ কোটি টাকা
কর ফাঁকির মামলা থেকে শাকিরাকে অব্যাহতি, ফেরত পাবেন ৭৮৬ কোটি টাকা

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সুইজারল্যান্ড যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে ইউপি চেয়ারম্যান আটক
সুইজারল্যান্ড যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে ইউপি চেয়ারম্যান আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আরবদের অনুরোধে ইরান হামলা স্থগিত করার দাবি ট্রাম্পের
আরবদের অনুরোধে ইরান হামলা স্থগিত করার দাবি ট্রাম্পের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিয়েলিটি শো'তেই ধর্ষণ, ব্রিটিশ চ্যানেলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!
রিয়েলিটি শো'তেই ধর্ষণ, ব্রিটিশ চ্যানেলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ!

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাইবান্ধায় পদক্ষেপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালি আলোচনা ও নাটক মঞ্চায়ন
গাইবান্ধায় পদক্ষেপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালি আলোচনা ও নাটক মঞ্চায়ন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছেলের সঙ্গে অভিমান করে ‘বিষপানে’ বৃদ্ধার মৃত্যু
ছেলের সঙ্গে অভিমান করে ‘বিষপানে’ বৃদ্ধার মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম
মানুষের প্রতি দয়া করতে বলে ইসলাম

৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

১০০০ গোলের লড়াই, রোনালদোকে চাপে রেখেছেন মেসি?
১০০০ গোলের লড়াই, রোনালদোকে চাপে রেখেছেন মেসি?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় নকল কসমেটিকস তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে জরিমানা, পণ্য ধ্বংস
ভাঙ্গায় নকল কসমেটিকস তৈরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে জরিমানা, পণ্য ধ্বংস

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আদালতে হেরে গেলেন ইলন মাস্ক, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ
আদালতে হেরে গেলেন ইলন মাস্ক, ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

নারায়ণগঞ্জে শিশুসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম
নারায়ণগঞ্জে শিশুসহ ৫ জনকে কুপিয়ে জখম

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিউবা ঘিরে বাড়ছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা
কিউবা ঘিরে বাড়ছে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সালমান ও আমিরকে ‘পথপ্রদর্শক’ বললেন রাম চরণ
সালমান ও আমিরকে ‘পথপ্রদর্শক’ বললেন রাম চরণ

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল রহস্যময় এক রূপান্তরমান ছায়াপথ
হাবল টেলিস্কোপে ধরা পড়ল রহস্যময় এক রূপান্তরমান ছায়াপথ

৬ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

যেভাবে ভবিষ্যত যুদ্ধের রূপরেখাই বদলে দিয়েছে ইরান
যেভাবে ভবিষ্যত যুদ্ধের রূপরেখাই বদলে দিয়েছে ইরান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার
পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোল্ডেন বুটের বাঁকে বাঁকে
গোল্ডেন বুটের বাঁকে বাঁকে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফ্রি স্টোরেজ নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে গুগল, ধরে রাখবেন যেভাবে
ফ্রি স্টোরেজ নীতিতে বড় পরিবর্তন আনছে গুগল, ধরে রাখবেন যেভাবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

অনবরত হাঁচি? জেনে নিন ঘরোয়া উপায়ে মুক্তির উপায়
অনবরত হাঁচি? জেনে নিন ঘরোয়া উপায়ে মুক্তির উপায়

৮ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

সর্বাধিক পঠিত
মিটিং শেষ করেই গালি দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তবে আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি
মিটিং শেষ করেই গালি দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তবে আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান
বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ায় সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইল গ্রিজম্যান

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ
বিশ্বকাপে কারা হতে পারেন নতুন সুপারস্টার, নজরে ৫ তরুণ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান
হরমুজ প্রণালির পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিল ইরান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে ১৬টি যুদ্ধবিমান ও ৮ হাজার সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের
সৌদিতে ১৬টি যুদ্ধবিমান ও ৮ হাজার সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’
‘এমপি হয়েও ৭ দিন ধরে ডিআইজিকে পাচ্ছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী’

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান
ভারতের সেনাপ্রধানের হুমকির কী জবাব দিলো পাকিস্তান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে
মাঝ আকাশে একটু বাইরে গিয়ে সিগারেট খেতে চাইলেন, শেষমেশ কামড় দিলেন বিমানকর্মীকে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আট টুকরা মরদেহের পরিচয় মিলেছে
আট টুকরা মরদেহের পরিচয় মিলেছে

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান
মাঝ-আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষ, ভেঙে পড়ল দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৮ মে
চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৮ মে

১২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা
বিআরটি প্রকল্প বাতিলে মত বুয়েট বিশেষজ্ঞদের, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানের রাস্তায় যুদ্ধের আবহ, টিভিতে অস্ত্র প্রদর্শন
ট্রাম্পের হুমকির পর ইরানের রাস্তায় যুদ্ধের আবহ, টিভিতে অস্ত্র প্রদর্শন

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শি-পুতিন বৈঠকের একদিন আগে চীনা জাহাজে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার
শি-পুতিন বৈঠকের একদিন আগে চীনা জাহাজে ভয়াবহ হামলা রাশিয়ার

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা
বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের নাটকীয় বিদায়, প্রশ্নে ম্যাচ অফিসিয়ালরা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির
মেসি জাদুতে নু স্টেডিয়ামে অবশেষে জয়ের হাসি মায়ামির

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার
মাদারীপুরে একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক
তিন ধরনের নতুন নোট ছাড়লো বাংলাদেশ ব্যাংক

৯ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের জেরে প্রবাসীকে হত্যার পর লাশ ৮ টুকরো
পরকীয়া ও অর্থ লেনদেনের জেরে প্রবাসীকে হত্যার পর লাশ ৮ টুকরো

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব, হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশের এলিট ফোর্স হিসেবে থাকবে র‌্যাব, হচ্ছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৫ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া চালাল বেলারুশ
পারমাণবিক অস্ত্রের মহড়া চালাল বেলারুশ

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার
পশ্চিমবঙ্গে ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের ভাতা বন্ধ করল শুভেন্দুর সরকার

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮ জেলায় ভারি বর্ষণের শঙ্কা
৮ জেলায় ভারি বর্ষণের শঙ্কা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প
ইরানের সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে: ট্রাম্প

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের ইরানে হামলার সম্ভাবনা: বিশ্লেষক
আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের ইরানে হামলার সম্ভাবনা: বিশ্লেষক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন, যে কারণে শপথ অনুষ্ঠানে যাননি থালাপতি বিজয়
কেরালার নতুন মুখ্যমন্ত্রী সতীশন, যে কারণে শপথ অনুষ্ঠানে যাননি থালাপতি বিজয়

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুদ্ধ অবসানে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব
যুদ্ধ অবসানে পাকিস্তানের কাছে ইরানের নতুন প্রস্তাব

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাল কাগজপত্র জমা দিলে প্রত্যাখ্যান হবে শেনজেন ভিসার আবেদন
জাল কাগজপত্র জমা দিলে প্রত্যাখ্যান হবে শেনজেন ভিসার আবেদন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ
ইউএইতে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার পর তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট
ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জুয়ায় নিঃস্ব দেশ
জুয়ায় নিঃস্ব দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

অটোরিকশায় কুপোকাত এআই ট্রাফিকব্যবস্থা
অটোরিকশায় কুপোকাত এআই ট্রাফিকব্যবস্থা

পেছনের পৃষ্ঠা

চাপে আছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা
চাপে আছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধ!
৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফের যুদ্ধ!

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বিত্তবৈভব প্রতারণা ও জালিয়াতি
ইউনূসের বিত্তবৈভব প্রতারণা ও জালিয়াতি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বার বৃহৎ খামার
মরুর দুম্বার বৃহৎ খামার

পেছনের পৃষ্ঠা

কিংস অ্যারিনাতেই ফাইনাল
কিংস অ্যারিনাতেই ফাইনাল

মাঠে ময়দানে

হুমকিতে চট্টগ্রামের পারকি উপকূল
হুমকিতে চট্টগ্রামের পারকি উপকূল

পেছনের পৃষ্ঠা

আবাসন খাত চাঙা করার উদ্যোগ
আবাসন খাত চাঙা করার উদ্যোগ

শিল্প বাণিজ্য

যমজ শিশুর একজন হামে আক্রান্ত আরেকজন ঝুঁকিতে
যমজ শিশুর একজন হামে আক্রান্ত আরেকজন ঝুঁকিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদ নির্বাচন নিয়ে জামায়াত এনসিপির প্রশ্ন
সংসদ নির্বাচন নিয়ে জামায়াত এনসিপির প্রশ্ন

প্রথম পৃষ্ঠা

শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত জাইমা রহমানের
শিশুদের সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত জাইমা রহমানের

নগর জীবন

গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ হার অন্য ব্যাংকের সমান কেন নয়
গ্রামীণ ব্যাংকের সুদ হার অন্য ব্যাংকের সমান কেন নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

বান্ধবীকে ধর্ষণ তিন যুবক গ্রেপ্তার
বান্ধবীকে ধর্ষণ তিন যুবক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে কাতার
বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে কাতার

প্রথম পৃষ্ঠা

মুশফিকের রেকর্ড পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের টার্গেট
মুশফিকের রেকর্ড পাকিস্তানকে ৪৩৭ রানের টার্গেট

প্রথম পৃষ্ঠা

করকাঠামোতে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন
করকাঠামোতে আসছে ব্যাপক পরিবর্তন

শিল্প বাণিজ্য

রাজবাড়ীর চন্দনা অপমৃত্যুর কবলে
রাজবাড়ীর চন্দনা অপমৃত্যুর কবলে

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিএনএ পরীক্ষায় পোশাকে আরও একজনের রক্ত
ডিএনএ পরীক্ষায় পোশাকে আরও একজনের রক্ত

প্রথম পৃষ্ঠা

চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি

প্রথম পৃষ্ঠা

লাশের ৭ টুকরোর পর মিলল মাথা
লাশের ৭ টুকরোর পর মিলল মাথা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বব্যাংক আইএমএফ এডিবির দ্বারস্থ সরকার
বিশ্বব্যাংক আইএমএফ এডিবির দ্বারস্থ সরকার

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয় : হাই কোর্ট
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি নয় : হাই কোর্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

বাণিজ্য চুক্তি চাপ বাড়াবে অর্থনীতিতে
বাণিজ্য চুক্তি চাপ বাড়াবে অর্থনীতিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

পর্ন মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
পর্ন মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

দেশগ্রাম

প্রস্তুত চাহিদার দ্বিগুণ পশু
প্রস্তুত চাহিদার দ্বিগুণ পশু

দেশগ্রাম

পবিত্র ঈদুল আজহা ২৮ মে
পবিত্র ঈদুল আজহা ২৮ মে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড পরিদর্শন
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড পরিদর্শন

নগর জীবন

ভূমিসেবায় হয়রানি বন্ধ করা হবে
ভূমিসেবায় হয়রানি বন্ধ করা হবে

নগর জীবন