শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:০৩, বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০৯:০৪, বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫

নো হাংকি-পাংকি! বাঁকা আঙুলে ঘি তোলার হুমকি!

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
নো হাংকি-পাংকি! বাঁকা আঙুলে ঘি তোলার হুমকি!

হাংকি-পাংকি নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা এতটাই নাজুক যে আজকের নিবন্ধে সেই অভিজ্ঞতা কিভাবে বলি তা নিয়ে ভাবছি। অন্যদিকে সোজা আঙুলে ঘি উঠবে না-বুঝেছি এবার আঙুল বাঁকা করতে হবে-এমনতরো হুমকি-ধমকি সারা জীবন শুনে আসছি। কিন্তু আমার বাবার জন্মেও কোনো রাজনৈতিক নেতার মুখে রাজনীতির মঞ্চে দাঁড়িয়ে ওসব কথা উচ্চারিত হতে শুনিনি। অথচ হাল আমলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমনকি ঘটল যার কারণে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত কিংবা অপদস্থ করার জন্য ওসব হাবিজাবি বলতে হচ্ছে?

রাজনীতিতে হম্বিতম্বি একটি অপরিহার্য কৌশল। কিন্তু কোনো অবস্থায়ই হাংকি-পাংকি দিয়ে রাজনীতি হয় না-কোনো দেশে হয়নি এবং আগামী দিনেও হবে না। হাংকি-পাংকির সঙ্গে রাজনীতির কি সম্পর্ক তা যদি বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে আপনাকে কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে বর্ণিত গণিকা অধ্যায় পড়তে হবে। গণিকাবিষয়ক মন্ত্রী ও গণিকা মন্ত্রণালয় মৌর্য সাম্রাজ্যে কী কাজ করত তা যদি হাল আমলের হাংকি-পাংকি বক্তা করতে চান, তাহলে সেটা হয়তো ভিন্ন প্রসঙ্গ হতে পারে। আবার হাংকি-পাংকির সঙ্গে ঘিয়ের কি সম্পর্ক তা যদি মৌর্য বংশের তিন মহামতি যথা চন্দ্রগুপ্ত, বিন্দুসার ও অশোক দ্য গ্রেটকে জিজ্ঞাসা করা হতো, তাঁরা নির্ঘাত জ্ঞান হারাতেন।

সারা দুনিয়ায় ঘি একটি উচ্চ মাত্রার স্নেহজাতীয় পদার্থ। তেল মারাকে যদি তোষামোদির সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাহলে এ ক্ষেত্রে ঘিয়ের ব্যবহার রীতিমতো রাজকীয় ব্যাপারস্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। কথায় কথায় হর্তাকর্তাদের তোষামোদ এবং মন্ত্রী-এমপিদের দালালরূপে আওয়ামী লীগ জামানায় একজন লোক এতটা কুখ্যাতি পেয়েছিলেন যে তাঁকে লোকজন ঘি বাবুল হিসেবে ডাকত। ঘি নিয়ে তোষামোদির ওই একটি উদাহরণই আমার জানা আছে। কিন্তু বাংলা প্রবাদ-প্রবচনে যেভাবে আঙুল বাঁকা করে ঘি ওঠানোর কথা বলা হয়েছে তার সঙ্গে বাস্তব জীবনের শক্তিমত্তা প্রদর্শন-দাম্ভিকতা বা জোরজবরদস্তির কী মিল রয়েছে, তা আমার জানা নেই।

আগেই বলেছি ঘি একটি স্নেহজাতীয় পদার্থ। আমাদের দেশের শীতকালের তাপমাত্রায় ঘি জমে যায় এবং সেই ঘি তোলার জন্য আঙুল বাঁকা করতে হয়। অন্যদিকে বসন্ত, হেমন্ত ও শরতে ঘি অনেকটা দানাদার অবস্থায় থাকে, যখন আঙুল ঢুকালে এমনিতেই কিছুটা ঘি উঠে আসে। কিন্তু গ্রীষ্মকালে ঘি তেলের মতোই পাতলা থাকে এবং সে অবস্থায় আঙুল বাঁকা করলেও কাজ হয় না। সুতরাং রাজনীতির উত্তপ্ত গ্রীষ্মকাল বা তাপপ্রবাহ যখন চলতে থাকে, তখন আঙুল বাঁকা করে লাভ হয় না, বরং উল্টো প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। গরম আবহাওয়ার সময় আমাদের দেশে যেমন বিয়ে-থা, আচার-অনুষ্ঠান কিংবা আনন্দ-ফুর্তি হয় না, তেমনি প্রকৃতি বিরূপ থাকলে রাজনীতিও জমে ওঠে না। ফলে আমাদের দেশে শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্তকালকে রাজনীতির পালাবদলের উত্তম সময় বিবেচনা করা হয়।

রাজনীতিতে প্রাকৃতিক আবহাওয়া, প্রকৃতি-পরিবেশ অর্থাৎ স্থান-কাল-পাত্র অত্যন্ত জরুরি। এখানে উপযুক্ত প্রতিপক্ষ না থাকলে মারামারি, হানাহানি, জুলুম-অত্যাচার মারাত্মকভাবে বাড়তে থাকে। প্রতিপক্ষ বা প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলে রাষ্ট্রব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়ে। ন্যায়বিচার, সুশাসন, নাগরিক অধিকার ইত্যাদি বিষয় নির্বাসনে চলে যায়। ফলে সমাজ-সংসার-রাষ্ট্রে ভয়াবহ অশান্তি ও বিপর্যয় দেখা দেয়। শরীর দুর্বল হলে যেভাবে রোগ-জীবাণু বাসা বাঁধে, তেমনি রাষ্ট্র দুর্বল হলে- ছোট মুখে বড় কথা- ছাগলে চাটে বাঘের গাল ইত্যাদি উপসর্গ ততটাই প্রকট হয়ে পড়ে যে মানুষ বেঁচে থাকার আনন্দ হারিয়ে ফেলে। অনেকের মধ্যে বৈরাগ্য দেখা দেয়। কেউ কেউ দেশান্তরি হওয়ার জন্য ইতিউতি শুরু করে দেয়।

প্রকৃতি কখনো শূন্যতা সহ্য করতে পারে না। শূন্যস্থান পূর্ণ করতে গিয়েই প্রকৃতিতে কালবৈশাখী, মরুঝড় সাইমুম কিংবা সুনামি অথবা অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে। বন্যা-নদীভাঙন, পঙ্গপালের আবির্ভাব ইত্যাদি প্রাকৃতিক বির্যয়ের পেছনে থাকে শূন্যতা। সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থায় শূন্যতা থাকলে চুরি-ডাকাতি-গুণ্ডামি-রাহাজানি-টাউটারি-বাটপাড়ি অনিবার্য হয়ে পড়ে। শূন্যতার কারণেই ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প উৎপাদন, নতুন বিনিয়োগ মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয় এবং একটি ধনী রাষ্ট্রও কয়েক মাসের মধ্যেই দেউলিয়া হয়ে পড়ে।

সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থায় অসংখ্য বিষয়ের শূন্যতা ঘটতে পারে। মেধা, মননশীলতা, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতিচর্চার অভাব যেসব শূন্যতা সৃষ্টি করে অথবা ন্যায়বিচার, সুশাসন, গণতন্ত্রের চর্চা ইত্যাদির ঘাটতি থাকলে মানুষ যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তা রীতিমতো গজবে পরিণত হয়, যখন রাজনীতিতে শূন্যতা তৈরি হয়। রাজনীতির শূন্যতার কারণে যুদ্ধ-বিগ্রহ-মারামারি-হানাহানি-দুর্ভিক্ষ ইত্যাদি যত দ্রুত একটি দেশকে রসাতলে নিয়ে যায় তা অন্য কোনো প্রাকৃতিক শূন্যতা ঘটাতে পারে না।

আমাদের দেশের রাজনৈতিক বিপর্যয় শুরু হয়েছিল ২০০৭ সালে ১/১১-র মাধ্যমে। তখনকার দৈত্যরা যেসব জুলুম-নির্যাতনের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিল এবং যেভাবে দেশের শিল্পী-সাহিত্যিক-ব্যবসায়ী-বুদ্ধিজীবীকে রাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ বানিয়ে মানুষের মেরুদণ্ডে আঘাত করেছিল তার ফলে অতি অল্প সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড ভেঙে যায়। ১/১১-র কুশীলবরা পালিয়ে যায় এবং রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চালু হলে তা আবার হুমকির মুখে পড়ে ২০১৫ সালে-রাজনীতির নামে হাংকি-পাংকি করার অভিলাষের মাধ্যমে। পরবর্তী ১০ বছরে যেভাবে রাজনীতির ময়দানের ক্ষমতাধররা প্রতিপক্ষের মেধা, মননশীলতা, সাহস ও শক্তির ওপর কুঠারাঘাত করেছে তার ফলে রাজনীতির ময়দানে রীতিমতো বুদ্ধি-বিবেক, সৌজন্য-ভদ্রতা-নম্রতার মড়ক শুরু হয়। একে একে হারিয়ে যেতে থাকেন বড় বড় রাজনীতিবিদ। কেউ কেউ মরে গিয়ে শূন্যতা তৈরি করেন আবার অনেকে চুপ থেকে শূন্যতা পয়দা করতে থাকেন। অনেকে আবার তাপে-চাপে, অর্থলোভে ক্ষমতার কাছে নিজেদের বিকিয়ে দিয়ে নিজেরা মোনাফেকি, আত্মপ্রবঞ্চনা, রাজনৈতিক ধোঁকাবাজি, বিশ্বাসঘাতকতার এক বিরল নিন্দিত উদাহরণ তৈরি করে পুরো ময়দানকে অনুর্বর, ঊষর ও বিরানভূমিতে পরিণত করেন।

উল্লিখিত ধারাবাহিক কর্মকাণ্ডের কারণে আমাদের দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে কি পরিমাণ শূন্যতার তৈরি হয়েছে এবং সেই শূন্যতার কারণে মানুষের প্রাণবায়ু কিভাবে কণ্ঠনালিতে চলে এসেছে, তা দেশের আঠারো কোটি মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে। গত চৌদ্দ মাসে যা দেখেছি, যা শুনেছি এবং যা ঘটেছে তা আমাদের কতটা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তা হিসাব-নিকাশের চেয়ে চলমান বন্ধ্যাত্ব আমাদের আগামী দিনে কতটা রসাতলে নিয়ে যাবে সেই আতঙ্কে মানুষের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।

দীর্ঘদিনের পক্ষাঘাতগ্রস্ত মানুষ যদি হঠাৎ দৌড় দেওয়ার চেষ্টা করে, বধির যদি ভান করে যে সে সব কিছু শুনছে অথবা অন্ধ যদি ব্যস্ত সড়কে চক্ষুষ্মাণের মতো দৌড় দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে যে ধরনের পরিণতি ঘটে ঠিক তার চেয়েও ভয়াবহ পরিণতি ঘটে যদি রাজনীতিবিদের মেরুদণ্ড নষ্ট হয়ে যায়। নষ্ট মেরুদণ্ড নিয়ে বড়জোর বিষাক্ত সর্প হওয়া সম্ভব, কিন্তু কিয়ামত হয়ে গেলেও জুলিয়াস সিজার বা নেপোলিয়ন বোনাপার্ট হওয়া সম্ভব নয়।

রাজনৈতিক শূন্যতার সমূহ বিপদ হলো-এখানে ঘসেটি বেগমরা সুযোগ পেলে জোয়ান অব আর্ক হয়ে হুংকার দেয়। মীরজাফরের দল রবার্ট ব্রুস অথবা মহাবীর হ্যানিবলের মতো হৈ-হুল্লোড় শুরু করে। উমিচাঁদ-জগেশঠরা দাতা হাতেম তাঈ, হাজি মুহম্মদ মুহসীন কিংবা খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজ (দ্বিতীয় উমর) হয়ে যায়। আবদুল্লাহ বিন উবাইয়ের মতো মোনাফেক, মুসায়লামাতুল কাজ্জাবের মতো মিথ্যাবাদী, ভণ্ড, চেঙ্গিস খান, হালাকু খানের মতো অত্যাচারীরা হঠাৎ মানবতার ফেরিওয়ালা হয়ে মানবসমাজে দাজ্জালের মতো ফিতনা তৈরি করে ফেলে।

মানবজাতির ইতিহাসের ১০ হাজার বছরের রাজনৈতিক উপাখ্যানে যতবারই কোনো রাষ্ট্র রাজনৈতিক শূন্যতার কবলে পড়েছে, তখন সেই ভূখণ্ডের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব চলে গেছে। সভ্যতার সব নিদর্শন এমনভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে, যা পরবর্তীকালে আর উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সিন্ধু ও মহেঞ্জোদারোর সভ্যতা ধ্বংস, পার্সিপোলিশ, গুরগাও কিংবা কার্থেজ নগরীর ধ্বংসের ইতিহাসের সঙ্গে রাজনীতির শূন্যতার কী সম্পর্ক তা যদি কলিকালের রাজনীতিবিদরা জানতেন, তাহলে ভুলেও রাজনীতির মঞ্চে দাঁড়িয়ে হাংকি-পাংকির কথা চিন্তা করতেন না কিংবা আঙুল বাঁকা করে রাজনীতির ঘি মন্থন করার কথা বলতেন না।

লেখক : রাজনীতিবিদ ও কলাম লেখক।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
ভয়মুক্ত ভোটের নিশ্চয়তা সেনাবাহিনীর ভূমিকায় গণতন্ত্রের নিরাপত্তা
ভয়মুক্ত ভোটের নিশ্চয়তা সেনাবাহিনীর ভূমিকায় গণতন্ত্রের নিরাপত্তা
ব্যাংকিং খাতে প্রয়োজন ডিপোজিট ইনস্যুরেন্স
ব্যাংকিং খাতে প্রয়োজন ডিপোজিট ইনস্যুরেন্স
৩০ বছরের বন্দর চুক্তি : লাভ না ঝুঁকি?
৩০ বছরের বন্দর চুক্তি : লাভ না ঝুঁকি?
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে
কপ১১ বৈঠকে তামাক নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞানভিত্তিক নীতির দাবি জোরদার
কপ১১ বৈঠকে তামাক নিয়ন্ত্রণে বিজ্ঞানভিত্তিক নীতির দাবি জোরদার
বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা
বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের অনুপ্রেরণা
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কেন প্রয়োজন
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কিংবদন্তি
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের কিংবদন্তি
চব্বিশের ধাক্কা যে শিক্ষা দিল
চব্বিশের ধাক্কা যে শিক্ষা দিল
নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা
নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা, প্রত্যাশা ও বাস্তবতা
ভারসাম্যহীনতা ডেকে আনে বিপর্যয়
ভারসাম্যহীনতা ডেকে আনে বিপর্যয়
সর্বশেষ খবর
রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন
রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালন

এই মাত্র | নগর জীবন

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ২ লাখ ৭৫ হাজার প্রবাসীর নিবন্ধন
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ২ লাখ ৭৫ হাজার প্রবাসীর নিবন্ধন

৭ মিনিট আগে | জাতীয়

‘দেশে আর আমি-ডামি নির্বাচন হবে না’
‘দেশে আর আমি-ডামি নির্বাচন হবে না’

৮ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে ‌‌‌‘পাখি’: কবে, কোথায় দিনক্ষণ জানালেন অভিনেত্রী
আবারও বিয়ের পিঁড়িতে ‌‌‌‘পাখি’: কবে, কোথায় দিনক্ষণ জানালেন অভিনেত্রী

৯ মিনিট আগে | শোবিজ

কালুখালীতে বিজয়ের মাস উপলক্ষে শুভসংঘের কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা
কালুখালীতে বিজয়ের মাস উপলক্ষে শুভসংঘের কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা

১৯ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ : ৮ মরদেহের ডিএনএ সংগ্রহ ও পোস্টমর্টেম সম্পন্ন
গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ : ৮ মরদেহের ডিএনএ সংগ্রহ ও পোস্টমর্টেম সম্পন্ন

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

মুন্সীগঞ্জে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত
মুন্সীগঞ্জে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নোয়াখালীতে শর্টসার্কিটের আগুনে পুড়ল ৯ দোকান
নোয়াখালীতে শর্টসার্কিটের আগুনে পুড়ল ৯ দোকান

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জাপানে ৭.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে বাড়িঘরে আগুন, আহত অন্তত ৩৩
জাপানে ৭.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে বাড়িঘরে আগুন, আহত অন্তত ৩৩

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে ঠোঁটের বাড়তি যত্ন
শীতে ঠোঁটের বাড়তি যত্ন

২৮ মিনিট আগে | জীবন ধারা

৮ দলের বৈঠক : আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা শুরু হচ্ছে আজ
৮ দলের বৈঠক : আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা শুরু হচ্ছে আজ

২৮ মিনিট আগে | রাজনীতি

চ্যাটজিপিটিতে বিজ্ঞাপন যুক্ত হচ্ছে না, জানাল ওপেনএআই
চ্যাটজিপিটিতে বিজ্ঞাপন যুক্ত হচ্ছে না, জানাল ওপেনএআই

৪১ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মানিকগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালিত
মানিকগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস পালিত

৪৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চাকরি বিধিমালা প্রণয়নের দাবিতে মেট্রোরেল কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি
চাকরি বিধিমালা প্রণয়নের দাবিতে মেট্রোরেল কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী

৫৫ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

মোহাম্মদপুরে খুন হওয়া মা–মেয়ের মরদেহ পৌঁছেছে গ্রামে, দাফন দুপুরে
মোহাম্মদপুরে খুন হওয়া মা–মেয়ের মরদেহ পৌঁছেছে গ্রামে, দাফন দুপুরে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সূচকের বড় উত্থানের পুঁজিবাজারে লেনদেন চলছে
সূচকের বড় উত্থানের পুঁজিবাজারে লেনদেন চলছে

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

দুর্নীতিবাজদের প্রতি ঘৃণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে : অর্থ উপদেষ্টা
দুর্নীতিবাজদের প্রতি ঘৃণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে : অর্থ উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টরন্টোয় ‘সূর্য ল’র জমকালো ক্রিসমাস পার্টি
টরন্টোয় ‘সূর্য ল’র জমকালো ক্রিসমাস পার্টি

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা বাড়ি হস্তান্তরে হাইকোর্টের রায় প্রকাশ
সালাম মুর্শেদীর দখলে থাকা বাড়ি হস্তান্তরে হাইকোর্টের রায় প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জনগণ দায়িত্ব দিলে বিএনপি আবারও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়বে : তারেক রহমান
জনগণ দায়িত্ব দিলে বিএনপি আবারও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়বে : তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাকিস্তানে সীমান্তের কাছে সন্ত্রাসী হামলায় ৬ সেনা নিহত
পাকিস্তানে সীমান্তের কাছে সন্ত্রাসী হামলায় ৬ সেনা নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজীপুরে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ
গাজীপুরে কারখানা বন্ধ ঘোষণা করায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঢাকা কলেজ ও আইডিয়ালের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
ঢাকা কলেজ ও আইডিয়ালের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে হাসনাত আবদুল্লাহ
আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে হাসনাত আবদুল্লাহ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তাপমাত্রা নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর
তাপমাত্রা নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ নারীর হাতে বেগম রোকেয়া পদক তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
৪ নারীর হাতে বেগম রোকেয়া পদক তুলে দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নারায়ণগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
নারায়ণগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

থাইল্যান্ড–কম্বোডিয়া সীমান্তে নতুন করে সংঘাত, দুই দিনে নিহত ৭
থাইল্যান্ড–কম্বোডিয়া সীমান্তে নতুন করে সংঘাত, দুই দিনে নিহত ৭

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হলেন ৩১ কর্মকর্তা
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হলেন ৩১ কর্মকর্তা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাজধানীতে ফ্ল্যাটে ঢুকে মা-মেয়েকে হত্যা, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল
রাজধানীতে ফ্ল্যাটে ঢুকে মা-মেয়েকে হত্যা, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আমিরুলের হ্যাটট্রিকে বিশ্বকাপে ট্রফি জয় বাংলাদেশের
আমিরুলের হ্যাটট্রিকে বিশ্বকাপে ট্রফি জয় বাংলাদেশের

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খেলাপি ৩৮ কোটি টাকা পরিশোধে মান্নাকে ইসলামী ব্যাংকের নোটিশ
খেলাপি ৩৮ কোটি টাকা পরিশোধে মান্নাকে ইসলামী ব্যাংকের নোটিশ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তামিমকে অধিনায়ক করে এশিয়া কাপের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তামিমকে অধিনায়ক করে এশিয়া কাপের দল ঘোষণা বাংলাদেশের

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাবরি মসজিদ নির্মাণের দানবাক্সে বিপুল অর্থ, চলছে গণনা
বাবরি মসজিদ নির্মাণের দানবাক্সে বিপুল অর্থ, চলছে গণনা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১৮টি রাজনৈতিক দল নিয়ে আত্মপ্রকাশ নতুন জোট এনডিএফের
১৮টি রাজনৈতিক দল নিয়ে আত্মপ্রকাশ নতুন জোট এনডিএফের

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আখতারকে নিয়ে জামায়াতের বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ এনসিপির
আখতারকে নিয়ে জামায়াতের বিবৃতির নিন্দা ও প্রতিবাদ এনসিপির

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা আবেদন জমাদান কেন্দ্র বাড়ালো রোমানিয়া
বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা আবেদন জমাদান কেন্দ্র বাড়ালো রোমানিয়া

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের দিনই গণভোট, মেনে নিল আন্দোলনরত ৮ দল
নির্বাচনের দিনই গণভোট, মেনে নিল আন্দোলনরত ৮ দল

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আমদানির খবরে কমছে পিয়াজের দাম
আমদানির খবরে কমছে পিয়াজের দাম

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
ভারতের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমজনতার দলে যোগ দিতে চাইলে জামায়াত নেতাদের বিশেষ শর্ত
আমজনতার দলে যোগ দিতে চাইলে জামায়াত নেতাদের বিশেষ শর্ত

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিটিভি-বেতারকে তফসিল রেকর্ড করতে প্রস্তুত থাকতে বললো ইসি
বিটিভি-বেতারকে তফসিল রেকর্ড করতে প্রস্তুত থাকতে বললো ইসি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিলেন বিএলডিপি’র চেয়ারম্যান সেলিম
দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিলেন বিএলডিপি’র চেয়ারম্যান সেলিম

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘ওয়ার্ক ভিসা’ নিয়ে ইতালি দূতাবাসের বার্তা
‘ওয়ার্ক ভিসা’ নিয়ে ইতালি দূতাবাসের বার্তা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিকতা-আইন পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা
সাংবাদিকতা-আইন পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতকে আরও কঠোর জবাব দেয়া হবে, হুঁশিয়ারি আসিম মুনিরের
ভারতকে আরও কঠোর জবাব দেয়া হবে, হুঁশিয়ারি আসিম মুনিরের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সমঝোতার ভিত্তিতে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে জামায়াত
সমঝোতার ভিত্তিতে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে জামায়াত

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, গৃহকর্মী পলাতক
মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, গৃহকর্মী পলাতক

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এক হামলাতেই ৩৬ মোসাদ সদস্যকে হত্যার দাবি ইরানের
এক হামলাতেই ৩৬ মোসাদ সদস্যকে হত্যার দাবি ইরানের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপের সূচি দেখেই আতঙ্কে বড় দলগুলো, কিন্তু কেন?
বিশ্বকাপের সূচি দেখেই আতঙ্কে বড় দলগুলো, কিন্তু কেন?

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলি সমরাস্ত্রে সাজছে জার্মানি, নেপথ্যে কি?
ইসরায়েলি সমরাস্ত্রে সাজছে জার্মানি, নেপথ্যে কি?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান
খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আবারও খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে : তারেক রহমান
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আবারও খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে : তারেক রহমান

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাজেট থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হলো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে
বাজেট থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হলো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংককে

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

অনলাইনে কেনা খেজুরের গুড় আসল কিনা যাচাই করার সহজ উপায়
অনলাইনে কেনা খেজুরের গুড় আসল কিনা যাচাই করার সহজ উপায়

১৬ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

তুর্কি ড্রোনের বিস্ময়কর সাফল্যে বদলে গেল আকাশযুদ্ধের মোড়
তুর্কি ড্রোনের বিস্ময়কর সাফল্যে বদলে গেল আকাশযুদ্ধের মোড়

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইতিহাসে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ইরানি মুদ্রা, এক ডলারে ১২ লাখ ৫০ হাজার রিয়াল
ইতিহাসে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ইরানি মুদ্রা, এক ডলারে ১২ লাখ ৫০ হাজার রিয়াল

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, বিশ্বরেকর্ড গড়ার প্রত্যয় বাংলাদেশের
বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, বিশ্বরেকর্ড গড়ার প্রত্যয় বাংলাদেশের

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কারাগারে সাংবাদিক শওকত মাহমুদ
কারাগারে সাংবাদিক শওকত মাহমুদ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
এটিএম কার্ডে মেট্রোরেলে ভ্রমণ
এটিএম কার্ডে মেট্রোরেলে ভ্রমণ

শিল্প বাণিজ্য

অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার শর্ত ছিল না
অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন দেওয়ার শর্ত ছিল না

প্রথম পৃষ্ঠা

বেগম রোকেয়ার বসতভিটার সাড়ে তিন শ বিঘা জমি গেল কই?
বেগম রোকেয়ার বসতভিটার সাড়ে তিন শ বিঘা জমি গেল কই?

নগর জীবন

১৫ টাকা খরচে ভিডিও কল কারাবন্দিদের
১৫ টাকা খরচে ভিডিও কল কারাবন্দিদের

পেছনের পৃষ্ঠা

ফরিদপুরে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি
ফরিদপুরে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি

পেছনের পৃষ্ঠা

তফসিল ঘোষণা যে কোনো দিন
তফসিল ঘোষণা যে কোনো দিন

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

পানির হাহাকারে বরেন্দ্র
পানির হাহাকারে বরেন্দ্র

নগর জীবন

ব্যানার পোস্টারে ছেয়ে গেছে ঢাকা
ব্যানার পোস্টারে ছেয়ে গেছে ঢাকা

প্রথম পৃষ্ঠা

এক-দুই সপ্তাহে পাঁচ ব্যাংকের আমানত ফেরত
এক-দুই সপ্তাহে পাঁচ ব্যাংকের আমানত ফেরত

প্রথম পৃষ্ঠা

আপাতত দেশেই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা
আপাতত দেশেই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা

প্রথম পৃষ্ঠা

১০ হাজারের বেশি মানুষকে মাটিচাপা
১০ হাজারের বেশি মানুষকে মাটিচাপা

প্রথম পৃষ্ঠা

২০০ আসনে বিজয়ী হলেও গঠন করব জাতীয় সরকার
২০০ আসনে বিজয়ী হলেও গঠন করব জাতীয় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্যাবলেট বিক্রেতাদের বাসস্টেশন কোথায়
ট্যাবলেট বিক্রেতাদের বাসস্টেশন কোথায়

প্রথম পৃষ্ঠা

মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা
মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের মাটিতে অবসর নেবেন সাকিব!
দেশের মাটিতে অবসর নেবেন সাকিব!

মাঠে ময়দানে

একজন ভালো আর সবাই খারাপ, এ প্রচার চলছে
একজন ভালো আর সবাই খারাপ, এ প্রচার চলছে

প্রথম পৃষ্ঠা

সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী
সুস্থ হয়ে উঠুন দেশনেত্রী

সম্পাদকীয়

দুর্নীতির অভিযোগের ছড়াছড়ি
দুর্নীতির অভিযোগের ছড়াছড়ি

প্রথম পৃষ্ঠা

৩১ বাংলাদেশিকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে ফেরত যুক্তরাষ্ট্রের
৩১ বাংলাদেশিকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে ফেরত যুক্তরাষ্ট্রের

প্রথম পৃষ্ঠা

তিন মাসে নতুন কোটিপতি ৭৩৪
তিন মাসে নতুন কোটিপতি ৭৩৪

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিধি বাড়ছে বৃহত্তর সুন্নি জোটের
পরিধি বাড়ছে বৃহত্তর সুন্নি জোটের

নগর জীবন

এনসিপির ১০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত ঘোষণা আজ
এনসিপির ১০০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত ঘোষণা আজ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচ বছরেও হয়নি চার্জশিট মামলার
পাঁচ বছরেও হয়নি চার্জশিট মামলার

পেছনের পৃষ্ঠা

এবার আনিসুল মঞ্জুর নেতৃত্বে নতুন জোট
এবার আনিসুল মঞ্জুর নেতৃত্বে নতুন জোট

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্বকাপে চ্যালেঞ্জার ট্রফি বাংলাদেশের
বিশ্বকাপে চ্যালেঞ্জার ট্রফি বাংলাদেশের

মাঠে ময়দানে

আদালতের দণ্ড নিয়েও বহাল রাকাব এমডি!
আদালতের দণ্ড নিয়েও বহাল রাকাব এমডি!

নগর জীবন

বেগম রোকেয়া নারী সমাজকে আলোর পথে এনেছিলেন
বেগম রোকেয়া নারী সমাজকে আলোর পথে এনেছিলেন

প্রথম পৃষ্ঠা

জেলেনস্কিকে নিয়ে হতাশ ট্রাম্প
জেলেনস্কিকে নিয়ে হতাশ ট্রাম্প

পূর্ব-পশ্চিম

অপহৃত ১০০ স্কুলশিক্ষার্থী উদ্ধার
অপহৃত ১০০ স্কুলশিক্ষার্থী উদ্ধার

পূর্ব-পশ্চিম