শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:১৬, শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬ আপডেট: ২১:০৮, শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সমন্বিত রোডম্যাপ দিলেন তাসনিম জারা

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সমন্বিত রোডম্যাপ দিলেন তাসনিম জারা

দেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় একটি সমন্বিত জাতীয় রোডম্যাপ কেমন হতে পারে সেগুলো তুলে ধরেছেন চিকিৎসক ও রাজনীতিবিদ ডা. তাসনিম জারা। 

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক পোস্টে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় একটি সমন্বিত জাতীয় রোডম্যাপ তুলে ধরেন তাসনিম জারা।

পোস্টে তাসনিম জারা লিখেছেন, ‌‘হাম খুবই সংক্রামক একটা রোগ। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি গড়ে ১২ থেকে ১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে। কোভিড বা ফ্লু-এর তুলনায় এই সংখ্যা অনেক বেশি। হামের ভাইরাস বাতাসে ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তি ঘর থেকে বের হওয়ার ২ ঘণ্টা পরেও সেখানে কেউ ঢুকলে হামে আক্রান্ত হতে পারেন। ঠিক এই কারণেই হামের আউটব্রেক ঠেকাতে অন্তত ৯৫ শতাংশ মানুষের টিকা নেয়া প্রয়োজন। এটাই ‘হার্ড ইমিউনিটি’ এর সীমা। এর নিচে নামলেই ফাঁক তৈরি হয়, আর সেই ফাঁক দিয়ে ভাইরাস ঢুকে পড়ে। কোথায় ফাঁকা আছে, সেটা খুঁজে বের করতে না পারলে ভাইরাস আটকানো সম্ভব না। 

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে যে বাংলাদেশে তো টিকাদান কর্মসূচির আওতায় হামের টিকা দেওয়া হয়, কভারেজও অনেক বেশি। তাহলে আউটব্রেক হচ্ছে কীভাবে?

এর উত্তরে একটা মৌলিক বিষয় বুঝতে হবে। জাতীয় কভারেজ গড়ে ৯০ বা ৯৫ শতাংশ হলেও, এই গড়ের ভেতরে অনেক রকম তারতম্য থাকতে পারে। দেশের বেশিরভাগ এলাকায় কভারেজ ৯৭ শতাংশ হতে পারে, কিন্তু কোনো একটা নির্দিষ্ট পকেটে, যেমন একটা চরাঞ্চল, পাহাড়ি এলাকা, শহুরে বস্তি, কিংবা একটা প্রত্যন্ত উপজেলা, এসবের কোনোটাতে কভারেজ হয়তো ৬০ বা ৭০ শতাংশ। জাতীয় গড়ে এই পকেট ঢাকা পড়ে যায়, কিন্তু ভাইরাসের কাছে সেটা ঢাকা পড়ে না। এই ফাঁকা পকেটগুলোতে প্রাদুর্ভাব ঘটার সম্ভাবনা বেশি। একজন আক্রান্ত মানুষ এমন একটা কমিউনিটিতে ঢুকলে সেখানে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। দেশের বাকি অঞ্চলের কভারেজ যত বেশিই হোক, এই পকেটে প্রাদুর্ভাব থামে না।

তাহলে করণীয় কী?

যেখানে কেস পাওয়া যাচ্ছে, সেই এলাকাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে। শুধু জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে নয়, বরং ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, গ্রাম বা মহল্লা পর্যায়ে। এই চিহ্নিতকরণটা কীভাবে হবে? সরকারের পক্ষে একসাথে দেশের প্রতিটা ঘরে স্বাস্থ্যকর্মী পাঠানো বাস্তবসম্মত না। তাই এমন একটা উপায় আমাদের বের করতে হবে, যেটা খুব অল্প সময়ে এবং সীমিত রিসোর্স দিয়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

উপায়টা হলো একটা জাতীয় হাম হটলাইন বা কল সেন্টার চালু করা। এর মাধ্যমে হামের কেস সনাক্তকরণ, কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং, রিয়েল-টাইম ড্যাশবোর্ড এবং চিকিৎসার সমন্বয়-সবগুলোই করা সম্ভব। আমাদের জাতীয় টেলিমেডিসিন অবকাঠামোর উপর দাঁড়িয়েই এটা চালু করা সম্ভব। 

এই কল সেন্টার কীভাবে কাজ করবে? প্রথমে গণমাধ্যমে এবং সামাজিক মাধ্যমে হামের লক্ষণগুলো প্রচার করতে হবে: জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, লাল র‌্যাশ যা সাধারণত চেহারা থেকে শুরু হয়ে নিচের দিকে ছড়ায়। এই লক্ষণগুলো দেখলেই অভিভাবকরা একটা নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করবেন।

কল সেন্টারে প্রশিক্ষিত চিকিৎসকেরা একটা সংক্ষিপ্ত প্রশ্নাবলির মাধ্যমে যাচাই করবেন যে সম্ভাব্য হাম কিনা। যদি সন্দেহজনক হয়, অভিভাবককে সরাসরি ওই এলাকার হামের জন্য নির্দিষ্ট চিকিৎসাকেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশনা দেবেন, যাতে তিনি এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ঘুরে নতুন কাউকে সংক্রমিত না করেন। সুস্থ হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতিটা কেস নিয়মিত ফলো-আপ করবেন।

এই কল সেন্টারের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। সব তথ্য একটা কেন্দ্রীয় ড্যাশবোর্ডে আসতে হবে, যা নিয়মিত বিরতিতে প্রকাশিত হবে। প্রতিটা কল হবে ভৌগোলিকভাবে চিহ্নিত একটা ডেটা পয়েন্ট। রিয়েল-টাইমে দেখা যাবে কোন ইউনিয়নে, কোন ওয়ার্ডে, কোন পাড়ায় কেস বাড়ছে। হাসপাতাল থেকে রিপোর্ট সংগ্রহের চেয়ে এভাবে তথ্য অনেক দ্রুত আসবে। এই ম্যাপ দেখেই সরকার ঠিক করতে পারবে কোন কোন এলাকায় কখন দ্রুত কেস-ফাইন্ডিং ও টিকা টিম পাঠাতে হবে।

এই মডেল প্রমাণিত। যুক্তরাজ্যের এনএইচএস ১১১, কোভিডকালীন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের হেল্পলাইন, পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলার সময় এই হটলাইন সারভেইলেন্স কাজ করেছে। রিসোর্সের সীমাবদ্ধতা থাকলে এটা সুবিধাজনক। এত মানুষের কাছে যেহেতু যাওয়া সম্ভব নয়, তাই তাদেরকে এর মাধ্যমে একটা সিস্টেমে নিয়ে আসা যায়।

এই কল সেন্টারের ভিত্তিতে চিহ্নিত প্রতিটা এলাকায় তাৎক্ষণিকভাবে কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করে ‘রিং ভ্যাকসিনেশন’ কৌশল প্রয়োগ করতে হবে। ধারণাটা সহজ। যখন কোনো এলাকায় একজন আক্রান্ত মানুষ পাওয়া যায়, তখন সেই কেসকে কেন্দ্রে রেখে চারপাশে কয়েক স্তরে টিকা দেওয়া হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির সরাসরি সংস্পর্শে আসা সবাই, যেমন পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী, তার ক্লাসের, মসজিদ-মাদ্রাসা-স্কুলের সহপাঠীদের প্রথমে টিকার আওতায় আনা হয়। পর্যাপ্ত রিসোর্স থাকলে পুরো গ্রাম বা মহল্লাকেই টিকার আওতায় আনা যেতে পারে।

এই কৌশলের পেছনে যুক্তি হলো ভাইরাসের চারপাশে একটা প্রতিরোধক বলয় তৈরি করা, যেন সংক্রমণ আর সামনে এগোতে না পারে। ভাইরাস এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে চাইলে যাতে এই বলয়ের ভেতরে আটকে যায়।

তবে ভ্যাকসিনেশনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা মাথায় রাখতে হবে। হামের টিকা দেওয়ার পর শরীরে সম্পূর্ণ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠতে দুই সপ্তাহ সময় লাগে। অর্থাৎ আজ টিকা দিলেই কাল সে সুরক্ষিত, এমনটা না। এজন্যই টিকার পাশাপাশি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা খুবই জরুরি। 

এখানে একটা বিষয় আলাদাভাবে বলা দরকার, যেটা পত্রিকায় বারবার আসছে। আক্রান্ত শিশুকে নিয়ে অভিভাবকরা এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ছুটছেন। কখনো কখনো সিট পাওয়া যাচ্ছে না, কখনো কখনো যথাযথ চিকিৎসা মিলছে না, কিংবা হাসপাতাল থেকেই পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে আরেক জায়গায়। এটা মানবিক বিপর্যয় তো বটেই, সাথে সাথে এটা একটা মারাত্মক সংক্রমণ-ব্যবস্থাপনার বিপর্যয়ও।

কারণ একজন হামে আক্রান্ত শিশু যে হাসপাতালে ঢোকেন, সেখানকার জরুরি বিভাগে, ওয়ার্ড, করিডরে অন্য রোগের জন্য আসা শিশু ও প্রাপ্তবয়স্করা থাকেন। যাঁদের অনেকেই হয়তো হামের ঝুঁকিতে আছেন, যেমন ছয় মাসের কম বয়সী শিশু যাঁরা এখনো টিকার বয়সে পৌঁছাননি, ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী যাঁদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, গর্ভবতী মা যার কখনো হাম হয়নি বা টিকা নেননি। হামের ভাইরাস বাতাসে ছড়ায় এবং আক্রান্ত শিশু চলে যাওয়ার পরও ২ ঘণ্টার মধ্যে সেই বাতাসে নতুন কেউ এলে সংক্রমিত হতে পারেন। এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ঘোরাঘুরি মানে প্রতিটা হাসপাতালে নতুন একদল মানুষকে ঝুঁকিতে ফেলা।

এই সমস্যা সমাধানের জন্য তিনটা কাজ করা দরকার।

প্রথমত, প্রতিটা এলাকায় একটা নির্দিষ্ট চিকিৎসাকেন্দ্র। যেখানে সম্ভাব্য হামের রোগীদের পাঠানো হবে। প্রবেশের পরেই অন্য রোগীদের সাথে না মিশে তাঁদেরকে আলাদা করে ফেলা হবে, ভর্তির জন্য আলাদা আইসোলেশন কক্ষ থাকবে, যথাযথ ভেন্টিলেশন থাকবে, এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা টিকাপ্রাপ্ত হবেন। কল সেন্টার থেকে সরাসরি অভিভাবককে এই কেন্দ্রের নির্দিষ্ট কক্ষে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে। বাকি হাসপাতালগুলোতে সন্দেহভাজন কেস এলে তাঁদের অবিলম্বে আইসোলেট করে নির্দিষ্ট কেন্দ্রে রেফার করার একটা স্পষ্ট প্রটোকল থাকতে হবে। 

দ্বিতীয়ত, একটা ন্যাশনাল বেড-অ্যাভেইলেবিলিটি ড্যাশবোর্ড। যেখানে রিয়েল-টাইম আপডেট পাওয়া যাবে কোন হাসপাতালে কয়টা বেড খালি আছে, কয়টা আইসিউ সিট খালি আছে। কল সেন্টার থেকে সেই ড্যাশবোর্ড দেখে রোগীদেরকে সঠিক জায়গায় পাঠাবেন, যাতে আবার হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটতে না হয়। এই ব্যবস্থা না থাকার ভয়ংকর পরিণতি আমরা অনেকবার দেখেছি। হাসপাতালে সিট না পেয়ে দিশেহারা অভিভাবকদের কাছ থেকে দালাল চক্র টাকা হাতিয়ে নেয়। বিশেষ করে আইসিইউ বেড খুঁজতে খুঁজতে অনেক সময় চিকিৎসার অভাবে রোগী মারা যায়।

তৃতীয়ত, আইসিইউ সমস্যার জরুরি সমাধান। এবারের প্রাদুর্ভাবে অনেকে গুরুতর অসুস্থ হচ্ছেন। আইসিইউ সংকট আছে, বিশেষ করে ঢাকার বাইরে। হুট করে শিশুদের আইসিইউ ক্যাপাসিটি বাড়ানো প্রায় অসম্ভব একটা কাজ। তবে জরুরি ভিত্তিতে পিডিয়াট্রিক আইসিইউ-সম্বলিত প্রাইভেট হাসপাতালের সাথে সমন্বয় করা প্রয়োজন, যাতে প্রাণগুলো বাঁচানো যায়। বিএনপির ইশতেহারে স্বাস্থ্যে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের কথা জোর দিয়ে বলা হয়েছিল। প্রতি জেলায় না হলেও অন্তত প্রতি বিভাগে একটা পিডিয়াট্রিক আইসিইউ-সম্বলিত প্রাইভেট হাসপাতালের সাথে পার্টনারশিপ স্থাপন করে গুরুতর শিশুদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। 

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল খরচ। আমাদের স্বাস্থ্যখাতে আউট-অফ-পকেট এক্সপেন্ডিচার ৭৩%। দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ। ধার-দেনা করে, সম্পদ বিক্রি করে অনেকে চিকিৎসা করাচ্ছেন। ঢাকায় শিশুকে এনে তাকে চিকিৎসা করানোর খরচ, বাবা-মায়ের থাকা-খাওয়ার খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেকে। টাকার অভাবে অনেকেই দেরিতে হাসপাতালে নিচ্ছেন, যাতে জটিলতা বাড়ছে, এবং এই সময়ে অন্যদের মাঝেও হাম ছড়িয়ে পড়ছে। হামে আক্রান্ত রোগীদের ওষুধসহ চিকিৎসার খরচ সরকারিভাবে বহন করা উচিত। তার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ভর্তি রোগীদের একটা এককালীন থোক-বরাদ্দ দেয়ার কথা বিবেচনা করা প্রয়োজন, যাতে তারা চিকিৎসা শেষ করে বাড়ি যেতে পারেন।

মোট কথা, হামের প্রাদুর্ভাব এমন না যে আমরা প্রথমবার এই ধরনের সংকটের মুখোমুখি হচ্ছি। বিশ্বে এমন প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা করার কৌশল প্রমাণিত, পদ্ধতি জানা। যেটা দরকার সেটা হলো রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং প্রশাসনিক সমন্বয়।

এই সংকট এক সময় শেষ হবে। কিন্তু যে প্রশ্নটা থেকে যাবে, কেন আমরা এই অবস্থায় এসে পড়লাম। সেই প্রশ্নের জবাব আমাদের নিতেই হবে। সেটার জন্য প্রয়োজন সংসদীয় তদন্ত কমিটি।’

বিডি-প্রতিদিন/বিএম

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ
এক ধাপে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল দাবি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের
এক ধাপে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল দাবি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের
৩ দিনের সফরে কাল রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
৩ দিনের সফরে কাল রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ
স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ
মরণোত্তর জাতিসংঘ ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পদক পেলেন ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
মরণোত্তর জাতিসংঘ ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পদক পেলেন ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
নতুন বাজেটে থাকবে ‘রিকভারি ও রিকনসিলিয়েশন’ প্রকল্প: অর্থ উপদেষ্টা
নতুন বাজেটে থাকবে ‘রিকভারি ও রিকনসিলিয়েশন’ প্রকল্প: অর্থ উপদেষ্টা
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
দেশের ১৪ অঞ্চলে ৮০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আভাস
দেশের ১৪ অঞ্চলে ৮০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আভাস
৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা
৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা
মামলা পরিচালনার সুবিধায় সুপ্রিম কোর্টের নানা শাখা আজ খোলা
মামলা পরিচালনার সুবিধায় সুপ্রিম কোর্টের নানা শাখা আজ খোলা
শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক
শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক
সর্বশেষ খবর
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ​জয়পুরহাটে দোয়া মাহফিল
জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ​জয়পুরহাটে দোয়া মাহফিল

৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠী আওতামুক্ত : তথ্যমন্ত্রী

১০ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

ঠাকুরগাঁও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা
ঠাকুরগাঁও সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতা, বিজিবির সঙ্গে পাহারায় স্থানীয়রা

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নানাবিধ হুমকির মুখে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য
নানাবিধ হুমকির মুখে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য

১৩ মিনিট আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

এক ধাপে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল দাবি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের
এক ধাপে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল দাবি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

বুড়িগঙ্গার কাছে এখন আর যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল
বুড়িগঙ্গার কাছে এখন আর যাওয়া যায় না: মির্জা ফখরুল

১৮ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

৩ দিনের সফরে কাল রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
৩ দিনের সফরে কাল রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ
স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

মরণোত্তর জাতিসংঘ ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পদক পেলেন ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
মরণোত্তর জাতিসংঘ ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ পদক পেলেন ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

৩৭ মিনিট আগে | জাতীয়

নতুন বাজেটে থাকবে ‘রিকভারি ও রিকনসিলিয়েশন’ প্রকল্প: অর্থ উপদেষ্টা
নতুন বাজেটে থাকবে ‘রিকভারি ও রিকনসিলিয়েশন’ প্রকল্প: অর্থ উপদেষ্টা

৪২ মিনিট আগে | জাতীয়

১৫ বছরে প্রথমবার! সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে এ কেমন একাদশ গড়লেন গম্ভীর?
১৫ বছরে প্রথমবার! সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়ে এ কেমন একাদশ গড়লেন গম্ভীর?

৪৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতের ম্যাচে কেন বারবার ডাক পড়ে এই বাংলাদেশির?
ভারতের ম্যাচে কেন বারবার ডাক পড়ে এই বাংলাদেশির?

৫০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডে কারও গাফিলতি মিললে কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী
বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডে কারও গাফিলতি মিললে কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী

৫৩ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

‘ওরা শুধু টাকা চেনে!’ , সমালোচনার ঝড়ে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা
‘ওরা শুধু টাকা চেনে!’ , সমালোচনার ঝড়ে সিদ্ধান্ত বদলালো ফিফা

৫৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শ্মশানে পানির ব্যবস্থা করলেন মীর হেলাল
শ্মশানে পানির ব্যবস্থা করলেন মীর হেলাল

৫৬ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৩০০ রানের মহাতাণ্ডব! ভারত-অস্ট্রেলিয়া যা পারেনি, তা-ই করে দেখাল নেপাল
৩০০ রানের মহাতাণ্ডব! ভারত-অস্ট্রেলিয়া যা পারেনি, তা-ই করে দেখাল নেপাল

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নাহ, অলৌকিক কিছু আর হলো না: বিশ্বকাপের আগেই মহাবিপদে জার্মানি
নাহ, অলৌকিক কিছু আর হলো না: বিশ্বকাপের আগেই মহাবিপদে জার্মানি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্ত্রীর ফোনে বক্তৃতার মাঝেই থামলেন গাভাস্কার, তারপর যা ঘটল…
স্ত্রীর ফোনে বক্তৃতার মাঝেই থামলেন গাভাস্কার, তারপর যা ঘটল…

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি
ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাষ্ট্র, সর্বোচ্চ সতর্কর্তা জারি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে
১৫ বছরেই জাতীয় দলে সূর্যবংশী, বাদ অধিনায়ক: ভারতের পরিকল্পনায় যে বড় চমক লুকিয়ে

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নগর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি, ইঁদুরের উপদ্রবে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
নগর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি, ইঁদুরের উপদ্রবে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাজধানীর বনশ্রীতে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
রাজধানীর বনশ্রীতে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দেশের ১৪ অঞ্চলে ৮০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আভাস
দেশের ১৪ অঞ্চলে ৮০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আভাস

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্বর্ণের দাম ভরিতে কমলো ৫৪৮২ টাকা
স্বর্ণের দাম ভরিতে কমলো ৫৪৮২ টাকা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাসিকের জনসচেতনমূলক র‍্যালি
ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাসিকের জনসচেতনমূলক র‍্যালি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা
২৪ ঘণ্টায় যমুনা সেতুতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা
ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সর্বাধিক পঠিত
শাকিব-বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান, নাম শারলিন খান
শাকিব-বুবলীর ঘরে এলো কন্যাসন্তান, নাম শারলিন খান

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়
তপুর জোড়া গোলে ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিয়ে করলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী, বর কে
বিয়ে করলেন জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী, বর কে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

সাহারা মরুভূমিতে ট্রাক বিকল, তৃষ্ণায় ৪৯ জনের মৃত্যু
সাহারা মরুভূমিতে ট্রাক বিকল, তৃষ্ণায় ৪৯ জনের মৃত্যু

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে
বাংলাদেশিসহ ১০ লক্ষাধিক মানুষের আমেরিকার স্বপ্ন ধূলিসাতের পথে

১৮ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সাবেক মেয়র মনজুর ও সাবেক এমপি সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সাবেক মেয়র মনজুর ও সাবেক এমপি সনিসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

১২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির
ইরানি রাডার স্থাপনায় হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা জবাব আইআরজিসির

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উঠে দাঁড়িয়েছে দাবি করা সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন
উঠে দাঁড়িয়েছে দাবি করা সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অস্ট্রেলিয়ায় এক লাখ তেলাপোকা জব্দ, মূল্য দেড় লাখ ডলার
অস্ট্রেলিয়ায় এক লাখ তেলাপোকা জব্দ, মূল্য দেড় লাখ ডলার

২২ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘ঝিমুনি’: ‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’ বলে ডেমোক্র্যাটদের উপহাস
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্পের ‘ঝিমুনি’: ‘কমান্ডার-ইন-স্লিপ’ বলে ডেমোক্র্যাটদের উপহাস

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩
বিয়ের অনুষ্ঠানে রোস্ট নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৩

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র
ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার আটকাল যুক্তরাষ্ট্র

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক
মমতার তৃণমূলের নতুন কমিটি, স্বপদেই বহাল অভিষেক

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেভারিটদের তালিকায় থেকেও কেন মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স?!
ফেভারিটদের তালিকায় থেকেও কেন মহাবিপদে আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স?!

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের
কুয়েত-বাহরাইনে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা
ক্যান্সার চিকিৎসায় লাগবে না কেমো, স্মার্ট ওষুধ আবিষ্কারের ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র আমাদের গণতন্ত্রে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে প্রথমবার ইতিহাস গড়তে আসছে ৫ নতুন দেশ
বিশ্বকাপে প্রথমবার ইতিহাস গড়তে আসছে ৫ নতুন দেশ

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শপথের তিন দিনের মাথায় মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন কংগ্রেস নেতা রামালিঙ্গা রেড্ডি
শপথের তিন দিনের মাথায় মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন কংগ্রেস নেতা রামালিঙ্গা রেড্ডি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা
৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৮ কিলোমিটার যানজট, চরম ভোগান্তি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শত্রু শিবিরে খেলা, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে একাট্টা ইরানি ফুটবলাররা
শত্রু শিবিরে খেলা, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে একাট্টা ইরানি ফুটবলাররা

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক
শাহজালালের কার্গো শেডে আগুনে ফ্লাইং অপারেশনে সমস্যা হয়নি: নির্বাহী পরিচালক

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত
টাঙ্গুয়ার হাওরে হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে এসআইয়ের মেয়ে নিহত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল
নেইমারকে ছাড়াই মিশরের বিপক্ষে রবিবার মাঠে নামছে ব্রাজিল

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ২৮জনকে সরিয়ে নিয়েছে বিএসএফ

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এনসিপি'র ছায়া বাজেট ঘোষণা: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে জোর
এনসিপি'র ছায়া বাজেট ঘোষণা: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে জোর

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মার্কিন নিয়মে বিশ্বকাপ ম্যাচ অনির্দিষ্টকাল বন্ধ থাকতে পারে যে কারণে
মার্কিন নিয়মে বিশ্বকাপ ম্যাচ অনির্দিষ্টকাল বন্ধ থাকতে পারে যে কারণে

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের
যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি ইরানের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হ্যাটট্রিক শিরোপার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না মারিয়া
হ্যাটট্রিক শিরোপার সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না মারিয়া

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সীমান্তে বিজিবি জনগণ সতর্ক
সীমান্তে বিজিবি জনগণ সতর্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপিতে এক নেতা এক পদ
বিএনপিতে এক নেতা এক পদ

প্রথম পৃষ্ঠা

তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর
তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রিটেনে অলিখিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশ
ব্রিটেনে অলিখিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার কবলে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্রান্সের সামনে ‘মৃত্যুকূপ’
ফ্রান্সের সামনে ‘মৃত্যুকূপ’

মাঠে ময়দানে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন
ভ্যাট রিটার্নে আসছে বড় পরিবর্তন

পেছনের পৃষ্ঠা

বরিশালের বাজারে ইলিশের হাহাকার
বরিশালের বাজারে ইলিশের হাহাকার

পেছনের পৃষ্ঠা

মারিয়াদের হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি
মারিয়াদের হ্যাটট্রিক শিরোপার হাতছানি

মাঠে ময়দানে

জার্সি পতাকা উন্মাদনায় দেশ
জার্সি পতাকা উন্মাদনায় দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

সরকারের দখলে নেই সরকারি সম্পত্তি
সরকারের দখলে নেই সরকারি সম্পত্তি

প্রথম পৃষ্ঠা

অভিনব মোটরসাইকেল
অভিনব মোটরসাইকেল

শনিবারের সকাল

অযত্নে ম্লান ইতিহাসের দুর্লভ নিদর্শন
অযত্নে ম্লান ইতিহাসের দুর্লভ নিদর্শন

শনিবারের সকাল

আলোচিত হত্যা মামলার রায় কাল
আলোচিত হত্যা মামলার রায় কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

ভাইরাল সেই বাসের লাইসেন্স বাতিল
ভাইরাল সেই বাসের লাইসেন্স বাতিল

পেছনের পৃষ্ঠা

কঠিন শাস্তির মুখে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল
কঠিন শাস্তির মুখে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

প্রথম পৃষ্ঠা

পদ ছাড়লেন কলকাতার মেয়র
পদ ছাড়লেন কলকাতার মেয়র

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজির দাম অল্প কমলেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে
সবজির দাম অল্প কমলেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে

পেছনের পৃষ্ঠা

শাকিব খানের উদ্বেগ
শাকিব খানের উদ্বেগ

শোবিজ

যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুদ্ধ ক্ষমতা হ্রাসের বিল পাসে ক্ষুব্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

আইভরি কোস্টে হোঁচট ফ্রান্সের
আইভরি কোস্টে হোঁচট ফ্রান্সের

মাঠে ময়দানে

কৃষিপণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার আজারবাইজান
কৃষিপণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার আজারবাইজান

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেরি থেকে আবার পদ্মায় বাস
ফেরি থেকে আবার পদ্মায় বাস

প্রথম পৃষ্ঠা

তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত
তুরস্কের সহযোগিতা চাইল জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

হারিয়ে যাচ্ছে গুইংগারহাট খাল
হারিয়ে যাচ্ছে গুইংগারহাট খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

ডলার প্রতারণা করতেন তারা
ডলার প্রতারণা করতেন তারা

দেশগ্রাম

আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?
আর কত মৃত্যু হলে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় শৃঙ্খলা ফিরবে?

প্রথম পৃষ্ঠা

দিল্লির হোটেলে আগুনে নিহত কুমিল্লার সোহাগ
দিল্লির হোটেলে আগুনে নিহত কুমিল্লার সোহাগ

পেছনের পৃষ্ঠা

শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার
শুধু রামিসা নয়, দ্রুততম বিচার হোক সব হত্যার

সম্পাদকীয়

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফেরত যাচ্ছে জাহাজ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফেরত যাচ্ছে জাহাজ

পেছনের পৃষ্ঠা