শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ১২ জুন, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ১২ জুন, ২০২১ ০০:০৪

হল-ক্যাম্পাস খুলে দিতে ছাত্র-শিক্ষক সমাবেশ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

Google News

স্বাস্থ্যবিধি মেনে হল-ক্যাম্পাস খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ। রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক সংহতি সমাবেশ থেকে এমন দাবি জানিয়েছেন তারা। গতকাল বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। একই দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করে আসছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। গত রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপিও প্রদান করেন তারা।

সংহতি সমাবেশে ডক্টরস প্ল্যাটফরম ফর পিপলস হেলথের সদস্য ড. জয়দীপ ভট্টাচার্য বলেন, শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন তারিখ দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা বলেছেন। খুলে  দেবেন ভালো কথা, কিন্তু আপনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি আসলে কী নিয়েছেন, এখনো নিচ্ছেন কি না। এই খুলে দেওয়ার বক্তব্য একটা অন্তঃসারশূন্য বক্তব্য মাত্র। তিনি বলেন, আপনি যদি অন্য দেশের দিকে তাকান তাহলে দেখবেন, তারা আস্তে আস্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়েছে, বিভিন্ন শিফটে ভাগ করে খুলে দিয়েছে। তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে খুলে দেওয়া যায়, তার একটা রূপরেখা তৈরির জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী-চিকিৎসকদের মতামত নিয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশে কি এমন কোনো পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে? নেওয়া হয়নি। এদিকে, সমাবেশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদসহ কয়েকজন শিক্ষক সংহতি প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।  সমাবেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে ইসহাক সরকার নামে এক অভিভাবক বলেন, আমি খুব শঙ্কিত, যখন আমি ঘরে ঢুকে দেখি আমার বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়ে সারা দিন মোবাইল হাতে বসে থাকে। আমার অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া শিক্ষার্থী, আমার মেয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়, ‘আর ভালো লাগছে না, একাকিত্ব আর ভালো লাগে না’, তখন আমি খুব উদ্বিগ্ন হই। শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড, সেখানে কখন জানি শিক্ষাকে বাদ দিয়ে শাসনই জাতির মেরুদন্ড হয়, এটা ভেবে আমি শঙ্কিত।

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ইসমাইল সম্রাট বলেন, সবকিছু খুলে দিয়ে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বন্ধ রাখা হয়েছে কেন? শিক্ষা যদি আমাদের মৌলিক অধিকার হয়ে থাকে, দেশ যদি সংবিধানিকভাবে চলে, তাহলে আমাদের মৌলিক অধিকার শিক্ষা বন্ধ রাখা হয়েছে কোন অধিকারে?