শিরোনাম
প্রকাশ: ২১:৩০, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ২১:৩৩, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা

ড. মো. মিজানুর রহমান
অনলাইন ভার্সন
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশ-টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫ এর পথনির্দেশনা

দেশের টেলিযোগাযোগ খাত দীর্ঘ দিন যাবৎ বিস্তৃত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে উপনীত হয়েছে। এই খাতের যাত্রা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ইতিহাসের মতোই পরিবর্তনশীল ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ। স্বাধীনতার পর পুরো খাতটি ছিল সরকারি মালিকানাধীন বিটিটিবি’র কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভরশীল। অবকাঠামোগত পশ্চাৎপদতা, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং বিনিয়োগ-বান্ধব বাজার কাঠামোর অভাবে টেলিযোগাযোগ তখন ছিল জাতীয় অগ্রগতির অন্তরায়। তখন টেলিফোন ছিল এক ধরনের বিলাসপণ্য এবং একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের অধীন একটি ব্যয়বহুল ও সীমিত সেবা, যেখানে বিটিটিবি’র অধীনে টেলিফোন পাওয়া ছিল বছরের পর বছর অপেক্ষার বিষয়। সেই সময়ের অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও বাজারচিন্তা সবই ছিল সীমিত এবং রাষ্ট্রীয় মনোপলির কারণে নতুন উদ্ভাবন বা বিনিয়োগ আকর্ষণের সুযোগও ছিল না। নব্বইয়ের দশকে বেসরকারি খাতের প্রথম মোবাইল কোম্পানি কার্যক্রম শুরু করার মাধ্যমে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত নতুন রূপ পেতে থাকে।

প্রযুক্তি-উদ্ভাবন ও বাজারমুখী নীতির ফলে অল্প কয়েক দশকের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বড় মোবাইল বাজারে পরিণত হয়। ফলে টেলিযোগাযোগের অবকাঠামো বিস্তার ত্বরান্বিত হয় এবং গ্রাহকসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুরো খাতটি দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আধুনিক যুগে প্রবেশ করায়। এক সময় যেখানে হাতে গোনা কয়েক হাজার টেলিফোন সংযোগ ছিল, সেখানে এখন সংযোগের সংখ্যা কোটি পেরিয়ে গেছে। ইন্টারনেট সেবা বিস্তৃত হয়ে মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।

কিন্তু বৈশ্বিক প্রযুক্তি অগ্রগতি-বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তা, জাতীয় ডাটা সার্বভৌমত্ব, ৫জি-৬জি ট্রানজিশন, ক্লাউড অবকাঠামো, আইওটি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগ-টেলিযোগাযোগ শাসনব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, আরও শক্তিশালী ও আরও পূর্বানুমানযোগ্য কাঠামোর দাবি করে। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ আইন ২০২৫ প্রণয়ন করা হয়, যা দেশের টেলিকম শাসনব্যবস্থাকে একটি নতুন মাত্রা দিয়েছে, তবে এই রূপান্তর নিয়ে প্রশ্ন ও উদ্বেগও তৈরি হয়েছে।

এই পরিবর্তনের কেন্দ্রে ছিল বিটিআরসি, যাকে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাজার নিয়ন্ত্রণ, লাইসেন্সিং, ট্যারিফ মূল্যায়ন, প্রতিযোগিতা নিশ্চিতকরণ, স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা এবং সেবা মান নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কমিশন সরকারের নীতি-নির্দেশনা এবং বাজার বাস্তবতার মাঝে একটি মধ্যবর্তী ও যুক্তিনির্ভর অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করেছে বহু বছর। যদিও বহুবার এর স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক উঠেছে, তথাপি সামগ্রিকভাবে বিটিআরসি একটি প্রযুক্তি-কেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যকর ছিল।

দেশের অভ্যন্তরে ডিজিটাল সেবা বিস্তৃত হওয়ার পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন বা বিটিআরসি। নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা মূলত নীতিমালা বাস্তবায়ন, ট্যারিফ নিয়ন্ত্রণ, বাজার প্রতিযোগিতা পর্যবেক্ষণ, লাইসেন্স প্রদান, সেবা মান নিশ্চিত করা এবং স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনা। এসব ক্ষেত্রেই বিটিআরসি দীর্ঘ সময় ধরে সরকারের নীতি নির্দেশনার বাইরে একটি নিরপেক্ষ, স্বাধীন এবং প্রযুক্তি-ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে এসেছে। যদিও পুরোপুরি স্বাধীনতার দাবি ওঠে মাঝে মধ্যেই, তবুও সামগ্রিকভাবে কমিশন ছিল সরকারের নীতি ও বাজারের বাস্তবতার মধ্যে একটি সমন্বয়ের জায়গা।

সময়ের পরিবর্তন এবং প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের কারণে নতুন আইন প্রণয়নের প্রয়োজন দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে নতুন টেলিযোগাযোগ আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ শাসনব্যবস্থাকে মৌলিকভাবে পরিবর্তন করছে। এই আইনকে কেন্দ্র করে খাতে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। একটি মধ্যম আয়ের দেশের টেলিযোগাযোগ আইন হিসেবে এটি কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা, স্বচ্ছতা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করবে কি না-সে প্রশ্নও উত্থাপিত হয়েছে।

নতুন আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো ‘জাতীয় গুরুত্বের লাইসেন্স’ ধারণা, যার অধীনে কোন কোন লাইসেন্স এই ক্যাটাগরিতে পড়বে, তা নির্ধারণ করবে সরকার এবং সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে বিটিআরসি। সরকার চাইলে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে এসব লাইসেন্সের সংখ্যা নির্ধারণ করবে এবং বিটিআরসিকে সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লাইসেন্স প্রদান বা স্থগিত করতে হবে। লাইসেন্স প্রদানে সরকারের এই সরাসরি নিয়ন্ত্রণ মূলত নিয়ন্ত্রকের প্রথাগত স্বাধীনতাকে সীমিত করে।

উন্নত ও উদীয়মান টেলিযোগাযোগ বাজারগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায়, সেখানে সরকার নীতি নির্ধারণ করে, কিন্তু লাইসেন্সিং ও বাজার মূল্যায়ন করে স্বাধীন সংস্থা। ভারতের ট্রাই, মালয়েশিয়ার এমসিএমসি, সিঙ্গাপুরের আইএমডিএ এবং যুক্তরাজ্যের অফকম-সব জায়গায়ই লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন, বাজার মূল্যায়ন ও প্রতিযোগিতা পর্যবেক্ষণ নিয়ন্ত্রক সংস্থার একচ্ছত্র দায়িত্ব। ফলে সরকারের নীতিমালার রাজনৈতিক চাপ নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রযুক্তিগত ও ব্যবসাবান্ধব সিদ্ধান্তগুলোকে প্রভাবিত করতে পারে না।

বৈশ্বিক অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, সিঙ্গাপুরের Infocom Media Development Authority (IMDA), দক্ষিণ কোরিয়ার Korea Communication Commission (KCC), থাইল্যান্ডের National Broadcasting and Telecommunications Commission (NBTC) কিংবা ভিয়েতনামের Ministry of Information and Communications (MIC)-সব জায়গাতেই বাজার-সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয় যাতে রাজনৈতিক প্রভাবহীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। সিঙ্গাপুরে লাইসেন্সিং সম্পূর্ণ বাজার বিশ্লেষণ, প্রতিযোগিতা অবস্থা এবং প্রযুক্তিগত মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে হয়; সরকারের ভূমিকা থাকে শুধু নীতি-নির্ধারণে। দক্ষিণ কোরিয়ায় লাইসেন্সিং ক্ষমতা নিয়ন্ত্রকের হাতে থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সরকার নীতি ঘোষণা করে, কিন্তু বাজার সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করে না। বাংলাদেশে এই কাঠামোটি উল্টো দিকে যাচ্ছে, যেখানে বাজার সিদ্ধান্তে সরকারের সরাসরি উপস্থিতি স্পষ্টতই বাড়ছে।

ট্যারিফ নির্ধারণের ক্ষেত্রেও নতুন আইনে দ্বৈত কাঠামো সৃষ্টি হয়েছে। অপারেটররা এখন মন্ত্রণালয়ে সরাসরি ট্যারিফ প্রস্তাব দিতে পারবে এবং মন্ত্রণালয় চাইলে সিদ্ধান্ত গ্রহণেও ভূমিকা রাখতে পারবে। অথচ প্রতিযোগিতামূলক বাজার অর্থনীতিতে ট্যারিফ মূল্যায়ন একটি অত্যন্ত প্রযুক্তিগত ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত। ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্যারিফ নির্ধারণ করা হয় ব্যয় কাঠামো, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, বাজার প্রতিযোগিতা এবং সাশ্রয়ী মূল্যের আন্তর্জাতিক তুলনার মাধ্যমে। সিঙ্গাপুরে অপারেটররা ট্যারিফ প্রস্তাব করে, কিন্তু নিয়ন্ত্রকই স্বাধীনভাবে মূল্যায়ন করে দেখে তা বাজার প্রতিযোগিতাকে প্রভাবিত করবে কি না। বাংলাদেশে ট্যারিফ সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক স্তরে চলে গেলে প্রতিযোগিতা-বান্ধব পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং অপারেটরদের স্বাধীন ব্যবসায়িক পরিকল্পনা অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে।

আরেকটি মৌলিক পরিবর্তন হলো বিটিআরসির প্রশাসনিক স্বাধীনতা হ্রাস। নিয়ন্ত্রকের কর্মী নিয়োগ, বদলি, ক্ষমতা প্রদান-সবকিছুর ওপর মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে নিয়ন্ত্রক সংস্থার স্বাধীনতা শুধু আইনগত বা আর্থিক স্বাধীনতা নয়; এটি প্রতিযোগিতামূলক বাজারের মৌলিক শর্ত। থাইল্যান্ডের NBTC তাদের নিজস্ব বাজেট পরিচালনা করে, নিজেদের কর্মী নিয়োগ দেয় এবং সরকার সরাসরি কোনো প্রশাসনিক প্রভাব বিস্তার করতে পারে না। সিঙ্গাপুরে IMDA-র পরিচালনায় সরকারের প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ নিষিদ্ধ, যাতে বাজার সিদ্ধান্ত সবসময় প্রযুক্তিগত ভিত্তিতে হয়। দক্ষিণ কোরিয়ায় KCC-র স্বাধীনতা এতটাই সুদৃঢ় যে দেশটি টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তিতে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষে উঠতে পেরেছে। বাংলাদেশে নতুন আইন প্রশাসনিক ক্ষমতা মন্ত্রণালয়ের হাতে সরিয়ে নিয়ন্ত্রককে কার্যত বাস্তবায়নকারী সংস্থায় পরিণত করছে, যা আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার ঠিক বিপরীত।

লাইসেন্স নবায়ন, বাতিলকরণ ও স্পেকট্রাম ব্যবস্থাপনায় সরকারের ভূমিকা আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে পূর্বানুমানযোগ্যতা কমে যাবে। স্পেকট্রাম একটি দেশের সবচেয়ে মূল্যবান পাবলিক রিসোর্সগুলোর একটি, যা সুষ্ঠু মূল্যায়ন ছাড়া বাজারের ক্ষতি করতে পারে। থাইল্যান্ডের 4G–5G স্পেকট্রাম নিলাম নিয়ন্ত্রক সংস্থা স্বাধীনভাবে পরিচালনা করেছে এবং সেজন্য তারা বিপুল বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। সিঙ্গাপুরে স্পেকট্রাম বরাদ্দ কঠোর প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি বাজার বিশ্লেষণের ভিত্তিতে হয়। ভিয়েতনাম সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্পেকট্রাম নীতিকে আরও স্বাধীন করেছে যাতে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সাথে সঙ্গতি থাকে। বাংলাদেশে নতুন কাঠামো রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে, যা অপারেটরদের অনিশ্চয়তায় ফেলবে এবং নতুন বিনিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে।

বাংলাদেশের মতো মধ্যম আয়ের একটি দেশের টেলিযোগাযোগ বাজারে এসব পরিবর্তনের প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। পুরোপুরি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ-নির্ভর বাজার কাঠামো বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করবে। স্পেকট্রাম নিলাম তখন আর বাজার-প্রতিযোগিতা বা প্রযুক্তিগত সক্ষমতার ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত হবে না; বরং সিদ্ধান্তসমূহ কতটা রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য-তার ওপর নির্ভর করতে পারে। ফলে বড় অপারেটররা রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে, আর নতুন অপারেটর বা ছোট উদ্যোক্তারা বাজারে প্রবেশ করতে নিরুৎসাহিত হবে।

দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তুলনায় বাংলাদেশে নিয়ন্ত্রক স্বাধীনতা তুলনামূলকভাবে কম। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইনে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও নিয়ন্ত্রকরা অধিকতর স্বাধীন। অন্যদিকে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা শক্তিশালী ও বাজার-বান্ধব। নতুন আইনে ইতিবাচক দিকও রয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা, সাইবার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় সমন্বয় আরও শক্তিশালী হয়েছে। সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়াতেও নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট ক্ষমতা সরকারের হাতে থাকে, তবে তা স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত এবং বাজার সিদ্ধান্ত থেকে পৃথক থাকে। বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ হলো নিরাপত্তার নামে বাজারে অতিরিক্ত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ যেন না হয়।

তবুও আইনটিতে ইতিবাচক কিছু উপাদান রয়েছে। যেমন জাতীয় নিরাপত্তা, সাইবার ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সুরক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়গুলো নতুন আইনে আরও শক্তিশালী হয়েছে। সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়ায়ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কিছু বিশেষ ক্ষমতা সরকারের হাতে থাকে, তবে সেগুলো সবসময় স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত এবং বাজার সিদ্ধান্ত থেকে পৃথক। বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ হলো এই দুই ধরনের ক্ষমতার সীমানা পরিষ্কার রাখা-নিরাপত্তার নামে বাজার সিদ্ধান্তে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ যেন না হয়।

নতুন আইনের সমালোচনার মূল জায়গা এখানেই। বাজার, উদ্ভাবন এবং প্রতিযোগিতার ভিত্তি যেসব দেশে শক্তিশালী, তারা সবাই-থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম-স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে শক্তিশালী করেছে, রাজনৈতিক প্রভাব কমিয়েছে এবং প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্তগুলোকে বিশেষজ্ঞদের হাতে রেখেছে। আর বাংলাদেশ নতুন আইনে সেই স্বাধীনতার জায়গাটি সংকুচিত করেছে। ভবিষ্যতের ৫জি–৬জি, ইন্টারনেট অব থিংস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডাটা সেন্টার ইন্ডাস্ট্রি, সাইবার ইন্সট্রুমেন্টেশন, স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড-এসব খাতে প্রবৃদ্ধি তখনই সম্ভব যখন বাজারে স্বচ্ছতা থাকবে, নিয়ন্ত্রক স্বাধীন থাকবে এবং বিনিয়োগকারী নিশ্চিত থাকবে যে প্রশাসনিক পরিবর্তনে নিয়মের ব্যাখ্যা বদলে যাবে না।

বাংলাদেশ যদি সিঙ্গাপুরের মতো দক্ষিণ এশিয়ার প্রযুক্তিকেন্দ্র হতে চায়, তবে বর্তমান আইনকে বাজারমুখী, স্বাধীন এবং প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল কাঠামোতে পরিণত করতেই হবে। ভিয়েতনাম দ্রুত এগোচ্ছে কারণ তাদের নীতিগত স্থিতিশীলতা এবং নিয়ন্ত্রক স্বাধীনতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াচ্ছে। থাইল্যান্ড শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজার তৈরি করে ৫জি রোল-আউটে আঞ্চলিক নেতৃত্ব দেখিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া প্রযুক্তিতে বিশ্বসেরা কারণ তারা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্তের মধ্যে সুস্পষ্ট বিভাজন রেখেছে। বাংলাদেশকেও সেই পথেই এগোতে হবে।

টেলিকম অ্যাক্ট ২০২৫-কে সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে প্রয়োজন হবে স্বচ্ছতা, জনপরামর্শ, ক্ষমতার সুস্পষ্ট বণ্টন এবং নিয়ন্ত্রকের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার। সরকারের নীতিগত ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না; জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণও অপরিহার্য। কিন্তু বাজার পরিচালনার দায়িত্ব প্রযুক্তিগত সক্ষম প্রতিষ্ঠান বিটিআরসির হাতে রাখতে হবে। রাজনৈতিক প্রভাব থেকে বাজার সিদ্ধান্ত মুক্ত না হলে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতি কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারবে না।

বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশের পথে অগ্রসর হচ্ছে, যার জন্য একটি স্বাধীন, শক্তিশালী এবং বিনিয়োগবান্ধব টেলিযোগাযোগ শাসন কাঠামো অপরিহার্য। নতুন আইনে ইতিবাচক পরিবর্তন থাকলেও বাজার-স্বাধীনতা ও নিয়ন্ত্রক-ক্ষমতা সীমিত হওয়ার ঝুঁকি টেলিযোগাযোগ খাতকে দীর্ঘমেয়াদে দুর্বল করতে পারে। সঠিক সময়েই আইনটি আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পরিমার্জন করা গেলে, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার শক্তিশালী ডিজিটাল অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে; অন্যথায় টেলিযোগাযোগ খাত তার সম্ভাবনার অনেকটাই হারাতে পারে। আর এজন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা, স্বচ্ছ সংস্কার মানসিকতা এবং প্রযুক্তিগতভাবে শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক কাঠামো-যা বাংলাদেশকে আগামী দশকের ডিজিটাল প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার পাশাপাশি স্মার্ট প্রতিযোগিতা রুপান্তর করতে সহায়তা করবে।

লেখক : অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও কলামিস্ট

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
তারেক রহমান বারবার ছুটে গেছেন সাধারণ মানুষের দুয়ারে
তারেক রহমান বারবার ছুটে গেছেন সাধারণ মানুষের দুয়ারে
জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় খালেদা জিয়ার অবদান
জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় খালেদা জিয়ার অবদান
সর্বশেষ খবর
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

৬ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু
গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার
নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা
নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ
আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন
রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার
মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা
গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক
গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!
গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে
বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদারীপুরে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান শিকদারের জীবনীগ্রন্থ প্রকাশ
মাদারীপুরে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নান শিকদারের জীবনীগ্রন্থ প্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাঘের শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন
মাঘের শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চবির ‘এ’ ইউনিটের ফল পুনরায় যাচাই, বদলাতে পারে মেধাক্রম
চবির ‘এ’ ইউনিটের ফল পুনরায় যাচাই, বদলাতে পারে মেধাক্রম

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বিশ্বনাথে শিম ক্ষেতে মিললো নারীর লাশ
বিশ্বনাথে শিম ক্ষেতে মিললো নারীর লাশ

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

সাবেক প্রোটিয়া অলরাউন্ডারকে নিয়ে ইতালির বিশ্বকাপ দল ঘোষণা
সাবেক প্রোটিয়া অলরাউন্ডারকে নিয়ে ইতালির বিশ্বকাপ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেব্রুয়ারিতেই নাসার নতুন চন্দ্র মিশন, যাচ্ছে মানুষও?
ফেব্রুয়ারিতেই নাসার নতুন চন্দ্র মিশন, যাচ্ছে মানুষও?

৩ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

সপ্তমবারের মতো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট মুসেভেনি
সপ্তমবারের মতো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট মুসেভেনি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরান ঢাকায় জুতার কারখানায় আগুন, আধা ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে
পুরান ঢাকায় জুতার কারখানায় আগুন, আধা ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রধান উপদেষ্টাকে বিএনপি চেয়ারম‍্যান ও তার পরিবারের ফুলেল শুভেচ্ছা
প্রধান উপদেষ্টাকে বিএনপি চেয়ারম‍্যান ও তার পরিবারের ফুলেল শুভেচ্ছা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত
জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার
বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি
ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

দেশগ্রাম

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক
খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক

নগর জীবন

স্বতঃস্ফূর্ত সংসদ নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ মাদক চাঁদাবাজি আধিপত্য দ্বন্দ্ব
স্বতঃস্ফূর্ত সংসদ নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ মাদক চাঁদাবাজি আধিপত্য দ্বন্দ্ব

খবর

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩

নগর জীবন

এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া
এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া

নগর জীবন

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারও মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারও মানুষ

দেশগ্রাম

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ
শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ

দেশগ্রাম

পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ
পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

নগর জীবন

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আমাদের আগামীর চালিকাশক্তি
খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আমাদের আগামীর চালিকাশক্তি

নগর জীবন

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

বাংলাদেশ-ভারতের বৃষ্টিভেজা লড়াই
বাংলাদেশ-ভারতের বৃষ্টিভেজা লড়াই

মাঠে ময়দানে

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম
সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম

দেশগ্রাম

একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি
একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি

নগর জীবন

শিশু ধর্ষণ-হত্যা প্রতিবাদে থানা ঘেরাও
শিশু ধর্ষণ-হত্যা প্রতিবাদে থানা ঘেরাও

দেশগ্রাম

‘হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জনতার কাফেলা’
‘হ্যাঁ ভোটের পক্ষে জনতার কাফেলা’

নগর জীবন

নারীকে বাদ দিয়ে দেশে গণতন্ত্র হবে না
নারীকে বাদ দিয়ে দেশে গণতন্ত্র হবে না

নগর জীবন