স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, মেডিকেল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও নৈতিকতায় ভালো ডাক্তার হিসেবে তৈরি করতে হবে। মানুষ বাঁচাতে এর বিকল্প নেই। আর এ ক্ষেত্রে বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
গতকাল বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)-এর বার্ষিক সম্মেলন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা হোটেলে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)-এর বার্ষিক সম্মেলন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। বিপিএমসিএর সভাপতি ডা. শেখ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. মোহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. হুমায়ুন কবির তালুকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. নাদিম আহম্মদ। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভালোমানের চিকিৎসক তৈরিতে উৎসাহ দিয়ে এগিয়ে আসতে হবে বেসরকারি মেডিকেল খাতকে। মেডিকেল শিক্ষার্থীদের নিয়মিত কাউন্সিলিং করতে হবে, যেন তারা চাপের মুখে হতাশায় না ভোগে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে দেশের হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে আগামী ২০ এপ্রিল সারা দেশে টিকা প্রদান করা হবে। এ ক্ষেত্রে ডাক্তাররা যথেষ্ট ত্যাগ ও ধৈর্য নিয়ে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। করোনাকালে তারা রোগীদের জন্য অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন বিপিএমসিএর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সহসভাপতি মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন, সহসভাপতি ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আবদুস সবুর, ইউনিভার্সল মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান প্রীতি চক্রবর্তী।
পরে দেশের পর্যায়ের শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বার্ষিক সম্মেলন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে বিকালে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)-এর ১৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়।