শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৩০, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প

ড. হারুন রশীদ
অনলাইন ভার্সন
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: শোকের ঊর্ধ্বে এক সংকল্প

আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এটি কেবল জাতীয় জীবনে শোক পালনের দিন নয়, বরং এক গভীর আত্মজিজ্ঞাসা ও নবশপথ গ্রহণের মুহূর্ত। বিজয়ের সূর্যোদয়ের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে যে মেধাবী সন্তানদের আমরা হারিয়েছি, তাদের স্মরণ করার অর্থ শুধু অশ্রুপাত নয়। এই দিবস পালনের সার্থকতা নিহিত রয়েছে সেই আদর্শগুলো বাস্তবায়নের দৃঢ় প্রতিজ্ঞায়, যার জন্য তারা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। একই সাথে যে অন্ধকার শক্তি একটি জাতির মেধা ও আত্মা ধ্বংস করতে চেয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে সদা জাগ্রত থাকার সংকল্প গ্রহণের দিন আজ।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের সেই নির্মম হত্যাকাণ্ডকে বুঝতে হলে এর পেছনের উদ্দেশ্য অনুধাবন করা অপরিহার্য। এটি কোনো আকস্মিক নৃশংসতা ছিল না; ছিল একটি জাতিকে জন্মের আগেই বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার সুগভীর চক্রান্ত। বিজয়ের ঊষালগ্নে যখন পরাজয় অত্যাসন্ন, তখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় দোসর- রাজাকার, আলবদর ও আলশামস- এক নারকীয় হত্যাযজ্ঞে মেতে ওঠে। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বেছে বেছে ধরে নিয়ে আসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের মূল লক্ষ্য ছিল সদ্য স্বাধীন হতে যাওয়া বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ মেধাশূন্য করে দেওয়া।

লক্ষ্যবস্তু ছিলেন তারা, যারা একটি নতুন দেশের পথ দেখাতে পারতেন। তাদের মধ্যে ছিলেন প্রথিতযশা সাহিত্যিক, নির্ভীক সাংবাদিক, মানবদরদী চিকিৎসক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বরেণ্য ব্যক্তি। তারা কেবল ব্যক্তি ছিলেন না, ছিলেন একেকটি প্রতিষ্ঠান- একটি স্বপ্নের বাংলাদেশের পথপ্রদর্শক। এই পরিকল্পিত শূন্যতা সৃষ্টির প্রচেষ্টা এটাই প্রমাণ করে যে, শহীদ বুদ্ধিজীবীরা যে জ্ঞানভিত্তিক, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন, সেটিই ছিল হানাদার ও তাদের দোসরদের মূল আতঙ্কের কারণ।

বিজয়ের ঊষালগ্নে পরাজয় অত্যাসন্ন জেনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের হত্যায় মেতে ওঠে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে বেছে বেছে ধরে নিয়ে আসা হয় সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিকিৎসকসহ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। এরপর নির্মম পৈশাচিকতায় তাদের হত্যা করা হয়। উদ্দেশ্য ছিল জাতিকে মেধাশূন্য করা। স্বাধীনতা পেয়েও বাঙালি জাতি যেন মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সেই নীলনকশা বাস্তবায়ন করাই ছিল বুদ্ধিজীবী হত্যার হীন উদ্দেশ্য। এই দিবসে জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে সেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের, যারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসরদের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।

একাত্তরের ডিসেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বুদ্ধিজীবীদের ধরে এনে হত্যা করা হয় জগন্নাথ হল, রায়েরবাজারের নদীতীর ও মিরপুরের কয়েকটি স্থানে। ডা. ফজলে রাব্বী, আবদুল আলীম চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন, সেলিনা পারভীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সন্তোষ ভট্টাচার্য, সিরাজুল হক, চিকিৎসক গোলাম মুর্তোজা, আজহারুল হক, হুমায়ুন কবীর, মনসুর আলীসহ অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয় এ সময়।

মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে এবং যুদ্ধ চলাকালে হত্যা করা হয় জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, গোবিন্দ চন্দ্র দেবসহ আরও অনেক বুদ্ধিজীবীকে। মুনীর চৌধুরী, আলতাফ মাহমুদ ও শহীদুল্লা কায়সারও একইভাবে হত্যার শিকার হন। এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সর্বপ্রথম শিকার হয়েছিলেন অধ্যাপক ড. শামসুজ্জোহা। স্বাধীনতার পাঁচ দশক পরও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি জাতীয় কমিটির মাধ্যমে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা করার উদ্যোগ নিলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। তাছাড়া শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবী হত্যার স্মৃতিচারণ থেকেও বেরিয়ে আসতে হবে। বাংলাপিডিয়ার হিসাব মতে, মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে সারাদেশে ১ হাজার ১১১ জন বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করেছিল পাকিস্তানি বাহিনী। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৪৯ জন ছিল ঢাকায়। কিন্তু ঢাকার বাইরের জেলাগুলোর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সেভাবে স্মরণ করা হয় না।

বাংলাপিডিয়ার হিসাব মতে, কুমিল্লায় মারা গেছে ৮৬ জন, যশোরে ৯১, রংপুরে ৭২, দিনাজপুরে ৬১, পাবনায় ৫৩, ময়মনসিংহে ৭৫, ফরিদপুরে ৪৩, চট্টগ্রামে ৬২, খুলনায় ৬৫, বরিশালে ৭৫ এবং রাজশাহীতে ৫৪ জনসহ সব মিলিয়ে বুদ্ধিজীবীদের সংখ্যা ১ হাজার ১১১ জন। গবেষকদের মতে, এ তালিকাও অসম্পূর্ণ। ইতিহাসের স্বার্থেই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়ন ও তাদের স্মৃতি সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ কেবল তাদের হত্যাকাণ্ডের বিভীষিকায় সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়; বরং তাদের স্বপ্নের ইতিবাচক ও গঠনমূলক রূপরেখা অনুধাবন করা অপরিহার্য। এই স্বপ্নই আমাদের জাতির নৈতিক দিকনির্দেশনা। তাদের স্বপ্ন ছিল এক অখণ্ড রূপকল্প: এমন এক বাংলাদেশ যা হবে শোষণ ও বঞ্চনাহীন, যেখানে প্রত্যেক নাগরিকের মর্যাদা হবে সুরক্ষিত; এমন এক দেশ যা হবে ক্ষুধামুক্ত, যেখানে মৌলিক চাহিদাগুলো হবে সহজলভ্য; এবং এমন এক জাতি যা কেবল অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ নয়, বরং এক উদার ও সংস্কৃতিবান সত্তা নিয়ে বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করাই হতে পারে তাদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রেষ্ঠ সম্মান। কেবল তখনই শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানানো সার্থক হবে, যখন আমরা তাদের স্বপ্নের বাংলাদেশকে বাস্তবে রূপ দিতে সক্ষম হবো। এই স্বপ্ন ধারণ করা এবং একে বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাওয়াই আমাদের প্রধান জাতীয় কর্তব্য। ইতিহাসের এই নির্মম অধ্যায় আমাদের বর্তমানের জন্যও এক জরুরি সতর্কবার্তা বহন করে। আমাদের মনে রাখতে হবে, ১৯৭১ সালে যে অপশক্তি পরাজিত হয়েছিল, তাদের অস্তিত্ব পুরোপুরি বিলীন হয়ে যায়নি। সেই পরাজিত শক্তি ও তাদের ভাবাদর্শ আজও নানা রূপে আমাদের সমাজে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করে এবং সুযোগ পেলেই দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের অন্যতম শিক্ষা হলো, মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি যাতে আর কখনোই মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা। যে কোনো ধরনের দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকা এখন সময়ের দাবি। যারা ঐতিহাসিক বিকৃতি ও বিভাজনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করতে চায় এবং দেশকে পেছনের দিকে টেনে নিতে চায়, তাদের বিষয়ে বিন্দুমাত্র শৈথিল্য প্রদর্শনের সুযোগ নেই। এই সতর্কতা ও প্রতিরোধই শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করার অন্যতম উপায়।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, স্বাধীনতা অর্জনের মতোই তা রক্ষা করা এবং এর আদর্শ বাঁচিয়ে রাখাও এক নিরন্তর সংগ্রাম। এই দিনে আমাদের শুধু শোক প্রকাশ করলে চলবে না, বরং নতুন করে শপথ নিতে হবে। এই শপথ হোক দ্বিমুখী: প্রথমত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে জীবনের সর্বস্তরে ধারণ করার; দ্বিতীয়ত, শহীদদের স্বপ্নের সেই আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আত্মনিয়োগ করার। তাদের দেখানো পথই আমাদের পাথেয়। সেই আলোকবর্তিকা সমুন্নত রাখার দায়িত্ব আজ আমাদের সবার। এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই আমরা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি আমাদের সত্যিকারের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদন করতে পারি।

একটি সমাজ বা রাষ্ট্রে এই নক্ষত্রসম মানুষরাই জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যান। এ কারণে তারা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিলেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শোষণ, বৈষম্যসহ নানা নিপীড়নের প্রতিবাদ আসে বুদ্ধিজীবীদের কাছ থেকেই। ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে যা পরবর্তীসময়ে স্বাধিকার আন্দোলনে রূপ নেয়। রাজনৈতিক আন্দোলনে গতি আনে সাংস্কৃতিক আন্দোলন। বুদ্ধিজীবীরা এমন একটি সংস্কৃতি নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন, যা পরাধীনতার অন্ধকার থেকে দেশকে নিয়ে যাবে আলোর ভুবনে। সেই আলোর পথে হাঁটতেই বাঙালি জাতি ঝাঁপিয়ে পড়েছিল স্বাধিকার আন্দোলনে। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে ছিনিয়ে আনে লাল সবুজের পতাকা।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট, ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’—স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি কৌশলগত ঘোষণা
‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’—স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি কৌশলগত ঘোষণা
মববাজ দমনের অপেক্ষায় জনতা
মববাজ দমনের অপেক্ষায় জনতা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক : বড়দের জন্য নতুন সুযোগ, ছোট এনজিওদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক : বড়দের জন্য নতুন সুযোগ, ছোট এনজিওদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
সর্বশেষ খবর
ঢাকায় রেল পরিচালকের আকস্মিক মৃত্যু
ঢাকায় রেল পরিচালকের আকস্মিক মৃত্যু

১ সেকেন্ড আগে | নগর জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক জসিমের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক জসিমের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শহীদ আসাদের শাহাদাতবার্ষিকীতে ছাত্রদলের শ্রদ্ধা
শহীদ আসাদের শাহাদাতবার্ষিকীতে ছাত্রদলের শ্রদ্ধা

৯ মিনিট আগে | রাজনীতি

সিঙ্গাপুরে বন্ধুত্বের নতুন চিত্র : প্রতি ১০ জনে একজনের নেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু
সিঙ্গাপুরে বন্ধুত্বের নতুন চিত্র : প্রতি ১০ জনে একজনের নেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার
স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার

২০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, কর্ণাটকে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত
নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, কর্ণাটকে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত

২৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চানখারপুলে ৬ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার রায়ের তারিখ পেছাল
চানখারপুলে ৬ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার রায়ের তারিখ পেছাল

৪৬ মিনিট আগে | জাতীয়

মানিকগঞ্জে ভ্যাকসিনের অভাবে আতঙ্কিত রোগীরা
মানিকগঞ্জে ভ্যাকসিনের অভাবে আতঙ্কিত রোগীরা

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জামালগঞ্জে এতিম শিশুদের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
জামালগঞ্জে এতিম শিশুদের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

৫৩ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে জরুরি ১৪ নির্দেশনা
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে জরুরি ১৪ নির্দেশনা

৫৪ মিনিট আগে | জাতীয়

গোপালগঞ্জ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী পালিত
গোপালগঞ্জ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন
উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সূচকের ওঠানামায় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন
সূচকের ওঠানামায় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর
ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’
‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্চে শুরু হচ্ছে কাতার ফুটবল উৎসব
মার্চে শুরু হচ্ছে কাতার ফুটবল উৎসব

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোপালগঞ্জে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতার
গোপালগঞ্জে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ৪০০ ঘর
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ৪০০ ঘর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলসহ দুই যুবক আটক
যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলসহ দুই যুবক আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গণতন্ত্রের স্বার্থে ভোট শতভাগ সুষ্ঠু হবে : জামায়াত আমির
গণতন্ত্রের স্বার্থে ভোট শতভাগ সুষ্ঠু হবে : জামায়াত আমির

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক
উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফের বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম, আজ থেকে কার্যকর
ফের বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম, আজ থেকে কার্যকর

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কানাডায় ঝড়ের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন হাজারো মানুষ, স্কুল বন্ধ ঘোষণা
কানাডায় ঝড়ের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন হাজারো মানুষ, স্কুল বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মাইজদীতে সন্ত্রাসী হামলায় নারীসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম
মাইজদীতে সন্ত্রাসী হামলায় নারীসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাপার সভাপতি তালুকদার সম্পাদক আলমগীর কবির
বাপার সভাপতি তালুকদার সম্পাদক আলমগীর কবির

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নারায়ণগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শীতবস্ত্র বিতরণ
নারায়ণগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শীতবস্ত্র বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘নবাগত লোক এসে কত কথাই না বলে’
‘নবাগত লোক এসে কত কথাই না বলে’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলালিংক অ্যাপকোয়েস্ট অ্যাপলিংক হ্যাকাথনের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বাংলালিংক অ্যাপকোয়েস্ট অ্যাপলিংক হ্যাকাথনের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

সর্বাধিক পঠিত
বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর’ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন রুমিন ফারহানা
ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর’ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন রুমিন ফারহানা

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি
পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

'আমি স্ত্রীকে হত্যা করেছি, তবে আমি খুনি নই'
'আমি স্ত্রীকে হত্যা করেছি, তবে আমি খুনি নই'

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা কেড়ে নিল দুই দেশ
ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা কেড়ে নিল দুই দেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, দুদকের জালে জাতীয় পার্টির রাঙ্গা
পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, দুদকের জালে জাতীয় পার্টির রাঙ্গা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাটকীয়ভাবে ইসরায়েল ছাড়ছে ইহুদিরা
নাটকীয়ভাবে ইসরায়েল ছাড়ছে ইহুদিরা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীত কমবে নাকি বাড়বে, সারাদেশে যেমন থাকবে আবহাওয়া
শীত কমবে নাকি বাড়বে, সারাদেশে যেমন থাকবে আবহাওয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ইসির সামনে থেকে যাবো না: ছাত্রদল সভাপতি
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ইসির সামনে থেকে যাবো না: ছাত্রদল সভাপতি

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন: গাজী আতাউর রহমান
মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন: গাজী আতাউর রহমান

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্পেনের হাই-স্পিড ট্রেন দুর্ঘটনা: কী ঘটেছিল?
স্পেনের হাই-স্পিড ট্রেন দুর্ঘটনা: কী ঘটেছিল?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল পরিকল্পনায় যে কারণে মহাখুশি রাশিয়া
ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল পরিকল্পনায় যে কারণে মহাখুশি রাশিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানের মহা-উপকার করেছে ভারত, অস্ত্র ব্যবসা রমরমা!
পাকিস্তানের মহা-উপকার করেছে ভারত, অস্ত্র ব্যবসা রমরমা!

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১২ আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ঘোষণা
১২ আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ঘোষণা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে যে সিদ্ধান্ত নিলো পাকিস্তান
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে যে সিদ্ধান্ত নিলো পাকিস্তান

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’
‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এবার কানাডা নিয়ে চিন্তায় ট্রাম্প
এবার কানাডা নিয়ে চিন্তায় ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের সমর্থনে বিশ্বকাপ থেকে সরে যাবে না পাকিস্তান
বাংলাদেশের সমর্থনে বিশ্বকাপ থেকে সরে যাবে না পাকিস্তান

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাকসু নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত
শাকসু নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘জনপ্রিয় হয়ে গেছি’, বিসিবিকে নাজমুল
‘জনপ্রিয় হয়ে গেছি’, বিসিবিকে নাজমুল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে : চীনা রাষ্ট্রদূত
শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ
এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে ‘ট্রেড বাজুকা’ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে ইউরোপ!
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে ‘ট্রেড বাজুকা’ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে ইউরোপ!

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু
গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে
স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

পাকিস্তানের সমর্থনে কি ভারতকে চাপে ফেলতে পারবে বাংলাদেশ
পাকিস্তানের সমর্থনে কি ভারতকে চাপে ফেলতে পারবে বাংলাদেশ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কুমিল্লা-৩ আসনে কায়কোবাদের প্রার্থিতা বহাল
কুমিল্লা-৩ আসনে কায়কোবাদের প্রার্থিতা বহাল

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ড কার্যকর: মার্কিন দূতাবাস
২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ড কার্যকর: মার্কিন দূতাবাস

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খেলা শেষে কাঁদলেন দিয়াজ
খেলা শেষে কাঁদলেন দিয়াজ

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইরান অভিমুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি
ইরান অভিমুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি

প্রথম পৃষ্ঠা

ছদ্মবেশী কিলার ভবঘুরে সম্রাট
ছদ্মবেশী কিলার ভবঘুরে সম্রাট

প্রথম পৃষ্ঠা

গণভোটে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক
গণভোটে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদকের আখড়া প্যারিস রোডের ‘ভূতুড়ে মার্কেট’
মাদকের আখড়া প্যারিস রোডের ‘ভূতুড়ে মার্কেট’

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় র্যাব কর্মকর্তা নিহত
চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় র্যাব কর্মকর্তা নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আজ প্রত্যাহার কাল প্রতীক বরাদ্দ
আজ প্রত্যাহার কাল প্রতীক বরাদ্দ

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের টি-২০ বিশ্বকাপ
এখনো অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের টি-২০ বিশ্বকাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুলের রাজ্যে রঙের উৎসব
ফুলের রাজ্যে রঙের উৎসব

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তরে দেশের পোশাকশিল্প
প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তরে দেশের পোশাকশিল্প

শিল্প বাণিজ্য

প্রার্থী হতে জাতীয় পার্টির রাঙ্গাকে পনিরের ঘুষ
প্রার্থী হতে জাতীয় পার্টির রাঙ্গাকে পনিরের ঘুষ

প্রথম পৃষ্ঠা

শিরোপার দৌড়ে সাবিনারা
শিরোপার দৌড়ে সাবিনারা

মাঠে ময়দানে

১০-দলীয় জোটের আসন চূড়ান্ত, আজ ঘোষণা
১০-দলীয় জোটের আসন চূড়ান্ত, আজ ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউরোপে পোশাক রপ্তানি ১৮০৫ কোটি ইউরো
ইউরোপে পোশাক রপ্তানি ১৮০৫ কোটি ইউরো

পেছনের পৃষ্ঠা

রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সে আগুন
রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সে আগুন

দেশগ্রাম

‘সিটি গভর্নমেন্ট’-এ বাঁচবে ঢাকা
‘সিটি গভর্নমেন্ট’-এ বাঁচবে ঢাকা

নগর জীবন

পোশাক খাত এক বছর ধরে আইসিইউতে
পোশাক খাত এক বছর ধরে আইসিইউতে

প্রথম পৃষ্ঠা

পবিত্র শবেবরাত ৩ ফেব্রুয়ারি
পবিত্র শবেবরাত ৩ ফেব্রুয়ারি

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ মার্কিন ও ইইউ রাষ্ট্রদূতদের
তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ মার্কিন ও ইইউ রাষ্ট্রদূতদের

প্রথম পৃষ্ঠা

সমস্যা বাড়ছেই ঢাকায়
সমস্যা বাড়ছেই ঢাকায়

পেছনের পৃষ্ঠা

বিপিএলে প্লে-অফের লড়াই
বিপিএলে প্লে-অফের লড়াই

মাঠে ময়দানে

টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করছে কি পাকিস্তান!
টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করছে কি পাকিস্তান!

মাঠে ময়দানে

‘ফুল গিয়ারে’ প্রশাসন
‘ফুল গিয়ারে’ প্রশাসন

পেছনের পৃষ্ঠা

‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে
‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহীদ জিয়ার জন্মদিন উদ্‌যাপন
শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহীদ জিয়ার জন্মদিন উদ্‌যাপন

প্রথম পৃষ্ঠা

উইজডেন বর্ষসেরা টি ২০ একাদশে মুস্তাফিজ
উইজডেন বর্ষসেরা টি ২০ একাদশে মুস্তাফিজ

মাঠে ময়দানে

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নেই
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিসের কাছে সব ম্যাচই ফাইনাল
ফর্টিসের কাছে সব ম্যাচই ফাইনাল

মাঠে ময়দানে

আফ্রিকাসেরা সেনেগাল
আফ্রিকাসেরা সেনেগাল

মাঠে ময়দানে

সিলেটে ট্রেনের ধাক্কায় আহত হাতির মৃত্যু
সিলেটে ট্রেনের ধাক্কায় আহত হাতির মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা