শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০৬, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে, ২০২৬ আপডেট: ০০:৪৮, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে, ২০২৬

সরকার জনমুখী প্রশাসন চায়: প্রধানমন্ত্রী

ডিসিদের নির্ভয়ে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার নির্দেশ
বিশেষ প্রতিনিধি
অনলাইন ভার্সন
সরকার জনমুখী প্রশাসন চায়: প্রধানমন্ত্রী

জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে প্রশাসনকে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য একটি জনমুখী প্রশাসন গড়ে তোলা, যেখানে সাধারণ মানুষ সরকারি দপ্তরে গিয়ে সম্মানের সঙ্গে দ্রুত, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত সেবা পাবে।

বুধবার রাতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন’র বার্ষিক সম্মিলন ২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। এময় তিনি জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের নির্ভয়ে এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ এবং জনগণের কল্যাণে আপনারা (ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনার) নির্ভয় নিরপেক্ষভাবে কাজ করুন। সরকার আপনাদের যেকোনো আইনগত এবং মানবিক উদ্যোগে সক্রিয় সহায়তা দেবে, ইনশাআল্লাহ।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো জনগণের বিশ্বাস। সরকার এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনমনে এ বিশ্বাস কিন্তু ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। এ ব্যাপারেও আপনারা যত্নবান থাকবেন বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’

মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা, বিশেষ করে বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকরা হচ্ছেন মাঠ পর্যায়ে সরকারের প্রশাসনিক অ্যাম্বাসেডর।’

তারেক রহমান বলেন, ‘দেশ এবং জনগণের কল্যাণে আমরা দলীয়ভাবে যেসব ইশতেহার প্রণয়ন করেছিলাম, সেই ইশতেহারের পক্ষে দেশের জনগণ সমর্থন জানিয়েছে। সুতরাং, এটি এখন আর বিএনপির দলীয় ইশতেহার নয়। এটি এখন দেশের জনগণের ইশতেহার। এটি এখন জনগণের জন্য সরকারের ইশতেহার। সুতরাং, এখন ইশতেহার বাস্তবায়নের পালা।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনস্বার্থে নেওয়া সরকারের কাজগুলো বাস্তবায়নের প্রধান দায়িত্ব জনপ্রশাসনের ওপর বর্তায়। সুতরাং, সরকারের কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনপ্রশাসনের সাফল্য, শেষ পর্যন্ত সরকারের সাফল্য হয়ে দাঁড়ায়।’

জনগণের প্রত্যাশা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের ওপর জনগণের প্রত্যাশা অনেক। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের সব যৌক্তিক প্রত্যাশা সাধ্যমতো পূরণ করতে বদ্ধপরিকর। এটি জনগণের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার।’

সরকারি সেবার অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন,‘আমরা কথায় কথায় বলি, জনগণ রাষ্ট্রের মালিক। জনগণ যদি মালিক হয় তাহলে এই মালিক অর্থাৎ সেবাগ্রহীতারা যখন অফিস আদালতে তাদের সমস্যা নিয়ে যান, তারা যেন আপনাদের সেবায় কিছুটা হলেও রাষ্ট্রের মালিকানা অনুভব করতে পারেন- সেটি নিশ্চিত করা আপনাদের দায়িত্ব।’

একজন সাধারণ নাগরিকের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন,‘ধরা যাক একজন সাধারণ নাগরিক কিংবা একজন দিনমজুর, তিনি যখন জন্মনিবন্ধন সনদ সংশোধন করার জন্য আপনাদের অফিসে যান, তিনি হয়তো জানেন না কোন টেবিলে যেতে হবে, কোন কর্মকর্তাকে কী বলতে হবে।’

তিনি বলেন,‘এমন পরিস্থিতিতে সেবাগ্রহীতা যদি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার আন্তরিক ব্যবহার পান তাহলে এটি রাষ্ট্র এবং সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা এবং বিশ্বাস বাড়ায়। আর যদি হয়রানির শিকার হন, তাহলে তিনি শুধু একটি সেবা থেকেই বঞ্চিত হলেন না। বরং, রাষ্ট্র এবং সরকারের প্রতি তার শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাস নষ্ট হয়।’

তিনি আরও বলেন,‘রাষ্ট্র এবং সরকারের সঙ্গে জনগণের জন-আস্থা তৈরির ক্ষেত্রে আপনাদের কার্যক্রম মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে। তাৎক্ষণিকভাবে হয়তো সবার সবকিছু সমাধান করে দেওয়া সম্ভব নয়, কিন্তু ভুক্তভোগীর মনে অন্তত এই ধারণা জন্মানো জরুরি যে, আপনি কিংবা আপনার অফিস তার সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে আন্তরিক।’

প্রশাসনকে জনমুখী করার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন,‘প্রশাসনকে জনমুখী করে গড়ে তুলতে হবে। আমাদের সরকার এমন একটি জনমুখী প্রশাসন চায় যেখানে সরকারি দপ্তরে সাধারণ মানুষ সম্মানের সঙ্গে দ্রুত, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত সেবা পাবে। এ বিষয়টি আপনাদেরই নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আইন অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু, মানবিকতা আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ।’

বয়স্ক ও অসুস্থ নাগরিকদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একজন বৃদ্ধ কিংবা অসুস্থ মানুষ আপনাদের অফিসে আসেন কিংবা সেবার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন, তখন তাদের বিষয়গুলো আইনগত উপায়ে সমাধানের পাশাপাশি তাদের প্রতি মানবিক আচরণও জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেবাগ্রহীতার প্রতি আপনাদের আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল ব্যবহার, তাদের প্রতি রাষ্ট্র এবং সরকারব্যবস্থা সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণার জন্ম দেয়। হয়তো এই বিষয়গুলো ছোট, কিন্তু জনমনে এর প্রভাব অনেক বেশি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো জনগণের বিশ্বাস। সরকার এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনমনে এই বিশ্বাস গড়ে উঠে। আমাদের মনে রাখা দরকার, প্রশাসন শুধু আইন প্রয়োগের যন্ত্র নয়, এটি মানুষের সেবার একটি মাধ্যম।’

দেশের সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সমস্যা অসংখ্য, তবে সম্ভাবনাও কম নয়। আমাদের দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের সুযোগ নিয়ে আমরা যদি তরুণ এবং কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারি, তাহলে এই জনসংখ্যাই হবে আমাদের জনসম্পদ। এরাই বদলে দিতে পারবে আমাদের বাংলাদেশ।’

ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘যথাসম্ভব মানুষের উপকার করার মানসিকতা থাকতে হবে। রাষ্ট্র এবং সমাজের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধগুলোকে জাগিয়ে রাখতে আমাদেরকে সম্ভাব্য সব উপায় বের করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের পারিবারিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হতে হবে। একটি রাষ্ট্রের ক্ষুদ্র ইউনিট একটি পরিবার। একইভাবে অনেকগুলো পরিবারের সম্মিলনই হলো আমাদের রাষ্ট্র।’

সবশেষে তিনি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘দেশ এবং জনগণের কল্যাণে আপনারা নির্ভয়ে নিরপেক্ষভাবে কাজ করুন। সরকার আপনাদের যে কোনো আইনগত এবং মানবিক উদ্যোগে সক্রিয় সহায়তা দেবে।’

বিডি প্রতিদিন/এম.এস

এই বিভাগের আরও খবর
শিক্ষার্থীদের শতভাগ নির্ভুল পাঠ্যবই দেওয়ার নির্দেশ শিক্ষা সচিবের
শিক্ষার্থীদের শতভাগ নির্ভুল পাঠ্যবই দেওয়ার নির্দেশ শিক্ষা সচিবের
লন্ডনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে গুগলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক
লন্ডনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে গুগলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক
আরও ২ মামলায় সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল
আরও ২ মামলায় সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ব্যক্তি উদ্যোগে সরকারি খাল খননে নতুন নির্দেশনা ভূমি মন্ত্রণালয়ের
ব্যক্তি উদ্যোগে সরকারি খাল খননে নতুন নির্দেশনা ভূমি মন্ত্রণালয়ের
বেরোবি’র সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২৭ জুলাই
বেরোবি’র সাবেক ভিসি কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ২৭ জুলাই
পুলিশের সঙ্গে টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে স্থানীয় বিএনপি নেতারা : রুমিন ফারহানা
পুলিশের সঙ্গে টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে স্থানীয় বিএনপি নেতারা : রুমিন ফারহানা
সোনামণি রামিসা, তোমার কাছে মানবতা লজ্জিত : জামায়াত আমির
সোনামণি রামিসা, তোমার কাছে মানবতা লজ্জিত : জামায়াত আমির
প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড
প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড
ভুয়া মামলা দিচ্ছেন, বাণিজ্য করছেন, পরিণতির জন্যও প্রস্তুত থাকবেন : রুমিন ফারহানা
ভুয়া মামলা দিচ্ছেন, বাণিজ্য করছেন, পরিণতির জন্যও প্রস্তুত থাকবেন : রুমিন ফারহানা
হামে শিশুমৃত্যু : তদন্ত কমিশন গঠনে হাইকোর্টের রুল
হামে শিশুমৃত্যু : তদন্ত কমিশন গঠনে হাইকোর্টের রুল
সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা আনসার বাহিনীকে আরও দক্ষ-গতিশীল করে তুলবে : প্রধানমন্ত্রী
সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা আনসার বাহিনীকে আরও দক্ষ-গতিশীল করে তুলবে : প্রধানমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
মুন্সীগঞ্জে মেধা যোগ্যতা স্বচ্ছতায় পুলিশে চাকরি
মুন্সীগঞ্জে মেধা যোগ্যতা স্বচ্ছতায় পুলিশে চাকরি

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

আচরণবিধি ভঙ্গে শাস্তি পেলেন সালমান আগা
আচরণবিধি ভঙ্গে শাস্তি পেলেন সালমান আগা

৪৫ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

কুবি রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে প্রসেনজিত–হিমু
কুবি রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে প্রসেনজিত–হিমু

১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ফুলবাড়ীতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু
ফুলবাড়ীতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান
নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম
বাংলাদেশকে প্রশংসায় ভাসালেন ওয়াসিম আকরাম

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আবার হামলা চালালে যুদ্ধ ‘মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে’: হুঁশিয়ারি আইআরজিসি’র
আবার হামলা চালালে যুদ্ধ ‘মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে’: হুঁশিয়ারি আইআরজিসি’র

৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডিবি পুলিশের পোশাক পরে গরু ডাকাতির প্রস্তুতি, অতঃপর...
ডিবি পুলিশের পোশাক পরে গরু ডাকাতির প্রস্তুতি, অতঃপর...

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিউইয়র্কে ম্যানহোলে পড়ে প্রাণ গেল নারীর
নিউইয়র্কে ম্যানহোলে পড়ে প্রাণ গেল নারীর

১২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ধর্ষণ-হত্যা-সহিংসতা বন্ধে কলাপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
ধর্ষণ-হত্যা-সহিংসতা বন্ধে কলাপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লিথুয়ানিয়ায় ড্রোন অনুপ্রবেশ, নাগরিকদের আশ্রয়স্থলে যাওয়ার নির্দেশ
লিথুয়ানিয়ায় ড্রোন অনুপ্রবেশ, নাগরিকদের আশ্রয়স্থলে যাওয়ার নির্দেশ

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়ির দুর্গম জনপদে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ওয়াটার পয়েন্ট স্থাপন
খাগড়াছড়ির দুর্গম জনপদে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ওয়াটার পয়েন্ট স্থাপন

১৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নিয়ন্ত্রিত হাম বাংলাদেশে যেভাবে ভয়ংকর হয়ে উঠল
নিয়ন্ত্রিত হাম বাংলাদেশে যেভাবে ভয়ংকর হয়ে উঠল

১৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদুল আজহায় জনসাধারণকে পুলিশের নিরাপত্তা পরামর্শ
ঈদুল আজহায় জনসাধারণকে পুলিশের নিরাপত্তা পরামর্শ

১৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

জামালপুরে প্রান্তিক মানুষের মাঝে বিনামূল্যে ধান ও সবজি বীজ বিতরণ
জামালপুরে প্রান্তিক মানুষের মাঝে বিনামূল্যে ধান ও সবজি বীজ বিতরণ

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজশাহীতে ২ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৯
রাজশাহীতে ২ হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৯

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যাত্রাবাড়ী থানার বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১২
যাত্রাবাড়ী থানার বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১২

১৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

হামের প্রাদুর্ভাব কমেছে, দ্রুত সময়ে স্বাভাবিক হয়ে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হামের প্রাদুর্ভাব কমেছে, দ্রুত সময়ে স্বাভাবিক হয়ে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

১৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

পঞ্চগড়ে টমেটো চাষিদের হাহাকার, বিদেশি টমেটো আমদানি বন্ধের দাবি
পঞ্চগড়ে টমেটো চাষিদের হাহাকার, বিদেশি টমেটো আমদানি বন্ধের দাবি

২১ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

শিক্ষার্থীদের শতভাগ নির্ভুল পাঠ্যবই দেওয়ার নির্দেশ শিক্ষা সচিবের
শিক্ষার্থীদের শতভাগ নির্ভুল পাঠ্যবই দেওয়ার নির্দেশ শিক্ষা সচিবের

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ‘ফায়ার সপ্তাহ’ উদ্বোধন
গাইবান্ধায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ‘ফায়ার সপ্তাহ’ উদ্বোধন

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মিরপুরে অবৈধ বস্তি উচ্ছেদে গিয়ে হামলার মুখে পুলিশ
মিরপুরে অবৈধ বস্তি উচ্ছেদে গিয়ে হামলার মুখে পুলিশ

২৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

লন্ডনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে গুগলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক
লন্ডনে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে গুগলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বৈঠক

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

‘ফায়ার সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা জনগণের সেবায় নিয়োজিত’
‘ফায়ার সার্ভিস ২৪ ঘণ্টা জনগণের সেবায় নিয়োজিত’

২৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আরও ২ মামলায় সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল
আরও ২ মামলায় সাবেক বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ইরান যুদ্ধের কারণে লোকসানের মুখে ইসরায়েলের এল আল এয়ারলাইন
ইরান যুদ্ধের কারণে লোকসানের মুখে ইসরায়েলের এল আল এয়ারলাইন

৩৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে কারণে জাপানে তীব্র আকার ধারণ করেছে বসন্তকালীন অ্যালার্জি
যে কারণে জাপানে তীব্র আকার ধারণ করেছে বসন্তকালীন অ্যালার্জি

৩৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজামুখী ফ্লোটিলায় আবারও ইসরায়েলের গুলি, আটক অর্ধশত নৌযান
গাজামুখী ফ্লোটিলায় আবারও ইসরায়েলের গুলি, আটক অর্ধশত নৌযান

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল
রক্তঝরা বাস্তবতার নীরব দলিল

৩৯ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

‘সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবে’
‘সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবে’

৩৯ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না
রামিসা হত্যাকাণ্ড : স্বামী জাকিরকে নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন স্বপ্না

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আওয়ামীলীগ ব্যাক করেছে, দেখো নাই? বললেন মাহফুজ আলম
আওয়ামীলীগ ব্যাক করেছে, দেখো নাই? বললেন মাহফুজ আলম

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ
রামিসা হত্যাকাণ্ড: আরও যে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো পুলিশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা
বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের জন্য পর্তুগালের শক্তিশালী দল ঘোষণা
বিশ্বকাপের জন্য পর্তুগালের শক্তিশালী দল ঘোষণা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)
রামিসা হত্যাকাণ্ড: স্বামীকে পালাতে সময় দিতেই দরজা খোলেননি স্ত্রী স্বপ্না! (ভিডিও)

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ
পাকিস্তানকে টানা দুবার হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পেল বাংলাদেশ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘চিকেনস নেক’ মোদি সরকারের কাছে হস্তান্তর শুভেন্দুর
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘চিকেনস নেক’ মোদি সরকারের কাছে হস্তান্তর শুভেন্দুর

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান
ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ নীতির বিপক্ষে ভোট দিলেন ৪ রিপাবলিকান

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা
আরব আমিরাতের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি হামলা হলে বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের
ইরানে আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২
যাত্রাবাড়ী মোড়ে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, সার্জেন্টের সাহসিকতায় আটক ২

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় গায়িকাকে কানাডা থেকে এসে হত্যা
বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় গায়িকাকে কানাডা থেকে এসে হত্যা

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা
যুদ্ধের প্রস্তুতির মাঝে ইরানে গণবিয়ে অনুষ্ঠিত, ‘আত্মত্যাগে’ প্রস্তুত নবদম্পতিরা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন
সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা : ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ জনের যাবজ্জীবন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’
‘নতুন করে হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে’

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে কর্মকর্তাদের মন্ত্রণালয়ে ফেরত

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ইন্টারনেট চালু করবা না’, পলকের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সালমান এফ রহমান
‘ইন্টারনেট চালু করবা না’, পলকের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সালমান এফ রহমান

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ওমর ফারুকের নিয়োগ বাতিল
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ওমর ফারুকের নিয়োগ বাতিল

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি
আবার হামলা হলে নতুন অস্ত্রে জবাব দেবে ইরান, তেহরানের কড়া হুঁশিয়ারি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের পরপরই পুতিন কেন চীনে, ভিতরে কী চলছে?
ট্রাম্পের পরপরই পুতিন কেন চীনে, ভিতরে কী চলছে?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এক যুদ্ধেই নাজেহাল ভারতীয় রুপি
এক যুদ্ধেই নাজেহাল ভারতীয় রুপি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড
প্রতারণার মামলায় বিদিশার ২ বছরের কারাদণ্ড

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু
ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি
রোমে ‘মেলোডি’ ম্যাজিক, ভাইরাল মোদি-মেলোনির ছবি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাদারীপুরে তিন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
মাদারীপুরে তিন মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?
স্যাটেলাইট থেকে ড্রোন- ইরানকে কতটা সামরিক সহায়তা দিচ্ছে রাশিয়া?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
ইরানে আবারও বড় ধরনের হামলার ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চীন দেখালো আমেরিকার দিন ফুরাচ্ছে
চীন দেখালো আমেরিকার দিন ফুরাচ্ছে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
সিরিজ খুনের খুনি কে
সিরিজ খুনের খুনি কে

প্রথম পৃষ্ঠা

গুলিবিদ্ধদের ইনজেকশন দিয়ে মারতে বলত নেতারা
গুলিবিদ্ধদের ইনজেকশন দিয়ে মারতে বলত নেতারা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আতঙ্কের সলিমপুর হচ্ছে ‘স্মার্ট হাব’
আতঙ্কের সলিমপুর হচ্ছে ‘স্মার্ট হাব’

নগর জীবন

কাঁচা পেঁপের কেজি ১২০ টাকা!
কাঁচা পেঁপের কেজি ১২০ টাকা!

পেছনের পৃষ্ঠা

স্থায়ী যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত ইরানের
স্থায়ী যুদ্ধ বন্ধে নতুন শর্ত ইরানের

প্রথম পৃষ্ঠা

অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী
অপপ্রচারের টার্গেটে সশস্ত্র বাহিনী

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট
ব্যাংকে নগদ অর্থের সংকট

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা
বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস প্রসঙ্গে কিছু কথা

সম্পাদকীয়

আলোর মুখ দেখেনি পাঁচ বছরেও
আলোর মুখ দেখেনি পাঁচ বছরেও

নগর জীবন

ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ, আটক ৩
ছাত্রীর বাড়িতে গৃহশিক্ষিকার বস্তাবন্দি লাশ, আটক ৩

পেছনের পৃষ্ঠা

হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির
হজে যাচ্ছেন জামায়াত আমির

প্রথম পৃষ্ঠা

কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ
কারিনা কায়সারের মৃত্যু ও গরুর জন্মসনদ

সম্পাদকীয়

কিংসের হ্যাটট্রিক না কি মোহামেডানের ফেরা
কিংসের হ্যাটট্রিক না কি মোহামেডানের ফেরা

মাঠে ময়দানে

ফরিদপুরে খাল খননের আড়ালে গাছ কাটার মহোৎসব
ফরিদপুরে খাল খননের আড়ালে গাছ কাটার মহোৎসব

নগর জীবন

স্বামীর সহযোগিতায় সাধুর আস্তানায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ
স্বামীর সহযোগিতায় সাধুর আস্তানায় নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা হাত কেটে উল্লাস
বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা হাত কেটে উল্লাস

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে শিশুদের উচ্ছ্বাস
প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে শিশুদের উচ্ছ্বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা
ধর্ষণের পর শিশুকে গলা কেটে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের আহ্বান ইসলামী সমাজের
বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের আহ্বান ইসলামী সমাজের

নগর জীবন

ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুতে যা বললেন শ্রিংলা

প্রথম পৃষ্ঠা

রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, যানজটে ভোগান্তি
রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, যানজটে ভোগান্তি

নগর জীবন

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন
অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে ফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে
ঠুঁটো জগন্নাথ বানানোর চেষ্টা মানবাধিকার কমিশনকে

প্রথম পৃষ্ঠা

মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের
মার্কিন শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শামা ওবায়েদের

প্রথম পৃষ্ঠা

পয়লা জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল
পয়লা জুলাই থেকেই নতুন পে-স্কেল

পেছনের পৃষ্ঠা

রাবিতে যত অনিয়ম
রাবিতে যত অনিয়ম

পেছনের পৃষ্ঠা

অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পে শ্রমিকদের বাদ দিয়ে ভেকু!
অতি দরিদ্র কর্মসংস্থান প্রকল্পে শ্রমিকদের বাদ দিয়ে ভেকু!

দেশগ্রাম

ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু
ঢাকার সড়ক ঘেঁষে মলমূত্র ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু

পেছনের পৃষ্ঠা

বর্জ্যে দূষিত শীতলক্ষ্যার পানি
বর্জ্যে দূষিত শীতলক্ষ্যার পানি

পেছনের পৃষ্ঠা