শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৫২, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়

ড. আবদুল আলীম তালুকদার
অনলাইন ভার্সন
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ অবিস্মরণীয়

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এই দিনটি বাঙালি জাতির জীবনে একটি গভীর বেদনার দিন। মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়টাতেই পাকিস্তানি হানাদার সেনাবাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসর কর্তৃক পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের জ্ঞানী-গুণী ও মুক্তবুদ্ধিসম্পন্ন বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করে। ১৯৭১ এর ডিসেম্বর মাসে স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন বুঝতে শুরু করে যে, তার পক্ষে যুদ্ধে জেতা সম্ভব নয় এবং বাঙালি জাতি যাতে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে এজন্য তারা নবগঠিত দেশকে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে দুর্বল এবং পঙ্গু করে দেয়ার পরিকল্পনা ও নীলনকশা করতে থাকে। 

সেই ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিজয়ের ঊষালগ্নে ১৪ ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তার এদেশীয় দোসরদের সহায়তায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নিজ নিজ গৃহ হতে তুলে এনে নির্মম নির্যাতনের পর ঠান্ডা মাথায় হত্যা করে। এই পরিকল্পিত গণহত্যাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বুদ্ধিজীবী হত্যাকা- নামে পরিচিত। বন্দি অবস্থায় বুদ্ধিজীবিদের বিভিন্ন বধ্যভূমিতে হত্যা করা হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত ও বিকৃত লাশ রায়েরবাজার এবং মিরপুর বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়। অনেকের লাশ শনাক্তও করা যায়নি, পাওয়া যায়নি বহু লাশ। ১৯৭১-এর ১৪ ডিসেম্বরের নির্মম হত্যাকা-ের কথা স্মরণ করে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুধু ৯ মাসের যুদ্ধ ছিল না। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্য ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জেগে উঠছিল বাঙালি। ইতিহাসে প্রমাণ মেলে, ভাষা আন্দোলনের পুরোটাজুড়েই বুদ্ধিজীবিদের অবস্থান ছিল স্থির ও একতাবদ্ধ। বিশেষ করে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠার দাবিকে স্বাধিকার আন্দোলন থেকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দিয়েছিলেন। এরপরের ইতিহাসে ’৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬ সালের ৬ দফা, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০ সালের নির্বাচন এবং সর্বোপরি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই বুদ্ধিজীবী সমাজ সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে বাঙালিদের জাগ্রত করেছে। বুদ্ধিজীবীরা একদিকে পূর্ব পাকিস্তানের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অবিচারের ব্যাখ্যা দিয়েছেন; অন্যদিকে সাংস্কৃতিক যুদ্ধকে ত্বরান্বিত করেছেন। এসব কারণেই মুক্তিযুদ্ধের আগে থেকেই বুদ্ধিজীবীরা পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সামরিক জান্তাদের কাছে সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে উঠেছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধ একটি জনযুদ্ধের উপাখ্যান। তখনকার রাজনীতিকদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে বুদ্ধিজীবিদের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের লড়াইয়ের ফসল। সাধারণ মানুষের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার লড়াইটা তৃণমূল থেকে শুরু করেছিলেন বুদ্ধিজীবীরা। তাই তারা অনেক আগে থেকেই শত্রুপক্ষের কাছে ছিলেন আলাদা ছকে আঁকা। বুদ্ধিজীবিদের লক্ষ রাখা হয়েছে তাদের নিজ নিজ কর্মক্ষেত্র থেকে যুদ্ধকালীন পর্যন্ত। দেশভাগের পর বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশে যে কয়টি আন্দোলন হয়েছে, তার প্রায় সব ক’টির শুরুটা ছিল বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ফসল, যা পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিপূর্ণ রূপ নিয়েছিল। প্রতিটি ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনেই আলোকবর্তিকা হয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন বুদ্ধিজীবীরা এবং ৭১-এ বুদ্ধিজীবী হত্যায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সর্বক্ষেত্রে সহায়তা করেছিল তার এদেশীয় কতিপয় দোসর। পরাজয় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় তাদের লক্ষ্য ছিল বুদ্ধিজীবী নিধন। আগামীর বাংলাদেশকে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে দুর্বল ও পংগু করে দেওয়া।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, আমাদের মুক্তিযুদ্ধে দেশের মানুষ অকাতরে নিজের বুকের রক্ত দিয়ে, জীবন দিয়ে এদেশের সম্মানকে সমুন্নত রেখেছে। মা-ভাই-বোন, কৃষক-শ্রমিক, ছাত্র-জনতা সবাই এক কাতারে নেমে এসে দেশের জন্য যুদ্ধ করে প্রমাণ করেছে বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি। যুদ্ধ যখন বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে এসে উপস্থিত তখন পাকিস্তানের গভর্নরের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী এক সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। তিনি এদেশের শ্রেষ্ঠ মানুষদের নিঃশেষ করে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠেন। তারই পরিকল্পনা মাফিক পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগিতায় এ দেশীয় দোসরেরা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ধরে ধরে নির্মমভাবে হত্যা করে। শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদগণ এই সুপরিকল্পিত হত্যাকা-ের শিকার হন।

দেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে জনগণকে উজ্জীবিত করার জন্য এদেশের শিক্ষক, কবি, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, চলচ্চিত্রশিল্পী, সঙ্গীতশিল্পী, চিত্রশিল্পীসহ বুদ্ধিজীবিদের ভূমিকা ছিল অনন্য। তাদের ভূমিকা শুধু যুদ্ধের ৯ মাসেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ব্রিটিশ আমলে পরাধীনতার বিরুদ্ধে, পরবর্তীকালে বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের প্রতিটি সংগ্রামে তারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কেউ কেউ ছিলেন সামনের কাতারে। বাঙালি জাতির ওপর পশ্চিম পাকিস্তানিদের শোষণ, অত্যাচারের বিষয় সাধারণ মানুষকে অবগত করেছিলেন তারা। বাংলাদেশ থেকে যে বিপুল পরিমাণ সম্পদ পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যাচ্ছিলো একথা সবাই জানতো। কিন্তু অর্থনীতিবিদরা বিভিন্ন সারণীর মাধ্যমে সে সত্যটা জনগণের সামনে আরও স্পষ্ট করে তুলে ধরেছিলেন। তারাই সর্বপ্রথম পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানে দুটি স্বতন্ত্র অর্থনীতি চালুর কথা বলেছিলেন। বাঙালি সাংবাদিকরা তুলে ধরেছেন আন্দোলনের প্রতিটি খবর শিল্পী-সাহিত্যিকরা গল্প-উপন্যাস, নাটক, গানসহ লেখনীর মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক মৌলিক ও অর্থনৈতিক অধিকারের প্রতি সচেতন করে তুলেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা কখনো স্বতন্ত্র, কখনো একই সঙ্গে করেছেন আন্দোলন। এভাবে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরিতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবদান রেখেছেন বুদ্ধিজীবীরা।

ঘাতকরা বেছে বেছে যাদের হত্যা করেছিল তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন- এ এন এম মুনীর চৌধুরী, ড. জি সি দেব, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, ড. জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, আবদুল মুকতাদির, এস এম রাশীদুল হাসান, ড. এন এম ফয়জুল মাহী, ফজলুর রহমান খান, এ এন এম মুনীরুজ্জামান, ড. সিরাজুল হক খান, ড. শাহাদাত আলী, ড. এম এ খায়ের, এ আর খান খাদিম, মো. সাদেক, শরাফত আলী, গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন অধ্যাপক মীর আবদুল কাইয়ুম, হবিবর রহমান, সুখরঞ্জন সমাদ্দার, ড. আবুল কালাম আজাদ। সাংবাদিক হিসেবে ছিলেন সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, খোন্দকার আবু তালেব, নিজামুদ্দীন আহমদ, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, শহীদ সাবের, শেখ আবদুল মান্নান (লাডু), সৈয়দ নজমুল হক, এম আখতার, আবুল বাসার, চিশতী হেলালুর রহমান, শিবসদন চক্রবর্তী, সেলিনা পারভীন এছাড়া শিল্পী আলতাফ মাহমুদ, মেহেরুন্নেসা, রণদাপ্রসাদ সাহাসহ আরো অনেক নাম রয়েছে।

আমাদের বুদ্ধিজীবীরা দেশ ও জাতির উন্নয়ন এবং অগ্রগতির রূপকার। তাঁদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা, সৃজনশীল কর্মকা-, উদার ও গণতান্ত্রিক চিন্তাচেতনা জাতীয় অগ্রগতির সহায়ক। জাতির বিবেক হিসেবে খ্যাত দেশের বুদ্ধিজীবীরা তাদের ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি, যুদ্ধকালীন সরকারকে পরামর্শ প্রদানসহ বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনা দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধকে সাফল্যের পথে এগিয়ে নিতে ব্যাপক অবদান রাখেন। শহীদ বুদ্ধিজীবিদের রেখে যাওয়া আদর্শ ও পথকে অনুসরণ করে কল্যাণকর দেশ ও সমাজ গড়তে পারলেই তাঁদের আত্মত্যাগ সার্থক হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

লেখক: কবি, শিক্ষাবিদ ও গবেষক।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
সর্বশেষ খবর
দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ আজ
দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ আজ

২ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ এরদোয়ান ও সিসিকে চান ট্রাম্প
গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ এরদোয়ান ও সিসিকে চান ট্রাম্প

৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

১৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘যে কাউকে হারানোর বিশ্বাস আমার আছে’
‘যে কাউকে হারানোর বিশ্বাস আমার আছে’

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি
দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি

২১ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বিক্ষোভে ‘হাজার হাজার’ নিহতের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
বিক্ষোভে ‘হাজার হাজার’ নিহতের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাদেরসহ ৭ আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি আজ
কাদেরসহ ৭ আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি আজ

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

ডেমরায় লেগুনার ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত
ডেমরায় লেগুনার ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত

৩৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

বৈশ্বিক ইন্টারনেট ছাড়ছে ইরান, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ও মেসেজিং অ্যাপ চালুর উদ্যোগ
বৈশ্বিক ইন্টারনেট ছাড়ছে ইরান, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ও মেসেজিং অ্যাপ চালুর উদ্যোগ

৫৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ

৫৭ মিনিট আগে | জাতীয়

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম
আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের
গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খালি পেটে খেজুর ভেজানো পানি পানের উপকারিতা জেনে নিন
খালি পেটে খেজুর ভেজানো পানি পানের উপকারিতা জেনে নিন

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

লাভজনক ম্যানচেস্টার রুট স্থগিতে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা
লাভজনক ম্যানচেস্টার রুট স্থগিতে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধি দল
শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধি দল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকতে পারে
ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকতে পারে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের শেষ দিনের শুনানি আজ
প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের শেষ দিনের শুনানি আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্জেন্টাইন তারকাকে দলে ভেড়াতে চায় বার্সেলোনা
আর্জেন্টাইন তারকাকে দলে ভেড়াতে চায় বার্সেলোনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজ টিভিতে যা দেখবেন
আজ টিভিতে যা দেখবেন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মনুষ্যজাতির অপার শক্তি ও গুরুদায়িত্ব
মনুষ্যজাতির অপার শক্তি ও গুরুদায়িত্ব

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

বিশ্বকাপ দলে না থাকা প্রসঙ্গে নাহিদ বললেন ‌‘সুযোগ এলে প্রমাণ করব’
বিশ্বকাপ দলে না থাকা প্রসঙ্গে নাহিদ বললেন ‌‘সুযোগ এলে প্রমাণ করব’

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘সুন্দরী নন’ বলে সিনেমা হাতছাড়া হয় অস্কারজয়ী অভিনেত্রীর
‘সুন্দরী নন’ বলে সিনেমা হাতছাড়া হয় অস্কারজয়ী অভিনেত্রীর

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যাত্রাবাড়ীতে দ্রুতগতির ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথশিশুর
যাত্রাবাড়ীতে দ্রুতগতির ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথশিশুর

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের
২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা
ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

সর্বাধিক পঠিত
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের
২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি
টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও
দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও

পেছনের পৃষ্ঠা

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও বাংলা চ্যানেল চ্যাম্পিয়ন সাইফুল
আবারও বাংলা চ্যানেল চ্যাম্পিয়ন সাইফুল

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধরেনি বিএনপি
কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধরেনি বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৭ বছর পর ঘরোয়া লিগে পাকিস্তানের ফুটবলার
৪৭ বছর পর ঘরোয়া লিগে পাকিস্তানের ফুটবলার

মাঠে ময়দানে

আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা
আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা

পেছনের পৃষ্ঠা

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

শীর্ষ তারকাদের সন্তানরা কেন চলচ্চিত্রে নেই
শীর্ষ তারকাদের সন্তানরা কেন চলচ্চিত্রে নেই

শোবিজ

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

প্রথম পৃষ্ঠা

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

দেড় দশকে বিপুল অর্থ পাচার লুটপাট
দেড় দশকে বিপুল অর্থ পাচার লুটপাট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি
দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

দেশগ্রাম

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম
সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম

দেশগ্রাম