শিরোনাম
প্রকাশ: ১৪:২১, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?

আসিফ মুনীর
অনলাইন ভার্সন
বুদ্ধিজীবী হত্যার কারণ কি সবার জানা?

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস নিয়ে কখনোই জ্ঞানগর্ভ আলোচনা হয় না। এ সম্পর্কে লিখিত রূপ সীমিত, পাঠ্য পুস্তক এবং অনলাইনে অনুপস্থিত। ফলশ্রুতিতে দেখা যায় বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নিয়ে সীমিত বা অস্বচ্ছ ধারণা সামগ্রিকভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে বিদ্যমান।

শুধু তাই নয়, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি করা হয়/হয়েছে, বুদ্ধিজীবীদের অবদান এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সৃষ্টি (লেখা) না দেখা, না পড়ার কারণে। অথবা কেউ কেউ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়েই এই সন্দেহ ও অপবাদ উসকে দিয়েছে। এমনকি কোনো কোনো সময় গণমাধ্যম বা বিভিন্ন সভায় আমরা এমন প্রশ্নেরও সম্মুখীন হয়ে থাকি যে মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অবদান কী? এরকম প্রশ্ন শুনে আমি আমার বাবা শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর কথা বলি যে মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার বাবার অবদান সবচেয়ে কম। প্রশ্নকর্তা হকচকিয়ে গেলে আমি আমার উত্তরের ব্যাখ্যা দেই। আমার বাবার সম্পর্কে সেই ব্যাখ্যা এই লেখার শেষ অংশেও দিয়েছি।

আপাতত প্রামাণ্য প্রকাশনা থেকে কিছু তথ্য আজকের দিনে পাঠকদের নজরে আনা সমীচীন মনে করছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক এবং কবি কাজী নজরুল ইসলাম গবেষক প্রয়াত অধ্যাপক ফিকুল ইসলাম তার ‘গ্রন্থ বীরের এ রক্তস্রোত, মাতার এ অশ্রুধারা’ গ্রন্থে লিখেছেন, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান প্রধান শিক্ষকবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশত্যাগ করলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ ছিল ব্যতিক্রম। তারা ঢাকাতেই ছিলেন এবং সেজন্য তিন শিক্ষককে প্রাণ দিতে হয়েছে। দুজন পদচ্যুত হন, দুজনের নামে হুলিয়া থাকায় আত্মগোপনে ছিলেন, একজনকে টিক্কা খান সতর্ক করে দেন এবং এই অধ্যাপককে  পাকিস্তানি বন্দিশিবিরে আটকে রাখে।

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম আরও লিখেছেন, এই শিক্ষকেরা মুক্তিযুদ্ধের সময় একযোগে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, মরতে হয় দেশে মরবেন, কিন্তু দেশের মাটি ছাড়বেন না। বাংলা বিভাগকে পাকিস্তান ও তাদের এদেশীয় দোসরদের হাতে ছেড়ে দিয়ে কলুষিত হতে দেবেন না। হতে দেননি। বন্দিশিবিরে আটকে থাকার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম লিখেছেন, সেখানেই তিনি বুঝে গেছিলেন আমার বাবা মুনীর চৌধুরী পাকিস্তানিদের সবচেয়ে বড় শত্রু। অন্য আরেকটি গ্রন্থে, মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) রফিকুল ইসলামের বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে গ্রন্থে অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে উদ্ধৃত করে লেখা আছে, একাত্তরের আগস্টে যখন পাকিস্তানিদের সহযোগীরা এই অধ্যাপককে ধরে নিয়ে যায়, তখন বিভিন্নভাবে নির্যাতনের সময় আমার বাবা মুনীর চৌধুরীসহ আরও কয়েকজন বুদ্ধিজীবী সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে জবানবন্দি দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়।

নিজের গ্রন্থে অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম লিখেছেন, মুচলেকা দিয়ে মুক্ত হওয়ার পর সহকর্মীদের সতর্ক করে দিয়েছিলেন, বুঝতে পারছিলেন শিক্ষকদের ওপর এক সময় চরম আঘাত আসতে পারে। তারপরেও আমার বাবার মতো বাকিরা ঢাকাতেই প্রকাশ্য স্থানে থেকে গিয়েছিলেন, দেশ ছেড়ে পালাবেন না এই প্রত্যয়ে। মেজর রফিকুল ইসলাম তার গ্রন্থে অনেক উদাহরণ দিয়েছেন ঘুরে ফিরে এক দল বুদ্ধিজীবী পাকিস্তানি নিপীড়ন ও প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে পুরো ২৩ বছর বারবার বিভিন্নমুখী অবস্থান নিয়েছেন-একক বা সম্মিলিতভাবে। সেজন্য কখনো তাদের হুমকি দিয়েছে, কখনো কারাগারে নিক্ষেপ করেছে, কখনো প্রোপাগান্ডা মেশিনে জোর করে স্বাক্ষর করিয়েছে, কখনো পুরস্কার ও সরকারি চাকরির লোভ দেখিয়েছে, কখনো কিছুই করতে পারেনি।

এসবের কোনো কিছুতেই ২৩ বছরে আমাদের বাবারা দমে যাননি। এরাই ভবিষ্যতে দেশের সংস্কৃতি, শিক্ষা এমনকি রাজনীতি গড়ে তুলবে, এটা বুঝতে পাকিস্তানিরা ভুল করেনি। মেজর রফিকুল ইসলাম লিখেছেন, বুদ্ধিজীবীদের উসকানিতেই আমাদের দেশ স্বাধীন হতে চলেছে বলেই পাকিস্তানিদের ধারণা হয়েছিল। বুদ্ধিজীবীদের সতীর্থ, স্বজন এবং বিভিন্ন দেশি-বিদেশি পত্রিকার উদাহরণ দিয়ে তিনি প্রমাণ রাখার চেষ্টা করেছেন যে বিশেষ করে যুদ্ধের একটি কৌশল হিসেবে পাকিস্তানি ও তাদের এদেশীয় সমর্থকদের নেতারা বুদ্ধিজীবী হত্যা বিবেচনায় রেখেছিল এবং বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

যাই হোক, এই দুটি গ্রন্থ ছাড়াও আরও গ্রন্থ আছে যেখানে মুক্তিযুদ্ধে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডর অনেক তথ্য সন্নিবেশিত আছে। এসব গ্রন্থ বিভিন্ন সংগ্রহশালায় এবং পুস্তক বিক্রয় কেন্দ্রে আছে। এগুলো অনলাইন বিভিন্ন মাধ্যমে আরও প্রচারিত-প্রকাশিত হলে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা স্পষ্ট হবে এবং সত্য ন্যারেটিভ সুদৃঢ় হবে। কাজেই আমার বাবাকে অন্যান্য শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মতই হঠাৎ টার্গেট করা হয়নি। পুরো পাকিস্তান শাসন আমলেই এরা টার্গেট হয়ে ছিলেন। সম্ভাব্য পরাজয়ের সময় মরণ কামড়ের কৌশল হিসেবে হিট লিস্ট তৈরি হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের সময়। দেশের জন্য আমার বাবার অবদান দিয়েই সেটা বুঝতে পারি। হয়তো মুনীর চৌধুরীর বিভিন্নমুখী সাহিত্য ও গবেষণার মধ্যে বাংলা ভাষার উৎকর্ষ সাধন ও একটি অসাম্প্রদায়িক বাঙালি সংস্কৃতি গড়ে তোলার নিরন্তর প্রয়াস পাকিস্তান ও পাকিস্তানপন্থী ধর্মীয়, প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীকে সবচেয়ে বেশি রাগান্বিত করেছিল আর দুশ্চিন্তায় ফেলেছিল।

সরাসরি সংঘাত বা প্রতিবাদে না গিয়েও বিভিন্ন নাটকে ও প্রবন্ধে পাকিস্তান শাসক গোষ্ঠীর সমালোচনা, বাংলার অসাম্প্রদায়িক চরিত্রের স্বরূপ, বাংলা ভাষার বৈচিত্র্যতার জয়গান তার বিভিন্ন ধরণের লেখায় আছে, যা তার শত্রু-মিত্রদের কাছে সহজলভ্য ছিল। সে সময় ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট না থাকলেও ছাপানো বই এবং পত্রপত্রিকার পাতায় সেগুলো যে কেউ পেতে ও পড়তে পারে। প্রতিভাধর মুনীর চৌধুরীর বাংলা ভাষা-সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস ছিল নানামুখী। যেমন পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা সংস্কার কমিটির রিপোর্টের বস্তুনিষ্ঠ ও তীক্ষ্ণ সমালোচনা করেন তিনি। ভাষাতাত্ত্বিক মুনীর চৌধুরী যুক্তি ও সরল পরিহাসের মাধ্যমে লিখিত ও প্রচারিত প্রবন্ধে সরাসরি লিখেছিলেন, এই রিপোর্টের সুপারিশসমূহ অবৈজ্ঞানিক ও সাম্প্রদায়িক।

বাংলা একাডেমিতে এই প্রবন্ধ পাঠের সংবাদ প্রকাশের পর পাকিস্তান সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মারফত মুনীর চৌধুরীর কাছে কৈফিয়ত চান- মুসলমানের ধর্মবিশ্বাসে আঘাত করার কারণে। বাংলা একাডেমি থেকে এই প্রবন্ধের কপিও তারা সংগ্রহেরও চেষ্টা করে। কিন্তু ওই প্রবন্ধ সম্পর্কে পরে জানা যায় যে সেখানে ইসলাম বিরোধী কিছু ছিল না। আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৬৭-৬৮ সালে যখন বাংলা বর্ণমালা ও বানান পদ্ধতি পরিবর্তনের প্রতিবেদন তৈরি হয়, তার সাথে প্রকাশ্যত ভিন্নমত পোষণ করে অধ্যাপক মুনীর চৌধুরী, ড. মুহম্মদ এনামুল হক ও অধ্যাপক আব্দুল হাই প্রতিবেদন দাখিল করেন। কাছাকাছি সময়ে কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে ও একটি জার্মান কোম্পানির সহায়তায় মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে বাংলা টাইপ করার জন্য উন্নতমানের টাইপরাইটার কী বোর্ড তৈরি করেন।

এই মুনীর অপটিমা আজকের বাংলা কম্পিউটার তথা ডিজিটাল ডিভাইসের বাংলা কী-বোর্ডের আদি রূপ। এমনকি ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার কিছুদিন আগেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে ভ্রমণের ফিরতি পথে, লন্ডনে বিবিসি বাংলা বিভাগে প্রদত্ত এক সাক্ষাৎকারে বাংলা ভাষা চর্চা ও সংস্কারের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেন। সেই তুলনায় মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস মুনীর চৌধুরীর সবচেয়ে কম সৃষ্টিশীল কাজ ও প্রতিক্রিয়ার সময়। একাধিক নাট্য রচনা ও নাট্য অনুবাদে হাত দিয়েছিলেন, যেগুলো ওই নয় মাসে শেষ হয়নি। জ্যেষ্ঠ সন্তান গোপনে মুক্তিযুদ্ধে চলে যাওয়ায় অজানা আশঙ্কায় মুষড়ে পড়েছিলেন। নিজের মা ঢাকা ছাড়তে চাননি আর অন্য ভাইবোনরা কাছে না থাকায় তিনিও ঢাকায় থেকে গেলেন- পরিচিতি বাড়িতে থাকার ঝুঁকি আছে জেনেও।

লেখক : শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর সন্তান।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’—স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি কৌশলগত ঘোষণা
‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’—স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি কৌশলগত ঘোষণা
মববাজ দমনের অপেক্ষায় জনতা
মববাজ দমনের অপেক্ষায় জনতা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক : বড়দের জন্য নতুন সুযোগ, ছোট এনজিওদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক : বড়দের জন্য নতুন সুযোগ, ছোট এনজিওদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
সর্বশেষ খবর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক জসিমের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিক জসিমের মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল

৫৩ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

শহীদ আসাদের শাহাদাতবার্ষিকীতে ছাত্রদলের শ্রদ্ধা
শহীদ আসাদের শাহাদাতবার্ষিকীতে ছাত্রদলের শ্রদ্ধা

৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

সিঙ্গাপুরে বন্ধুত্বের নতুন চিত্র : প্রতি ১০ জনে একজনের নেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু
সিঙ্গাপুরে বন্ধুত্বের নতুন চিত্র : প্রতি ১০ জনে একজনের নেই ঘনিষ্ঠ বন্ধু

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার
স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ, দুই বন্ধু গ্রেফতার

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, কর্ণাটকে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত
নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, কর্ণাটকে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চানখারপুলে ৬ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার রায়ের তারিখ পেছাল
চানখারপুলে ৬ শিক্ষার্থী হত্যা মামলার রায়ের তারিখ পেছাল

৪০ মিনিট আগে | জাতীয়

মানিকগঞ্জে ভ্যাকসিনের অভাবে আতঙ্কিত রোগীরা
মানিকগঞ্জে ভ্যাকসিনের অভাবে আতঙ্কিত রোগীরা

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

জামালগঞ্জে এতিম শিশুদের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ
জামালগঞ্জে এতিম শিশুদের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ

৪৭ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে জরুরি ১৪ নির্দেশনা
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে জরুরি ১৪ নির্দেশনা

৪৭ মিনিট আগে | জাতীয়

গোপালগঞ্জ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী পালিত
গোপালগঞ্জ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী পালিত

৫৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি
নয়াদিল্লিতে আমিরাতের প্রেসিডেন্টকে যেভাবে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি

৫৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন
উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন

৫৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সূচকের ওঠানামায় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন
সূচকের ওঠানামায় পুঁজিবাজারে চলছে লেনদেন

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর
ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’
‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মার্চে শুরু হচ্ছে কাতার ফুটবল উৎসব
মার্চে শুরু হচ্ছে কাতার ফুটবল উৎসব

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোপালগঞ্জে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতার
গোপালগঞ্জে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ৪০০ ঘর
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, পুড়ল ৪০০ ঘর

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলসহ দুই যুবক আটক
যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলসহ দুই যুবক আটক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গণতন্ত্রের স্বার্থে ভোট শতভাগ সুষ্ঠু হবে : জামায়াত আমির
গণতন্ত্রের স্বার্থে ভোট শতভাগ সুষ্ঠু হবে : জামায়াত আমির

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক
উত্তেজনা বাড়িয়ে গ্রিনল্যান্ডে আরও সেনা মোতায়েন করল ডেনমার্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফের বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম, আজ থেকে কার্যকর
ফের বেড়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম, আজ থেকে কার্যকর

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

কানাডায় ঝড়ের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন হাজারো মানুষ, স্কুল বন্ধ ঘোষণা
কানাডায় ঝড়ের তাণ্ডব: বিদ্যুৎহীন হাজারো মানুষ, স্কুল বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মাইজদীতে সন্ত্রাসী হামলায় নারীসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম
মাইজদীতে সন্ত্রাসী হামলায় নারীসহ তিনজনকে কুপিয়ে জখম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাপার সভাপতি তালুকদার সম্পাদক আলমগীর কবির
বাপার সভাপতি তালুকদার সম্পাদক আলমগীর কবির

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নারায়ণগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শীতবস্ত্র বিতরণ
নারায়ণগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় শীতবস্ত্র বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘নবাগত লোক এসে কত কথাই না বলে’
‘নবাগত লোক এসে কত কথাই না বলে’

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলালিংক অ্যাপকোয়েস্ট অ্যাপলিংক হ্যাকাথনের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
বাংলালিংক অ্যাপকোয়েস্ট অ্যাপলিংক হ্যাকাথনের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

কালীগঞ্জে পিকআপ ভ্যানের চাপায় চিকিৎসক নিহত
কালীগঞ্জে পিকআপ ভ্যানের চাপায় চিকিৎসক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের সরকার বিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রে হাজারো মানুষের মিছিল
ইরানের সরকার বিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে যুক্তরাষ্ট্রে হাজারো মানুষের মিছিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর’ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন রুমিন ফারহানা
ম্যাজিস্ট্রেটকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর’ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলেন রুমিন ফারহানা

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি
পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি

১৭ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

'আমি স্ত্রীকে হত্যা করেছি, তবে আমি খুনি নই'
'আমি স্ত্রীকে হত্যা করেছি, তবে আমি খুনি নই'

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা কেড়ে নিল দুই দেশ
ভারতীয়দের ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা কেড়ে নিল দুই দেশ

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, দুদকের জালে জাতীয় পার্টির রাঙ্গা
পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, দুদকের জালে জাতীয় পার্টির রাঙ্গা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নাটকীয়ভাবে ইসরায়েল ছাড়ছে ইহুদিরা
নাটকীয়ভাবে ইসরায়েল ছাড়ছে ইহুদিরা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীত কমবে নাকি বাড়বে, সারাদেশে যেমন থাকবে আবহাওয়া
শীত কমবে নাকি বাড়বে, সারাদেশে যেমন থাকবে আবহাওয়া

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ইসির সামনে থেকে যাবো না: ছাত্রদল সভাপতি
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ইসির সামনে থেকে যাবো না: ছাত্রদল সভাপতি

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন: গাজী আতাউর রহমান
মামুনুল হকের দুই আসনে প্রার্থী দেবে না ইসলামী আন্দোলন: গাজী আতাউর রহমান

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

স্পেনের হাই-স্পিড ট্রেন দুর্ঘটনা: কী ঘটেছিল?
স্পেনের হাই-স্পিড ট্রেন দুর্ঘটনা: কী ঘটেছিল?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানের মহা-উপকার করেছে ভারত, অস্ত্র ব্যবসা রমরমা!
পাকিস্তানের মহা-উপকার করেছে ভারত, অস্ত্র ব্যবসা রমরমা!

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল পরিকল্পনায় যে কারণে মহাখুশি রাশিয়া
ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখল পরিকল্পনায় যে কারণে মহাখুশি রাশিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১২ আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ঘোষণা
১২ আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী ঘোষণা

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে যে সিদ্ধান্ত নিলো পাকিস্তান
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে যে সিদ্ধান্ত নিলো পাকিস্তান

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শাকসু নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত
শাকসু নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এবার কানাডা নিয়ে চিন্তায় ট্রাম্প
এবার কানাডা নিয়ে চিন্তায় ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশের সমর্থনে বিশ্বকাপ থেকে সরে যাবে না পাকিস্তান
বাংলাদেশের সমর্থনে বিশ্বকাপ থেকে সরে যাবে না পাকিস্তান

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’
‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘জনপ্রিয় হয়ে গেছি’, বিসিবিকে নাজমুল
‘জনপ্রিয় হয়ে গেছি’, বিসিবিকে নাজমুল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে : চীনা রাষ্ট্রদূত
শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ
এস আলমের সম্পত্তি দেখভালে রিসিভার নিয়োগ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে ‘ট্রেড বাজুকা’ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে ইউরোপ!
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে ‘ট্রেড বাজুকা’ প্রয়োগ করতে যাচ্ছে ইউরোপ!

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে
স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে

১৪ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু
গাজায় তুরস্ক-কাতারের সেনা মোতায়েনের বিরোধিতা করে যা বললেন নেতানিয়াহু

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাকিস্তানের সমর্থনে কি ভারতকে চাপে ফেলতে পারবে বাংলাদেশ
পাকিস্তানের সমর্থনে কি ভারতকে চাপে ফেলতে পারবে বাংলাদেশ

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী
নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কুমিল্লা-৩ আসনে কায়কোবাদের প্রার্থিতা বহাল
কুমিল্লা-৩ আসনে কায়কোবাদের প্রার্থিতা বহাল

২১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ড কার্যকর: মার্কিন দূতাবাস
২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ড কার্যকর: মার্কিন দূতাবাস

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইরান অভিমুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি
ইরান অভিমুখে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি

প্রথম পৃষ্ঠা

ছদ্মবেশী কিলার ভবঘুরে সম্রাট
ছদ্মবেশী কিলার ভবঘুরে সম্রাট

প্রথম পৃষ্ঠা

গণভোটে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক
গণভোটে সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

মাদকের আখড়া প্যারিস রোডের ‘ভূতুড়ে মার্কেট’
মাদকের আখড়া প্যারিস রোডের ‘ভূতুড়ে মার্কেট’

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় র্যাব কর্মকর্তা নিহত
চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী হামলায় র্যাব কর্মকর্তা নিহত

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আজ প্রত্যাহার কাল প্রতীক বরাদ্দ
আজ প্রত্যাহার কাল প্রতীক বরাদ্দ

প্রথম পৃষ্ঠা

এখনো অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের টি-২০ বিশ্বকাপ
এখনো অনিশ্চয়তায় বাংলাদেশের টি-২০ বিশ্বকাপ

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুলের রাজ্যে রঙের উৎসব
ফুলের রাজ্যে রঙের উৎসব

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তরে দেশের পোশাকশিল্প
প্রযুক্তিনির্ভর রূপান্তরে দেশের পোশাকশিল্প

শিল্প বাণিজ্য

প্রার্থী হতে জাতীয় পার্টির রাঙ্গাকে পনিরের ঘুষ
প্রার্থী হতে জাতীয় পার্টির রাঙ্গাকে পনিরের ঘুষ

প্রথম পৃষ্ঠা

শিরোপার দৌড়ে সাবিনারা
শিরোপার দৌড়ে সাবিনারা

মাঠে ময়দানে

১০-দলীয় জোটের আসন চূড়ান্ত, আজ ঘোষণা
১০-দলীয় জোটের আসন চূড়ান্ত, আজ ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সে আগুন
রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সে আগুন

দেশগ্রাম

ইউরোপে পোশাক রপ্তানি ১৮০৫ কোটি ইউরো
ইউরোপে পোশাক রপ্তানি ১৮০৫ কোটি ইউরো

পেছনের পৃষ্ঠা

‘সিটি গভর্নমেন্ট’-এ বাঁচবে ঢাকা
‘সিটি গভর্নমেন্ট’-এ বাঁচবে ঢাকা

নগর জীবন

পোশাক খাত এক বছর ধরে আইসিইউতে
পোশাক খাত এক বছর ধরে আইসিইউতে

প্রথম পৃষ্ঠা

পবিত্র শবেবরাত ৩ ফেব্রুয়ারি
পবিত্র শবেবরাত ৩ ফেব্রুয়ারি

প্রথম পৃষ্ঠা

তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ মার্কিন ও ইইউ রাষ্ট্রদূতদের
তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ মার্কিন ও ইইউ রাষ্ট্রদূতদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিপিএলে প্লে-অফের লড়াই
বিপিএলে প্লে-অফের লড়াই

মাঠে ময়দানে

সমস্যা বাড়ছেই ঢাকায়
সমস্যা বাড়ছেই ঢাকায়

পেছনের পৃষ্ঠা

টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করছে কি পাকিস্তান!
টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করছে কি পাকিস্তান!

মাঠে ময়দানে

‘ফুল গিয়ারে’ প্রশাসন
‘ফুল গিয়ারে’ প্রশাসন

পেছনের পৃষ্ঠা

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহীদ জিয়ার জন্মদিন উদ্‌যাপন
শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় শহীদ জিয়ার জন্মদিন উদ্‌যাপন

প্রথম পৃষ্ঠা

‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে
‘হ্যাঁ’-তে সিল দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে

প্রথম পৃষ্ঠা

উইজডেন বর্ষসেরা টি ২০ একাদশে মুস্তাফিজ
উইজডেন বর্ষসেরা টি ২০ একাদশে মুস্তাফিজ

মাঠে ময়দানে

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নেই
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নেই

প্রথম পৃষ্ঠা

ফর্টিসের কাছে সব ম্যাচই ফাইনাল
ফর্টিসের কাছে সব ম্যাচই ফাইনাল

মাঠে ময়দানে

আফ্রিকাসেরা সেনেগাল
আফ্রিকাসেরা সেনেগাল

মাঠে ময়দানে

সিলেটে ট্রেনের ধাক্কায় আহত হাতির মৃত্যু
সিলেটে ট্রেনের ধাক্কায় আহত হাতির মৃত্যু

পেছনের পৃষ্ঠা