শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ মে, ২০১৯ ০১:৩৪

চাল আমদানি বন্ধ করে রফতানির সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

চাল আমদানি বন্ধ করে রফতানির সুপারিশ

ধানের ন্যায্যমূল্য ও কৃষকের স্বার্থসংরক্ষণে সরাসরি তাদের কাছ থেকে ধান কেনার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। একই সঙ্গে বিদেশ থেকে চাল আমদানি অবিলম্বে বন্ধ করে দ্রুত বিদেশে চাল রপ্তানির উদ্যোগ নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সংসদ ভবনে গতকাল অনুষ্ঠিত খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় এসব সুপারিশ করা হয়।  বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম। খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, মো. আয়েন উদ্দিন এবং আতাউর রহমান খান বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম সাংবাদিকদের বলেন, এবার ধান উৎপাদন বেশি হয়েছে। এ জন্য কমিটি সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার জন্য বলেছে, যাতে মধ্যস্বত্বভোগীরা কোনো সুযোগ না পায়। আমরা সচ্ছতার সঙ্গে ধান ক্রয় ও সংরক্ষণ করার সুপারিশ করেছি। আমরা সরকারকে বলেছি, দেড় লাখ টন ধান কেনার যে লক্ষ্যমাত্রা এবার নির্ধারণ করা হয়েছে, তার চেয়ে যেন আরও বেশি ধান কেনা হয়। এ ছাড়া কমিটি চাল আমদানি বন্ধ করে ভর্তুকি দিয়ে হলেও চাল রপ্তানি করার সুপারিশ করেছে।

কমিটির সদস্য খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, সংসদীয় কমিটির সুপারিশ বিবেচনা করবে মন্ত্রণালয়।  ধান যাতে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে কেনা হয় তা তদারকির জন্য ২০টি মনিটরিং টিম কাজ করবে। তারা কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করবে। তিনি আরও বলেন, সরকার ১৪ শতাংশ আদ্রতাসম্পন্ন ধান কিনছে। যে কারণে অনেক কৃষককে বাধ্য হয়ে চাতাল মালিকদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে। প্যাডি সাইলো নির্মাণ করা হলে কৃষক সেখানে নিজের ধান শুকিয়ে বিক্রি করতে পারবে। সারা দেশে ২০০টি ৫ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতার ‘প্যাডি সাইলো’ নির্মাণ করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

সংসদের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, বৈঠকে খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধে ভেজালবিরোধী অভিযান সারা বছর অব্যাহত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম শক্তিশালী করতে লোকবল বৃদ্ধি এবং প্রতিটি জেলায় এর কার্যক্রম সম্প্রসারণের সুপারিশ করা হয়।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মন্তব্য