শিরোনাম
প্রকাশ: ২২:১০, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা

এ এইচ এম ফারুক
অনলাইন ভার্সন
চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন : দক্ষতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফলাইন এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রধানতম প্রবেশদ্বার। দেশের আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই এই বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তবে এই বন্দরের আধুনিকায়ন এবং পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি অপারেটরের হাতে দেওয়া নিয়ে বর্তমানে দেশজুড়ে এক গভীর বিতর্ক চলছে। একদিকে যেমন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে দ্রুত আধুনিকায়ন জরুরি, অন্যদিকে তেমনি জাতীয় সার্বভৌমত্ব হারানোর আশঙ্কা থেকে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আন্দোলন ও অস্থিরতা।

এই প্রবন্ধে দেশের অর্থনীতির স্বার্থে চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়নের অপরিহার্যতা, বিদেশি অপারেটরের মাধ্যমে পরিচালনার যৌক্তিকতা এবং এই প্রসঙ্গে সৃষ্ট ‌‘নিয়ন্ত্রণ বনাম পরিচালনা’ বিতর্কের আইনি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করব। মূল লক্ষ্য-বিদেশি অপারেটর নিয়োগের সিদ্ধান্তকে জাতীয় স্বার্থ ও অর্থনৈতিক মুক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করা।

বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের জন্য চট্টগ্রাম বন্দর অর্থনৈতিক আশীর্বাদ হলেও এর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রযুক্তি ও দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে। আমাদের অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা, আধুনিক সাপোর্টের অভাব এবং দক্ষ জনবলের ঘাটতি বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাওয়ার পথে বড় চ্যালেঞ্জ।

এই প্রেক্ষাপটে বিশ্বসেরা প্রতিষ্ঠানকে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া একটি অপরিহার্য পদক্ষেপ, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

বন্দর ইজারা দেওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরে সরকার বারবার যে কারণগুলো বলছে, তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন।

সরকারের মূল লক্ষ্য হলো দক্ষতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়ন। সরকার মনে করে, বিশ্বসেরা প্রতিষ্ঠানগুলো (যেমন ডিপি ওয়ার্ল্ড, মায়েরস্ক, পিএসএ) তাদের প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতা নিয়ে এলে পণ্যের দ্রুত হ্যান্ডলিং সম্ভব হবে এবং জাহাজের টার্ন-অ্যারাউন্ড টাইম কমে আসবে, যা বন্দরের দক্ষতা বিশ্বমানের বন্দরে উন্নীত করবে।

এছাড়াও, বন্দর সম্প্রসারণ ও নতুন টার্মিনাল নির্মাণে (যেমন বে-টার্মিনাল, লালদিয়া) বিপুল অর্থের প্রয়োজন। এই প্রকল্পগুলোতে বিদেশি অপারেটরদের বিনিয়োগের মাধ্যমে সরকারের তহবিল ব্যবহার না করেই অবকাঠামো নির্মাণ সম্ভব হবে। সবমিলিয়ে, ২০৩০ সালের মধ্যে বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা কয়েক গুণ বাড়িয়ে ৭৮ লাখ ৬০ হাজারে উন্নীত করে আঞ্চলিক বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করাই সরকারের পরিকল্পনা।

আন্দোলনকারীদের প্রধান উদ্বেগ হলো জাতীয় সার্বভৌমত্ব হারানোর আশঙ্কা। এই বিষয়ে সরকার ও নীতিনির্ধারকরা বারবার যে আশ্বাস দিয়েছেন, তা হলো-

বিদেশি অপারেটররা কেবল টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পাবে। বন্দরের মালিকানা, ভূমি, এবং কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে বাংলাদেশ সরকার বা বন্দর কর্তৃপক্ষের হাতেই থাকবে। নৌপরিবহন উপদেষ্টা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বিদেশি অপারেটররা কেবল টার্মিনাল পরিচালনা করবে; কোনো কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা অপারেটরের থাকবে না। এমনকি বন্দরের মাশুল (ট্যারিফ) এবং সার্ভিস চার্জের হারও সরকারই নির্ধারণ করবে, বিদেশি অপারেটররা নিজেদের ইচ্ছামতো তা বাড়াতে পারবে না।

এই বিশ্লেষণ থেকে স্পষ্ট যে, সরকার কেবল বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব ইজারা দিচ্ছে, বন্দরের সার্বভৌমত্ব ইজারা দেওয়া হয়নি।

চুক্তির পদ্ধতি নিয়ে সরকার জানিয়েছে, তারা প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের পরিবর্তে জিটুজি বা পিপিপি প্রক্রিয়ায় এপি-মুলার মায়েরস্ক, পিএসএ ইন্টারন্যাশনাল এবং ডিপি ওয়ার্ল্ড-এর মতো বিশ্বসেরা প্রতিষ্ঠানগুলো বাছাই করার দিকে মনোযোগ দিয়েছে।

বিশ্বের বহু দেশ দক্ষ কোম্পানিকে ইজারা দিয়ে সফলতা পেয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে উন্নত এবং এশিয়ার বাণিজ্যকেন্দ্রগুলোতে এই মডেল অত্যন্ত সফল প্রমাণিত হয়েছে, যা বাংলাদেশের জন্য একটি শক্তিশালী নজির।

সিঙ্গাপুর বন্দর (PSA International) এবং চীনের সাংহাই বন্দরের মতো বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বন্দরগুলো দক্ষতা, প্রযুক্তিগত স্বয়ংক্রিয়তা এবং দ্রুততম টার্ন-অ্যারাউন্ড টাইমের জন্য পরিচিত। এই বন্দরগুলো প্রমাণ করেছে যে, বিশ্বমানের পরিচালনা ব্যবস্থা একটি দেশের অর্থনীতিকে কীভাবে গতিশীল করতে পারে। যদিও এই বন্দরগুলোর অনেকগুলো রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন, তবুও তাদের পরিচালন সংস্থাগুলো (যেমন সিঙ্গাপুরের PSA) বিশ্বের অন্যান্য দেশের বন্দরে (যেমন ভারতে) তাদের পরিচালনার দক্ষতা সরবরাহ করে। বাংলাদেশেরও সেই একই আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জন জরুরি, যা বিদেশি অপারেটরের মাধ্যমে সহজেই আনা সম্ভব।

ইউরোপের বৃহৎ বন্দর, যেমন নেদারল্যান্ডসের রোটেরডাম বা জার্মানির হ্যামবার্গ, বহু বছর ধরে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেল ব্যবহার করে আসছে। সরকার এখানে বন্দরের মূল অবকাঠামো (নিয়ন্ত্রণ) বজায় রাখে, কিন্তু বেসরকারি বা আন্তর্জাতিক অপারেটরদের মাধ্যমে অত্যাধুনিক টার্মিনালগুলো পরিচালনা করা হয়। এই মডেল নিশ্চিত করেছে যে বন্দরের নিয়ন্ত্রণ রাষ্ট্রের হাতে থাকলেও, পরিচালনায় সর্বোচ্চ দক্ষতা ও প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

ভারতের জেএনপিটি (মুম্বাই) এবং ফিলিপাইনের ম্যানিলা বন্দরের মতো টার্মিনালগুলোতে বিদেশি অপারেটররা আসার ফলে সফলভাবে দক্ষতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়ন সম্ভব হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, বিদেশি অপারেটরদের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি আমদানি করে বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো এই মুহূর্তে সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও দ্রুত পথ।

শ্রমিক ছাঁটাইয়ের আশঙ্কার জবাবে বন্দর কর্তৃপক্ষ তথা সরকার আশ্বস্ত করেছে যে, বিদেশি অপারেটর নিয়োগের কারণে কারও চাকরি যাবে না। বরং তারা আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জন করবে। যেহেতু বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব ইজারা দেয়ার মধ্য দিয়ে বন্দরের সার্বভৌমত্ব হুমকিতে পড়ছে না, সেহেতু এটি দেশের স্বার্থ ও লাভের জন্য একটি ভালো পদক্ষেপ। তবে তা কাউকে ফ্রিতে বা নামমাত্র মূল্যে দেওয়া যাবে না-চুক্তি হতে হবে সর্বোচ্চ রাজস্ব ভাগাভাগি নিশ্চিত করে।

তবুও বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় দুটি বিষয়ে সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। প্রথমত, এই ইজারা যেন এমন কোনো দেশ বা কোম্পানিকে না দেওয়া হয়, যাদের সাথে বাংলাদেশের ভৌগোলিক দ্বন্দ্ব বা সার্বভৌমত্বের থ্রেট আছে। শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটায় নিয়ন্ত্রণ হারানোর মতো ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে চুক্তি চূড়ান্ত করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, সরকারের প্রতি আহ্বান-বন্দরের নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার পার্থক্য এবং চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলী দেশের সকল মানুষের কাছে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এতে অসচ্ছতা কেটে যাবে এবং মানুষ দেশের বাণিজ্যিক স্বার্থ অনুধাবন করতে সক্ষম হবেন।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে, দেশের সকল রাজনৈতিক দলের জন্য এটি অনুধাবন করা জরুরি যে, দেশের প্রধান অর্থনৈতিক লাইফলাইনকে ক্ষতিকারক রাজনৈতিক কর্মসূচির আওতার বাইরে রাখা আবশ্যক।

চট্টগ্রাম বন্দর-কেন্দ্রিক হাজার হাজার শিল্প-কারখানায় লক্ষ লক্ষ মানুষ কর্মরত। রাজনৈতিক কর্মসূচি বা সহিংসতায় বন্দরগামী সড়কপথ বন্ধ হলে, শুধু শ্রমিক বা ব্যবসায়ীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হন না, বরং জাতীয় অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশের সকল রাজনৈতিক দলের উচিত বন্দর এবং বন্দর-কেন্দ্রিক বাণিজ্যিক সকল কাজকে ‘হরতাল ও অবরোধমুক্ত জোন’ হিসেবে ঘোষণা করার জন্য একটি রাষ্ট্রীয় তথা রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করা। এটি দেশের অর্থনীতির জন্য একটি নৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার।

উপসংহারে বলা যায়, বন্দরের আধুনিকায়নের পদক্ষেপটি অত্যন্ত যৌক্তিক এবং অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য। যেহেতু সরকার নিশ্চিত করেছে যে, বন্দরের সার্বভৌমত্ব দেশের কাছেই নিয়ন্ত্রণ থাকবে এবং শুধু বাণিজ্যিক বা বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব ইজারা দেওয়া হবে, সেহেতু এটি দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য একটি সময়োপযোগী ও ভালো পদক্ষেপ। তবে, সরকারের উচিত হবে একদিকে বন্দরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় এই ইজারা যেন এমন কোনো দেশ বা কোম্পানিকে না দেওয়া হয়, যাদের সাথে বাংলাদেশের ভৌগোলিক দ্বন্দ্ব বা সার্বভৌমত্বের থ্রেট আছে এবং স্বচ্ছতা, কৌশলগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে জনসম্মুখে প্রকাশের মাধ্যমে দ্রুত আধুনিকায়নের এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা, যাতে দেশের অর্থনৈতিক লাইফলাইন বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে না পড়ে। 

লেখক : সাংবাদিক, লেখক, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

বিডি প্রতিদিন/এমআই

এই বিভাগের আরও খবর
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
তারেক রহমান বারবার ছুটে গেছেন সাধারণ মানুষের দুয়ারে
তারেক রহমান বারবার ছুটে গেছেন সাধারণ মানুষের দুয়ারে
জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় খালেদা জিয়ার অবদান
জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় খালেদা জিয়ার অবদান
কল্যাণকর রাজনীতি অপরিহার্য
কল্যাণকর রাজনীতি অপরিহার্য
সর্বশেষ খবর
রাজধানীতে এক বছরে ৬৪৩ বেওয়ারিশ লাশ
রাজধানীতে এক বছরে ৬৪৩ বেওয়ারিশ লাশ

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি
শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, কর্মবিরতি ঘোষণা
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, কর্মবিরতি ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা তারেক রহমানের
ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা তারেক রহমানের

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অন্তর্বর্তী ফিলিস্তিনি সরকার গঠন, ট্রাম্পের সমর্থন
গাজায় অন্তর্বর্তী ফিলিস্তিনি সরকার গঠন, ট্রাম্পের সমর্থন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

নির্বাচনে গুজব আতঙ্ক
নির্বাচনে গুজব আতঙ্ক

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঘর গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি প্রার্থীরা
ঘর গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি প্রার্থীরা

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সিলেটকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে রাজশাহী
সিলেটকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে রাজশাহী

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলা দায়ের
ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলা দায়ের

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে সিলেটের যেসব এলাকায়
শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে সিলেটের যেসব এলাকায়

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হাসপাতালে মাহমুদুর রহমান মান্না
হাসপাতালে মাহমুদুর রহমান মান্না

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সোনারগাঁয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ৮ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক
সোনারগাঁয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ৮ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নথি জব্দ ও সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার দাবি
খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নথি জব্দ ও সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার দাবি

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত
ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির
ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাগতিয়া দরবারে পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) ও সালানা ওরসে হযরত গাউছুল আজম (রা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত
কাগতিয়া দরবারে পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) ও সালানা ওরসে হযরত গাউছুল আজম (রা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

টাঙ্গাইলে বাসে নারীকে ধর্ষণ: চালক ও সহকারীর জবানবন্দি
টাঙ্গাইলে বাসে নারীকে ধর্ষণ: চালক ও সহকারীর জবানবন্দি

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেড় কোটি টাকার মাদক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩
যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেড় কোটি টাকার মাদক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডি.নেটের গভর্নিং বডি চেয়ারপারসন হলেন অধ্যাপক হাবিব
ডি.নেটের গভর্নিং বডি চেয়ারপারসন হলেন অধ্যাপক হাবিব

৫ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

মানব পাচারকে কেন্দ্র করে টেকনাফে গোলাগুলি, কিশোরী নিহত
মানব পাচারকে কেন্দ্র করে টেকনাফে গোলাগুলি, কিশোরী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পোশাক শিল্পে গ্লোবাল ক্যারিয়ারের সুযোগ দিচ্ছে আইএসইউ
পোশাক শিল্পে গ্লোবাল ক্যারিয়ারের সুযোগ দিচ্ছে আইএসইউ

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতার রিয়াজ
৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতার রিয়াজ

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংকট মেটাতে মধ্যস্থতা করতে চান পুতিন
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংকট মেটাতে মধ্যস্থতা করতে চান পুতিন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চেক প্রতারণায় দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষিকাকে বরখাস্ত
চেক প্রতারণায় দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষিকাকে বরখাস্ত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশের মঙ্গলের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে: অর্থ উপদেষ্টা
দেশের মঙ্গলের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে: অর্থ উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’
‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সন্ত্রাসবাদের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়া হয়েছে: ইরানি পুলিশ প্রধান
সন্ত্রাসবাদের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়া হয়েছে: ইরানি পুলিশ প্রধান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
‘স্বাধীন ইরান’ অবিলম্বে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে: পাহলভি
‘স্বাধীন ইরান’ অবিলম্বে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে: পাহলভি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস
কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
যে কারণে একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন
জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে যে তিন দেশ
ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে যে তিন দেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে দম্পতি ও শিশু সন্তানসহ নিহত ৬
উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে দম্পতি ও শিশু সন্তানসহ নিহত ৬

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকী ৩২ আসনে কাদের সমর্থন দেবে, জানাল ইসলামী আন্দোলন
বাকী ৩২ আসনে কাদের সমর্থন দেবে, জানাল ইসলামী আন্দোলন

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ওসমান হাদির ভাই ওমরকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ
ওসমান হাদির ভাই ওমরকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির পতন হলে ঘোরতর বিপদে পড়বে ভারত?
খামেনির পতন হলে ঘোরতর বিপদে পড়বে ভারত?

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, যাত্রীদের ভোগান্তি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, যাত্রীদের ভোগান্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে চার শর্তে ইরানের সাথে সমঝোতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
যে চার শর্তে ইরানের সাথে সমঝোতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব আসনে লড়বে এনসিপি
যেসব আসনে লড়বে এনসিপি

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানকে হুমকি দিয়েই কি বড় বিপদে পড়লেন ট্রাম্প?
ইরানকে হুমকি দিয়েই কি বড় বিপদে পড়লেন ট্রাম্প?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তরায় ভবনে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে
উত্তরায় ভবনে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিপদই কি আরবদের শেখালো ইরানকে রক্ষা করা ছাড়া ‍উপায় নাই?
বিপদই কি আরবদের শেখালো ইরানকে রক্ষা করা ছাড়া ‍উপায় নাই?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল
এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম জিয়াকে ধারণ করতে হবে’
‘বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম জিয়াকে ধারণ করতে হবে’

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের ভার্চুয়াল বৈঠক
তারেক রহমানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের ভার্চুয়াল বৈঠক

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ২০ আসন পেলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
যে ২০ আসন পেলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসি কার্যকর স্থগিত করেছে ইরান: হোয়াইট হাউস
৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসি কার্যকর স্থগিত করেছে ইরান: হোয়াইট হাউস

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির
ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ যুদ্ধের পর যে ভয়ংকর সত্য সামনে এলো
আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ যুদ্ধের পর যে ভয়ংকর সত্য সামনে এলো

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জিরা ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন কতটা উপকারী
জিরা ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন কতটা উপকারী

১৬ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে আসনগুলোতে লড়বে জামায়াত
যে আসনগুলোতে লড়বে জামায়াত

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশ, শীর্ষে বাংলাদেশ
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশ, শীর্ষে বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা
খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’
‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আছে: ফিফা প্রেসিডেন্ট
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আছে: ফিফা প্রেসিডেন্ট

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় কূটনীতিক
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় কূটনীতিক

প্রথম পৃষ্ঠা

টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশন কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা
টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশন কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের সম্ভাবনা!
বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের সম্ভাবনা!

মাঠে ময়দানে

পাঁচ ঝুঁকিতে অর্থনীতি
পাঁচ ঝুঁকিতে অর্থনীতি

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ত্র উদ্ধারে অসহায় পুলিশ
অস্ত্র উদ্ধারে অসহায় পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জোটে উচ্চকক্ষের সমীকরণ
জোটে উচ্চকক্ষের সমীকরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সমীকরণে স্বস্তিতে বিএনপি
সমীকরণে স্বস্তিতে বিএনপি

নগর জীবন

লাশের সঙ্গে ২১ দিন বসবাস
লাশের সঙ্গে ২১ দিন বসবাস

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসপাতালে সৌদি বাদশাহ সালমান
হাসপাতালে সৌদি বাদশাহ সালমান

প্রথম পৃষ্ঠা

মাচাদোর দেওয়া নোবেল পদক নিলেন ট্রাম্প
মাচাদোর দেওয়া নোবেল পদক নিলেন ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

নান্দনিক লিচু চত্বর
নান্দনিক লিচু চত্বর

শনিবারের সকাল

রাজশাহীতে শিক্ষা গিলছে কোচিং
রাজশাহীতে শিক্ষা গিলছে কোচিং

নগর জীবন

মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া
মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারতে বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, তুলকালাম
ভারতে বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানে ৮০০ ফাঁসি স্থগিত ঘোষণা
ইরানে ৮০০ ফাঁসি স্থগিত ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করতে হবে
খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

যে দেশেই গণভোট হয়েছে সরকার পক্ষ নিয়েছে
যে দেশেই গণভোট হয়েছে সরকার পক্ষ নিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লায় দুজনকে গুলি করে হত্যা
কুমিল্লায় দুজনকে গুলি করে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ভয়াবহ আগুনে ঝরল ছয় প্রাণ
ভয়াবহ আগুনে ঝরল ছয় প্রাণ

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল গুজব আতঙ্ক
ডিজিটাল গুজব আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

চালক ও সহকারীর আদালতে জবানবন্দি
চালক ও সহকারীর আদালতে জবানবন্দি

পেছনের পৃষ্ঠা

চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ড, বরখাস্ত
চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ড, বরখাস্ত

দেশগ্রাম

একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম এনপিএর আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম এনপিএর আত্মপ্রকাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ
ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

উত্তুরে ল্যাঞ্জাহাঁস এখন বিপদগ্রস্ত
উত্তুরে ল্যাঞ্জাহাঁস এখন বিপদগ্রস্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন
কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন

পেছনের পৃষ্ঠা

জীবন্ত ড্রাগনের দেশ কমোডো
জীবন্ত ড্রাগনের দেশ কমোডো

পরিবেশ ও জীবন