শিরোনাম
প্রকাশ: ০৮:২৯, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা

নিষ্ঠুর বাস্তবতা হচ্ছে, বিপ্লব-পরবর্তী দেড় বছরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বা আগে পরিস্থিতির ওপর যে ধরনের পর্যালোচনা বা অনুধাবনের প্রয়োজন ছিল, সেখানে বেশ ঘাটতি
মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
প্রার্থীদের জীবনঝুঁকি, নাশকতার বিস্তার : সরকারের অগ্নিপরীক্ষা

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে পেটে গুলিবিদ্ধ হওয়ার দুই মাস পর সুস্থ হয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় ফিরেছেন সেখানকার বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ। পরিবার ও স্বজনদের তীব্র আপত্তি তাঁর নির্বাচনের মাঠে থাকা নিয়ে। এরশাদ উল্লাহকে হারানোর মারাত্মক ভয় ভর করেছে তাদের ওপর।

উদ্বেগের তালিকায় তফসিল ঘোষণার এক দিন পর যোগ হলেন খোদ রাজধানীতে মাথায় গুলিবিদ্ধ শরিফ ওসমান হাদি। এখনো হামলা বা গুলির শিকার না হওয়া প্রার্থীদের জন্যও পরিবেশটা আতঙ্কের। নির্বাচনপূর্ব সময়ে বরাবরই কিছু বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বাংলাদেশ পরিচিত। এবারের আলামত আরেকটু নাজুক। নাশকতামূলক এমন তৎপরতা কঠোর হাতে দমনের বিকল্প নেই। সেই কঠিন পরীক্ষায় দেশ, সরকার।

এ পরীক্ষার মাঝেই যোগ হয়েছে কোনো ঘটনায় তাৎক্ষণিক কাউকে দোষারোপ বা দোষী সাব্যস্ত করে মববাজি। এক সাংবাদিককে হাদির খুনি আখ্যায়িত করে পিটুনি, এক প্রার্থীর দিকে আঙুল তুলে স্লোগান বা অপদস্থ করার চেষ্টা প্রকৃত দোষীদের জন্য সুবিধাজনক। ফ্যাসিবাদীদের জন্য তা লাভজনক।

আলামত বলছে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, তাদের অরাজকতা তত বাড়বে। বরং এরশাদ উল্লাহ ও হাদির ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়ার বিষয় রয়েছে। চট্টগ্রাম-ঢাকায় এই দুই ঘটনায়ই স্পষ্ট দুর্বৃত্তরা প্রার্থীদের ঘিরে ফেলছে কোনো না কোনোভাবে। থাকছে ধারেকাছেই। মানে টার্গেটে এগোচ্ছে।

আর টার্গেট কিলিং ঠেকানো অনেকটাই অসাধ্য। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাও দিন কয়েক আগে বলেছেন, তা রোখার ম্যাজিক সরকারের হাতে নেই। অন-অফ করার সুইচ নেই। এমপি প্রার্থীরা টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হতে পারেন বলে প্রকাশ্যেই অভিযোগসহ শঙ্কা রয়েছে। তা গণমাধ্যমে আসছে, কয়েকজন উপদেষ্টাকে জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে চিঠিও দেওয়া হয়েছে।

 

নিষ্ঠুর বাস্তবতা হচ্ছে, বিপ্লব-পরবর্তী দেড় বছরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত দৃশ্যমান উন্নতি হয়নি। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বা আগে পরিস্থিতির ওপর যে ধরনের পর্যালোচনা বা অনুধাবনের প্রয়োজন ছিল, সেখানে বেশ ঘাটতি। হারানো বা খোয়া যাওয়া বিপুলসংখ্যক অস্ত্র উদ্ধার করা যায়নি। তার ওপর নাশকতা, লাশ ফেলাসহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রত্যক্ষ উসকানি চলছে নিয়মিত। তাই বলে নির্বাচন পেছানোর চিন্তাও করা যাবে না। নির্বাচন হবেই। এই পরীক্ষায় সরকারকে, দেশকে জিততেই হবে। নির্বাচন ছাড়া কোনোভাবেই পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে না। নির্বাচনই একমাত্র পন্থা, যার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রূপান্তরের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব। সব শ্রেণির মানুষ অপেক্ষমাণ একটি নির্বাচনের জন্য। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য-বিনিয়োগ কেবল স্বাভাবিক নয়, সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য। নির্বাচন কমিশন ও সরকারের দিক থেকে নির্বাচন সুষ্ঠু-শান্তিপূর্ণভাবে করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা স্পষ্ট হলে দুর্বৃত্তরা পালিয়েও বাঁচবে না। পরিস্থিতির ওপর সঠিক নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার লক্ষণ নির্মূল করার সাঁড়াশি পদক্ষেপ দৃশ্যমান হতে হবে। হেদায়েত, পিঠ মোছা দেওয়া আহবান আর নয়, দরকার অ্যাকশন। সুস্থ রাজনীতি করার মানসিকতাসম্পন্ন অনেক লোক দেশে আছেন। সেই পরিবেশ দেখলে তাঁরা সাহসী হবেন। দেশে ব্যবসা-বিনিয়োগের অনেক সুযোগও আছে। এ জন্য সামর্থ্যবান ও উপযুক্ত ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারীও আছেন। কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিপুলসংখ্যক তরুণ রয়েছেন। তাঁদের আস্থা-ভরসা দেওয়ার স্টিয়ারিংয়ে সরকার। সরকারকেই দিতে হবে সেই কাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির নিশ্চয়তা। সেখানে ঘাটতি-কমতির সুযোগটা নিচ্ছে নাশকতাকারীরা। তারা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দিচ্ছে নাশকতার জাল। ঘটাচ্ছে নানা নাশকতা। নির্বাচন সামনে রেখে তারা আরো তেজোদীপ্ত। সাধারণ মানুষ, দোকানদার, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে নির্বাচনের প্রার্থীরাও এখন তাদের শিকার হচ্ছেন। প্রার্থীদের পেটে-মাথায় গুলি মারছে। নির্বাচন অফিসেও আগুন দিচ্ছে। আগুন ধরিয়ে দিয়েছে লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে। নির্বাচনের পূর্ববর্তী সময়ে এটি কত বড় নাশকতা, ভাবা যায়? চট্টগ্রামে জনসংযোগকালে এরশাদ উল্লাহকে টার্গেট করে গুলি ছোড়া হয়েছে। ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশায় বসা শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে মোটরসাইকেলে কিভাবে অবলীলায় চলে যায়—ভিডিও ফুটেজে তা দেখা গেছে।

বিভিন্ন মহলের উদ্বেগের মাঝে কয়েক উপদেষ্টাসহ সরকারের নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ জোর দিয়ে বলেছিলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সব ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে নিঃসংকোচে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য দেশবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তিনি নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরির ওপরও জোর দিয়েছেন। বাস্তবে তা হয়নি। হয়ে চলছে উল্টো ঘটনা। এসব ঘটনাকে সাধারণ বা বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই। এসব ঘটনা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি অশনিসংকেত। অন্তর্বর্তী সরকারও এসব ঘটনাকে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার একটা চেষ্টা হিসেবে দেখছে। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বিবৃতির ভাষা পরিষ্কার—তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের সহিংসতা বরদাশত করা হবে না।’

মানুষ তো তা-ই চায়। সেই অপেক্ষাই করছে। হাতে গোনা কিছু ছাড়া দেশের সব মানুষই চায় সরকার আর বরদাশত না করুক, অ্যাকশনে নামুক। প্রধান উপদেষ্টার বিবৃতিদৃষ্টে এখন চাই পদক্ষেপ। নিশ্চয় পদক্ষেপ নিতে সরকারকে কেউ ‘না’ করেনি। বরং দেশের ছাত্র-জনতা সেই সমর্থন কবেই দিয়ে রেখেছে এ সরকারকে। ‘আমরা কোনো অবস্থাতেই এই ধরনের ষড়যন্ত্রকে সফল হতে দিব না। আঘাত যাই আসুক, যত ঝড়-তুফান আসুক, কোনো শক্তিই আগামী নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না।’—শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. ইউনূসের এ ঘোষণার বাস্তবায়ন হোক। তিনি নিজেই তা নিজের ওপর ফরজ করে দিয়েছেন। নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনবিরোধী শক্তি অরাজকতা করবে, নাশকতা করবে—সেটা ধারণার বাইরে নয়, বরং স্বাভাবিক। তা বিবেচনায় রেখেই পদক্ষেপ নিতে হবে। নইলে ইতিহাসের সেরা ও স্মরণীয় নির্বাচন করা দূরে থাক, মোটামুটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করাও কঠিন হবে।

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট

ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন

বিডি প্রতিদিন/নাজিম

এই বিভাগের আরও খবর
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
সর্বশেষ খবর
গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ এরদোয়ান ও সিসিকে চান ট্রাম্প
গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ এরদোয়ান ও সিসিকে চান ট্রাম্প

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি
রাজধানী ঢাকায় আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

১০ মিনিট আগে | নগর জীবন

‘যে কাউকে হারানোর বিশ্বাস আমার আছে’
‘যে কাউকে হারানোর বিশ্বাস আমার আছে’

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি
দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি

১৫ মিনিট আগে | অর্থনীতি

বিক্ষোভে ‘হাজার হাজার’ নিহতের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি
বিক্ষোভে ‘হাজার হাজার’ নিহতের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: খামেনি

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাদেরসহ ৭ আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি আজ
কাদেরসহ ৭ আসামির মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি আজ

২৭ মিনিট আগে | জাতীয়

ডেমরায় লেগুনার ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত
ডেমরায় লেগুনার ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত

৩৩ মিনিট আগে | নগর জীবন

বৈশ্বিক ইন্টারনেট ছাড়ছে ইরান, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ও মেসেজিং অ্যাপ চালুর উদ্যোগ
বৈশ্বিক ইন্টারনেট ছাড়ছে ইরান, নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন ও মেসেজিং অ্যাপ চালুর উদ্যোগ

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে আজ

৫২ মিনিট আগে | জাতীয়

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম
আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের
গাজায় ‘শান্তি পর্ষদে’ যোগ দিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খালি পেটে খেজুর ভেজানো পানি পানের উপকারিতা জেনে নিন
খালি পেটে খেজুর ভেজানো পানি পানের উপকারিতা জেনে নিন

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

লাভজনক ম্যানচেস্টার রুট স্থগিতে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা
লাভজনক ম্যানচেস্টার রুট স্থগিতে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধি দল
শান্তি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রে ইউক্রেনীয় প্রতিনিধি দল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকতে পারে
ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকতে পারে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের শেষ দিনের শুনানি আজ
প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলের শেষ দিনের শুনানি আজ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আর্জেন্টাইন তারকাকে দলে ভেড়াতে চায় বার্সেলোনা
আর্জেন্টাইন তারকাকে দলে ভেড়াতে চায় বার্সেলোনা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আজ টিভিতে যা দেখবেন
আজ টিভিতে যা দেখবেন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৮ জানুয়ারি)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মনুষ্যজাতির অপার শক্তি ও গুরুদায়িত্ব
মনুষ্যজাতির অপার শক্তি ও গুরুদায়িত্ব

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন
বন্ডেড সুবিধা সহজ করা প্রয়োজন

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

বিশ্বকাপ দলে না থাকা প্রসঙ্গে নাহিদ বললেন ‌‘সুযোগ এলে প্রমাণ করব’
বিশ্বকাপ দলে না থাকা প্রসঙ্গে নাহিদ বললেন ‌‘সুযোগ এলে প্রমাণ করব’

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘সুন্দরী নন’ বলে সিনেমা হাতছাড়া হয় অস্কারজয়ী অভিনেত্রীর
‘সুন্দরী নন’ বলে সিনেমা হাতছাড়া হয় অস্কারজয়ী অভিনেত্রীর

৪ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

যাত্রাবাড়ীতে দ্রুতগতির ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথশিশুর
যাত্রাবাড়ীতে দ্রুতগতির ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথশিশুর

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের
২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা
ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা

৭ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

অতীতের মতো কালো রাজনীতির পরিবেশ দেখতে চাই না: নুর
অতীতের মতো কালো রাজনীতির পরিবেশ দেখতে চাই না: নুর

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সর্বাধিক পঠিত
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

১৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর ট্রাম্পের শুল্কারোপ, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের
২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি
টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

১৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও
দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও

পেছনের পৃষ্ঠা

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও বাংলা চ্যানেল চ্যাম্পিয়ন সাইফুল
আবারও বাংলা চ্যানেল চ্যাম্পিয়ন সাইফুল

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধরেনি বিএনপি
কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধরেনি বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

৪৭ বছর পর ঘরোয়া লিগে পাকিস্তানের ফুটবলার
৪৭ বছর পর ঘরোয়া লিগে পাকিস্তানের ফুটবলার

মাঠে ময়দানে

আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা
আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা

পেছনের পৃষ্ঠা

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

শীর্ষ তারকাদের সন্তানরা কেন চলচ্চিত্রে নেই
শীর্ষ তারকাদের সন্তানরা কেন চলচ্চিত্রে নেই

শোবিজ

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

প্রথম পৃষ্ঠা

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

দেড় দশকে বিপুল অর্থ পাচার লুটপাট
দেড় দশকে বিপুল অর্থ পাচার লুটপাট

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি
দেশের বাজারে নতুন মডেলের দুই গাড়ি

পেছনের পৃষ্ঠা

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

দেশগ্রাম

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম
সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম

দেশগ্রাম