শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:০৪, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই

সেলিম জাহান
অনলাইন ভার্সন
বুদ্ধিজীবী দিবস যেন ভুলে না যাই

আজ ১৪ ডিসেম্বর- শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ৫৪ বছর আগে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আমরা হারিয়েছি বাংলাদেশের সূর্যসন্তানদের- শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষকদের, গুণী শিল্পীদের, খ্যাতনামা সাংবাদিকদের, প্রথিতযশা কবি-লেখকদের। এঁদের হত্যা করার নীলনকশা তৈরি করেছিল পাকিস্তানি শাসকেরা আর তার বাস্তবায়ন ঘটিয়েছিল তাদের দোসর সহযোগীরা। পরে জানা গেছে, ১৯৭১-এর ডিসেম্বরের কোনো এক সময়ে ঢাকা সেনানিবাসে গোপন বৈঠক বসেছিল প্রাদেশিক সরকারের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর সঙ্গে আলবদর-আলশামস বাহিনীর কেন্দ্রীয় অধিনায়কদের। 

রাও ফরমান আলীর হাতে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী হত্যার নীলনকশা- এ দেশের বুদ্ধিজীবীদের বিশেষ বিশেষ নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের নামের তালিকা, যেটি তিনি নিজে তৈরি করেছিলেন আট মাস আগে, একাত্তরের এপ্রিল মাসে। কী ভয়ংকর মানুষ ছিলেন রাও ফরমান আলী! কতখানি ভেবে রেখেছিলেন তিনি-কেমন করে বাঙালি জাতিকে ধ্বংস করবে! জানতেন তিনি, বাঙালি জাতির বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করলে এ জাতির মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া যাবে। ভাবা যায়, এ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই তিনি তালিকাটি তৈরি করেছিলেন বুদ্ধিজীবী হত্যার পরিকল্পনা হিসেবে, যার বাস্তবায়নের দায়িত্ব তিনি তুলে দিয়েছিলেন আলবদর ও আলশামসের অধিনায়কদের হাতে।

পরবর্তী সময়ে রাও ফরমান আলীর ডায়েরি থেকে সেই তালিকা উদ্ধার করা হয়েছিল। মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যকার অনন্যসাধারণ একরাশ নাম সেখানে। ঠান্ডা মাথায় নীলনকশা তৈরি করা হয়েছিল। খুঁটিনাটি কিছুই ফরমান আলীর চিন্তা এড়ায়নি। তাই কোন শিক্ষক কোন বিভাগের, সেটাই শুধু তিনি লিখে রাখেননি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় তাঁদের বাড়ির ঠিকানাও লিখে রেখেছিলেন। জনান্তিকে শুনেছি যে রাও ফরমান আলীর কন্যা শাহীন ফরমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল, পড়ত মনোবিজ্ঞান বিভাগে। আমাদেরই সহপাঠী ছিল সে। কন্যার শিক্ষকদের হত্যা করতে রাও ফরমান আলী ছিলেন সম্পূর্ণ নির্বিকার। আজ এটাও ইতিহাসের অংশ যে এ তালিকার বাইরে এবং সে দিনেরও আগে হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়েছিল। শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেনকে তুলে নেওয়া হয়েছিল ১০ ডিসেম্বরে। রক্তক্ষরা সেসব কাহিনি লিপিবদ্ধ হয়েছে, যা আমাদের ইতিহাসের অংশ। নীলনকশা থেকে দেখা যায়, সে তালিকায় নাম ছিল প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী, অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক আহসানুল হক, অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিয়া, অধ্যাপক সাদ’উদ্দীনের মতো শিক্ষক-বুদ্ধিজীবীদের। ভাগ্যক্রমে তাঁরা বেঁচে গেছেন।

তারপরের সব ঘটনা এখন ইতিহাস। যে শয়তানেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তুলে নিয়েছিল, তাদের অনেকেই এই বরেণ্য শিক্ষকদের শিক্ষার্থী ছিল। বিজয়ের একেবারে অন্তিম সীমায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে যারা এঁদের তুলে নিয়ে এসেছিল, তারা কিন্তু ভিনদেশি সৈনিক নয়, এ দেশেরই মানুষ। তাদের হাত কাঁপেনি এই সোনার মানুষদের চোখ বেঁধে দিতে, ঠোঁট কাঁপেনি সেই মিথ্যা আশ্বাস দিতে, ‘আবার ফিরিয়ে দিয়ে যাব’, বুক কাঁপেনি এই নরম মনের মানুষদের আঘাত করতে। না, তাঁরা ফেরেননি, সে দিনও না, কোনো দিনও না আজতক। বধ্যভূমিই হয়েছে তাঁদের শেষ শয‍্যা।

পারিবারিক সূত্রে শহীদ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরীর অপহরণের কথা আমি শুনেছি। এবং এ-ও শুনেছি যে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পরে রাও ফরমান আলীর সঙ্গে শহীদ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল। অসম্ভব আন্তরিকতার সঙ্গে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি আর ফেরেননি। সে ভয়াবহ দিনের কথা নানাভাবে শুনেছি। সেন্ট্রাল রোডে পৈতৃক নিবাস ‘দারুল আফিয়াতে’ দুপুরবেলা স্নান সেরে চুল আঁচড়াচ্ছিলেন তিনি। তাঁর মা টেবিলে ভাত বেড়ে রেখেছিলেন। তখনই তাঁকে তুলে নেওয়া হয়। যে তুলে নিতে এসেছিল, সে শহীদ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরীরই ছাত্র। শুনেছি, বাড়ির লোক আপত্তি করলে সেই লোকটি জবাব দিয়েছিল, ‘এই কিছুক্ষণের মধ্যেই স্যারকে নিয়ে আসব।’ না, আর তিনি ফিরে আসেননি। বেড়ে রাখা ভাত সন্তান খেতে পারেনি বলে মুনীর চৌধুরীর মা আজীবন একটি দুঃখ হৃদয়ে বয়ে বেড়িয়েছেন। শহীদ মুনীর চৌধুরী ১২ ডিসেম্বরের দিকে তাঁর অগ্রজ প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীকে ফোন করেছিলেন। ফোন ছেড়ে দেওয়ার আগে তাঁর শেষ কথা ছিল, ‘স্বাধীনতা তো আমাদের দোরগোড়ায় এসে গেল, তাই না?’ তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী অব্যর্থ ছিল, কিন্তু তিনি সে স্বাধীনতা দেখে যেতে পারেননি।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে আমার তিন দল মানুষের কথা বড় মনে হয়। যাঁদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তাঁদের কথা- বড় বেদনার সঙ্গে। সেই সব শহীদের সন্তানদের, যাঁদের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে, তাঁদের কথা- বড় মমতার সঙ্গে এবং সেইসব হন্তারকের কথা-তীব্র ঘৃণার সঙ্গে, যারা এমন পাশবিক কাজ করে আজও বহাল তবিয়তে আছে। আমার প্রায়ই মনে হয়, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আমি নির্মমভাবে বঞ্চিত হয়ে পড়েছি। ভাবতেই পারি না যে আমার প্রাণপ্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের হিরণ্ময় কিছু মানুষকে আর কোনো দিন দেখতে পাব না, বহু প্রিয় লেখকের নতুন লেখা আর পড়তে পারব না, অনেক সংগীতশিল্পীর কণ্ঠ আর সামনাসামনি শুনতে পারব না। আমরা অনেকেই এইসব স্বপ্নদ্রষ্টা মানুষদের ঠিক চিনতে পারিনি, পাকিস্তানিরা কিন্তু ঠিকই পেরেছিল। বাংলাদেশের সৃষ্টশীলতা আর সৃজনশীলতার ভিত্তি গুঁড়িয়ে দিতে, আমাদের দেশের শিক্ষা ও শিল্প-সাহিত্যকে নিশ্চিহ্ন করার জন্যই তারা বেছে নিয়েছিল এই অনন্যসাধারণ মানুষদের। মানুষ চিনতে ওরা ভুল করেনি।

অনেকেই জিজ্ঞেস করেন, লাখ লাখ নিহত মানুষের মধ্যে কেন বারবার শুধু শহীদ বুদ্ধিজীবীদের কথা উঠে আসে। আমার মনে হয়, এর উত্তর দুটো- একটি প্রত্যক্ষ আর অন্যটি পরোক্ষ। প্রত্যক্ষ কারণটি হচ্ছে, এ মানুষগুলো আমাদের বুদ্ধিবৃত্তির জগতের অনন্য কিছু মানুষ ছিলেন; যাঁদের স্বপ্নদৃষ্টি, দিক্-দর্শন, চিন্তাভাবনা, শিক্ষা ও পরামর্শ আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে প্রতিনিয়ত। তাই আমাদের হৃদয়ে তাঁদের জন্য বিশেষ স্থান আছে। পরোক্ষ কারণটি হচ্ছে, আমাদের মতো সাধারণ মানুষেরা বহু শহীদের স্মৃতি একসঙ্গে হৃদয়ে ধারণ করতে পারে না। তখন আমরা প্রতীক খুঁজে নিই। ১৪ ডিসেম্বরের শহীদ বুদ্ধিজীবীরা আমাদের সেই প্রতীক। এই প্রতীকের মাঝখান দিয়েই আমরা পৌঁছে যাই অন্য সব জানা-অজানা শহীদদের কাছে।

একাত্তর-উত্তর সময়ে শিক্ষক হিসেবে আমার সুবর্ণ সুযোগ ঘটেছিল উপর্যুক্ত শহীদদের অনেকেরই সন্তানদের সঙ্গে- বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে যাদের শিক্ষার্থী হিসেবে পাওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে, তাদের মধ্যে আমার হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান আছে ১৯৭১-এর শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সন্তানদের জন্য। আশির দশকে এদের অনেককেই আমার শ্রেণিকক্ষে আমি পেয়েছি। এ দশকের মাঝামাঝি সময়ে অর্থনীতি বিভাগে পড়াতে গিয়ে দেখি যে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থী হিসেবে বসে আছে শহীদ অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীর পুত্রদ্বয় তানভীর হায়দার চৌধুরী (শোভন) ও প্রয়াত সুমন হায়দার চৌধুরী (সুমন), শহীদ চিকিৎসক মোহাম্মদ মর্তুজার কন্যা দ্যুতি অরণি (মিতি), শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেনের পুত্র তৌহীদ রেজা নূর (তৌহীদ)। এ আমার পরম প্রাপ্তি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শততম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আমি যখন ১৯৭১-এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শিক্ষকদের ও শহীদ চিকিৎসক মোহাম্মদ মর্তুজার স্মৃতিচারণা করছিলাম, তখন শোভন, সুমন, মিতি ও তৌহীদের চেহারাটা আমার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। ওরা হয়তো জানেও না, আশির দশকে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে ওদের দিকে তাকালে আমার মনটা হু হু করে উঠত। বহুবার এমন হয়েছে যে আমি ওদের মুখের দিকে তাকাতে পারিনি। কোনো দিন হয়তো বলা হয়নি, আজ ওদের এই কথাটুকুই শুধু বলে যাই- আর কিছু নয়।

শিক্ষার্থী হিসেবে নয়, কিন্তু অন্যভাবেও কাছে পেয়েছি অন্য শহীদ-সন্তানদের। বৈবাহিক সূত্রে আত্মীয়তার বৃহত্তর অঙ্গনে কাছাকাছি এসেছি শহীদ অধ্যাপক মুনীর চৌধুরীর সন্তানত্রয়ের সঙ্গে- আহমেদ মুনীর (ভাষণ), প্রয়াত আশফাক মুনীর (মিশুক) ও আসিফ মুনীরকে (তন্ময়)। স্বল্পকালের জন্য মিশুক আমার সহকর্মীও ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। অবয়ব পত্রের (ফেসবুক) মাধ্যমে পরিচিত হয়েছি মাহমুদার সঙ্গে (শহীদ অধ্যাপক সিরাজুল হক খানের সন্তান)। জেনেছি মাহমুদকে- শহীদ অধ্যাপক রাশীদুল হাসানের পুত্র সে। সেই সঙ্গে এটাও মনে হয়েছে, সেদিনের যে শিশু, কিশোর-কিশোরীরা পশুশক্তির কাছে তাদের বাবাকে হারিয়েছে, তারা আজ পরিণত বয়সের মানুষ। তাদের মনের পিতৃ হারানোর বেদনা আমরা কেউ বুঝব না। কারণ, সব দুঃখই তো মানুষের ব্যক্তিগত, সব বেদনাই তো তার নিজস্ব। কিন্তু এটা তো বুঝি যে তাদের পিতার হন্তারকদের ‘বিচারের দাবি তাদের মনে নিভৃতে কাঁদে’ অহর্নিশ।

শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের বিচারভিন্ন কোনো পথ নেই- শুধু ন্যায্যতার কারণে নয়, শুধু মানবিকতার কারণেও নয়, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মার শান্তির জন্য, শহীদ-সন্তানদের অন্তরের বিচারের দাবি মেটানোর জন্য, জাতি হিসেবে আমাদের দায়মুক্তির জন্য। সে দায় রাষ্ট্রের, সমাজের ও ব্যক্তি মানুষের। সে দায়ভাগে আমরা সবাই সমান অংশীদার। জাতি হিসেবে আমরা যেন সে দায় ভুলে না যাই। সে আমাদেরই দায় এবং তার মোচনেই আমাদের মুক্তি।

লেখক : অর্থনীতিবিদ।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’—স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি কৌশলগত ঘোষণা
‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’—স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি কৌশলগত ঘোষণা
মববাজ দমনের অপেক্ষায় জনতা
মববাজ দমনের অপেক্ষায় জনতা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক : বড়দের জন্য নতুন সুযোগ, ছোট এনজিওদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক : বড়দের জন্য নতুন সুযোগ, ছোট এনজিওদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
সর্বশেষ খবর
কুমিল্লা-২ আসনে ইসির সীমানা অনুযায়ী নির্বাচন: আপিল বিভাগ
কুমিল্লা-২ আসনে ইসির সীমানা অনুযায়ী নির্বাচন: আপিল বিভাগ

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

আজ নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি বাংলাদেশ
আজ নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি বাংলাদেশ

৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে ফের গ্রেফতার করলো ডিবি
ইভ্যালির রাসেল-শামীমাকে ফের গ্রেফতার করলো ডিবি

১০ মিনিট আগে | নগর জীবন

ঢাকায় রেল পরিচালকের আকস্মিক মৃত্যু
ঢাকায় রেল পরিচালকের আকস্মিক মৃত্যু

২২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক জসিমের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক জসিমের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল

২৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শহীদ আসাদের শাহাদাতবার্ষিকীতে ছাত্রদলের শ্রদ্ধা
শহীদ আসাদের শাহাদাতবার্ষিকীতে ছাত্রদলের শ্রদ্ধা

৩১ মিনিট আগে | রাজনীতি

সিঙ্গাপুরে বন্ধুত্বের নতুন চিত্র : প্রতি ১০ জনে একজনের নেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু
সিঙ্গাপুরে বন্ধুত্বের নতুন চিত্র : প্রতি ১০ জনে একজনের নেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু

৪১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার
স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, কর্ণাটকে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত
নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, কর্ণাটকে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চানখারপুলে ৬ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার রায়ের তারিখ পেছাল
চানখারপুলে ৬ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার রায়ের তারিখ পেছাল

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মানিকগঞ্জে ভ্যাকসিনের অভাবে আতঙ্কিত রোগীরা
মানিকগঞ্জে ভ্যাকসিনের অভাবে আতঙ্কিত রোগীরা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জামালগঞ্জে এতিম শিশুদের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
জামালগঞ্জে এতিম শিশুদের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে জরুরি ১৪ নির্দেশনা
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে জরুরি ১৪ নির্দেশনা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোপালগঞ্জ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী পালিত
গোপালগঞ্জ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী পালিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন
উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সূচকের ওঠানামায় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন
সূচকের ওঠানামায় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর
ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’
‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্চে শুরু হচ্ছে কাতার ফুটবল উৎসব
মার্চে শুরু হচ্ছে কাতার ফুটবল উৎসব

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোপালগঞ্জে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতার
গোপালগঞ্জে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ৪০০ ঘর
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ৪০০ ঘর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলসহ দুই যুবক আটক
যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলসহ দুই যুবক আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গণতন্ত্রের স্বার্থে ভোট শতভাগ সুষ্ঠু হবে : জামায়াত আমির
গণতন্ত্রের স্বার্থে ভোট শতভাগ সুষ্ঠু হবে : জামায়াত আমির

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক
উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফের বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম, আজ থেকে কার্যকর
ফের বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম, আজ থেকে কার্যকর

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কানাডায় ঝড়ের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন হাজারো মানুষ, স্কুল বন্ধ ঘোষণা
কানাডায় ঝড়ের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন হাজারো মানুষ, স্কুল বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মাইজদীতে সন্ত্রাসী হামলায় নারীসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম
মাইজদীতে সন্ত্রাসী হামলায় নারীসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাপার সভাপতি তালুকদার, সম্পাদক আলমগীর কবির
বাপার সভাপতি তালুকদার, সম্পাদক আলমগীর কবির

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর’ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন রুমিন ফারহানা
ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর’ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন রুমিন ফারহানা

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি
পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

'আমি স্ত্রীকে হত্যা করেছি, তবে আমি খুনি নই'
'আমি স্ত্রীকে হত্যা করেছি, তবে আমি খুনি নই'

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা কেড়ে নিল দুই দেশ
ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা কেড়ে নিল দুই দেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, দুদকের জালে জাতীয় পার্টির রাঙ্গা
পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, দুদকের জালে জাতীয় পার্টির রাঙ্গা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শীত কমবে নাকি বাড়বে, সারাদেশে যেমন থাকবে আবহাওয়া
শীত কমবে নাকি বাড়বে, সারাদেশে যেমন থাকবে আবহাওয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাটকীয়ভাবে ইসরায়েল ছাড়ছে ইহুদিরা
নাটকীয়ভাবে ইসরায়েল ছাড়ছে ইহুদিরা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ইসির সামনে থেকে যাবো না: ছাত্রদল সভাপতি
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ইসির সামনে থেকে যাবো না: ছাত্রদল সভাপতি

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’
‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন: গাজী আতাউর রহমান
মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন: গাজী আতাউর রহমান

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্পেনের হাই-স্পিড ট্রেন দুর্ঘটনা: কী ঘটেছিল?
স্পেনের হাই-স্পিড ট্রেন দুর্ঘটনা: কী ঘটেছিল?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল পরিকল্পনায় যে কারণে মহাখুশি রাশিয়া
ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল পরিকল্পনায় যে কারণে মহাখুশি রাশিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানের মহা-উপকার করেছে ভারত, অস্ত্র ব্যবসা রমরমা!
পাকিস্তানের মহা-উপকার করেছে ভারত, অস্ত্র ব্যবসা রমরমা!

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১২ আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ঘোষণা
১২ আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ঘোষণা

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে যে সিদ্ধান্ত নিলো পাকিস্তান
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে যে সিদ্ধান্ত নিলো পাকিস্তান

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশের সমর্থনে বিশ্বকাপ থেকে সরে যাবে না পাকিস্তান
বাংলাদেশের সমর্থনে বিশ্বকাপ থেকে সরে যাবে না পাকিস্তান

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এবার কানাডা নিয়ে চিন্তায় ট্রাম্প
এবার কানাডা নিয়ে চিন্তায় ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শাকসু নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত
শাকসু নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘জনপ্রিয় হয়ে গেছি’, বিসিবিকে নাজমুল
‘জনপ্রিয় হয়ে গেছি’, বিসিবিকে নাজমুল

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু
গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ
এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে : চীনা রাষ্ট্রদূত
শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে ‘ট্রেড বাজুকা’ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে ইউরোপ!
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে ‘ট্রেড বাজুকা’ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে ইউরোপ!

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে
স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে

১৫ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পাকিস্তানের সমর্থনে কি ভারতকে চাপে ফেলতে পারবে বাংলাদেশ
পাকিস্তানের সমর্থনে কি ভারতকে চাপে ফেলতে পারবে বাংলাদেশ

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ড কার্যকর: মার্কিন দূতাবাস
২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ড কার্যকর: মার্কিন দূতাবাস

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুমিল্লা-৩ আসনে কায়কোবাদের প্রার্থিতা বহাল
কুমিল্লা-৩ আসনে কায়কোবাদের প্রার্থিতা বহাল

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

খেলা শেষে কাঁদলেন দিয়াজ
খেলা শেষে কাঁদলেন দিয়াজ

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইরান অভিমুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি
ইরান অভিমুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি

প্রথম পৃষ্ঠা

ছদ্মবেশী কিলার ভবঘুরে সম্রাট
ছদ্মবেশী কিলার ভবঘুরে সম্রাট

প্রথম পৃষ্ঠা

গণভোটে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক
গণভোটে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদকের আখড়া প্যারিস রোডের ‘ভূতুড়ে মার্কেট’
মাদকের আখড়া প্যারিস রোডের ‘ভূতুড়ে মার্কেট’

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় র্যাব কর্মকর্তা নিহত
চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় র্যাব কর্মকর্তা নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আজ প্রত্যাহার কাল প্রতীক বরাদ্দ
আজ প্রত্যাহার কাল প্রতীক বরাদ্দ

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের টি-২০ বিশ্বকাপ
এখনো অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের টি-২০ বিশ্বকাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুলের রাজ্যে রঙের উৎসব
ফুলের রাজ্যে রঙের উৎসব

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তরে দেশের পোশাকশিল্প
প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তরে দেশের পোশাকশিল্প

শিল্প বাণিজ্য

প্রার্থী হতে জাতীয় পার্টির রাঙ্গাকে পনিরের ঘুষ
প্রার্থী হতে জাতীয় পার্টির রাঙ্গাকে পনিরের ঘুষ

প্রথম পৃষ্ঠা

শিরোপার দৌড়ে সাবিনারা
শিরোপার দৌড়ে সাবিনারা

মাঠে ময়দানে

১০-দলীয় জোটের আসন চূড়ান্ত, আজ ঘোষণা
১০-দলীয় জোটের আসন চূড়ান্ত, আজ ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউরোপে পোশাক রপ্তানি ১৮০৫ কোটি ইউরো
ইউরোপে পোশাক রপ্তানি ১৮০৫ কোটি ইউরো

পেছনের পৃষ্ঠা

রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সে আগুন
রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সে আগুন

দেশগ্রাম

‘সিটি গভর্নমেন্ট’-এ বাঁচবে ঢাকা
‘সিটি গভর্নমেন্ট’-এ বাঁচবে ঢাকা

নগর জীবন

পোশাক খাত এক বছর ধরে আইসিইউতে
পোশাক খাত এক বছর ধরে আইসিইউতে

প্রথম পৃষ্ঠা

পবিত্র শবেবরাত ৩ ফেব্রুয়ারি
পবিত্র শবেবরাত ৩ ফেব্রুয়ারি

প্রথম পৃষ্ঠা

সমস্যা বাড়ছেই ঢাকায়
সমস্যা বাড়ছেই ঢাকায়

পেছনের পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ মার্কিন ও ইইউ রাষ্ট্রদূতদের
তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ মার্কিন ও ইইউ রাষ্ট্রদূতদের

প্রথম পৃষ্ঠা

টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করছে কি পাকিস্তান!
টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করছে কি পাকিস্তান!

মাঠে ময়দানে

বিপিএলে প্লে-অফের লড়াই
বিপিএলে প্লে-অফের লড়াই

মাঠে ময়দানে

‘ফুল গিয়ারে’ প্রশাসন
‘ফুল গিয়ারে’ প্রশাসন

পেছনের পৃষ্ঠা

‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে
‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহীদ জিয়ার জন্মদিন উদ্‌যাপন
শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহীদ জিয়ার জন্মদিন উদ্‌যাপন

প্রথম পৃষ্ঠা

উইজডেন বর্ষসেরা টি ২০ একাদশে মুস্তাফিজ
উইজডেন বর্ষসেরা টি ২০ একাদশে মুস্তাফিজ

মাঠে ময়দানে

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নেই
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিসের কাছে সব ম্যাচই ফাইনাল
ফর্টিসের কাছে সব ম্যাচই ফাইনাল

মাঠে ময়দানে

আফ্রিকাসেরা সেনেগাল
আফ্রিকাসেরা সেনেগাল

মাঠে ময়দানে

সিলেটে ট্রেনের ধাক্কায় আহত হাতির মৃত্যু
সিলেটে ট্রেনের ধাক্কায় আহত হাতির মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা