শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:২৭, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক

ব্রি. জে. (অব.) মো. জাহেদুর রহমান
ব্রি. জে. (অব.) মো. জাহেদুর রহমান
অনলাইন ভার্সন
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক

বাংলাদেশের নেতৃত্বের আকাশে যে কয়জন নক্ষত্র ছিলেন বা আছেন, তাঁদের মধ্যে খালেদা জিয়া স্বমহিমায় একটি পৃথক স্থান করে নিয়েছেন। দীর্ঘ ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে রাজনীতির বন্ধুর পথ হেঁটেছেন এবং তিল তিল করে নিজ মেধা, শ্রম, ত্যাগ এবং ভালোবাসা দিয়ে নিজের এমন একটি পোর্ট্রেট এঁকেছেন, যেটিকে বলা যায় তাঁর তুলনা তিনি নিজেই। সবকিছু ছাপিয়ে তিনি হয়েছেন গণতন্ত্রের কাণ্ডারি, তিনি হয়েছেন বাংলাদেশের ঐক্যের প্রতীক।

১৯৮১ সালের ৩০ মে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনা অভ্যুত্থানে নির্মমভাবে নিহত হলেন।

শোকগ্রস্ত ও বিপর্যস্ত বাংলাদেশের আকাশে শকুন ডানা মেলেছে। দেশকে রক্ষার জন্য ও দলের ভাঙন ঠেকাতে এগিয়ে এলেন একজন গৃহবধূ, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পত্নী খালেদা জিয়া। ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দিলেন। এর অল্প সময়ের মধ্যেই শকুন সামরিক শাসনের রূপ ধরে তার করাল থাবায় ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করেছে বাংলাদেশের গণতন্ত্র।

খালেদা জিয়া শুরু করলেন তাঁর জীবনের দ্বিতীয় সংগ্রাম। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ সূর্য তখনো চোখ মেলেনি। আধো অন্ধকারে ত্রস্ত কিন্তু দৃপ্ত পায়ে রেললাইন ধরে কালুর ঘাট ব্রিজের দিকে এগিয়ে চলেছে অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রায় ৩০০ সদস্যের একটি সেনাদল। দলনেতা ইউনিটের উপ-অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান।

তাঁর বাসার পাশ দিয়েই এগিয়ে চলেছে সেনাদল। সহযোগী লে. শমসের মবিন মেজর জিয়াকে বললেন, ‘আপনি তো চলে যাচ্ছেন, ভাবি আর বাচ্চারা তো বাসায়।’ মেজর জিয়া উত্তর দিলেন, ‘অন দ্য স্পট, উই আর অল সোলজার্স। আই এম দ্য লিডার। সো অ্যাবাউট দ্য ফ্যামিলিজ অব থ্রি হান্ড্রেড ম্যান কামিং উইথ আস, ইফ আই ক্যান নট প্রোটেক্ট দেয়ার ফ্যামিলিজ, আই শুড নট প্রোটেক্ট মাইন।

একজন মহান নেতার মহীয়সী স্ত্রীর প্রথম সংগ্রাম শুরু হলো অনিশ্চয়তা আর আতঙ্ককে নিত্য সঙ্গী করে। খালেদা জিয়া দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে রাত কাটালেন। পরের দিন তিনি চট্টগ্রামে তাঁর ঘনিষ্ঠ এক আত্মীয়র বাসায় উঠলেন। মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রামেই অবস্থান করেন। এর পরে তিনি ১৬ মে ১৯৭১ ঢাকায় আসেন। নিরাপত্তার স্বার্থে ক্রমাগত বিভিন্ন স্বজনের বাসায় অবস্থান নেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয় না, ২ জুলাই ১৯৭১ তাঁকে সিদ্ধেশ্বরী এলাকার আত্মীয়র বাসা থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গ্রেপ্তার করে। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ পর্যন্ত তিনি তাঁর সন্তানদ্বয়সহ ঢাকা সেনানিবাসে অন্তরিন ছিলেন। একদিকে তাঁর স্বামী মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত, অন্যদিকে তিনি জীবনাতঙ্কে দুই অবোধ শিশু নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিনটি পর্যন্ত এই আতঙ্ক তাঁকে তাড়িয়ে বেড়িয়েছে। ৯টি মাসের পালিয়ে বেড়ানো এবং অন্তরিন অবস্থা তাঁকে ধীশক্তি, প্রজ্ঞা আর জীবনবোধে ঋদ্ধ করেছে। অর্জন করেন তিনি আপসহীনতার এক দুর্জ্ঞেয় শক্তি, যার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায় ১৯৮১ সালের পরবর্তী সময়ে।

তাঁর দ্বিতীয় সংগ্রাম এক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম। তাঁর দ্বিতীয় সংগ্রাম জনগণের অনুভূতির সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনার সংগ্রাম। তাঁর দ্বিতীয় সংগ্রাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবোধকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার সংগ্রাম। ১৯৮৪ সালে বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে দলের ভাঙন ঠেকানো এবং দলীয় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি জোটবদ্ধ রাজনীতির মাধ্যমে ‘বিশ্ববেহায়া’র বিরুদ্ধে গড়ে তোলেন দুর্বার প্রতিরোধ এবং যুগপৎ আন্দোলন। রাজনীতির পঙ্কিল পথযাত্রায় তিনি বারবার গৃহে অন্তরিন হন, কারাবরণ করেন, বিশ্বাসঘাতকতার মুখোমুখি হন, অশ্লীল রাজনৈতিক অসৌজন্যতার অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কিন্তু তিনি কখনোই নিজের সৌম্য ভাবমূর্তি হারাননি এবং আপস করেননি। খালেদা জিয়া জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হয় এমন ব্যবস্থার জন্য নিরন্তর যুদ্ধ করে গেছেন। ১৯৮৬ সালে সামরিক শাসনের অবসান ও গণতন্ত্রে ফেরার যুগপৎ আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন আওয়ামী লীগ বিশ্বাসঘাতকতা করে স্বৈরাচারের সঙ্গে সমঝোতার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। ১৯৮৬ সালের নির্বাচন বর্জন তাঁর রাজনৈতিক পরিপক্বতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি হয়ে উঠলেন একজন সর্বজনীন নেতা, যাঁর কাছে ক্ষমতা নয়, দেশ ও দেশের মানুষ সবচেয়ে আগে। দেশ ও মানুষের জন্য তাঁর এই ভালোবাসা এবং আপসহীন দৃঢ় ব্যক্তিত্ব তাঁকে উজ্জ্বলতম নক্ষত্রে পরিণত করে। ক্লান্তিহীন পরিশ্রম, গণসংযোগের লক্ষ্যে অবিরাম ছুটে চলা, আর অদম্য কৌশলের সুফল এলো ৪ ডিসেম্বর ১৯৯০। ওই দিন রাতে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পদত্যাগের ঘোষণা দেন এবং ৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে এবং খালেদা জিয়া প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০ মার্চ ১৯৯১ শপথ গ্রহণ করেন।

রাজনীতিতে উঠে আসা মানেই ছিল তাঁর জন্য সম্পূর্ণ নতুন একটি জীবন, যা তিনি পরিণতিবিহীনতা, আতঙ্ক, কারান্তরিন এবং বাধার মধ্য দিয়ে পার হয়েছেন। সেই সব পরীক্ষায় তিনি ধৈর্য, স্থিরতা, আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন।

রাজনৈতিক ঘাত-প্রতিঘাত, উত্থান-পতনের পর তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সমাপনান্তে ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি তাঁর জীবনের তৃতীয়বারের সংগ্রামে ব্যাপৃত হন। এক-এগারোর সেনা সমর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাঁকে বন্দি করেই কেবল ক্ষান্ত হয়নি, তারা তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমানকে শারীরিক নির্যাতন করে প্রায় পঙ্গু করে ফেলে। তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোসহ তিনজনের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির মামলা করে। সবকিছুর উদ্দেশ্য ছিল তাঁকে রাজনীতির মাঠে ব্রাত্য করা, অপাঙক্তেয় করে তোলা। কিন্তু তিনি এবারও দমে যাননি, হতাশ হননি এবং দেশত্যাগের সব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তবে তাঁকে একটি চরম মূল্য দিতে হয়। তাঁর দুই ছেলেকে সুচিকিৎসার জন্য দেশান্তরি হতে হয়।

এক-এগারোর সেনা সমর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে সুগভীর আঁতাত এবং ষড়যন্ত্র করে ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। এর পর থেকেই খালেদা জিয়াকে শুধু দলগত নয়, ব্যক্তিগতভাবে অপদস্থ করার লক্ষ্য নিয়ে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রযন্ত্রের সব অঙ্গকে লেলিয়ে দেন। তাঁর নিজ গৃহ থেকে উচ্ছেদ করা, গাড়িবহরে হামলা করা, অস্ত্র মামলা করা, তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়া, গৃহে অন্তরিন রাখাসহ সব ধরনের হেনস্তার শিকার হন এই মহীয়সী নারী। এসব হীন পদক্ষেপের পরও তাঁর জনপ্রিয়তায় বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার খালেদা জিয়াকে রাজনীতির মাঠ থেকে চিরতরে নির্বাসন দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১৮ সালে দুটি সাজানো দুর্নীতি মামলায় ১৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে। অটল থাকেন দেশনেত্রী, কোনো সমঝোতায়, কোনো আপসনামায় দাসখত দিতে অস্বীকৃতি জানান।

গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে পার্শ্ববর্তী ভারতে আশ্রয় নেন। ৬ আগস্ট কারামুক্ত হন খালেদা জিয়া। ২০২৫ সালের ২১ নভেম্বর ছয় বছর পর প্রথমবারের মতো তিনি সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে জনগণের সামনে এলেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একটি পাঁচ সদস্যের প্যানেল তাঁর বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের দুর্নীতির অভিযোগে দেওয়া সাজা বাতিল করে। তিনি মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্ত হলেন, কিন্তু দীর্ঘ কারাবরণের সময় চিকিৎসায় অবহেলার কারণে দেশের বাইরে চিকিৎসা নিয়ে আসার পরও অনেকটাই নিভৃতচারী হয়ে পড়েন।

খালেদা জিয়া শুধু এক রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ও সমাজে একটি প্রতিষ্ঠান। ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনে দেশের গণতন্ত্রায়ন শক্তিশালী করতে কাজ করেছেন। তাঁর তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান, নারী নেত্রী হিসেবে তাঁর ভূমিকায় বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন, রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ও সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়ায় নারীর অভ্যুদয়—এই বিষয়গুলো তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের বাইরেও জাতীয় ইতিহাসে বড় গুরুত্ব রাখে। সংগঠনের নেতা, বিরোধী দলনেতা, প্রধানমন্ত্রী—সব ভূমিকাই নিয়েছেন তিনি। সেই কারণে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি টেকসই প্রভাব রেখেছেন।

খালেদা জিয়া গৃহবধূ হিসেবে শুরু করে, রাজনৈতিক দুর্যোগে এবং ব্যক্তিগত বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে বাংলাদেশের শক্তিশালী রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। স্বামীর অবর্তমানে যাঁরা তাঁকে রাজনীতিতে এনে নেপথ্যে থেকে দল পরিচালনা করতে চেয়েছিলেন, অসাধারণ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন খালেদা জিয়া তাঁদের সবার ওপরে নিজ যোগ্যতায় স্থান করে নিয়েছেন। অটল মানসিক দৃঢ়তা, সাহস, আপসহীনতা এবং স্বামীর মতোই দেশপ্রেমের সমন্বয় বেগম জিয়াকে রাজনীতিতে অনন্য করেছে।

তিনি একজন নারী, যিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, যিনি রাজনৈতিক দল পরিচালনা করেছেন, যিনি মানুষের জীবনে বদল আনতে চেষ্টা করেছেন—কখনো সফল, কখনো বিতর্কে। তাঁর জীবন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত নয়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের এক অধ্যায়। তাঁর উত্থান, যাত্রা, ত্যাগ ও সংগ্রাম সবই শেখায় যে ক্ষমতা, লড়াই, বলিদান ও সিদ্ধান্ত কখনো সহজ নয়। তবে  ইতিহাসের মানদণ্ডে খালেদা জিয়ার নাম অবিচ্ছেদ্য। তিনি ছিলেন এবং আছেন ‘গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও জাতীয় ঐক্যের’ প্রতীক হিসেবে।

দুই সপ্তাহ ধরে তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এটি তাঁর জীবনের চতুর্থ সংগ্রাম। দেশের আপামর জনসাধারণ অসামান্য এই নেত্রীর জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপা প্রার্থনা করছেন। ফিরে আসুন নেত্রী আমাদের মাঝে। বাংলাদেশের এই সময়ে আপনাকে ভীষণ প্রয়োজন।

লেখক : ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো

এই বিভাগের আরও খবর
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
সর্বশেষ খবর
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

৩৫ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া
চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

৪১ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

শেষবিদায়ের নামাজ
শেষবিদায়ের নামাজ

৪২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

৫৬ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু
গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার
নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা
নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ
আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন
রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার
মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা
গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক
গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!
গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে
বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান শিকদারের জীবনীগ্রন্থ প্রকাশ
মাদারীপুরে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান শিকদারের জীবনীগ্রন্থ প্রকাশ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাঘের শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন
মাঘের শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবির ‘এ’ ইউনিটের ফল পুনরায় যাচাই, বদলাতে পারে মেধাক্রম
চবির ‘এ’ ইউনিটের ফল পুনরায় যাচাই, বদলাতে পারে মেধাক্রম

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বিশ্বনাথে শিম ক্ষেতে মিললো নারীর লাশ
বিশ্বনাথে শিম ক্ষেতে মিললো নারীর লাশ

৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সাবেক প্রোটিয়া অলরাউন্ডারকে নিয়ে ইতালির বিশ্বকাপ দল ঘোষণা
সাবেক প্রোটিয়া অলরাউন্ডারকে নিয়ে ইতালির বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত
জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার
বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি
টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার

পেছনের পৃষ্ঠা

আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

প্রথম পৃষ্ঠা

চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার

প্রথম পৃষ্ঠা

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারও মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারও মানুষ

দেশগ্রাম

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

দেশগ্রাম

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক
খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক

নগর জীবন

এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া
এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া

নগর জীবন

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ
পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

নগর জীবন

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩

নগর জীবন

সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম
সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম

দেশগ্রাম

স্বতঃস্ফূর্ত সংসদ নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ মাদক চাঁদাবাজি আধিপত্য দ্বন্দ্ব
স্বতঃস্ফূর্ত সংসদ নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ মাদক চাঁদাবাজি আধিপত্য দ্বন্দ্ব

খবর

শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ
শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ

দেশগ্রাম

একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি
একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি

নগর জীবন

খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আমাদের আগামীর চালিকাশক্তি
খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আমাদের আগামীর চালিকাশক্তি

নগর জীবন