শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:৩১, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০৭:৫৯, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
কৌতুক পছন্দ করে ইতিহাস

অন্য অনেক কিছুর মতোই ইতিহাসও কৌতুকপ্রিয়। কারও কারও ধারণা ইতিহাসের কৌতুকপ্রবণতা বুঝি একটু বেশিই। ভুক্তভোগীরা তো তেমনটা মনে করতে একেবারে বাধ্য। ওপরের ইতিহাসটা সর্বদাই জয় ও পরাজয়ে আকীর্ণ। বড় বড় ঘটনা সেসব। কিন্তু তাদের আড়ালে আরও এক ইতিহাস থাকে, অনেক সময় পরিহাসের, কখনো কখনো হয়তোবা নির্মল কৌতুকের। অভিজ্ঞ একজন পলাশীর যুদ্ধ সম্পর্কে বলছিলেন একদিন। তিনি শুনেছেন, সেই মহাবদমাশ রবার্ট ক্লাইভ পালানোর ২০টা উপায় ঠিক করে রেখেছিল। ভরসা ছিল শুধু একটা। মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতা। কৌতুক এখানেই যে ২০টার কোনোটাই প্রয়োজন হয়নি, সবেধন নীলমণি একটাতেই কাজ হয়ে গেছে। নবাব সিরাজদ্দৌলা প্রথমে পরাজিত, পরে পলাতক এবং শেষ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন।

বিভেদ সৃষ্টি করতে পেরেছিল বলেই জিতেছে, নইলে কোথায় যেত পালিয়ে, পালিয়েও বাঁচত কিনা সন্দেহ। আমাদের জন্যও ঐক্য যে কত প্রয়োজন, সেটা কে না অবগত। ঐক্যের চেষ্টা হয়। নানা ক্ষেত্রেই হয়। তবু ঐক্য আসে না। মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টার কথাই ধরি না কেন। কম কি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বারবার একই উদ্যোগ যে নেওয়া হয়, তাই তো প্রমাণ করে বিভাজন কত গভীর, ঐক্য কতটা অসম্ভব। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ঐক্য ছিল। কেননা তখন শত্রু ছিল একটাই। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। যেই যুদ্ধ থেমে গেল, অমনি যোদ্ধারা একে অন্যের শত্রু হয়ে দাঁড়াল। ঐক্য গেল খান খান হয়ে। পরস্পর পরস্পরকে ঘায়েল করতে উদ্যত হলো। স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাস তো এদিক থেকে অন্য কিছু নয়, মুক্তিযোদ্ধাদের মৃত্যু ও স্বাধীনতাবিরোধীদের পুনর্বাসনের ইতিহাস ভিন্ন।

কে কতটা মুক্তিযোদ্ধা সে প্রশ্ন উঠেছে। এর মীমাংসা অসম্ভব। কিন্তু এটা তো সত্য যে অন্য সব ভেদাভেদের মধ্যেও কে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আর কে তার বিপক্ষে-এ প্রশ্নটা অতীত, ইতিহাসের নয়, চলমান বর্তমানেরও। কেননা এ বিবেচনাটা সমাপ্ত একটা যুদ্ধের নয়, একটা জনগোষ্ঠীর মুক্তির। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কে, কে তার বিপক্ষে। ঐক্যের স্বার্থেই এই পার্থক্যটা নির্ণয় করা অত্যন্ত জরুরি।

এই প্রশ্নটা আরও একবার উঠেছিল। বায়ান্নর রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনের সময়। সেই সময়েও কেউ কেউ ছিল উর্দুর পক্ষে এবং বাংলার বিপক্ষে। অর্থাৎ বন্ধনের পক্ষে, মুক্তির বিপরীতে। সেই সংকটের মীমাংসা হয়েছে। বাংলাদেশে এখন, এমনকি মৌলবাদীদের মধ্যেও এমন লোক পাওয়া যাবে না-যিনি বলবেন, বাংলা ফেলে উর্দুর চর্চা করা আবশ্যক। কিন্তু একসময় তেমন মানুষ ছিল বৈকি। একজন তরুণ গবেষক বাঙালি মুসলমানের ভাষা শেখার ইতিহাস সম্পর্কে পড়তে গিয়ে বেশ বিভ্রান্ত হয়েছেন বলে আমাকে বললেন কদিন আগে। দেখেন, গম্ভীর গম্ভীর সব রচনাতে এ কথা বলা হচ্ছে যে সব বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা বাংলা নয়। কেউ কেউ মুসলমান হয়েছে ধর্মান্তরিত হয়ে, তাদের ভাষা বাংলা বটে। কিন্তু খাস মুসলমান যারা, যারা এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে, তাদের ভাষা ছিল আরবি-ফার্সি-উর্দু। পাকিস্তান আমলে নয় শুধু, তার আগেও এসব কথা বলা হতো, জানি আমরা। কিন্তু এখন আর এসব কথা গুরুত্ব পাবে না।

ওই ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে মুক্তিযুদ্ধ এবং তার ফলে স্বাধীন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা হয়েছে বটে, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে এখনো যে লোক নেই তা তো নয়। রয়েছে এবং থাকাটাও স্বাভাবিক বটে। মীরজাফররা আছে। নতুন পোশাকে।

একাত্তরের যুদ্ধটা ছিল পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। সে যুদ্ধের সূত্রপাত একাত্তরেই নয়, বায়ান্নতেই। বায়ান্ন ছিল একটা সাম্রাজ্যবাদবিরোধী-সামন্তবাদবিরোধী অভ্যুত্থান। তারই সূত্র ধরে নানা ঘটনা ও অভিজ্ঞতা পরম্পরায় একাত্তরের অভ্যুদয়। ভ্রƒণ থেকে শিশুর জন্মের মতোই অনিবার্য। সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য। এত বেশি দূরত্ব যে অসম্ভব মনে হবে তাদের একত্র হওয়া। একটা বিদেশি, অন্যটি স্বদেশি। একটা নবীন, অন্যটি প্রাচীন ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু তারা আবার মিত্রও। এর সোনায় ওর সোহাগা। সাম্রাজ্যবাদই সোনা, সামন্তবাদ সোহাগা। সাম্রাজ্যবাদেরই ছত্রছায়ায় সামন্তবাদ রক্ষিত থাকে। আজও যে বাংলাদেশে সামন্তবাদী সাংস্কৃতিক কুসংস্কার ও অদৃষ্টবাদের এত পোয়াবারো; সেটা সাম্রাজ্যবাদেরই তৎপরতার একটি প্রমাণ বটে। সাম্রাজ্যবাদ চায় না আমরা মুক্ত হই; সে চায় একদিকে পুঁজিবাদের প্রতি মোহ, অন্যদিকে সামন্তবাদের বেষ্টনে মানসিক অন্ধকারে আমরা নিমজ্জিত থাকি। তাই মোহ ও অন্ধকার উভয়ের সৃষ্টিতেই বিস্তর উৎসাহ দেখায়।

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠায় সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদ একসঙ্গে বিরোধিতা করেছে। সামন্তবাদ বলেছে ধর্মের কথা, অথচ কোনো একটা মুসলিম রাষ্ট্রও বাংলার মাটিতে মুসলিম নিধনের বিরুদ্ধে টুঁ-শব্দটি পর্যন্ত করেনি। উল্টো মদত জুগিয়েছে। ওদিকে সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলোর সব কটি হয় পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে, নয় তো অভ্যন্তরীণ ব্যাপার-তাই নাক গলানো উচিত হবে না বলে অনড় সাত্ত্বিক ভাব ধারণ করেছে। সৌভাগ্যক্রমে বিদেশি দুটি রাষ্ট্র মুক্তিযুদ্ধকে বিরামহীন সমর্থন দিয়েছিল, নইলে ঘটনার গতি কেমন হতো কে জানে। একাত্তরে মধ্যপ্রাচ্য ও পাশ্চাত্য যেমনভাবে এক হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে, তাতে হাতেনাতে প্রমাণ পাওয়া গেছে সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদ আয়তনে দৈত্য ও বামন হলেও কেমন ইয়ার তারা একে অপরের।

আমাদের জন্য যুদ্ধটা ছিল বাঁচা কিংবা মরার। এ দুয়ের মাঝখানে কোনো জায়গা ছিল না খোলা। এই যুদ্ধে যে মিত্র নয় সেই ছিল শত্রু এবং শত্রু ছিল চতুর্দিকে। তবু আমরা যে জয়ী হয়েছি তার প্রধান কারণ ঐক্য। নইলে পলাশীর যুদ্ধের পুনরাবৃত্তি ঘটত না ঠিকই, কেননা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি বলে কিছু নেই। এক নদীতে যেমন দুবার গোসল করা যায় না, ইতিহাসকেও তেমনি ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা বা আশঙ্কা কোনোটাই থাকে না। পুনরাবৃত্তি ঘটত না, তবে পরাজয় ঘটত অবশ্যই। পাকিস্তানিরাই জয়ী হতো। ক্লাইভ যেমন মীরজাফর খুঁজেছিল, পাকিস্তানিরাও তেমনি মীরজাফরদের সন্ধান পেয়েছিল বৈকি। এমনকি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের মধ্যেও এমন লোকের গন্ধ পেয়েছিল যারা বিশ্বাসঘাতকতা করবে যুদ্ধরত বাঙালিদের সঙ্গে এবং আপস করে ফেলবে পাকিস্তানিদের সঙ্গে। যোগাযোগও করেছে। কিন্তু ফল হয়নি। কেননা যোদ্ধারা মানত না।

যোদ্ধাদের জন্য পাকিস্তান মরে গেছে ২৫ মার্চ রাতেই। তারপরে তার লাশের সৎকারটা শুধু বাকি ছিল। যুদ্ধের সময় পারেনি ঠিকই, কিন্তু পরে ওই দুই শত্রু ফিরে এসেছে। আজ যে বাংলাদেশে এত দারিদ্র্য এমন বিশৃঙ্খলা তার মৌল কারণও দৈত্য ও ভৃত্যের যুগল তৎপরতা। এদের হাত থেকে মুক্তির লড়াই চলছে এবং চলবে। এতে কে কোন পক্ষে, সে প্রশ্ন যে কেবল থাকছেই তা নয়, সে অত্যন্ত জরুরিও বটে।

ইতিহাসের কৌতুক এখানেও যে যুদ্ধের পরে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে যারা ছিল, যারা আলবদর, রাজাকার, তাদের রাষ্ট্রের এক নম্বর দুশমন মনে করা হয়নি। দুশমন মনে করা হয়েছে বামপন্থিদের, যারা চেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ থামতে দেবেন না, এগিয়ে নিয়ে যাবেন এবং বাংলার মাটিতে সামন্তবাদের উচ্ছেদ ঘটাবেন, পরাজয় ঘটাবেন সাম্রাজ্যবাদের। এ ব্যাপারে শাসকশ্রেণির মধ্যে ব্যবধান পরিমাণগতই শুধু, গুণগত নয়। মুক্তির বিরুদ্ধ পক্ষকে প্রশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে শাসকশ্রেণি কোনো সীমা মানেনি।

জাতি হিসেবে আমাদের একটা বড় লজ্জা এই যে যুদ্ধাপরাধীদের আমরা নির্মূল করতে পারিনি। পাকিস্তানের ৯৩ হাজার সৈন্যকে আমরা চলে যেতে দিয়েছি। তাদের দোসরদের দিয়েছি পুনর্বাসিত হতে। এটা ঘটতে পেরেছে সেই পুরোনো কারণেই। সে হলো বিভেদ। মুক্তির পক্ষে যারা তারা বিভক্ত হয়ে পড়েন। যুদ্ধাপরাধীরাও দিব্যি পার পেয়ে যায়। বড় অপরাধে যেখানে শাস্তি নেই, সেখানে ছোট ছোট অপরাধের শাস্তি হয় বৈকি, নিয়ম সেটাই। কিন্তু তাতে ন্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়ে না, বাড়ছেও না, দেখতে পাচ্ছি। নানা পথ-পন্থা-প্রক্রিয়ায়, ইতিহাস আবারও কৌতুক করছে আমাদের সঙ্গে। নতুন করে। আমরা পছন্দ করব না হয়তো, কিন্তু ইতিহাস তো কৌতুক পছন্দ করে।

♦ লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
সর্বশেষ খবর
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

৩৫ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া
চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

৪১ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

শেষবিদায়ের নামাজ
শেষবিদায়ের নামাজ

৪২ মিনিট আগে | ইসলামী জীবন

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

৫৬ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু
গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার
নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা
নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ
আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন
রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার
মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা
গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক
গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’

৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!
গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!

৩ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে
বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান শিকদারের জীবনীগ্রন্থ প্রকাশ
মাদারীপুরে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান শিকদারের জীবনীগ্রন্থ প্রকাশ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাঘের শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন
মাঘের শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবির ‘এ’ ইউনিটের ফল পুনরায় যাচাই, বদলাতে পারে মেধাক্রম
চবির ‘এ’ ইউনিটের ফল পুনরায় যাচাই, বদলাতে পারে মেধাক্রম

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বিশ্বনাথে শিম ক্ষেতে মিললো নারীর লাশ
বিশ্বনাথে শিম ক্ষেতে মিললো নারীর লাশ

৪ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সাবেক প্রোটিয়া অলরাউন্ডারকে নিয়ে ইতালির বিশ্বকাপ দল ঘোষণা
সাবেক প্রোটিয়া অলরাউন্ডারকে নিয়ে ইতালির বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত
জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার
বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

১২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি
টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার

পেছনের পৃষ্ঠা

আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

প্রথম পৃষ্ঠা

চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার

প্রথম পৃষ্ঠা

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারও মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারও মানুষ

দেশগ্রাম

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

দেশগ্রাম

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক
খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক

নগর জীবন

এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া
এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া

নগর জীবন

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ
পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

নগর জীবন

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩

নগর জীবন

সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম
সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম

দেশগ্রাম

স্বতঃস্ফূর্ত সংসদ নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ মাদক চাঁদাবাজি আধিপত্য দ্বন্দ্ব
স্বতঃস্ফূর্ত সংসদ নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ মাদক চাঁদাবাজি আধিপত্য দ্বন্দ্ব

খবর

শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ
শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ

দেশগ্রাম

একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি
একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি

নগর জীবন

খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আমাদের আগামীর চালিকাশক্তি
খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আমাদের আগামীর চালিকাশক্তি

নগর জীবন