শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৩৪, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ছিল সুপরিকল্পিত

গিয়াসউদ্দীন আহমদের সঙ্গে আমি স্কুলে, কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে পড়েছি। চাকরিও করেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এখন আমি আছি, সে নেই। গিয়াসউদ্দীন বিশ্ববিদ্যালয়কে ছাড়েনি, আমার অবস্থাও তথৈবচ।

বিশ্ববিদ্যালয়কে আমি ভালোবাসতাম, সে বোধ করি ভালোবাসত আমার চেয়েও বেশি। নইলে একাত্তরে আমরা অনেকেই যখন বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ছেড়ে প্রায় নিরুদ্দেশ হয়ে গেলাম, তখন গিয়াসউদ্দীন রয়ে গেল কেন? এই ভয়ংকর সময়টাতে ক্লাসটাস যা হতো, সে তো প্রহসন মাত্র। গিয়াসউদ্দীন ছিল মুহসীন হলের হাউস টিউটর। সেখানে তখন থাকত অসহায় কয়েকজন ছাত্র, যাদের ওপর হানাদাররা একাধিকবার চড়াও হয়েছে, আর ছিল আমাদের গিয়াসউদ্দীন, তার ছিল ভালোবাসা, আর ছিল দায়িত্বজ্ঞান।

১৪ ডিসেম্বর হানাদারদের পরাজয় ঘনিয়ে এসেছে, সেই সময়ে বিপন্ন ছাত্ররা খাওয়ার পানি পাচ্ছে না দেখে সরবরাহব্যবস্থার ত্রুটি দূর করা যায় কি না সেটি দেখতে বের হয়েছিল গিয়াসউদ্দীন, সে অবস্থায়ই আলবদররা তাকে ধরে নিয়ে যায়। আর ফেরেনি। জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা স্যারের নাম লেখা ছিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের অত্যন্ত বিপজ্জনক ব্যক্তিদের খাতায়। এটি তিনি প্রথম টের পেলেন, যখন দরখাস্ত করলেন কলকাতা যাওয়ার পাসপোর্টের জন্য।

তাঁর বৃদ্ধা মা দিন দিন দৃষ্টিশক্তি হারাচ্ছিলেন; সেই মায়ের ইচ্ছা ছিল বড় ছেলেকে দেখবেন। এ জন্য ভেতরে ভেতরে ভারী চঞ্চল ছিলেন জ্যোতির্ময় স্যার, যদিও বাইরে প্রকাশ করতেন না। খুবই প্রকাশবিমুখ ছিলেন তিনি এসব বিষয়ে, সব সময়েই। অনেক চেষ্টা করেছেন তিনি নিজে, তাঁর হয়ে অন্যরাও চেষ্টা করেছেন কেউ কেউ, কিন্তু কারোরই সাধ্য ছিল না মিলিটারির খাতায় যাঁর নাম লেখা রয়েছে ‘কমিউনিস্ট’ হিসেবে, তাঁকে পাসপোর্ট দেওয়া। প্রভোস্ট ছিলেন তিনি জগন্নাথ হলের।

সেই হলের ছেলেরা রাষ্ট্রবিরোধী সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন একটি বানানো সংবাদে সেনাবাহিনী নাকি খুব তপ্ত হয়েছিল এবং শোনা গেছে প্রভোস্টকে তারা হয়তো গ্রেপ্তার করত ২৫ মার্চের আগেই, যদি না তুলনামূলকভাবে কিছুটা ভদ্রগোছের একজন লোক থাকতেন প্রাদেশিক গভর্নরের পদে। ২৫ মার্চের রাতেই তাঁকে গুলি করেছিল হানাদাররা, সময়মতো চিকিৎসা হলে হয়তো তিনি বাঁচতেও পারতেন। কিন্তু মার্চে বাঁচলেও ডিসেম্বরে বাঁচতেন কি না খুবই সন্দেহ, যেমন বাঁচেননি সন্তোষ ভট্টাচার্য, বাঁচেননি জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতারই ছাত্র রাশীদুল হাসান।

আমি যে বেঁচেছি শেষ পর্যন্ত, সেটি অবশ্য সতর্কতার কারণেই। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় থাকতাম না। পলাতক ছিলাম ওই ৯ মাস। জানা ছিল যে খুঁজবে। অক্টোবরের ১ তারিখে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক আবু মহামেদ হাবিবুল্লাহ, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক এনামুল হক, মুনীর চৌধুরী, নীলিমা ইব্রাহিম, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং ইংরেজি বিভাগের আমি-এই ছয়জন টিক্কা খানের স্বাক্ষরযুক্ত চিঠি পেলাম, তাতে মনিরুজ্জামানের ছয় মাসের জেল, অধ্যাপক হাবিবুল্লাহর চাকরিচ্যুতি এবং বাকি চারজনের রাষ্ট্রদ্রোহী তৎপরতার উল্লেখ করে কঠিন সতর্কবাণী ঘোষণা করা হয়েছিল। আমরা আবারও নিশ্চিত হলাম যে আমাদের ওপর চোখ রাখা হয়েছে। শিক্ষক সমিতির সম্পাদক ছিলেন আমারই সহপাঠী ও সহকর্মী আহসানুল হক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের তিনজন ক্রমান্বয়িক সাধারণ সম্পাদক, রফিকুল ইসলাম, কে এ এম সাদউদ্দীন, আবুল খায়ের ও এ এন এম শহীদুল্লাকে এরই মধ্যে আলবদররা বাসা থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে আটক করে রেখেছিল।

রাশীদুল হাসানেরও নাম ছিল মিলিটারির গুপ্ত খাতায়। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে তাঁর খোঁজে আলবদরের সশস্ত্র লোকজন হানা দিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়, হানা দিয়ে ধরে নিয়ে গেল তাঁকে কলাভবনের তাঁর কামরা থেকে। তাঁর খোঁজে সশস্ত্র সেনারা আসবে এমন গুরুত্বপূর্ণ নিজেকে তিনি ভাবেননি কখনো বলেই প্রস্তুত ছিলেন না, সেনাবাহিনীর লোকজন এসে অনায়াসে তাঁর খোঁজ পেয়েছিল। পরে ডিসেম্বরে আবার যখন আলবদররা এলো, তখনো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়ই ছিলেন তিনি। যাওয়ার তেমন জায়গাও ছিল না তাঁর, এই শহরে। উদ্বাস্তু হয়ে এসেছিলেন তিনি পশ্চিমবঙ্গ থেকে।

জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতাকে আমি জানি তাঁর সরাসরি ছাত্র হওয়ার অনেক আগে থেকেই। সেই যখন আমি স্কুল ছেড়েছি কি ছাড়িনি, সেই বয়সেই তাঁর লেখা পড়েছিলাম আমি একটি গ্রন্থ সমালোচনা; মুকতি নামে তখনকার দিনের একটি মাসিক পত্রিকায়। সেই লেখায় তাঁর বক্তব্য কী কী ছিল আজ আর মনে নেই, কিন্তু এটি ঠিকই মনে আছে বক্তব্যের মধ্যে যুক্তি ছিল স্পষ্ট, পারম্পর্য ছিল দৃঢ়। সেই যে কৈশোরে ছায়া ফেলেছিলেন তিনি মনের ওপর, সেই ছায়া কালে কালে লোপ পায়নি, বরং আরো গভীর হয়েছে, বিশেষ করে সেই ১৮-১৯ বছরে যখন সুযোগ হয়েছিল থাকার তাঁর আশপাশে। এই ছায়া স্তব্ধ নয় এবং সব সত্তাজুড়ে আছে অনুচ্চ সেই গান। অনুচ্চই। কেননা যে জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা নাটক পড়াতেন, নাটক পরিচালনা করতেন, তাঁর পছন্দ ছিল নাটকীয় দ্বন্দ্ব, যদিও ব্যক্তিগত জীবনে তিনি নাটুকেপনা তো নয়ই, নাটকীয়তাও পছন্দ করতেন না।

রাশীদুল হাসানকেও আমি শিক্ষকতা ভিন্ন অন্য কোনো পেশায় চিন্তা করতে পারি না। ছাত্রাবস্থায় আমরা আসার আগেই তিনি বের হয়ে গেছেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং শিক্ষক হয়ে ফিরে এসেছেন বেশ কিছুদিন পরে। মধ্যবর্তী সময়েও শিক্ষকতাই করেছেন তিনি, কিছু সময় পাবনায়, তার পরে জন্মভূমি বীরভূমে। তিনি লিখতেন। প্রবন্ধ লিখতেন, কবিতা লিখতেন সময় সময়। তাঁর সঙ্গে আমার পরিচয় হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাজীবনেই, সেই উনসত্তর সালে, যখন প্রবল গণ-আন্দোলনের আদিগন্ত ঝড় বইছে দেশব্যাপী। এর আগে পরিচয় হয়নি। কেননা তিনি যখন যোগ দেন ইংরেজি বিভাগে, তখন আমি শিক্ষা ছুটিতে বিদেশে ছিলাম। রাশীদুল হাসান জীবনকে অনেক বেশি ভালোবাসতেন, যে জন্য কবিতার কোনো স্বায়ত্তশাসিত সত্তা ছিল না, আজ্ঞাবহ ছিলেন তাঁরা নিজের মনের কথার। নিজের গরজ বলে কোনো বালাই ছিল না। ছিল ইচ্ছাবন্দি। তাঁকে নিরাসক্ত বলবে কে? তিনি জীবনকে সুন্দর করতে চাইতেন, জানতেন একার জীবন মহৎ হবে না অন্যের জীবনকে স্পর্শ না করলে এবং অন্যের সাহায্য না পেলে। তাইতো চলে গেলেন অত দ্রুত। মৃত্যুর সঙ্গে আপস করলে আধমরা হয়ে হয়তো আরো অনেক দিন বেঁচে থাকতে পারতেন, যেমন অন্যরা আছে, যেমন আমরা আছি।

জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা ও রাশীদুল হাসান কখনো, কোনো অবস্থায়ই গোপন কোনো সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। বোমাবারুদ তৈরি করেননি। কিন্তু তাঁদের ছিল হূদয়। জীবন্ত হূদয়, বোমাবারুদের চেয়েও যা বিপজ্জনক-শাসক শ্রেণির পক্ষে। বাংলাদেশকে ভালোবাসতেন তাঁরা। এই ভালোবাসা দেশের সব বুদ্ধিজীবীর মধ্যে ছিল কি? ছিল না। অবশ্যই ছিল না। মুত্সুদ্দী চরিত্রের অধিকারী ছিলেন তাঁরা অনেকেই। যাঁরা দেশপ্রেমিক ছিলেন, তাঁদেরও অনেকেই ততটা অগ্রসর ছিলেন না, যতটা ছিলেন জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা ও রাশীদুল হাসান। অথচ অদৃষ্টের সেই পুরনো ও প্রসিদ্ধ পরিহাস, তাঁরা উভয়েই ছিলেন বলতে গেলে নিরাশ্রয়। জ্যোতির্ময় স্যার আমাদের বলতেন, পাকিস্তানে তোমরা হলে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক, আমরা হিন্দুরা, হিন্দু বলেই তৃতীয় শ্রেণির। পরিহাস করে বলতেন বটে, কিন্তু ব্যাপারটি তো পরিহাসের ছিল না, ছিল

মর্মান্তিকরূপে বাস্তবিক। তখনকার পূর্ব পাকিস্তানের আত্মীয়-স্বজন বলতে জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতাদের প্রায় কেউ ছিল না। চমৎকার সুযোগ ছিল ইংল্যান্ড থেকে সরাসরি কলকাতায় চলে যাওয়ার; ১৯৬৫-এর যুদ্ধের পর পূর্ব পাকিস্তান যে তাঁদের পক্ষে আগের তুলনায় অধিক অনাত্মীয় হয়ে উঠেছিল, সে খবর তো বিলেতে বসে না জানার কোনো কারণ ছিল না। ঘটনাটি অস্বাভাবিক। কিন্তু না, জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডাকছিল; বাসন্তী গুহঠাকুরতাকে ডাকছিল গেণ্ডারিয়ার মনিজা রহমান গার্লস স্কুল। তাঁরা চলে এলেন। উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য জ্যোতির্ময় স্যারের পক্ষে যতটা সময় থাকার বাধ্যবাধকতা ছিল, সেটা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে টিকিট কাটলেন, প্লেনের।

রাশীদুল হাসান পশ্চিমবঙ্গের লোক, ঢাকায় এসেছিলেন উদ্বাস্তু হয়ে; পরে এখান থেকে ছাত্রজীবন শেষ করে কর্মজীবনে একবার চলে গিয়েছিলেন জন্মভূমিতে, কিন্তু আবার চলে আসতে হয়েছে তাঁকে, ১৯৬৫-এর যুদ্ধের পর। আত্মীয়-স্বজন বলতে প্রায় কেউ ছিল না তাঁর ঢাকায় অথবা পূর্ব পাকিস্তানে। সবচেয়ে অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিলেন মনে হয় আনোয়ার পাশা, যাঁকে তাঁর সঙ্গেই নিয়ে গিয়েছিল ঘাতকরা- হত্যা করবে বলে। একই সময়ে, একই বাসা থেকে। পাকিস্তানিরা চেয়েছিল প্রতিরোধের সব সম্ভাব্য ঘাঁটিকে দেবে নিশ্চিহ্ন করে। সে জন্য জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা ও রাশীদুল হাসান চলে গেলেন, আরো অনেকের সঙ্গে, পাকিস্তানি হানাদারদের বুদ্ধিজীবী নিধন অভিযানে। সেটি ছিল বিজয়ের পূর্বক্ষণের অতি সুপরিকল্পিত বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
সর্বশেষ খবর
বিকালে সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মির্জা ফখরুল
বিকালে সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মির্জা ফখরুল

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

পয়েন্ট হারাল আর্সেনাল
পয়েন্ট হারাল আর্সেনাল

৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নোয়াখালীতে ৬ মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা, মিষ্টি বিতরণ
নোয়াখালীতে ৬ মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা, মিষ্টি বিতরণ

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন নেতানিয়াহু
যে কারণে ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে অনুরোধ করেন নেতানিয়াহু

২০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের স্বপ্নভঙ্গ, সালাহর ভুলেই ব্রোঞ্জ পদক হাতছাড়া
মিশরের স্বপ্নভঙ্গ, সালাহর ভুলেই ব্রোঞ্জ পদক হাতছাড়া

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা
আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ আজ
দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ আজ

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ এরদোয়ান ও সিসিকে চান ট্রাম্প
গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ এরদোয়ান ও সিসিকে চান ট্রাম্প

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘যে কাউকে হারানোর বিশ্বাস আমার আছে’
‘যে কাউকে হারানোর বিশ্বাস আমার আছে’

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি
দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বিক্ষোভে ‘হাজার হাজার’ নিহতের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
বিক্ষোভে ‘হাজার হাজার’ নিহতের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাদেরসহ ৭ আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি আজ
কাদেরসহ ৭ আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেমরায় লেগুনার ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত
ডেমরায় লেগুনার ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বৈশ্বিক ইন্টারনেট ছাড়ছে ইরান, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ও মেসেজিং অ্যাপ চালুর উদ্যোগ
বৈশ্বিক ইন্টারনেট ছাড়ছে ইরান, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ও মেসেজিং অ্যাপ চালুর উদ্যোগ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম
আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের
গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খালি পেটে খেজুর ভেজানো পানি পানের উপকারিতা জেনে নিন
খালি পেটে খেজুর ভেজানো পানি পানের উপকারিতা জেনে নিন

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

লাভজনক ম্যানচেস্টার রুট স্থগিতে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা
লাভজনক ম্যানচেস্টার রুট স্থগিতে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধি দল
শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধি দল

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকতে পারে
ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকতে পারে

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের শেষ দিনের শুনানি আজ
প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের শেষ দিনের শুনানি আজ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্জেন্টাইন তারকাকে দলে ভেড়াতে চায় বার্সেলোনা
আর্জেন্টাইন তারকাকে দলে ভেড়াতে চায় বার্সেলোনা

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজ টিভিতে যা দেখবেন
আজ টিভিতে যা দেখবেন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মনুষ্যজাতির অপার শক্তি ও গুরুদায়িত্ব
মনুষ্যজাতির অপার শক্তি ও গুরুদায়িত্ব

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন

৩ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

সর্বাধিক পঠিত
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

২১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের
২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

১৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ইসরায়েল
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ইসরায়েল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি
টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও
দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও

পেছনের পৃষ্ঠা

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও বাংলা চ্যানেল চ্যাম্পিয়ন সাইফুল
আবারও বাংলা চ্যানেল চ্যাম্পিয়ন সাইফুল

পেছনের পৃষ্ঠা

আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা
আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধরেনি বিএনপি
কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধরেনি বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৭ বছর পর ঘরোয়া লিগে পাকিস্তানের ফুটবলার
৪৭ বছর পর ঘরোয়া লিগে পাকিস্তানের ফুটবলার

মাঠে ময়দানে

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

শীর্ষ তারকাদের সন্তানরা কেন চলচ্চিত্রে নেই
শীর্ষ তারকাদের সন্তানরা কেন চলচ্চিত্রে নেই

শোবিজ

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

দেড় দশকে বিপুল অর্থ পাচার লুটপাট
দেড় দশকে বিপুল অর্থ পাচার লুটপাট

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি
দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

ইরানে ট্রাম্পের জয়ের কোনো সহজ পথ নেই
ইরানে ট্রাম্পের জয়ের কোনো সহজ পথ নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

দেশগ্রাম

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা