শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:৫৩, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ আপডেট: ০৩:০৯, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিশেষ লেখা

রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?

মোস্তফা কামাল
অনলাইন ভার্সন
রক্তে কেনা ‘বিজয়’ শুধুই ফায়দা লোটার হাতিয়ার?

যুদ্ধে বিজয়ী হতে না পারা গভীর বেদনার, অর্জনের পর বিজয় হাতছাড়া হয়ে যাওয়া পরাজয়ের চেয়েও কলঙ্ক ও গ্লানির। একাত্তরের লাখো শহীদের রক্তঝরা, অগ্নিঝরা বিজয় এক দিনে হাতছাড়া হয়নি। তা হয়েছে বিজয় অর্জনের পর ধাপে ধাপে। যে যেভাবে পেরেছে বিজয়কে নিজের কবজায় নিয়েছে।

অথচ জীবন হাতে নিয়ে যুদ্ধ করা মানুষগুলো কোনো পদক, খেতাব, ভাতার আশা করেননি। যুদ্ধকালের সেই কঠিন দিনগুলোতে অস্ত্র হাতে বা পাশে রেখে তাঁরা গেয়েছেন ‘একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’। তাঁদের চোখে-মুখে ছিল—হয় মৃত্যু, নয় একটি অনিন্দ্যসুন্দর নতুন দেশ। এ দুয়ের মাঝে অন্য কোনো বিকল্প ছিল না তাঁদের।

ভাবতেন, মৃত্যুর পর লাশটা স্বজনদের কাছে যাবে কি না বা কবরের মাটি পাবে কি না? আর বেঁচে থাকলে কিভাবে সাজাবেন নতুন দেশটাকে।
একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর ঠিকই এলো, পরাস্ত হলো হানাদাররা। এলো বিজয় বসন্ত। যুদ্ধে অসংখ্য সঙ্গী ও স্বজন হারানোর ব্যথায় কাতর হয়েও বিজয় আনন্দে আত্মহারা হয়ে আশায় বুক বাঁধলেন তাঁরা।

তবে সময়ের সঙ্গে তাঁরা গুরুত্ব হারালেন। গণমানুষের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম, লাখো শহীদের আত্মাহুতি, অগণিত মানুষের কঠোর আত্মত্যাগ ফিকে হতে থাকল। অর্জিত সেই বিজয় বসন্ত ছারখার হয়ে গড়াতে থাকল ‘রোদন ভরা বসন্ত’ হয়ে। চোরাবালিতে পড়ে সেই বিজয়ের অনেক কিছুই পরিণত হয়েছে বেদনা-অপ্রাপ্তির ইতিহাসে। ক্ষেত্রবিশেষে বিজয় হারানোর উপলব্ধিও হারিয়ে যাওয়ার খাদে পড়ে যায়।

‘মুক্তিযুদ্ধ’ শব্দটি বারবার উচ্চারণ করা হলেও, মুক্তিযুদ্ধের অমূল্য বিজয়সম্ভারের উপকরণগুলো ম্লান। বিজয়কে স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্বের বিষয় না করে, রাজনীতির পণ্য বানিয়ে ‘গদির খেলায়’ পরিণত করার কুফলে ভুগছে একটি জাতি এবং দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো। যার পরিণামে রাজনীতির পৈশাচিক চিৎকার ও আস্ফাালনে কম্পমান থাকা দেশটির নিয়তি এখন কঠিন জটিলতার আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে।

মুক্তিযুদ্ধের নীতি ছিল আত্মশক্তির ওপর দাঁড়িয়ে স্বাধীন জাতীয় বিকাশের ধারায় আগোয়ান হওয়া। রক্তার্জিত স্বাধীনতার সুযোগ বাস্তবায়নে যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব থাকা প্রয়োজন, সে ক্ষেত্রে ঘাটতি যুদ্ধের পর থেকেই। এ ছাড়া ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়ের পর রাতারাতি ‘মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে আবির্ভূত হওয়া সিক্সটিন ডিভিশনের যোদ্ধারের আস্ফাালন চলেছে সময় সময়। এর ফলে ইতিহাস চর্চা রূপ নেয় দলীয় রাজনৈতিক চর্চায়। সেই সঙ্গে কাউকে একচেটিয়া স্তুতি-বন্দনায় মাথায় তোলা, কাউকে নিন্দা-কুৎসায় পায়ে নামানোর নোংরামি। সাধারণ মানুষ আর সেনাবাহিনী মিলে করা যুদ্ধটিকে কেউ কেউ নিজেদের হাতের মুঠোয় নেওয়ার খেলায় সফল হন। নির্জলা সত্য হচ্ছে, তাঁরা বা তাঁদের অনেকেরই সন্তানরা যুদ্ধের ময়দান মাড়াননি। যুদ্ধে অন্যতম ভূমিকা রাখা মধ্যবিত্তদের হিসাবের খাতায় রাখা হয়নি। প্রশিক্ষিত সেনাবাহিনীকে এনে ঠেকানো হয়েছে কেবলই রাষ্ট্রের বেতনভুক কর্মচারীতে। বলতে গেলে তাদের ইতিহাস থেকেই খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধ ইতিহাসের সাক্ষী রাখতেও আপত্তি। অথচ দীর্ঘমেয়াদি শোষণ, বৈষম্য এবং দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ জনগণের পাশাপাশি প্রতিরোধ গড়েছে বাঙালি সেনা, পুলিশ, আনসার, ইপিআর, বিমান, নৌ সদস্যরা। বিদ্রোহী বাঙালি সেনা সদস্যদের নেতৃত্বেই গঠিত হয়েছিল মুক্তিবাহিনী।  মুক্তিযুদ্ধের মূল সামরিক বাহিনী তাঁরাই। পূর্ব পাকিস্তানে থাকা সেনা, পুলিশ, ইপিআর ও আনসার সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিতে কারো নির্দেশের অপেক্ষা করেননি। তাঁরা স্থানীয় জনগণকে সংগঠিত করেই ছেড়ে দেননি। নিজেরা ফ্রন্টে থেকে বিভিন্ন জায়গায় পাক সেনাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামেন। মুক্তিবাহিনীর কার্যক্রম আরো জোরদার করতে পূর্ব বাংলাকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে প্রতিটি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার দায়িত্ব পালন করেন। মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর সফিউল্লাহ, মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত, মেজর মীর শওকত আলী, উইং কমান্ডার বাশার, মেজর কাজী নুরুজ্জামান, মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, মেজর জলিল, কর্নেল তাহেররা ছিলেন সেই কমান্ডার। এক পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধকে সরাসরি সম্মুখযুদ্ধে রূপ দিতে আরো গতিশীল ও আক্রমণাত্মক করতে মুক্তিবাহিনীর তিনটি ব্রিগেড (জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স) গঠন করা হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের সেক্টরভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয় এই ফোর্সগুলো। সেই সঙ্গে চলে গেরিলা প্রশিক্ষণ। পাকিস্তানি দুর্ধর্ষ বাহিনীকে একে একে বিধ্বস্ত করে তোলেন গেরিলা যোদ্ধারা। রেললাইন ও ব্রিজ ধ্বংস এবং শত্রুর রসদ সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করে ক্রমেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে কাবু করে তোলেন তাঁরা।

সেক্টর কমান্ডারদের দক্ষ নেতৃত্ব, যুদ্ধের কৌশল ও সামরিক পারদর্শিতা দ্রুত যুদ্ধের বাঁক ঘুরিয়ে দেয়। সেনা সদস্যরা কেবল সামরিক যুদ্ধ পরিচালনাই করেননি, সাধারণ জনগণকেও উদ্বুদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধে শামিল করে নেন। মুক্তিবাহিনীতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা গ্রামের তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে  বিভিন্ন ধরনের প্রতিরোধ কৌশলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে মাঠে-ঘাটে নাস্তানাবুদ করে তোলেন। এর অবধারিত ফলাফলে একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্যের আত্মসমর্পণ। বিশ্বের ইতিহাসে যাকে বলা হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক আত্মসমর্পণ। অথচ সেই বিজয়কে চোখের সামনে জনাকতেক রাজনীতিক ও তাঁদের খাস পছন্দের লোকদের বিজয় করে ফেলা হয়। তাঁরাই হয়ে যান যুদ্ধের হর্তা-কর্তা-বিধাতা। দেওয়া হতে থাকে মুক্তিযোদ্ধার সনদও। যুদ্ধের অনেক পরে জন্ম নেওয়া অনেকে এই সনদ বাগিয়ে পরে অনেক প্রাপ্তি হাসিল করে নেন। এ নিয়ে বহু সমালোচনা, হাস্যকর কাণ্ডকীর্তি চললেও তাঁদের দমানো যায়নি। হাছিল করা ওই সনদে মন্ত্রী, এমপি, সচিবসহ নানা পদ-পদবি বাগাতেও তাঁরা লজ্জিত হননি। সিনা টান করে ভাতাসহ নানা উপরি হাতাতেও বিবেকে বাধেনি। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ নিয়ে কেউ কেউ আশাবাদী হয়ে এর একটা বিচার বা বিহিত চাচ্ছিলেন। এর জেরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম, বীরপ্রতীক বলেছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ না করেও মুক্তিযোদ্ধার সনদ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানের কতজনের চাকরি মুক্তিযোদ্ধা কোটায়  হয়েছে, তার একটি তালিকাও হয়েছিল।

এর আলোকে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরিপ্রাপ্তরা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কিনা, চাকরি ন্যায্যভাবে হয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছিলেন উপদেষ্টা। প্রাসঙ্গিকভাবেই তাঁদের নেওয়া অবৈধ সুযোগ, বিশেষ করে অর্থ ফেরত আনার কথাও শোনা গিয়েছিল। এর একটা বিশেষ প্রেক্ষিতও ছিল। কারণ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বিশেষ ইস্যু ছিল মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের সন্তানদের কোটা। ‘মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝখানে ছিল জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল—জামুকা। মুক্তিযোদ্ধা কারা হবেন-না হবেন সেটা জামুকা নির্ধারণ করে দিত। মুক্তিযোদ্ধার তালিকা রিভিউ করে ন্যায্যভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানটা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রসঙ্গও আসে। গেল সরকারের সময় মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা এক লাখ ৮৩ হাজারের সামান্য বেশি। বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা নিয়ে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের অনিয়ম হয়েছে। ভুয়া বা অমুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ঠিক কত, সে বিষয়ে এখনো পরিষ্কার তথ্য নেই। দেশে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা নিয়েই যেখানে অস্পষ্টতা, সেখানে ভুয়ার সংখ্যা বের করা আরো পরের বিষয়। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ২০২১ সালে প্রকাশিত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় এক লাখ ৪৭ হাজার ৫৩৭ জনের নাম ছিল। ২০১৪ সালের আগে যেসব মুক্তিযোদ্ধার নাম তালিকায় আসেনি, তাঁদের আবেদনের সুযোগ দিলে সারা দেশে অসংখ্য আবেদন জমা পড়ে। এমনকি সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নাম তালিকাভুক্তির আবেদন করেন। তবে ২০১৪ সালেই পাঁচজন সচিবের মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল করে সরকার, যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। তখন সনদ বাতিলের পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল দুর্নীতি দমন কমিশন। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় জীবনে অনন্য ঘটনা। এর চেয়ে গৌরবোজ্জ্বল, ত্যাগের ও বীরত্বের মহিমা জাতির কাছে আর নেই। সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধারা তা-ই ফিরে পেতে চান।

ছিনতাই হওয়া বিজয়ের মহিমা ফেরাতে, আগাছা দূর করতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রায় আট হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিল করেছে। কিন্তু প্রতারণা বা মিথ্যা তথ্য দিয়ে সনদ নেওয়ার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ক কোনো সিদ্ধান্তও হয়নি। এমনকি তাঁদের মধ্যে যাঁরা সরকারি ভাতা গ্রহণ করেছেন সেই টাকা ফেরত আনার ব্যবস্থাও হয়নি। এ নিয়ে লজ্জা- যন্ত্রণা পোহান প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা। ভুয়াদের লজ্জার বিষয় নেই। আর নেই বলেই অবৈধভাবে চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর লোভে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিতেও বিবেকে বাধেনি সচিব থেকে শুরু করে চিকিৎসক, শিক্ষক, প্রকৌশলী, ব্যাংকারসহ বিভিন্ন শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তাদেরও। লজ্জার লেশমাত্র দেখা যায়নি মুক্তিযুদ্ধের বিদেশি সহযোগী বন্ধুদের মুক্তিযুদ্ধের সম্মাননা ক্রেস্টের স্বর্ণ চুরি করতেও। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সরকার স্বাধীনতার চার দশক পূর্তি উপলক্ষে সাত পর্বে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু স্বনামধন্য ৩৩৮ বিদেশি ব্যক্তিত্ব ও সংগঠনকে অন্য উপহারসামগ্রীর সঙ্গে একটি করে ক্রেস্ট দিয়েছিল। ওই ক্রেস্টে সোনার জায়গায় দেওয়া হয়েছে পিতল, তামা ও দস্তামিশ্রিত ধাতু। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। তদন্ত কমিটিও হয়েছিল। ঘটনা প্রমাণের পর চলে হম্বিতম্বি। ক্রেস্ট সরবরাহকারী দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিকের নামে মামলাও হয়। অরাজনৈতিক এ সরকারের আমলে কত কিছু নিয়েই কথা হয়। মহান বিজয় দিবসে এসে এসবের একটি বিহিতের আশা করা কি বেশি কিছু?

লেখক : সাংবাদিক-কলামিস্ট; ডেপুটি হেড অব নিউজ, বাংলাভিশন।

এই বিভাগের আরও খবর
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
প্রসঙ্গ যখন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
পরাশক্তির সংঘাতে বাংলাদেশ: একক অস্তিত্ব নাকি কৌশলগত সামরিক জোট?
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
কারো নজর ভোটারে, কারো কদর শ্যুটারে
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
ক্ষমতার চেয়ার ও ভাঙা রাষ্ট্র
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
এলেন, দেখলেন— এবার জয়ের পালা
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক প্রস্তাব: উন্নয়নের অগ্রযাত্রা বিপদে ফেলতে পারে
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
জুলাই সনদ ও রাষ্ট্র : বিপ্লব কি আইনে রূপ নেবে, নাকি ইতিহাসে বিলীন হবে?
তারেক রহমান বারবার ছুটে গেছেন সাধারণ মানুষের দুয়ারে
তারেক রহমান বারবার ছুটে গেছেন সাধারণ মানুষের দুয়ারে
জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় খালেদা জিয়ার অবদান
জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় খালেদা জিয়ার অবদান
কল্যাণকর রাজনীতি অপরিহার্য
কল্যাণকর রাজনীতি অপরিহার্য
সর্বশেষ খবর
রাজধানীতে এক বছরে ৬৪৩ বেওয়ারিশ লাশ
রাজধানীতে এক বছরে ৬৪৩ বেওয়ারিশ লাশ

৩৩ মিনিট আগে | জাতীয়

শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি
শরিয়তের দৃষ্টিতে দুনিয়াপ্রীতির মাপকাঠি

১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, কর্মবিরতি ঘোষণা
ওসমানীতে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, কর্মবিরতি ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা তারেক রহমানের
ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা তারেক রহমানের

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের
গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলে শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় অন্তর্বর্তী ফিলিস্তিনি সরকার গঠন, ট্রাম্পের সমর্থন
গাজায় অন্তর্বর্তী ফিলিস্তিনি সরকার গঠন, ট্রাম্পের সমর্থন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা
সবার ভিতর প্রত্যেকের থাকা

২ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

নির্বাচনে গুজব আতঙ্ক
নির্বাচনে গুজব আতঙ্ক

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ঘর গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি প্রার্থীরা
ঘর গোছাতে ব্যস্ত বিএনপি প্রার্থীরা

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সিলেটকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে রাজশাহী
সিলেটকে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষে রাজশাহী

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলা দায়ের
ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের মামলা দায়ের

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে সিলেটের যেসব এলাকায়
শনিবার ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে সিলেটের যেসব এলাকায়

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

হাসপাতালে মাহমুদুর রহমান মান্না
হাসপাতালে মাহমুদুর রহমান মান্না

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সোনারগাঁয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ৮ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক
সোনারগাঁয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ ৮ ডাকাত পুলিশের হাতে আটক

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নথি জব্দ ও সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার দাবি
খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নথি জব্দ ও সংশ্লিষ্টদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার দাবি

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা
হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত
ছিনতাইয়ে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূকে হত্যা, গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির
ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাগতিয়া দরবারে পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) ও সালানা ওরসে হযরত গাউছুল আজম (রা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত
কাগতিয়া দরবারে পবিত্র মিরাজুন্নবী (দ.) ও সালানা ওরসে হযরত গাউছুল আজম (রা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

টাঙ্গাইলে বাসে নারীকে ধর্ষণ: চালক ও সহকারীর জবানবন্দি
টাঙ্গাইলে বাসে নারীকে ধর্ষণ: চালক ও সহকারীর জবানবন্দি

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেড় কোটি টাকার মাদক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩
যৌথ বাহিনীর অভিযানে দেড় কোটি টাকার মাদক উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ডি.নেটের গভর্নিং বডি চেয়ারপারসন হলেন অধ্যাপক হাবিব
ডি.নেটের গভর্নিং বডি চেয়ারপারসন হলেন অধ্যাপক হাবিব

৫ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

মানব পাচারকে কেন্দ্র করে টেকনাফে গোলাগুলি, কিশোরী নিহত
মানব পাচারকে কেন্দ্র করে টেকনাফে গোলাগুলি, কিশোরী নিহত

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পোশাক শিল্পে গ্লোবাল ক্যারিয়ারের সুযোগ দিচ্ছে আইএসইউ
পোশাক শিল্পে গ্লোবাল ক্যারিয়ারের সুযোগ দিচ্ছে আইএসইউ

৫ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতার রিয়াজ
৮৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতার রিয়াজ

৫ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংকট মেটাতে মধ্যস্থতা করতে চান পুতিন
ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংকট মেটাতে মধ্যস্থতা করতে চান পুতিন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চেক প্রতারণায় দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষিকাকে বরখাস্ত
চেক প্রতারণায় দণ্ডপ্রাপ্ত শিক্ষিকাকে বরখাস্ত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দেশের মঙ্গলের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে: অর্থ উপদেষ্টা
দেশের মঙ্গলের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে: অর্থ উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’
‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সন্ত্রাসবাদের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়া হয়েছে: ইরানি পুলিশ প্রধান
সন্ত্রাসবাদের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়া হয়েছে: ইরানি পুলিশ প্রধান

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
‘স্বাধীন ইরান’ অবিলম্বে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে: পাহলভি
‘স্বাধীন ইরান’ অবিলম্বে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে: পাহলভি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস
কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে কারণে একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
যে কারণে একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

১১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন
জোট নয়, এককভাবেই নির্বাচনে লড়বে ইসলামী আন্দোলন

১২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে যে তিন দেশ
ইরানে হামলা না চালাতে ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে যে তিন দেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে দম্পতি ও শিশু সন্তানসহ নিহত ৬
উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে দম্পতি ও শিশু সন্তানসহ নিহত ৬

১৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বাকী ৩২ আসনে কাদের সমর্থন দেবে, জানাল ইসলামী আন্দোলন
বাকী ৩২ আসনে কাদের সমর্থন দেবে, জানাল ইসলামী আন্দোলন

৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ওসমান হাদির ভাই ওমরকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ
ওসমান হাদির ভাই ওমরকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খামেনির পতন হলে ঘোরতর বিপদে পড়বে ভারত?
খামেনির পতন হলে ঘোরতর বিপদে পড়বে ভারত?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, যাত্রীদের ভোগান্তি
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট, যাত্রীদের ভোগান্তি

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যে চার শর্তে ইরানের সাথে সমঝোতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
যে চার শর্তে ইরানের সাথে সমঝোতা করবে যুক্তরাষ্ট্র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যেসব আসনে লড়বে এনসিপি
যেসব আসনে লড়বে এনসিপি

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানকে হুমকি দিয়েই কি বড় বিপদে পড়লেন ট্রাম্প?
ইরানকে হুমকি দিয়েই কি বড় বিপদে পড়লেন ট্রাম্প?

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তরায় ভবনে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে
উত্তরায় ভবনে আগুনের সূত্রপাত যেভাবে

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিপদই কি আরবদের শেখালো ইরানকে রক্ষা করা ছাড়া ‍উপায় নাই?
বিপদই কি আরবদের শেখালো ইরানকে রক্ষা করা ছাড়া ‍উপায় নাই?

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল
এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম জিয়াকে ধারণ করতে হবে’
‘বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে বেগম জিয়াকে ধারণ করতে হবে’

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের ভার্চুয়াল বৈঠক
তারেক রহমানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের ভার্চুয়াল বৈঠক

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে ২০ আসন পেলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস
যে ২০ আসন পেলো বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসি কার্যকর স্থগিত করেছে ইরান: হোয়াইট হাউস
৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসি কার্যকর স্থগিত করেছে ইরান: হোয়াইট হাউস

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির
ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান রেজা পাহলভির

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ যুদ্ধের পর যে ভয়ংকর সত্য সামনে এলো
আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ যুদ্ধের পর যে ভয়ংকর সত্য সামনে এলো

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জিরা ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন কতটা উপকারী
জিরা ভেজানো পানি পান করছেন? জেনে নিন কতটা উপকারী

১৬ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা
ঢাকায় শীত নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে আসনগুলোতে লড়বে জামায়াত
যে আসনগুলোতে লড়বে জামায়াত

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা
খালেদা জিয়ার স্মরণে নাগরিক শোকসভা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশ, শীর্ষে বাংলাদেশ
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপে প্রবেশ, শীর্ষে বাংলাদেশ

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’
‘পে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের পর বাস্তবায়ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার’

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আছে: ফিফা প্রেসিডেন্ট
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আছে: ফিফা প্রেসিডেন্ট

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় কূটনীতিক
জামায়াত আমিরের সঙ্গে দেখা করেছেন ভারতীয় কূটনীতিক

প্রথম পৃষ্ঠা

টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশন কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা
টাকা চাওয়ায় ফিলিং স্টেশন কর্মীকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের সম্ভাবনা!
বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের সম্ভাবনা!

মাঠে ময়দানে

পাঁচ ঝুঁকিতে অর্থনীতি
পাঁচ ঝুঁকিতে অর্থনীতি

পেছনের পৃষ্ঠা

অস্ত্র উদ্ধারে অসহায় পুলিশ
অস্ত্র উদ্ধারে অসহায় পুলিশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জোটে উচ্চকক্ষের সমীকরণ
জোটে উচ্চকক্ষের সমীকরণ

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সমীকরণে স্বস্তিতে বিএনপি
সমীকরণে স্বস্তিতে বিএনপি

নগর জীবন

লাশের সঙ্গে ২১ দিন বসবাস
লাশের সঙ্গে ২১ দিন বসবাস

প্রথম পৃষ্ঠা

হাসপাতালে সৌদি বাদশাহ সালমান
হাসপাতালে সৌদি বাদশাহ সালমান

প্রথম পৃষ্ঠা

মাচাদোর দেওয়া নোবেল পদক নিলেন ট্রাম্প
মাচাদোর দেওয়া নোবেল পদক নিলেন ট্রাম্প

প্রথম পৃষ্ঠা

নান্দনিক লিচু চত্বর
নান্দনিক লিচু চত্বর

শনিবারের সকাল

ভারতে বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, তুলকালাম
ভারতে বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা, তুলকালাম

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহীতে শিক্ষা গিলছে কোচিং
রাজশাহীতে শিক্ষা গিলছে কোচিং

নগর জীবন

মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া
মৃত্যুঞ্জয়ী খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইরানে ৮০০ ফাঁসি স্থগিত ঘোষণা
ইরানে ৮০০ ফাঁসি স্থগিত ঘোষণা

প্রথম পৃষ্ঠা

খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করতে হবে
খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

যে দেশেই গণভোট হয়েছে সরকার পক্ষ নিয়েছে
যে দেশেই গণভোট হয়েছে সরকার পক্ষ নিয়েছে

প্রথম পৃষ্ঠা

ভয়াবহ আগুনে ঝরল ছয় প্রাণ
ভয়াবহ আগুনে ঝরল ছয় প্রাণ

প্রথম পৃষ্ঠা

কুমিল্লায় দুজনকে গুলি করে হত্যা
কুমিল্লায় দুজনকে গুলি করে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল গুজব আতঙ্ক
ডিজিটাল গুজব আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

চালক ও সহকারীর আদালতে জবানবন্দি
চালক ও সহকারীর আদালতে জবানবন্দি

পেছনের পৃষ্ঠা

চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ড, বরখাস্ত
চেক জালিয়াতি মামলায় দণ্ড, বরখাস্ত

দেশগ্রাম

একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের
একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম এনপিএর আত্মপ্রকাশ
নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম এনপিএর আত্মপ্রকাশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ
ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ

পেছনের পৃষ্ঠা

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন
কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

খবর

উত্তুরে ল্যাঞ্জাহাঁস এখন বিপদগ্রস্ত
উত্তুরে ল্যাঞ্জাহাঁস এখন বিপদগ্রস্ত

পেছনের পৃষ্ঠা

জীবন্ত ড্রাগনের দেশ কমোডো
জীবন্ত ড্রাগনের দেশ কমোডো

পরিবেশ ও জীবন