শিরোনাম
প্রকাশ: ০৯:৩২, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে

ড. সুলতান মাহমুদ রানা
অনলাইন ভার্সন
আসন্ন নির্বাচনে বিতর্ক এড়াতে হবে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আমাদের দোরগোড়ায়। সাধারণত প্রতিটি নির্বাচনের আগেই যেমন উত্তেজনা, প্রত্যাশা আর রাজনৈতিক অস্থিরতার ছায়া ছড়িয়ে থাকে, এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে এবার পরিস্থিতি আগের অনেক নির্বাচনের তুলনায় বেশি জটিল এবং অনেক বেশি প্রক্রিয়াগতভাবে সংকটময়। কেননা এবার একসঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

একই দিনে দুই ধরনের ভোটগ্রহণ- এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একেবারে অনন্য ঘটনা। ফলে সব পক্ষের হিসাব-নিকাশ নতুনভাবে করতে হচ্ছে, আর নির্বাচন কমিশনকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে দ্বিগুণ দায়িত্ব। কয়েক সপ্তাহ ধরে নির্বাচন কমিশনের ভেতরে যে ব্যস্ততা চলছে, তা সংবাদমাধ্যমে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে ভোটকেন্দ্র চিহ্নিতকরণ, ভোটকক্ষ বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় উপকরণ মুদ্রণ, মনোনয়নপত্র প্রস্তুত, প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা এবং আইনগত অন্যান্য কাজ- সব মিলিয়ে কমিশন এক ধরনের চাপের মধ্যে রয়েছে।

ভোট ও গণভোট একসঙ্গে হওয়ার কারণে মক ভোটিংয়ে ভোটদাতাদের মধ্যে যে সময়ক্ষেপণ দেখা গেছে, সেই সংকটের ভিত্তিতে কমিশন কক্ষ বাড়ানোর পরিকল্পনায় যাচ্ছে। গড় ভোটারের ভোট দিতে সময় বাড়বে, প্রতি কেন্দ্রের চাপও বাড়বে। তাই ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানো পর্যন্ত ভাবা হচ্ছে। কোনো নির্বাচনেই লজিস্টিক প্রস্তুতি ছোট বিষয় নয়, আর যখন একসঙ্গে দুটি প্রক্রিয়া চালানো হবে, তখন তার চাপে পুরো প্রশাসনিক কাঠামোকেই সতর্ক থাকতে হবে।

অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর তৎপরতাও বাড়তে শুরু করেছে। কিন্তু এই তৎপরতা পুরোপুরি নির্বাচনী উদ্দীপনার মতো নয়, বরং উদ্বেগ, অস্থিরতা, জোট-আলোচনা, আসনবণ্টন এবং কৌশলগত দ্বন্দ্বের সঙ্গে মিশে আছে। বিএনপি এখনো জোট অংশীদারদের সঙ্গে আসনবণ্টন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছেনি, যদিও তারা ঘোষণা দিয়েছে দ্রুতই সমাধান হবে। জোটের রাজনীতিতে আসনবণ্টন কখনোই সরল সমীকরণ নয়, বরং তা প্রতিটি দলের মাঠভিত্তিক শক্তি, ভোটের সম্ভাব্যতা এবং রাজনৈতিক ছাড়- এই সবকিছুর ওপর নির্ভর করে। ফলে নেতাদের মধ্যকার আলোচনা যেমন দীর্ঘ হচ্ছে, তেমনি মাঠের রাজনীতিতে কর্মীদের মধ্যেও স্বস্তি আসছে না।

একই সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে আরপিও বা Representation of the People Order সংশোধনের বিষয়ে আলোচনাও সামনে এসেছে। আরপিও সংশোধনের ইঙ্গিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আবার নতুন সন্দেহ ও নতুন আশঙ্কা তৈরি করেছে। রাজনৈতিক দলগুলো ভাবছে, নির্বাচন আইন পরিবর্তন করা হলে তার প্রভাব কী হতে পারে, তা কমিশন যা-ই দাবি করুক না কেন, রাজনৈতিক বাস্তবতায় তা সহজে উপেক্ষিত হয় না। বিশেষ করে যখন দেশের রাজনীতিতে আস্থাহীনতা একটি দীর্ঘস্থায়ী বাস্তবতা।

এদিকে বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের নেতারা অভিযোগ তুলেছেন যে এখনো ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি হয়নি। তাঁরা মনে করেন, মাঠের সমীকরণ বা প্রতিযোগিতার সুযোগ-সুবিধা এখনো সমান নয়। এ ধরনের দাবি এবং বক্তব্য কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নয়, বরং সামগ্রিকভাবে রাজনীতিতে যে আস্থাহীনতা রয়েছে, তারই প্রতিফলন। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের অভিযোগ আরো বাড়তে পারে, যদি না কমিশন ও প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে নির্বাচনপ্রক্রিয়াকে রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারে।

এবারের নির্বাচনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো গণভোট। এই গণভোটের প্রশ্নটিই আসলে পুরো রাজনৈতিক পরিবেশকে আরো জটিল করেছে। ভোটারদের জন্য এটি হবে দ্বৈত দায়িত্ব, আর প্রশাসনের জন্য দ্বৈত দায়বদ্ধতা। গণভোটের ব্যালট ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে গোপন কক্ষে ভোট দেওয়ার সময়, ব্যালট গণনা, ফলাফল প্রক্রিয়া- সবকিছুতেই বাড়তি সময় ও বাড়তি কর্মীর প্রয়োজন হবে। এর সঙ্গে যোগ হবে শীতকালীন সকাল, নির্বাচনী কেন্দ্রে ভিড়, সম্ভাব্য পরিবহনজট, যোগাযোগ সীমাবদ্ধতা- এসব বাস্তবতা ভোটগ্রহণকে কঠিন করে তুলতে পারে।

শুধু তা-ই নয়, ভোটারদের মনস্তত্ত্বও এ সময়ে ভিন্নভাবে কাজ করবে। সাধারণ নির্বাচনের ভোটার আচরণ অনেকটাই দলীয় প্রতীক ও প্রচারণার ওপর নির্ভর করলেও গণভোটে ভোটারদের ভাবতে হয় আলাদা যুক্তিতে। কিন্তু দেশের ভোটারদের বড় অংশ গণভোটের অভিজ্ঞতায় অভ্যস্ত নয়। ফলে ভোট বুঝতে ভুল হওয়া, ব্যালট বাতিল হওয়া- এসবও বাড়তে পারে। কমিশনকেই তাই সচেতনতা ও ব্যাখ্যা প্রচারে আরো বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

নির্বাচন ঘনিয়ে এলেই বাংলাদেশে রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পায় বা পাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তথ্যবিভ্রান্তি, গুজব, অনুমান ও অপপ্রচার- সবকিছুই পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তোলে। বিশেষ করে তফসিল ঘোষণা, ভোটের ধরন, আইন ও নিয়মের পরিবর্তন- এসব বিষয়ে ভুল তথ্য ছড়ানো হলে মাঠ পর্যায়ে বিভ্রান্তি তীব্র হতে পারে। নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে ভুল তারিখ প্রচার নিয়ে সতর্ক করেছে, যা দেখাচ্ছে যে তথ্য বিকৃতি এখনই শুরু হয়ে গেছে।

তার পরও সম্ভাবনার জায়গা ছোট নয়। এবারকার নির্বাচন প্রবাসী ভোটারদের জন্য একটি নতুন সুযোগ নিয়ে আসছে। পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে দেশ থেকে দূরে থাকা লাখো মানুষ প্রথমবারের মতো প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পাবে, যার রাজনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব বিশাল। অন্যদিকে পুরনো ‘বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়’ নির্বাচিত হওয়ার পথ বন্ধ হওয়ায় প্রতিটি আসনে প্রতিযোগিতা থাকবে, যা নির্বাচনী বৈধতা বাড়াতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি অংশগ্রহণ বাড়ছে নারীদের, তরুণদের, প্রথমবার ভোটারদের, যা ভোটের চিত্রকেই আলাদা করে দিতে পারে।

সামগ্রিকভাবে আসন্ন নির্বাচনটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে দেশকে। এই নির্বাচন কি নতুন আস্থার জন্ম দেবে, নাকি আরো একটি বিতর্কের অধ্যায় তৈরি করবে, তা এখনো বলা কঠিন। তবে রাজনীতির মাঠে যে সন্দেহ, অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ- এসব যত বাড়বে, কমিশনের দায়িত্বও তত বাড়বে। কারণ জনগণের আস্থা ছাড়া কোনো নির্বাচনই কার্যকর হয় না। এক অর্থে সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ‘বিশ্বাস’। রাজনৈতিক দল, ভোটার, প্রশাসন ও নির্বাচনী কর্তৃপক্ষ- এই চার পক্ষের পারস্পরিক বিশ্বাসই নির্ধারণ করবে নির্বাচন কতটা গ্রহণযোগ্য হবে। তাই নির্বাচনী প্রস্তুতিতে যত দৃশ্যমান আলোই দেখা যাক না কেন, এই আলোর ছায়ায় যে শঙ্কাগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে, সেগুলো এড়ানো যাবে না, বরং সেগুলোকে সামনে রেখেই বাংলাদেশকে এগোতে হবে আরো স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দিকে।

তবে নির্বাচনকে অর্থবহ করতে হলে সব পক্ষকে একই মানসিকতা নিয়ে এগোতে হবে। এমনকি রাজনৈতিক দল ও সরকার উভয় পক্ষকে ছাড় দেওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ভোটাররা যাতে কোনো ভয় বা চাপ ছাড়াই ভোট দিতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করা। অন্যথায় আগামী নির্বাচন হতে পারে আরেকটি বিতর্কিত রাজনৈতিক অধ্যায়।

লেখক : অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ
 

এই বিভাগের আরও খবর
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
প্রবাস আয় বাড়াতে প্রয়োজন দক্ষ কর্মী প্রেরণ
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
সর্বশেষ খবর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্কারোপ ট্রাম্পের, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর
ইউরোপের ৮ দেশের ওপর শুল্কারোপ ট্রাম্পের, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের
২২ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু বাংলাদেশের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা
ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে সংবর্ধনা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

অতীতের মতো কালো রাজনীতির পরিবেশ দেখতে চাই না: নুর
অতীতের মতো কালো রাজনীতির পরিবেশ দেখতে চাই না: নুর

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ইসরায়েল
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ইসরায়েল

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় অনন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া
চুয়াডাঙ্গায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

শেষবিদায়ের নামাজ
শেষবিদায়ের নামাজ

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা
মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত নাটকীয়তা

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু
গোপালগ‌ঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দা‌দি-না‌তিসহ ৩ জ‌নের মৃত্যু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১
কুষ্টিয়ায় পিকআপ-নছিমন মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প
খামেনি পতনের ডাক দিলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার
নির্বাচনী প্রচারণার কর্মী হওয়ার আহ্বান মনীষার

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
আগামী তিন দিন যেসব এলাকায় প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন
ইসিতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানিতে মঞ্জুর হলো ৪৫ আবেদন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা
নজিরবিহীন ফ্লাইট বিপর্যয়, ইন্ডিগোকে ২২ কোটি রুপি জরিমানা

৪ ঘণ্টা আগে | এভিয়েশন

শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
শীর্ষে থেকেই লিগ পর্ব শেষ করল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী
বসুন্ধরা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ : ছবি আঁকা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেল ১৪৩ শিক্ষার্থী

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
জাপার কেন্দ্রীয় নেতাসহ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ
আচরণবিধি লঙ্ঘন: পাবনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন
রাজধানীতে ব্যতিক্রমী ফ্লাওয়ার শো আয়োজন

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়
ম্যানচেস্টার ডার্বিতে ইউনাইটেডের জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার
মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘বোমা কাল্লু’ গ্রেফতার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা
গাজা যুদ্ধের বীভৎসতায় 'পাগল' হয়ে যাচ্ছে বহু ইসরায়েলি সেনা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক
গোপালগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী আটক

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’

৫ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!
গ্রোকের বিরুদ্ধে 'যৌন হয়রানি'র মামলা করেছেন মাস্কের সন্তানের মা!

৫ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ বাড়িয়েছে সরকার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে
বিএনপির দুই নেতাকে কুপিয়ে জখম মামলায় জামায়াত নেতা কারাগারে

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প
ইরানকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা
তেহরানে পৌঁছার আগেই ধরা পড়ে বিপুল অস্ত্র, ভেস্তে যায় ইসরায়েলের পরিকল্পনা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত
জরুরি বৈঠকে বসেছে জামায়াত

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট
৪০ রান তাড়ায় ৩৭ রানে অলআউট

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার
বিগ ব্যাশে ইতিহাস গড়লেন ডেভিড ওয়ার্নার

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে ঝিনাইদহে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা
বাংলাদেশের ভিসা পাননি আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল
বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা
দল এখন সকাল-বিকাল ফোন করে বলে ‘আসুন মন্ত্রিত্ব দেবো’: রুমিন ফারহানা

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত
শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলনের জন্য অপেক্ষা করবে ১০ দল: জামায়াত

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে এনসিপি

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'
'এটা তো অঙ্ক না যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবারা মৃত!'

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি
ভাইবোনদের বঞ্চিত করতে লতিফুর কন্যা সিমিনের ভয়াবহ জালিয়াতি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি
সৌদিতে মিলল বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার, মজুদ বাড়ল দুই লাখ কেজির বেশি

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?
এ মাসে কি আর শৈত্যপ্রবাহ হবে?

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত
কর্নেল অলির বিরুদ্ধে মামলা, যা বলল জামায়াত

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা
ভারতে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ, অন্য গ্রুপে রাখার আলোচনা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা
সায়েন্সল্যাবে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন করে গণজমায়েতের ঘোষণা

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত
বাকি ৪৭ আসনের বিষয়ে যা জানাল জামায়াত

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার
টসের পর হাত মেলালেন না বাংলাদেশ-ভারতের ক্রিকেটার

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে
হেলিকপ্টারে তুলে নেওয়া হলো উগান্ডার প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম
যিনি ব্যাট করবেন তিনি ফিল্ডিং করবেন না, আসছে নতুন নিয়ম

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি
দোহায় মার্কিন বিমানঘাঁটির সেনাদের অবস্থান নিশ্চিত করেছে আইআরজিসি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?
শীতে কাঁপুনি কমছে, তবে কি শেষ শৈত্যপ্রবাহ?

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প
ইরান ভেনেজুয়েলা নয়, যে সহজে জিতবে ট্রাম্প

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প
'আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছি', ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ
বিশ্বকাপে ইরান না খেললে সুযোগ পেতে পারে যে দেশ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি
টসে ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো অনিচ্ছাকৃত: বিসিবি

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী
প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি
ট্রাম্পকে মাচাদোর নোবেল দেওয়া নিয়ে যা বলল নরওয়ের কমিটি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ
অস্বীকার করল গণহত্যার অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার
এখান থেকে বের হতে পারবেন না স্যার

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?
আইসিইউতে শিক্ষা, বাঁচাবে কে?

প্রথম পৃষ্ঠা

চিহ্নিত ২৩৮ শুটার
চিহ্নিত ২৩৮ শুটার

প্রথম পৃষ্ঠা

সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না
সিসিইউতে মাহমুদুর রহমান মান্না

নগর জীবন

ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে
ভোট দিয়ে জনগণ কবে কী পেয়েছে

সম্পাদকীয়

বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা
বিশ্ব সুন্নি আন্দোলনের সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

খবর

সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা
সৌদির খনি থেকে উঠল ২২১ টন সোনা

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে
যেভাবে বিদ্রোহের আগুন ইরানে

রকমারি

আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা
আইন সংশোধনে ব্যাংক মালিকদের বিরোধিতা

পেছনের পৃষ্ঠা

ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা
ভিপি নুরের আসনে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

পেছনের পৃষ্ঠা

সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি
সংবাদকর্মীদের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরি

প্রথম পৃষ্ঠা

রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ
রাস্তায় বেড়া, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

দেশগ্রাম

যাচাই না করেই শোকজ নোটিস
যাচাই না করেই শোকজ নোটিস

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি
ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বিসিবি

প্রথম পৃষ্ঠা

দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও
দেড় বছরে নেই কোনো আইপিও

পেছনের পৃষ্ঠা

অতিথি সামিনা চৌধুরী
অতিথি সামিনা চৌধুরী

শোবিজ

ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি
ময়লার ভাগাড়ে বেড়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

দেশগ্রাম

হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা
হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা

নগর জীবন

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, আটক ৩

নগর জীবন

দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না
দ্বৈত নাগরিকদের ভোট করতে দেওয়া হবে না

নগর জীবন

সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম
সাবেক ইউপি সদস্য হত্যা, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম

দেশগ্রাম

১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
১০ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

দেশগ্রাম

আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল
আলিফ আতর কোম্পানির সিওও ইব্রাহিম খলিল

নগর জীবন

খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক
খালেদা জিয়া প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক

নগর জীবন

শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ
শিম খেতে বৃদ্ধার লাশ

দেশগ্রাম

এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া
এক দিনের জন্যও আপস করেননি খালেদা জিয়া

নগর জীবন

পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ
পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ

নগর জীবন

একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি
একাত্তরে দেশ স্বাধীন হলেও সুফল পাওয়া যায়নি

নগর জীবন