শিরোনাম
প্রকাশ: ০১:২৬, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০১:২৭, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

হাদির পর কে টার্গেট?

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
হাদির পর কে টার্গেট?

গত বছরের ৩৬ জুলাইয়ের পর প্রায় দেড় বছরে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে আওয়ামী লীগকে এই উপলব্ধির মধ্যে আনা সম্ভব হয়নি যে এর আগের ১৫ বছরে তারা হত্যা, গুম, দখল, চাঁদাবাজি, সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের আওয়ামীকরণ, বিচারিক ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং বিরোধী দলকে প্রায় অস্তিত্বহীন করে দেশকে নারকীয় সন্ত্রাসের সাম্রাজ্যে পরিণত করেছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের অন্তর্নিহিত দুর্বলতার কারণে আওয়ামী লীগের শীর্ষ থেকে নিম্ন নেতৃত্ব পর্যন্ত কেউই জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান দমানোর উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার নির্দেশে পরিচালিত হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া তো দূরের কথা, উল্টো জুলাই-আগস্টের শহীদদের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থানে সোচ্চার হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকেই সুযোগসন্ধানী রাজনৈতিক দল। যারা অতীতে সব সময় ঘোলাপানিতে মাছ শিকারে তাদের পারঙ্গমতা প্রদর্শন করেছে। এমনকি মুখে গণতন্ত্রের মন্ত্র পাঠ করে মেয়াদের পর মেয়াদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের নামে বিরোধী দলের প্রার্থীদের হুমকি, ভোট কেন্দ্রে ভোটারের অনুপস্থিতি নিশ্চিত করে বা ভোট কেন্দ্র দখলের মাধ্যমে নিজেদের বিজয়ী ঘোষণা করে, যেভাবে দেশে কর্তৃত্ববাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল, তাতে বিস্ময়ের কিছু ছিল না। এটাই চিরাচরিত আওয়ামী চরিত্র।

যদি বলা হয় যে, গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও পলায়ন এবং আওয়ামী লীগের অধিকসংখ্যক শীর্ষনেতা, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং অন্যান্য কুশীলবকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার মধ্যেই ভূতের কারসাজি ছিল, তাহলে কি খুব বাড়িয়ে বলা হবে? এ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার কখনো মুখ খোলেনি। সম্ভবত তারা ভেবেছে, বিপদ যখন কেটেই গেছে, ওদের নিয়ে আর ঘাঁটাঘাঁটি করে কী লাভ! বিপদ যে কাটেনি, তা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র, ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে অতি কাছ থেকে তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি করার ঘটনা। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়নি। সার্জনের মতে, গুলি বিদ্ধ হয়ে খুলির বিপরীত দিক দিয়ে বের হয়ে গেছে। হাদি এখন জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। প্রশ্ন হচ্ছে, হাদিই কী একমাত্র টার্গেট ছিল এবং ঘাতকদের টার্গেটের তালিকায় কী আর কেউ নেই?

নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরদিনই রাজধানীতে প্রকাশ্য দিবালোকে প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ, অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার, উদীয়মান এক রাজনীতিককে হত্যাচেষ্টার মধ্যেই স্পষ্ট যে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কতটা অবনতি ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়াও তাদের সহায়তায় মাঠে সেনাবাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন।

কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। এর বড় দুটি কারণের একটি হতে পারে সাবেক সরকারের আদেশে জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ এবং নিহত ব্যক্তিদের লাশ আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া, অর্ধমৃত যুবককে গাড়ি থেকে রাস্তায় নিক্ষেপ করার ঘটনাসহ লাশ শনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের পরিবর্তে বহুসংখ্যক লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে গোপনে কবরস্থ করার মতো ঘটনার জেরে জনরোষের কবলে পড়ে কিছুসংখ্যক পুলিশের নিহত হওয়া, থানায় অগ্নিসংযোগ ও পলায়নপর পুলিশ সদস্যদের নিগৃহীত হওয়া ইত্যাদি কারণে পুলিশের নৈতিক মনোবল এখনো ফিরে না আসা। তাদের মনোবল সহসা ফিরে আসার কারণও নেই। ২০২৪-এর আগস্ট-পূর্ব পুলিশের সিংহভাগই তো রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত। তারা যতই সংবিধান রক্ষা ও জনণের সেবায় জান কোরবান করার শপথ নিক না কেন, তাদেরও নিজস্ব রাজনৈতিক মতামত ছিল ও রয়েছে এবং কোনো জাদুর কাঠির স্পর্শে সহসাই তাদের চিত্তের পরিবর্তন ঘটেছে তা আশা না করাই উচিত। তারা দোদুল্যমানচিত্তে কর্তব্য পালন করছে মাত্র।

গত ১৬ মাসে অন্তর্বর্তী সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে গোছাতে ব্যর্থ হয়েছে। নতুন জনবল যোগ করতে পারেনি পর্যন্ত। এ ব্যর্থতার বড় আকারের খেসারত দেওয়ার ঘটনা শুরু হলো সম্ভবত শরিফ ওসমান হাদিকে দিয়ে।

যদি বলা হয় যে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতন ও পলায়ন এবং আওয়ামী লীগের অধিকসংখ্যক শীর্ষনেতা, মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং অন্যান্য কুশীলবকে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার মধ্যেই ভূতের কারসাজি ছিল, তাহলে কি খুব বাড়িয়ে বলা হবে

দ্বিতীয় কারণ, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে বিদ্যমান ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দলের ক্ষমতার স্বাদ গ্রহণের যে সুযোগ এসেছে, তা কোনোমতে হাতছাড়া না করার প্রতিযোগিতা। যেসব দলের নেতাদের পক্ষে জাতীয় সংসদ ভবনের চারদিকের পথগুলো দিয়ে অতিক্রম করার সময় সেদিকে তাকিয়ে থাকা অথবা বড়জোর জাতীয় সংসদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারও মাধ্যমে একটি পাস জোগাড় করে দর্শক গ্যালারিতে বসে সংসদ অধিবেশনের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করা ছাড়া আর কোনো স্বপ্নও দেখা সম্ভব ছিল না, তারাও সংসদের ‘উচ্চকক্ষ’ এবং ‘পিআর’ ‘পিআর’ বলে শোরগোল শুরু করেছিল। তাদের মধ্যে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার আশা জ্বলজ্বল করতে শুরু করেছিল। তাদের দিকে এই আশাগুলো ছুড়ে দিয়েছিল ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশন’।

জুলাই অভ্যুত্থান ও শহীদদের আত্মদানের চেতনা বাস্তবায়নের নামে ৩৩টি দলের সঙ্গে ১৬৬টি বিষয়ের ওপর ৭২ দিন আলোচনা করে ৬৪টি বিষয়ে ঐকমত্যে উপনীত হয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। এবং এর ভিত্তিতে ঘোষণা করা হয়েছে ‘জুলাই সনদ-২০২৫’। ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় সময় লেগেছে প্রায় ৯ মাস। সব বাধাবিঘ্ন এড়িয়ে যদি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভকারী দল যথাশিগগির সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে, এ কথা সত্য। কিন্তু শেখ মুজিবের কায়দায় মাত্র ১৩ মিনিটে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা থেকে একদলীয় রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারে উত্তরণের মতো কোনো ঘটনা না ঘটলে জুলাই সনদের প্রস্তাবগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হতে আরও কয়েক মাস লেগে যেতে পারে।

কেয়ারটেকার সরকারব্যবস্থা বহাল থাকাকালে তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করেছে ৯০ দিনের মধ্যে। এবং এক সপ্তাহ থেকে পনেরো দিনের মধ্যে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় নিয়েছে। বাংলাদেশসহ তৃতীয় বিশ্বের যেসব দেশ সামরিক সরকারের অধীনে শাসিত হওয়ার অভিজ্ঞতা লাভ করেছে, সেসব দেশে সামরিক সরকার নানা টালবাহানা করে ক্ষমতায় থাকার মেয়াদ প্রলম্বিত করেছে। সামরিক সরকার চেষ্টা করে সময়ক্ষেপণ করে নিজের দল গড়ে তুলে, নির্বাচনে সেই দলের বিজয় নিশ্চিত করা। অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য থাকে যথাশিগগির নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়া।

কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানে ঢিমেতালে চলছে দেখে মানুষের মনে প্রশ্ন উঠেছিল, এ সরকার কী সহসা ক্ষমতা ছেড়ে যাবে? এ প্রশ্ন সরকারকে আরও জটিল অবস্থার মধ্যে ফেলত, যদি না বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হয়ে ২০২৬ সালের জুনের সিদ্ধান্ত পাল্টে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা বলতেন। প্রধান উপদেষ্টার পরিবর্তিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচনের তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষিত হওয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠান বিলম্বিত করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতায় থাকার মেয়াদ প্রলম্বিত করার যে আশঙ্কা আগে ব্যক্ত করা হয়েছিল তা কেটে গেলেও, শরিফ আবদুল হাদিকে হত্যাচেষ্টায় পরিস্থিতি যেদিকে মোড় নিতে যাচ্ছে, তা কার্যত নির্বাচন অনুষ্ঠান ভন্ডুল করার চক্রান্তের অংশ বলেই মনে হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের মতো একটি রাজনৈতিক অপশক্তিকে তাদের পাহাড়সম অপরাধের জন্য ফৌজদারি আইনে প্রাপ্য শাস্তি নিশ্চিত করার সঙ্গে যখন তাদের হাঁটু গেড়ে বসিয়ে গণতান্ত্রিক ও সহনশীল রাজনীতি চর্চার দীক্ষা দান এবং ব্যক্তিকে কর্তৃত্ববাদী করে তোলার কুফল সম্পর্কে শেখানো উচিত ছিল, তখন বিএনপি তাদের প্রতি আপসমূলক ও নমনীয় মনোভাব পোষণ করেছে। সেটিকে প্রশ্রয় হিসেবে নিয়েছে সুযোগ হাতছাড়া না করা, কুটচালে সিদ্ধ আওয়ামী লীগ।

রাজনৈতিক মাঠে এখন দুই বড় পক্ষ বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। বিএনপির সরকার পরিচালনার অতীত অভিজ্ঞতা থাকলেও জামায়াতের সে অভিজ্ঞতা নেই। কিন্তু গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বিএনপি কার্যত নেতৃত্বশূন্য। বড় দল হওয়া সত্ত্বেও শেখ হাসিনার দুঃশাসনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেও, তাঁরা হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো আন্দোলনই গড়ে তুলতে পারেননি। দলটি পরিচালিত হয়েছে অনেকটা বায়বীয়ভাবে। জামায়াতের অবস্থা ছিল এর বিপরীত। পতিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার তৈরি বিশেষ আদালতে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা সত্ত্বেও দলটি মনোবল হারায়নি। ত্যাগের বিনিময়ে তারা বরং দেশের সাধারণ মানুষ, ছাত্র ও পেশাজীবী এবং বহু মুসলিম দেশের সহানুভূতি লাভ করে ভিতরে ও বাইরে শক্তিশালী হয়েছে।

তবে তারা সংসদে সরকার গঠন করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। দল সুশৃঙ্খল, সুসংগঠিত হলেই যে জনসমর্থন উপচে পড়ে না এবং সরকারে যাওয়া যায় না, তা প্রমাণিত সত্য। বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে বহু ভোটার এক কাপ চা, একটি সিগারেটের বিনিময়ে সমর্থন পাল্টে ফেলে। হাতে নোট গুঁজে দিলে কী হতে পারে?

আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বলতে গেলে ওত পেতে আছে। সেজন্য তারা অনেকটা গায়ে পড়েই তাদের বিগত দিনের রাজনৈতিক মিত্র ও জোটের প্রধান অংশীদার জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো এমন ভাষায় কথা বলছে, জামায়াতের ক্ষেত্রে যে ভাষা এত দিন আওয়ামী লীগ ও তার মিত্ররা প্রয়োগ করত।

নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, জামায়াতের বিরুদ্ধে বিএনপি তত মুখর হবে। দুই দলের মধ্যে সৃষ্ট টানাপোড়েনের সুযোগ নেবে অন্ধকার বা মানুষের ভিড়ে মিশে থাকা আওয়ামী লীগের সুযোগসন্ধানীরা। তারা চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, ক্রমাবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পুরো ফায়দা নিতে কোনো সুযোগ হাতছাড়া করবে না। তাদের ওপর আশীর্বাদ হিসেবে আছেন দিল্লির নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা ফাঁসির দণ্ড পাওয়া আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’—স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি কৌশলগত ঘোষণা
‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’—স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি কৌশলগত ঘোষণা
মববাজ দমনের অপেক্ষায় জনতা
মববাজ দমনের অপেক্ষায় জনতা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক : বড়দের জন্য নতুন সুযোগ, ছোট এনজিওদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক : বড়দের জন্য নতুন সুযোগ, ছোট এনজিওদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
সর্বশেষ খবর
গোপালগঞ্জ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী পালিত
গোপালগঞ্জ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী পালিত

১৯ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন
উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সূচকের ওঠানামায় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন
সূচকের ওঠানামায় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন

৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর
ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর

৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’
‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’

৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্চে শুরু হচ্ছে কাতার ফুটবল উৎসব
মার্চে শুরু হচ্ছে কাতার ফুটবল উৎসব

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

গোপালগঞ্জে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতার
গোপালগঞ্জে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতার

১১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ৪০০ ঘর
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ৪০০ ঘর

১৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলসহ দুই যুবক আটক
যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলসহ দুই যুবক আটক

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গণতন্ত্রের স্বার্থে ভোট শতভাগ সুষ্ঠু হবে : জামায়াত আমির
গণতন্ত্রের স্বার্থে ভোট শতভাগ সুষ্ঠু হবে : জামায়াত আমির

২৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক
উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফের বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম, আজ থেকে কার্যকর
ফের বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম, আজ থেকে কার্যকর

৩১ মিনিট আগে | অর্থনীতি

কানাডায় ঝড়ের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন হাজারো মানুষ, স্কুল বন্ধ ঘোষণা
কানাডায় ঝড়ের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন হাজারো মানুষ, স্কুল বন্ধ ঘোষণা

৩৪ মিনিট আগে | পরবাস

মাইজদীতে সন্ত্রাসী হামলায় নারীসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম
মাইজদীতে সন্ত্রাসী হামলায় নারীসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাপার সভাপতি তালুকদার সম্পাদক আলমগীর কবির
বাপার সভাপতি তালুকদার সম্পাদক আলমগীর কবির

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

৪৪ মিনিট আগে | নগর জীবন

নারায়ণগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শীতবস্ত্র বিতরণ
নারায়ণগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শীতবস্ত্র বিতরণ

৫২ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘নবাগত লোক এসে কত কথাই না বলে’
‘নবাগত লোক এসে কত কথাই না বলে’

৫৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলালিংক অ্যাপকোয়েস্ট অ্যাপলিংক হ্যাকাথনের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বাংলালিংক অ্যাপকোয়েস্ট অ্যাপলিংক হ্যাকাথনের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

৫৫ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

কালীগঞ্জে পিকআপ ভ্যানের চাপায় চিকিৎসক নিহত
কালীগঞ্জে পিকআপ ভ্যানের চাপায় চিকিৎসক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে পলিথিন কারখানা সিলগালা, কাঁচামাল জব্দ
বরিশালে পলিথিন কারখানা সিলগালা, কাঁচামাল জব্দ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেড় শতাধিক গুইসাপের নিরাপদ আবাস তীরচর গ্রাম
দেড় শতাধিক গুইসাপের নিরাপদ আবাস তীরচর গ্রাম

১ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

আমি কখনও অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবো না : শামা ওবায়েদ
আমি কখনও অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবো না : শামা ওবায়েদ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মধুখালীতে মাদক ব্যবসায়ী আটক, উদ্ধার ৭০ পিস ইয়াবা
মধুখালীতে মাদক ব্যবসায়ী আটক, উদ্ধার ৭০ পিস ইয়াবা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পোস্টাল ভোটিং বিষয়ে দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ
পোস্টাল ভোটিং বিষয়ে দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু
গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে বগুড়া প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকীতে বগুড়া প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুঁড়া দুধে ৬৭ ভাগই ভেজাল, শিশুস্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি
গুঁড়া দুধে ৬৭ ভাগই ভেজাল, শিশুস্বাস্থ্যে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি

১ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

নিরাপদ দেশ গড়তে চাইলে হ্যাঁ ভোট দিন : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
নিরাপদ দেশ গড়তে চাইলে হ্যাঁ ভোট দিন : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সরকার বিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রে হাজারো মানুষের মিছিল
ইরানের সরকার বিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রে হাজারো মানুষের মিছিল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর’ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন রুমিন ফারহানা
ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর’ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন রুমিন ফারহানা

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি
পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

'আমি স্ত্রীকে হত্যা করেছি, তবে আমি খুনি নই'
'আমি স্ত্রীকে হত্যা করেছি, তবে আমি খুনি নই'

১১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা কেড়ে নিল দুই দেশ
ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা কেড়ে নিল দুই দেশ

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, দুদকের জালে জাতীয় পার্টির রাঙ্গা
পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, দুদকের জালে জাতীয় পার্টির রাঙ্গা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাটকীয়ভাবে ইসরায়েল ছাড়ছে ইহুদিরা
নাটকীয়ভাবে ইসরায়েল ছাড়ছে ইহুদিরা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীত কমবে নাকি বাড়বে, সারাদেশে যেমন থাকবে আবহাওয়া
শীত কমবে নাকি বাড়বে, সারাদেশে যেমন থাকবে আবহাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ইসির সামনে থেকে যাবো না: ছাত্রদল সভাপতি
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ইসির সামনে থেকে যাবো না: ছাত্রদল সভাপতি

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

রুমিন ফারহানাকে শোকজ
রুমিন ফারহানাকে শোকজ

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন: গাজী আতাউর রহমান
মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন: গাজী আতাউর রহমান

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাকিস্তানের মহা-উপকার করেছে ভারত, অস্ত্র ব্যবসা রমরমা!
পাকিস্তানের মহা-উপকার করেছে ভারত, অস্ত্র ব্যবসা রমরমা!

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১২ আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ঘোষণা
১২ আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ঘোষণা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে যে সিদ্ধান্ত নিলো পাকিস্তান
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে যে সিদ্ধান্ত নিলো পাকিস্তান

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্পেনের হাই-স্পিড ট্রেন দুর্ঘটনা: কী ঘটেছিল?
স্পেনের হাই-স্পিড ট্রেন দুর্ঘটনা: কী ঘটেছিল?

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল পরিকল্পনায় যে কারণে মহাখুশি রাশিয়া
ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল পরিকল্পনায় যে কারণে মহাখুশি রাশিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শাকসু নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত
শাকসু নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার কানাডা নিয়ে চিন্তায় ট্রাম্প
এবার কানাডা নিয়ে চিন্তায় ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জনপ্রিয় হয়ে গেছি’, বিসিবিকে নাজমুল
‘জনপ্রিয় হয়ে গেছি’, বিসিবিকে নাজমুল

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউরোপকে ব্ল্যাকমেইল করা যাবে না: ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী
ইউরোপকে ব্ল্যাকমেইল করা যাবে না: ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে : চীনা রাষ্ট্রদূত
শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের সমর্থনে বিশ্বকাপ থেকে সরে যাবে না পাকিস্তান
বাংলাদেশের সমর্থনে বিশ্বকাপ থেকে সরে যাবে না পাকিস্তান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ
এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে ‘ট্রেড বাজুকা’ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে ইউরোপ!
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে ‘ট্রেড বাজুকা’ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে ইউরোপ!

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানের সমর্থনে কি ভারতকে চাপে ফেলতে পারবে বাংলাদেশ
পাকিস্তানের সমর্থনে কি ভারতকে চাপে ফেলতে পারবে বাংলাদেশ

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে
স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে

১৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কুমিল্লা-৩ আসনে কায়কোবাদের প্রার্থিতা বহাল
কুমিল্লা-৩ আসনে কায়কোবাদের প্রার্থিতা বহাল

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাড্ডায় অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ, ভোগান্তি
বাড্ডায় অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ, ভোগান্তি

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইরান অভিমুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি
ইরান অভিমুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি

প্রথম পৃষ্ঠা

ছদ্মবেশী কিলার ভবঘুরে সম্রাট
ছদ্মবেশী কিলার ভবঘুরে সম্রাট

প্রথম পৃষ্ঠা

গণভোটে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক
গণভোটে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদকের আখড়া প্যারিস রোডের ‘ভূতুড়ে মার্কেট’
মাদকের আখড়া প্যারিস রোডের ‘ভূতুড়ে মার্কেট’

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় র্যাব কর্মকর্তা নিহত
চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় র্যাব কর্মকর্তা নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আজ প্রত্যাহার কাল প্রতীক বরাদ্দ
আজ প্রত্যাহার কাল প্রতীক বরাদ্দ

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের টি-২০ বিশ্বকাপ
এখনো অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের টি-২০ বিশ্বকাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তরে দেশের পোশাকশিল্প
প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তরে দেশের পোশাকশিল্প

শিল্প বাণিজ্য

ফুলের রাজ্যে রঙের উৎসব
ফুলের রাজ্যে রঙের উৎসব

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রার্থী হতে জাতীয় পার্টির রাঙ্গাকে পনিরের ঘুষ
প্রার্থী হতে জাতীয় পার্টির রাঙ্গাকে পনিরের ঘুষ

প্রথম পৃষ্ঠা

শিরোপার দৌড়ে সাবিনারা
শিরোপার দৌড়ে সাবিনারা

মাঠে ময়দানে

১০-দলীয় জোটের আসন চূড়ান্ত, আজ ঘোষণা
১০-দলীয় জোটের আসন চূড়ান্ত, আজ ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সে আগুন
রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সে আগুন

দেশগ্রাম

ইউরোপে পোশাক রপ্তানি ১৮০৫ কোটি ইউরো
ইউরোপে পোশাক রপ্তানি ১৮০৫ কোটি ইউরো

পেছনের পৃষ্ঠা

পোশাক খাত এক বছর ধরে আইসিইউতে
পোশাক খাত এক বছর ধরে আইসিইউতে

প্রথম পৃষ্ঠা

‘সিটি গভর্নমেন্ট’-এ বাঁচবে ঢাকা
‘সিটি গভর্নমেন্ট’-এ বাঁচবে ঢাকা

নগর জীবন

পবিত্র শবেবরাত ৩ ফেব্রুয়ারি
পবিত্র শবেবরাত ৩ ফেব্রুয়ারি

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ মার্কিন ও ইইউ রাষ্ট্রদূতদের
তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ মার্কিন ও ইইউ রাষ্ট্রদূতদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিপিএলে প্লে-অফের লড়াই
বিপিএলে প্লে-অফের লড়াই

মাঠে ময়দানে

টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করছে কি পাকিস্তান!
টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করছে কি পাকিস্তান!

মাঠে ময়দানে

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহীদ জিয়ার জন্মদিন উদ্‌যাপন
শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহীদ জিয়ার জন্মদিন উদ্‌যাপন

প্রথম পৃষ্ঠা

‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে
‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সমস্যা বাড়ছেই ঢাকায়
সমস্যা বাড়ছেই ঢাকায়

পেছনের পৃষ্ঠা

‘ফুল গিয়ারে’ প্রশাসন
‘ফুল গিয়ারে’ প্রশাসন

পেছনের পৃষ্ঠা

উইজডেন বর্ষসেরা টি ২০ একাদশে মুস্তাফিজ
উইজডেন বর্ষসেরা টি ২০ একাদশে মুস্তাফিজ

মাঠে ময়দানে

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নেই
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

আফ্রিকাসেরা সেনেগাল
আফ্রিকাসেরা সেনেগাল

মাঠে ময়দানে

ফর্টিসের কাছে সব ম্যাচই ফাইনাল
ফর্টিসের কাছে সব ম্যাচই ফাইনাল

মাঠে ময়দানে

সিলেটে ট্রেনের ধাক্কায় আহত হাতির মৃত্যু
সিলেটে ট্রেনের ধাক্কায় আহত হাতির মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা