শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:৪৮, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে

আতিকুর রহমান রুমন
অনলাইন ভার্সন
তারেক রহমান আসবেন বীরের বেশে

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দীর্ঘ দমনপীড়নের শাসনামলে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার কারণে বিএনপি চেয়ারপারসন এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে প্রতিহিংসাবশত বছরের পর বছর কারাগারে আটক রাখা হয়। অনেকের মতে, কারাবন্দি অবস্থায় ‘স্লো পয়জনিং’ এবং যথাযথ চিকিৎসা না দেওয়ায় তাঁর শরীর একের পর এক জটিলতায় ভেঙে পড়ে। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতাসহ আরও বহু সমস্যায় তিনি আক্রান্ত হন। ধীরে ধীরে তাঁর চলাফেরার ক্ষমতা কমতে থাকে। স্বাস্থ্য এতটাই দুর্বল হয়ে পড়ে যে প্রায়ই তাঁকে হঠাৎ করে হাসপাতালে নিতে হয়।

সর্বশেষ ২৩ নভেম্বর ২০২৫ রাতে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর হার্ট ও ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে; তিনি এখন জীবনমৃত্যুর এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছেন।

প্রিয় মা এমন ভয়াবহ অসুস্থ অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও লন্ডনে অবস্থানরত তাঁর বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারছেন না। পরিবার ও দলীয় শীর্ষ সূত্র বলছে, ব্যক্তিগত ইচ্ছার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি, আন্তর্জাতিক নানা সমীকরণ এবং দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক বাস্তবতা তাঁর ফেরার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২৯ নভেম্বর ২০২৫ সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া বার্তায় তারেক রহমান মনঃকষ্টের সঙ্গে লিখেছেন, ‘এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহ-স্পর্শ পাওয়ার আকুলতা যে কোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতার নানা জটিলতায় এটি আমার একক সিদ্ধান্তের বিষয় নয়। সংবেদনশীল হওয়ায় বিস্তারিত ব্যাখ্যারও সুযোগ নেই। রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই দেশে ফেরার আমার দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হবে- এ আশা আমাদের পরিবারের।’

এ সময় তিনি দেশবাসীর কাছে মায়ের সুস্থতার জন্য আন্তরিক দোয়া চেয়ে জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই কঠিন সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে কটূক্তি ও সমালোচনার বন্যা বইয়ে দিতে কুণ্ঠাবোধ করেননি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আর কিছু সোশ্যাল মিডিয়া কর্মী। তাঁদের একজন জামায়াতপন্থি আইনজীবী শিশির মনির। যিনি আগামী নির্বাচনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি ফেসবুকে তির্যকভাবে লেখেন, ‘আমি যদি তরেক রহমানের জায়গায় থাকতাম; কোনো কিছু তোয়াক্কা না করে অনেক আগেই মায়ের কাছে চলে আসতাম।’ কথাটি শুনে মনে হয়, মায়ের চেয়ে মাসির দরদই যেন বেশি!

দেশবাসী জানেন, জিয়া পরিবার একান্নবর্তী, স্নেহময় একটি পরিবার। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শাহাদাতবরণের পর বেগম খালেদা জিয়া নিজের দুই সন্তান, পুত্রবধূ এবং নাতনিদের একত্রে নিয়ে সংসার চালিয়েছেন। কখনো তাঁদের মধ্যে কলহ, অশান্তি বা বৈরিতার খবর জানা যায়নি। তাঁরা একে অপরের জন্য ছিলেন অন্তঃপ্রাণ।

তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকো- দুই ভাই ছিলেন একে অপরের ছায়াসঙ্গী; একই সঙ্গে স্কুল, খেলাধুলা, হজ, ভ্রমণ- সবই করেছেন। দুজনেই মাকে প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসতেন, আর মা দুই পুত্র, পুত্রবধূ, নাতনিদের ভালোবাসতেন নিজের সমস্ত সত্তা দিয়ে।

২০০৭ সালের ৭ মার্চ ভোরে এক এগারোর অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সেনা-সমর্থিত শাসকগোষ্ঠী কোনো মামলা বা ওয়ারেন্ট ছাড়াই তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে। রিমান্ডে বর্বর নির্যাতনে তাঁর মেরুদণ্ডের ৬ এবং ৭ নম্বর হাড় ভেঙে যায়, স্কন্ধদেশের হাড় ফেটে যায়, হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায়। তিনি জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পৌঁছে গিয়েছিলেন। তবু তিনি নিজের কষ্ট ভুলে বারবার কারাগারে বন্দি মায়ের খোঁজ চেয়েছেন; লিখিত আবেদন করেছেন তাঁকে একনজর দেখতে।

এই পরিবারের ওপর আরেকবার আঘাত আসে ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি প্রিয় ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর আকস্মিক মৃত্যু। খবরটি শুনে তারেক রহমান পাথর হয়ে গিয়েছিলেন; কিছু বলতেই পারেননি। তারপর শুরু হয় তাঁর শোক, বুকভাঙা কান্না- যে কান্নার প্রতিধ্বনি আজও তাঁর নীরবতায় লুকিয়ে আছে। যে মানুষের হৃদয় এত সংবেদনশীল, এত মমতায় ভরা, তিনি কি তাঁর মাকে দেখতে না আসতে চাওয়ার মানুষ?

তারেক রহমানকে দেশে ফিরতে যেন না দেওয়া হয়, সেজন্য একটি পার্শ্ববর্তী দেশের তৎপরতা এখনো সক্রিয়। দেশের অভ্যন্তরেও বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক তাঁকে ঘিরে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে ইন্দিরা, রাজীব, বেনজির, গান্ধী থেকে শুরু করে শহীদ জিয়াউর রহমান পর্যন্ত বহু হত্যাকাণ্ডের ইতিহাস তাঁর নিরাপত্তাঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক সদস্য স্পষ্টই বলেছেন, ‘তারেক রহমানের নিরাপত্তা শুধু দেশের বিষয় নয়; আন্তর্জাতিক মাত্রাতেও জড়িয়ে আছে। একমুহূর্তের ভুল সিদ্ধান্ত ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।’ তাই বুলেটপ্রুফ গাড়ি, অস্ত্র লাইসেন্স, গুলশানে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও এখনো সবকিছু নিশ্চিন্ত নয়।

অন্যদিকে তারেক রহমান যুক্তরাজ্যে আইএলআর স্ট্যাটাসে আছেন, দেশে ফিরতে হলে ট্রাভেল পাসসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা অতিক্রম করতে হবে। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে, এটাও অনিশ্চিত।

এসব বাস্তবতা অগ্রাহ্য করেই জামায়াতের আইনজীবীর তির্যক মন্তব্য, কেন? কারণ তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সফল হয়নি। ২০২৩ সালের ১৪ অক্টোবর রাজধানীর কাওলার সিভিল অ্যাভিয়েশন মাঠে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নাম উল্লেখ না করে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘তার মা তো অসুস্থ। আপনারা অনশন করেন। তাহলে ছেলে কেন মাকে দেখতে আসে না। এটা কেমন ছেলে, সেটা আমার প্রশ্ন? মা তো অসুস্থ, মরে মরে, সে নাকি যখনতখন মরে যাবে...! হ্যাঁ, বয়সও হয়েছে, অসুস্থ তো বটে। মাকে দেখতে আসে না কেন? আমি তো বলব, মাকে দেখতে আসুক।’ তাঁর কথার অন্তরালে লুকিয়ে ছিল সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, তারেক রহমান দেশে এলে তাঁকে ঘিরে নতুন ষড়যন্ত্রের ফাঁদ পেতে তাঁকে হত্যা করা। উদ্দেশ্য ছিল বিএনপিকে নেতৃত্বশূন্য করা।

আজ একই সুরে মহলবিশেষ সেই পুরোনো ষড়যন্ত্রই পুনরাবৃত্তি করছে। তারা কি চায়, তারেক রহমানও তাঁর বাবার মতো শহীদ হোক? প্রতিদ্বন্দ্বী সরলেই কি তাদের রাজনীতি সহজ হবে?

কৃতজ্ঞতাবোধ থাকলে তারা এ কথা ভাবতে পারত না। যখন ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের শহীদ জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়া হলো, তখন তারা কোথায় ছিল? যখন তাঁকে জেলে নেওয়া হলো, যখন তারেক রহমানকে পঙ্গুদশায় পৌঁছে দেশ ছাড়া করা হলো, তারা কোথায় ছিল? যখন বালুর ট্রাক দিয়ে তাঁকে অবরুদ্ধ রাখা হলো, তারা কোথায় লুকিয়ে ছিল? আজ শুধু সমালোচনার জন্যই তারা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে।

বিএনপি ১৬ বছরের দুর্দিনে জামায়াতকে আশ্রয় দিয়েছে। না দিলে শেখ হাসিনা তাদের নিশ্চিহ্ন করে দিতেন। জামায়াত কোনো বড় আন্দোলন করতে পারেনি, মাঝে মাঝে অল্পস্বল্প মিছিলেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। আর ঠিক সেই সময়েই তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি বছরের পর বছর রাজপথ প্রস্তুত করে রেখেছে, ফলে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ অভ্যুত্থান সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ ফের গণতন্ত্রের স্বাদ পেয়েছে।

কিন্তু এখন আবার বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে পুঁজি করে নানা পক্ষ নিজেদের স্বার্থসিদ্ধিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ৩ ডিসেম্বর বলেছেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অসুস্থতা তথা স্বাস্থ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।’ এটা নির্বাচন পেছানোর অযাচিত প্রস্তাব, যা সরাসরি দেশের স্থিতিশীলতা ও অর্থনীতিকে ঝুঁকিতে ফেলে। ২৩ জানুয়ারি ২০২৫ স্টার বাংলায় ‘দেশে-বিদেশি বিনিয়োগ ছয় বছরের সর্বনিম্ন’ শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। আইএমএফ জানিয়েছে, নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত ঋণের পরবর্তী কিস্তি দেওয়া হবে না। এই পরিস্থিতিতে দেশের জন্য গণতান্ত্রিক সরকার গঠন অত্যন্ত জরুরি।

বিএনপি কি এসব ষড়যন্ত্র চুপচাপ দেখে যাবে? কখনোই না।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘যখন নিশ্চিত হব সব ঠিক আছে তখনই তারেক রহমানকে দেশে নিয়ে আসব।’

তারেক রহমান অবশ্যই দেশে ফিরবেন; তবে গোপনে নয়, বীরের বেশে, বিজয়ীর ভঙ্গিতে। যেদিন তিনি ফিরবেন, সেদিন এই দেশের আকাশবাতাসে ধ্বনিত হবে, ‘তুমি স্বাধীনতা রাখবে অমলিন, আমাদের তারেক রহমান।’

হাসবে গরিব-দুঃখী মানুষ, আনন্দে ভরে উঠবে রাজপথ আর কাঁদবে দেশিবিদেশি সব ষড়যন্ত্রকারী।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক, আহ্বায়ক, আমরা বিএনপি পরিবার ও সদস্য, বিএনপি মিডিয়া সেল

এই বিভাগের আরও খবর
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
তারেক রহমান বারবার ছুটে গেছেন সাধারণ মানুষের দুয়ারে
তারেক রহমান বারবার ছুটে গেছেন সাধারণ মানুষের দুয়ারে
জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় খালেদা জিয়ার অবদান
জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় খালেদা জিয়ার অবদান
কল্যাণকর রাজনীতি অপরিহার্য
কল্যাণকর রাজনীতি অপরিহার্য
সর্বশেষ খবর
শীতে সুস্থ থাকবেন যেভাবে
শীতে সুস্থ থাকবেন যেভাবে

এই মাত্র | জীবন ধারা

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় হালুয়াঘাটে দোয়া মাহফিল
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় হালুয়াঘাটে দোয়া মাহফিল

১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় হালুয়াঘাটে দোয়া মাহফিল
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় হালুয়াঘাটে দোয়া মাহফিল

২৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রাজধানীতে এক বছরে ৬৪৩ বেওয়ারিশ লাশ
রাজধানীতে এক বছরে ৬৪৩ বেওয়ারিশ লাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি
শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, কর্মবিরতি ঘোষণা
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, কর্মবিরতি ঘোষণা

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা তারেক রহমানের
ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা তারেক রহমানের

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অন্তর্বর্তী ফিলিস্তিনি সরকার গঠন, ট্রাম্পের সমর্থন
গাজায় অন্তর্বর্তী ফিলিস্তিনি সরকার গঠন, ট্রাম্পের সমর্থন

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

নির্বাচনে গুজব আতঙ্ক
নির্বাচনে গুজব আতঙ্ক

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঘর গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি প্রার্থীরা
ঘর গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি প্রার্থীরা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সিলেটকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে রাজশাহী
সিলেটকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে রাজশাহী

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলা দায়ের
ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলা দায়ের

৪ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে সিলেটের যেসব এলাকায়
শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে সিলেটের যেসব এলাকায়

৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হাসপাতালে মাহমুদুর রহমান মান্না
হাসপাতালে মাহমুদুর রহমান মান্না

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সোনারগাঁয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ৮ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক
সোনারগাঁয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ৮ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নথি জব্দ ও সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার দাবি
খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নথি জব্দ ও সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার দাবি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত
ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির
ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাগতিয়া দরবারে পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) ও সালানা ওরসে হযরত গাউছুল আজম (রা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত
কাগতিয়া দরবারে পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) ও সালানা ওরসে হযরত গাউছুল আজম (রা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

টাঙ্গাইলে বাসে নারীকে ধর্ষণ: চালক ও সহকারীর জবানবন্দি
টাঙ্গাইলে বাসে নারীকে ধর্ষণ: চালক ও সহকারীর জবানবন্দি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেড় কোটি টাকার মাদক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩
যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেড় কোটি টাকার মাদক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডি.নেটের গভর্নিং বডি চেয়ারপারসন হলেন অধ্যাপক হাবিব
ডি.নেটের গভর্নিং বডি চেয়ারপারসন হলেন অধ্যাপক হাবিব

৬ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

মানব পাচারকে কেন্দ্র করে টেকনাফে গোলাগুলি, কিশোরী নিহত
মানব পাচারকে কেন্দ্র করে টেকনাফে গোলাগুলি, কিশোরী নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পোশাক শিল্পে গ্লোবাল ক্যারিয়ারের সুযোগ দিচ্ছে আইএসইউ
পোশাক শিল্পে গ্লোবাল ক্যারিয়ারের সুযোগ দিচ্ছে আইএসইউ

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতার রিয়াজ
৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতার রিয়াজ

৭ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংকট মেটাতে মধ্যস্থতা করতে চান পুতিন
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংকট মেটাতে মধ্যস্থতা করতে চান পুতিন

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চেক প্রতারণায় দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষিকাকে বরখাস্ত
চেক প্রতারণায় দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষিকাকে বরখাস্ত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
‘স্বাধীন ইরান’ অবিলম্বে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে: পাহলভি
‘স্বাধীন ইরান’ অবিলম্বে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে: পাহলভি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস
কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
যে কারণে একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন
জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে যে তিন দেশ
ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে যে তিন দেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে দম্পতি ও শিশু সন্তানসহ নিহত ৬
উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে দম্পতি ও শিশু সন্তানসহ নিহত ৬

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকী ৩২ আসনে কাদের সমর্থন দেবে, জানাল ইসলামী আন্দোলন
বাকী ৩২ আসনে কাদের সমর্থন দেবে, জানাল ইসলামী আন্দোলন

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ওসমান হাদির ভাই ওমরকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ
ওসমান হাদির ভাই ওমরকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির পতন হলে ঘোরতর বিপদে পড়বে ভারত?
খামেনির পতন হলে ঘোরতর বিপদে পড়বে ভারত?

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, যাত্রীদের ভোগান্তি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, যাত্রীদের ভোগান্তি

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে চার শর্তে ইরানের সাথে সমঝোতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
যে চার শর্তে ইরানের সাথে সমঝোতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানকে হুমকি দিয়েই কি বড় বিপদে পড়লেন ট্রাম্প?
ইরানকে হুমকি দিয়েই কি বড় বিপদে পড়লেন ট্রাম্প?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব আসনে লড়বে এনসিপি
যেসব আসনে লড়বে এনসিপি

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

উত্তরায় ভবনে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে
উত্তরায় ভবনে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিপদই কি আরবদের শেখালো ইরানকে রক্ষা করা ছাড়া ‍উপায় নাই?
বিপদই কি আরবদের শেখালো ইরানকে রক্ষা করা ছাড়া ‍উপায় নাই?

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল
এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম জিয়াকে ধারণ করতে হবে’
‘বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম জিয়াকে ধারণ করতে হবে’

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের ভার্চুয়াল বৈঠক
তারেক রহমানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের ভার্চুয়াল বৈঠক

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ২০ আসন পেলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
যে ২০ আসন পেলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির
ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসি কার্যকর স্থগিত করেছে ইরান: হোয়াইট হাউস
৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসি কার্যকর স্থগিত করেছে ইরান: হোয়াইট হাউস

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ যুদ্ধের পর যে ভয়ংকর সত্য সামনে এলো
আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ যুদ্ধের পর যে ভয়ংকর সত্য সামনে এলো

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জিরা ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন কতটা উপকারী
জিরা ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন কতটা উপকারী

১৭ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যে আসনগুলোতে লড়বে জামায়াত
যে আসনগুলোতে লড়বে জামায়াত

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’
‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক
প্রার্থিতা ফিরে পেলেন গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা
খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আছে: ফিফা প্রেসিডেন্ট
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আছে: ফিফা প্রেসিডেন্ট

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় কূটনীতিক
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় কূটনীতিক

প্রথম পৃষ্ঠা

টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশন কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা
টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশন কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের সম্ভাবনা!
বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের সম্ভাবনা!

মাঠে ময়দানে

পাঁচ ঝুঁকিতে অর্থনীতি
পাঁচ ঝুঁকিতে অর্থনীতি

পেছনের পৃষ্ঠা

জোটে উচ্চকক্ষের সমীকরণ
জোটে উচ্চকক্ষের সমীকরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

অস্ত্র উদ্ধারে অসহায় পুলিশ
অস্ত্র উদ্ধারে অসহায় পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সমীকরণে স্বস্তিতে বিএনপি
সমীকরণে স্বস্তিতে বিএনপি

নগর জীবন

লাশের সঙ্গে ২১ দিন বসবাস
লাশের সঙ্গে ২১ দিন বসবাস

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসপাতালে সৌদি বাদশাহ সালমান
হাসপাতালে সৌদি বাদশাহ সালমান

প্রথম পৃষ্ঠা

নান্দনিক লিচু চত্বর
নান্দনিক লিচু চত্বর

শনিবারের সকাল

মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া
মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

মাচাদোর দেওয়া নোবেল পদক নিলেন ট্রাম্প
মাচাদোর দেওয়া নোবেল পদক নিলেন ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহীতে শিক্ষা গিলছে কোচিং
রাজশাহীতে শিক্ষা গিলছে কোচিং

নগর জীবন

ভারতে বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, তুলকালাম
ভারতে বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানে ৮০০ ফাঁসি স্থগিত ঘোষণা
ইরানে ৮০০ ফাঁসি স্থগিত ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

সড়কে চোখ আটকে যায় ফুলের শোভায়
সড়কে চোখ আটকে যায় ফুলের শোভায়

নগর জীবন

খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করতে হবে
খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভয়াবহ আগুনে ঝরল ছয় প্রাণ
ভয়াবহ আগুনে ঝরল ছয় প্রাণ

প্রথম পৃষ্ঠা

যে দেশেই গণভোট হয়েছে সরকার পক্ষ নিয়েছে
যে দেশেই গণভোট হয়েছে সরকার পক্ষ নিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লায় দুজনকে গুলি করে হত্যা
কুমিল্লায় দুজনকে গুলি করে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

চালক ও সহকারীর আদালতে জবানবন্দি
চালক ও সহকারীর আদালতে জবানবন্দি

পেছনের পৃষ্ঠা

ডিজিটাল গুজব আতঙ্ক
ডিজিটাল গুজব আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম এনপিএর আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম এনপিএর আত্মপ্রকাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ
ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ

পেছনের পৃষ্ঠা

চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ড, বরখাস্ত
চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ড, বরখাস্ত

দেশগ্রাম

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

উত্তুরে ল্যাঞ্জাহাঁস এখন বিপদগ্রস্ত
উত্তুরে ল্যাঞ্জাহাঁস এখন বিপদগ্রস্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন
কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন

পেছনের পৃষ্ঠা