শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৫৩, শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫

প্রকৃতির সঙ্গে কী সম্পর্ক চাই

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
প্রকৃতির সঙ্গে কী সম্পর্ক চাই

বাঙালির পিঠে বোঝার অবধি নেই। ঋতুও একটা বোঝা, যদিও সেভাবে তাকে দেখা হয় না। আমরা বলি, আমাদের দেশ ষড়ঋতুর লীলাক্ষেত্র। তা লীলাখেলা চলে বৈকি। কিন্তু তাতে মানুষের ভীষণ কষ্ট হয়। সব মানুষের নয়। সেসব মানুষের নয় যাদের সংগতি আছে উপভোগের। এদের সংখ্যা অল্প। বেশির ভাগ মানুষই ঋতুচক্রের ভারী বোঝাটা বহন করে বেড়াতে বাধ্য হয়, বছরের পর বছর। এই ভার বহনকারীদের সংখ্যা বাড়ে, বোঝাও ভারী হয়, সোনার বাংলা আশপাশে কোথাও দেখা যায় না, এমনকি কল্পনা করাও দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে।

বাংলার প্রকৃতি কৃপণ নয়, সে উর্বরা করেছে ভূমিকে। সহজ করেছে খাদ্য উৎপাদন। কিন্তু আদরের অন্তরালে সে একটা বড় নিষ্ঠুর কাজ করে রেখেছে বাঙালির জন্য। সেটা হচ্ছে স্বল্পে সন্তোষ। বড় অল্পতে সন্তুষ্ট হয় বাঙালি-ভাতে ও মাছে, মাছ না পেলে ডালে ও ভাতে। আর কিছু চাই না।

এটুকুতেই তার স্বর্গসুখ। সেজন্য প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত চাহিদা নিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা যেটুকু হয়েছে তা সামান্য। যা মূলত ঘটেছে তা হলো প্রকৃতির কাছে বেশির ভাগ সময়ে আত্মসমর্পণ, অন্য সময়ে সন্ধি। সংস্কৃতি আসলে মানুষের জয়ের ছবি; বাঙালির কথাই বলছি এখানে, ব্যতিক্রমের কথা নয়।

ছয়টি ঋতুর কথা আমরা বলি বটে, কিন্তু এদের তিনটি বড় দ্রুত চলে যায়। শরৎ থাকে ভেজা ভেজা। হেমন্ত থাকে শীতের জন্য প্রতীক্ষারত। ওদিকে বসন্ত খুবই চঞ্চল, শীতের কর্তৃত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে উল্লসিত, কিন্তু আবার গ্রীষ্মের ভয়ে কাতর। বস্তুত ঋতু আমাদের তিনটিই, গ্রীষ্ম, বর্ষা ও শীত। অন্য তিনটি এদেরই হেরফের এবং এদেরই আশ্রয়ে প্রতিপালিত। আমাদের সেরা ঋতু কোনটি? বলা যাবে কোনোটাই ভালো নয়, বিশেষ করে আজকের দিনে বড় তিনটির সব কটিই জ্বালাতন করে। তবু তুলনা করলে মানতেই হবে যে আমাদের সেরা ঋতু গ্রীষ্ম নয়, বর্ষাও নয়, সেরা হলো শীত।

গ্রীষ্মের তো প্রশ্নই ওঠে না। সে তো উৎপীড়ক। যতই ফল পাকাক না কেন, মানুষকে তার তপ্ত কড়াইতে ভাজা ভাজা করে ছাড়ে। তা ছাড়া কার ফল কে খায় এই বাংলাদেশে? অথবা উপমা বদলে বলা যায়, গ্রীষ্ম আমাদের ভিতর যা আছে তার সবটাই একেবারে নিংড়ে বের করে নেয়, দক্ষ ধোপার মতো। কিন্তু সেই নিংড়ে নেওয়াতে আমরা পরিষ্কার হই না, নোঙরাই হই বরঞ্চ। সব ঋতুতেই চলাফেরা কষ্টকর। কিন্তু গ্রীষ্মের স্বৈরাচারী রক্তচক্ষু যে নিষেধাজ্ঞা জারি করে থাকে এবং ঘর থেকে বের হলে যেভাবে শাস্তি দেয়, তা অন্য ঋতুর আয়ত্তে নেই, তা তারা যতই খারাপ হোক। গ্রীষ্মপ্রধান এই দেশে গ্রীষ্মপ্রধান নির্যাতনের ক্ষেত্রেও বটে।

বর্ষাকে আমরা যে ভালো মনে করি, সে গ্রীষ্মের সঙ্গে তুলনাতেই বোধ হয়। নইলে বর্ষা এমন কিছু আহামরি ঋতু নয়। তার ছবিও একটা বৃহৎ দুর্দশারই ছবি বটে। আমরা আশা করি, সে আমাদের রক্ষা করবে গ্রীষ্ম নামক জুলুমবাজের হাত থেকে। পানি দেবে। গ্রীষ্মকে ভিজিয়ে ছাড়বে। এবং আমাদের স্বস্তি দেবে।

দেয় কি? না, সব সময় দেয় না। তবু বর্ষা ছাড়া কে আছে আমাদের যে শুকিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচাবে। বর্ষাকালও গরমকালই। জুন সাংঘাতিক মাস, বাংলাদেশের জন্য। দিনগুলো দীর্ঘ এবং অত্যন্ত তপ্ত। সেই জুনকে আষাঢ় নামে ডাকি যখন, তখন বুকে বড় আশা থাকে। মেঘ আসবে আকাশ ছেপে, বাদলের ধারা নামবে ঝরঝর করে। পৃথিবীটা ঠান্ডা হবে, তৃষ্ণা কিছুটা হলেও মিটবে। মেটে কি? মিটুক না মিটুক, আশা তো করতে হবে, আশাভঙ্গের পরও আশা থাকে। বস্তুত আশাই জীবন। আশা পানির চেয়ে কম জরুরি নয়। বর্ষার বড় গুণ ওই প্রতিশ্রুতিই। সে বলে রেখেছে, আসবে। এবং যখন আসে দুম করেই আসে। ঝরঝর করে ঝরে পড়ে তার করুণা। কষ্ট হয় বৈকি, নানা রকমের যন্ত্রণা আছে বর্ষায়। ঘরে খাবার থাকে না, বাইরে গিয়ে কাজ করা কঠিন হয়। রোগ দেখা দেয়, সাপখোপ উঠে আসে ঘরে। চলাচল কঠিন হয়। বন্যা আসে। দুর্দশার ছবিই তো টইটম্বুর। তবু গ্রীষ্মকে সে বিদ্ধ করছে, কিংবা করবে এ বড়ই বড় কথা। বর্ষা গ্রীষ্মের রূঢ়তাকে প্রমাণিত করে না শুধু, আচ্ছাদিতও করে।

সে আরেকটা বড় গুণ বর্ষার। রহস্যময়। ঢেকে দেয়, আকাশে মেঘ, বাতাসে বৃষ্টি, নিচে পানি- চতুর্দিকে একটা অস্পষ্টতা। ঠিক রাত নয়, তবু রাতের মতো। এই জিনিসটা আসলে আমরা চাই। আমাদের জন্য বাস্তব বড়ই নির্মম, আমরা একটা অস্পষ্টতা পেলে বেঁচে যাই। বাস্তব তো আছেই, ফুটে উঠবেই, যতক্ষণ রহস্যটা থাকবে ততক্ষণ মন্দ কী। আমরা এটা উপভোগ করি। আমাদের আধ্যাত্মিকতা, অতীন্দ্রিয়তা, ভাববাদিতা সবকিছু রহস্যপ্রিয়তার সঙ্গে যুক্ত বটে। যার আরেক নাম বাস্তববিমুখতা। আর সেখানে এসেই লক্ষ করতে হয় যে ভালোমন্দ নয়, বর্ষা হচ্ছে আমাদের জন্য সবচেয়ে স্বাভাবিক ঋতু। তার প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের ঐতিহ্যের, আকাঙ্ক্ষার ও প্রবণতার একটা মিল আছে। বর্ষার মধ্যে যে স্বতঃস্ফূর্ততা, প্রাচুর্যের প্রতিশ্রুতি, আলস্যের আহ্বান, স্পর্শকাতরতার লালন, ভাবালুতার প্রশ্রয় ইত্যাদি রয়েছে, সেগুলো আমাদের কাছে খুবই আবেদনঘন, সন্দেহ কী। আমরা তাই সাড়া দিই। আমাদের দেশ নদীমাতৃক। পানি আমাদের প্রাণের চেয়েও প্রাণ।

পূর্ববঙ্গের জন্য তো বর্ষা একেবারেই নিজস্ব ঋতু। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জন্যও কম নয়। রবীন্দ্রনাথের জন্মস্থান পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা এতটা প্রচুর নয় এবং রবীন্দ্রনাথ বাংলার সব ঋতু সম্পর্কেই অসাধারণ কবিতা লিখেছেন, এ-ও সত্য। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ সব ঋতুর হয়েও বিশেষভাবে বর্ষারই কবি। তাঁর কবিতায়, গানে, এমনকি গদ্যেও বর্ষা যেমনভাবে উপস্থিত রয়েছে, তেমনভাবে অন্য কোনো ঋতু নেই। কাজী নজরুল ইসলাম তো ছিলেন আরও পশ্চিমের। তাঁর চুরুলিয়া প্রায় বিহারের কাছাকাছি। তিনিও বর্ষারই কবি, অন্য ঋতুর নন। এটাই মনে হয় স্বাভাবিক। বাঙালির হৃদয়বৃত্তি বর্ষায় যেমন সজীব হয়, তেমন অন্য কখনো হয় না। মাছ, ব্যাঙ ও চাতক পাখি আছে বুঝি আমাদের পূর্বপুরুষের স্মৃতিতে এবং বর্তমানে গঠনে। আমরা বৃষ্টির শব্দ শুনলে অতিদ্রুত সাড়া দিই, বৃষ্টি কেবল যে মাটিতে ও পানিতে পড়ে তা নয়, আমাদের সংবিতেও পড়ে বৈকি। আমার নিজের মনে আছে, আমাদের কালে সতীনাথের গাওয়া একটা গান ছিল, ‘এলো বরষা যে সহসা মনে তাই/ রিম ঝিমঝিম রিম ঝিমঝিম গান গেয়ে যাই,’ আমার যে বন্ধু গান গাইতে ভালোবাসত। তার গলায় ওই গানের গুণ আমরা কখনো মেপে দেখিনি, কিন্তু গাইবার সময় ওই যে তার মাথাটা দুলত, তাতে আমরা বলতাম, ‘তোমার মাথা তোমার গানের চেয়ে বেশি গীতিময়।’ সে দোলা তার একার নয়, আমাদের সবার। সব বাঙালির। বিশেষ করে বাঙালি মধ্যবিত্তের। বর্ষা এলে সমগ্র সত্তা দিয়ে সাড়া দেয় সে, মনে-প্রাণে গান গায়, বর্ষার গান। বাঙালি অবাঙালি হয় তার বর্ষাকে হারিয়ে।

কিন্তু বর্ষা আমাদের সেরা ঋতু নয়, যা আগেই বলেছি। সেরা ঋতু শীত। শীতেও অনেক কষ্ট আমাদের। সে-ও বোঝা বটে। শীতে বস্ত্রের সংকট আছে। তা ছাড়া সত্য তো এটাও যে গরমে আমরা যেখানে সেখানে পড়ে থাকতে পারি, গাছতলাতেও ক্ষতি নেই, কিন্তু শীতে পারি না। শীতে বিশেষ রকমের আশ্রয় দরকার হয়।

তবু শীতই শ্রেষ্ঠ। তখন খাবার থাকে ঘরে, যতটুকু থাকে। তখন পিঠা বানায় লোকে। শাকসবজি পাওয়া যায় বাজারে। শীত হচ্ছে গান ও উৎসবের সময়। চলাফেরা করায় অধিক সুবিধা গ্রীষ্ম ও বর্ষার তুলনায়। গ্রীষ্মের স্বৈরশাসন নেই, বর্ষার দুর্দশাও স্তিমিত। শীত আদর করে কিন্তু নষ্ট করে না, এবং শীতে খুব বেশি শীত বেশি দিন পড়ে না। চরমপন্থি নয় সে, অন্য দুটি বড় ঋতুর মতো। শীত চলে গেলে তাই আমাদের মুখ শুকায়। ক্ষণিকের বসন্ত কোনো সান্ত্বনাই নয়, শীতকে হারানোর।

প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক একেক ঋতুতে একেক রকম। গ্রীষ্মে আমরা আত্মসমর্পণ করি, বর্ষায় করি আপস। আর শীতে মনে হয় বন্ধুত্বমূলক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারি। সেটাই লক্ষ্য হওয়া দরকার। প্রকৃতিকে সম্পূর্ণ পরাভূত করার দরকার নেই, তাকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করলে সে প্রতিশোধ নেবে নীরবে ও গোপনে। প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাবে এবং আমরা বিপদে পড়ব। প্রকৃতি আধিপত্য করবে না মানুষের ওপর, মানুষই অধিপতি থাকবে; কিন্তু প্রকৃতি নিষ্ঠুর হবে না গ্রীষ্মের মতো। না, আপসেও মুক্তি নেই। যেজন্য বর্ষা আমাদের মুক্ত করে না, বন্দিই করে। আমাদের জন্য মুক্তি অত্যাবশ্যক।

আমরা মুক্তি চাই। আমরা সে রকমের উন্নতি চাই, যাতে বর্ষার দুর্দশাটা থাকবে না, কিন্তু প্রাণটা থাকবে। সে উন্নতি শুকনো হবে না, হবে জীবন্ত। মেঘ ডাকবে না, বৃষ্টিও হবে, আষাঢ় মাসের মতোই, কিন্তু প্লাবন দেখা দেবে না। এবং আয়োজন ও উদ্যোগ পর্যবসিত হবে না আষাঢ়ে গল্পে। ঘুম লেগে থাকবে না চোখে, কিন্তু ঘুম পালাবেও না, যেমন পালায় গরমের রাতে। স্বাভাবিকতাটুকুকে রক্ষা করেই এগোতে হবে সামনের দিকে। শীতের দিকে।

আহা, শীত যদি স্থায়ী হতো। প্রকৃতিতে হবে না জানি, কিন্তু আর্থসামাজিক ব্যবস্থায় তো হতে পারে। এবং হওয়াটা চাইও। কেননা আমরা বড়ই জব্দ আছি গ্রীষ্ম ও বর্ষার হাতে পড়ে। আমরা আমাদের নিজেদের এবং স্বল্পে সন্তুষ্ট আকাঙ্ক্ষার মুক্তি চাই। এবং অতি অবশ্যি নামাতে চাই ঋতুচক্রের বোঝাকে- ব্যক্তিগতভাবে নয়, সমষ্টিগতভাবে। প্রকৃতির ওপর নির্ভরতা নয়, তার কাছে অধিক কিংবা কম কোনো ধরনের অধীনতাও নয়। চাই সেই সম্পর্ক, যা একই সঙ্গে মৈত্রীর এবং কর্তৃত্বের। নইলে পিঠের বোঝা নত ছাড়া আর কিছু করবে না- আমাদের।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প
হাদির পর কে টার্গেট?
হাদির পর কে টার্গেট?
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
সরকার পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের আগে হত্যা বাড়বে
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক
পাহাড়ে শান্তির স্বপ্ন, জটিল বাস্তবতা
পাহাড়ে শান্তির স্বপ্ন, জটিল বাস্তবতা
সর্বশেষ খবর
চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রবীণদের মাঝে কম্বল বিতরণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রবীণদের মাঝে কম্বল বিতরণ

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পুষ্পা টু ছাড়িয়ে গেল রণবীরের ধুরন্ধর
পুষ্পা টু ছাড়িয়ে গেল রণবীরের ধুরন্ধর

১৫ মিনিট আগে | শোবিজ

প্রবাসীদের নিবন্ধন ৪ লাখ ছাড়াল
প্রবাসীদের নিবন্ধন ৪ লাখ ছাড়াল

১৯ মিনিট আগে | জাতীয়

নিজ বাড়ি থেকে অভিনেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নিজ বাড়ি থেকে অভিনেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

২১ মিনিট আগে | শোবিজ

মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে
মুসলিম যুবকের সাহসিকতায় বহু প্রাণ রক্ষা অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক বিচারপতি মেজবাহ উদ্দিনের মৃত্যুতে আধাবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্ট
সাবেক বিচারপতি মেজবাহ উদ্দিনের মৃত্যুতে আধাবেলা বন্ধ থাকবে সুপ্রিম কোর্ট

২৫ মিনিট আগে | জাতীয়

'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড
'৪ ব্যক্তির ভুলে' দাবানলে জ্বলছে ভারতের নাগাল্যান্ড

২৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২
দিনাজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মুন্সীগঞ্জে ত্রিবেনী চিত্র প্রদর্শনী ও জনস্বাস্থ্য মেলার উদ্বোধন
মুন্সীগঞ্জে ত্রিবেনী চিত্র প্রদর্শনী ও জনস্বাস্থ্য মেলার উদ্বোধন

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে গেলেন আর্শদীপ
মালিঙ্গাকে ছাড়িয়ে গেলেন আর্শদীপ

৩৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আলাভেসকে হারিয়ে আপাতত রক্ষা আলোনসোর চাকরি
আলাভেসকে হারিয়ে আপাতত রক্ষা আলোনসোর চাকরি

৪২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াতের নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা
জামায়াতের নেতারা অনুষ্ঠানে, বর্জন করলেন মুক্তিযোদ্ধারা

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শততম উইকেট নিয়ে অনন্য কীর্তি ভারতীয় অলরাউন্ডারের
শততম উইকেট নিয়ে অনন্য কীর্তি ভারতীয় অলরাউন্ডারের

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আজ থেকে সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে প্রবেশ সীমিত
আজ থেকে সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে প্রবেশ সীমিত

৪৯ মিনিট আগে | জাতীয়

হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় জিমি লাই দোষী সাব্যস্ত
হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা মামলায় জিমি লাই দোষী সাব্যস্ত

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চিলির নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন ডানপন্থি কাস্ত
চিলির নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন ডানপন্থি কাস্ত

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পঞ্চগড়ে সকালের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে
পঞ্চগড়ে সকালের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ
যে দামে কেনা যাবে প্রতি ভরি স্বর্ণ

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান
১০ বিলিয়ন ইউরোতে বার্সা কিনতে আগ্রহী যুবরাজ সালমান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পিসিএল শুরু হচ্ছে ২৬ মার্চ
পিসিএল শুরু হচ্ছে ২৬ মার্চ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রিয়ালের স্বস্তির জয়
রিয়ালের স্বস্তির জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জকসু নির্বাচনে শেষ দিনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন ৮ প্রার্থী
জকসু নির্বাচনে শেষ দিনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন ৮ প্রার্থী

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় রায়েদ সাদসহ নিহত ৩৮৬
যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি হামলায় রায়েদ সাদসহ নিহত ৩৮৬

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন আর নেই
সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন আর নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কলম্বিয়ায় শিক্ষার্থীদের বাস খাদে পড়ে নিহত ১৭, আহত ২০
কলম্বিয়ায় শিক্ষার্থীদের বাস খাদে পড়ে নিহত ১৭, আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল
পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি আরও বাড়ল

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

হাবিবুরসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে আজ শুরু হচ্ছে যুক্তিতর্ক
হাবিবুরসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে আজ শুরু হচ্ছে যুক্তিতর্ক

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে
দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে হাদিকে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লাতিন আমেরিকায় মার্কিন বাহিনীর নেতৃত্বে থাকা অ্যাডমিরালের পদত্যাগ
লাতিন আমেরিকায় মার্কিন বাহিনীর নেতৃত্বে থাকা অ্যাডমিরালের পদত্যাগ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার অটুট থাকবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার অটুট থাকবে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড
হাদির সর্বশেষ অবস্থা জানাল মেডিকেল বোর্ড

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?
হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের মালিক কে এই হান্নান?

২২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর
সুদানে হতাহত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিচয়সহ সর্বশেষ তথ্য জানাল আইএসপিআর

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ
হাদিকে গুলি: সন্দেহভাজন মাসুদ ও তার প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬
বাবা ও ছেলে মিলে ঘটিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি বিচ হামলা, নিহত ১৬

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান
হাদিকে গুলি : ৩ দিনের রিমান্ডে মোটরসাইকেল মালিক হান্নান

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী
ওমরাহ করানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভোট চাচ্ছেন জামায়াতের প্রার্থী

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা
মির্জা আব্বাসের কাছে চাঁদা দাবি, ঢাকার আদালতে মামলা

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক
ওসমান হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে জাম্প করবেন বিডার আশিক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
মেডিকেল ও ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
ভারতীয় হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য
আইপিএলে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য গন্তব্য

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)
হাদির ওপর হামলাকারী আসামি দেশেই আছে: ডিএমপি (ভিডিও)

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে
এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে হাদিকে

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত
৯১ দশমিক ২৫ নম্বর পেয়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শীর্ষে শান্ত

১৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়
ট্যাপ আউটে থামল ম্যাচ, রেসলিং থেকে জন সিনার বিদায়

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি
হাদির হামলাকারীরা ভারতে পালিয়েছে এমন কোনো তথ্য নেই: ডিএমপি

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো
আইপিএল নিলামে বড় তারকাদের আড়ালে যাদের দিকে তাকিয়ে দলগুলো

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার
হাদিকে গুলির ঘটনায় আরও দু’জন গ্রেফতার

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু
টিউমার ভেবে অস্ত্রোপচার, বেরিয়ে এল জীবিত পরিণত শিশু

২০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে
খাঁচা থেকে কীভাবে বের হলো সিংহী, জানা গেল তদন্তে

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক
ওসমান হাদির সবশেষ যে অবস্থা জানালেন চিকিৎসক

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত
সরকারি চাকরিজীবীদের নিবন্ধনের সুযোগ ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ
ফ্রান্সে গরু নিধনের প্রতিবাদে কৃষকদের সড়ক অবরোধ

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ
প্রধান উপদেষ্টাকে ফোন করে জাতিসংঘ মহাসচিবের শোক প্রকাশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম
বন্ডি বিচে সন্ত্রাসী হামলায় শনাক্ত কে এই নাভিদ আকরাম

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন
পুত্রদের নিয়ে কারিনার মেসি-দর্শন

১১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার
আইপিএল নিলাম থেকে বাদ পড়লো ৯ ক্রিকেটার

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ
খুব অভিজ্ঞ না হলে এভাবে গুলি করা সম্ভব নয়: চিকিৎসক আব্দুল আহাদ

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চুপিসারে বাগদান সারলেন অর্জুন
চুপিসারে বাগদান সারলেন অর্জুন

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন
বিউটিকুইন শাবানার বিস্ময়কর জীবন

শোবিজ

খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল
খালেদা জিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল

প্রথম পৃষ্ঠা

কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনেই ত্রিমুখী ভোটযুদ্ধের পূর্বাভাস

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি
নিরাপত্তার সংকটে রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি
নির্বাচন, রাজনীতি এবং মানুষের ক্লান্তি

সম্পাদকীয়

ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ
ঈদের দিনে হত্যাযজ্ঞে অর্ধশত শহীদ

পেছনের পৃষ্ঠা

সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী
সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছে দুই হামলাকারী

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে
ব্রাশফায়ারের পর আগুন দেওয়া হয় লাশে

পেছনের পৃষ্ঠা

সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা
সেনাদের ওপর হামলায় তীব্র নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার
কক্সবাজার রেলপথেই মাদক পাচার

নগর জীবন

আরও অনেকে হিটলিস্টে
আরও অনেকে হিটলিস্টে

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা
দেড় বছরে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা

প্রথম পৃষ্ঠা

তটিনীর স্বপ্নচোখ
তটিনীর স্বপ্নচোখ

শোবিজ

মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে
মনে হয়েছে মাথায় বাজ পড়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার
মৃত্যুর ৩৯ বছর পার : যেভাবে অকাল বিদায় স্মিতার

শোবিজ

কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা
কিশোর মনে দেশ মাতৃকার চেতনা

শোবিজ

পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের
পর্দা নামল প্যাডেল স্ল্যামের

মাঠে ময়দানে

নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা
নির্বাচনকালীন অর্থনীতি নিয়ে উৎকণ্ঠা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে
বিচারকদের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে
হাদির মতো ঘটনা আরও ঘটতে পারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রথম পৃষ্ঠা

গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল
গাড়িতে ডাকাতি, ভিডিও ভাইরাল

দেশগ্রাম

দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি
দুর্নীতি বন্ধে দরকার সরকারের নিয়ন্ত্রণে জনশক্তি রপ্তানি

পেছনের পৃষ্ঠা

কঠিন সময়ে গণমাধ্যম
কঠিন সময়ে গণমাধ্যম

সম্পাদকীয়

গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও
গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও

দেশগ্রাম

বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে
বিএনপির ৭ নেতা-কর্মী জামায়াতে

দেশগ্রাম

আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে উৎকণ্ঠা

সম্পাদকীয়

যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান
যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ৩৬৩ রান

মাঠে ময়দানে

টি    স্পোর্টস
টি স্পোর্টস

মাঠে ময়দানে