শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৪৪, শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬ আপডেট: ১২:২৮, শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬

কল্যাণকর রাজনীতি অপরিহার্য

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
অনলাইন ভার্সন
কল্যাণকর রাজনীতি অপরিহার্য

ব্যবসা এবং বাণিজ্যের ভিতর পার্থক্য আছে। বাংলাদেশের লোক ব্যবসাই করে, বাণিজ্য করে খুবই অল্প। আমদানির তুলনায় রপ্তানি কম। রপ্তানির ক্ষেত্রে অবশ্য তারা বাছবিচার করে না। খনিজ সম্পদ, প্রত্নসম্পদ যা কিছু আছে পাচার করে দিতে তাদের উৎসাহের কোনো ঘাটতি নেই। জাতীয় স্বার্থপরিপন্থি আমাদের লাভজনক বন্দর পর্যন্ত বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়ার পাঁয়তারার কথা শোনা যাচ্ছে। অতীতে দেশে এক স্পিকার বলেছিলেন, সংসদে যত ব্যবসায়ী দেখা যাচ্ছে, তত আইনজীবী দেখা যাচ্ছে না, অথচ সংসদ হচ্ছে আইন প্রণয়নেরই সংস্থা। কিন্তু আইনজীবীদের যে ব্যবসার বাইরে রাখবেন, তা-ও তো সম্ভব হচ্ছে না। কেননা আইনও তো এখন ব্যবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসক, শিক্ষক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, শিল্পী সবারই প্রবণতা ব্যবসামুখী। পারলে আপনি-আমিও করতাম। সরাসরি না হোক, সাইড বিজনেসে কিছু এলে মন্দ কী?

তবে হ্যাঁ, ব্যবসা জিনিসটা সব বিচারে, সব ক্ষেত্রে, সবার হাতে-বিশেষ ভালো নয়। বাণিজ্য আরও খারাপ। কারণ যাকে উপনিবেশবাদ বলি, সে তো নৌ-বাণিজ্যেরই আরেক রূপ। তথাকথিত বণিকরা জাহাজে করে নতুন নতুন দেশে গেছেন। সেখানে গিয়ে রঙিন কাচের বিনিময়ে হীরা সংগ্রহ করেছে। চালান দিয়েছে মানুষ। সে তো আসলে দস্যুতাই। ব্যবসাতেও কল্যাণ আকাঙ্ক্ষার কিছু নেই, মুনাফা করা ছাড়া। ঠকবে অথবা ঠকাবে। ক্রেতাই ঠকে সাধারণত, যেজন্য ব্যবসা চলে, নইলে উঠে যেত। আর পুঁজিহীন ব্যবসার কথা বললে সেটা বিমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এ ব্যবসায় আমাদের আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু পুঁজির প্রয়োজনবিহীন আরেকটি ব্যবসা আছে, যেটা ভয়ংকর। এটি হলো ধর্ম ব্যবসা। এ ব্যবসা নানা রকমের হয়। ভণ্ড পীরেরা করে থাকেন। তাদের কায়দাকানুন নানা প্রকারের; কিন্তু সেটা সামান্য ব্যাপার। রাজনীতির ব্যবসায়ীরা যখন ধর্মকে ব্যবহার করেন, তার তুলনায় ভয়ংকর।

রাজনীতিকদের ধর্ম ব্যবসাতেও পুঁজি লাগে না, উল্টো তারা সাধারণ মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা করেন। মূল পুঁজিটা অন্যের ধর্মানুভূতি, কিন্তু মুনাফার সবটাই রাজনীতিকদের। কোনো প্রকার ঝুঁকি নেই। ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহার করার কাজটা ইংরেজ আমলেই শুরু হয়। এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতাতেই ধর্মের এই রাজনৈতিক ব্যবহার রূপ নেয় সাম্প্রদায়িকতার, যার দুর্ধর্ষ তৎপরতার জন্য ভাগ হয়ে যায় ভারতবর্ষ।

পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ নিজে ধর্মকর্মের ধার ধারতেন না। কিন্তু তিনিও শেষ পর্যন্ত রাজনীতির প্রয়োজনে ধর্মকে ব্যবহার করা সুবিধাজনক দেখে ওই ব্যবসায় লিপ্ত হয়েছিলেন। সাম্প্রদায়িকভাবে দেশ ভাগ করার ব্যাপারে তাঁর দায়িত্বটা কম নয়। নতুন রাষ্ট্রের জন্ম মুহূর্তেই অবশ্য তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, পাকিস্তান ধর্মীয় রাষ্ট্র হবে না, হবে ধর্মনিরপেক্ষ। কিন্তু ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাঁর কথা শুনবে কেন? তাদের সামনে তখন মুনাফা লাভের বিশাল ক্ষেত্র উন্মুক্ত হয়েছে। তারা সেটির সদ্ব্যবহার করবে না, এমন তো হতে পারে না। পাকিস্তানের সামরিক ও অসামরিক আমলাতন্ত্রের সদস্যরা মানুষ হিসেবে ধার্মিক ছিল, এমন কথা তাদের মিত্রদের পক্ষেও বলা সম্ভব নয়। কিন্তু রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগানোর লক্ষ্যে তারা ধর্মকে ব্যবহার করার ব্যাপারে কোনো রকম কার্পণ্য করেনি। পশ্চিম পাকিস্তানকে তারা প্রথম সুযোগেই বিধর্মীশূন্য করেছে এবং তারপরে একাত্তরে বিধর্মীদের খোঁজে পূর্ব বঙ্গে এসে হানা দিয়েছে। যাদেরই হাতের কাছে পেয়েছে হত্যা করেছে, অন্যদের তাড়িয়ে সীমান্তের অন্য পারে পাঠিয়ে দিয়েছে, কিংবা বাধ্য করেছে পালিয়ে গিয়ে প্রাণ বাঁচাতে। পরে যখন দেখল যে বিধর্মীরা নয়, স্বধর্মীরাই তাদের বিরুদ্ধে লড়ছে, তখন ক্রমেই বুঝতে পারল যে পারবে না, পালাতে হবে এবং শেষ পর্যন্ত আত্মসমর্পণ করে পাততাড়ি গোটাল। একাত্তরে বিশেষভাবে মুশকিলে পড়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। পূর্ববঙ্গে তারা এসেছিল ধর্মযুদ্ধ করবে বলে। এখন নিজের দেশই তাদের নিজেদের চেয়েও অধিক মাত্রায় তথাকথিত ‘ধর্মপ্রাণ’ ধর্মযোদ্ধাদের অস্ত্রাঘাতে জর্জরিত হচ্ছে। রাস্তাঘাটে তো অবশ্যই, এমনকি নিজেদের সন্তানদের স্কুলে-সদর দপ্তরেও তারা আক্রান্ত হচ্ছে। ধর্ম নিয়ে যে ব্যবসা শুরু করেছিল, তার ফল এখন পাকিস্তানি শাসকরা হাতেনাতে পেতে শুরু করেছে। পূর্ব বঙ্গে (আজকের বাংলাদেশ) তাদের যে শিক্ষালাভ ঘটেছিল, তারপরও কিছু প্রাপ্য ছিল বৈকি। সেই শিক্ষাটা এখন লাভ করছে। কিন্তু যতই শিক্ষা পাক, তাদের পক্ষে ধর্ম ব্যবসা পরিত্যাগ করা কিছুতেই সম্ভব নয়। পাকিস্তান একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হবে-এমন কথা তারা কিছুতেই বলতে পারবে না। কারণ সেটা বলতে গেলে তাদের রাষ্ট্রের ভিতটাই ভেঙে পড়বে। তখন সিন্ধি, বেলুচ, পাঠান ও মোহাজেরদের ওপর যে কর্তৃত্ব তারা করেছে, সেটা করার মূল যুক্তিটাই আর অবশিষ্ট থাকবে না।

''যা প্রয়োজন, তা হলো সত্যিকার গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। যে আন্দোলনের লক্ষ্য হবে সমাজে মানুষের সঙ্গে মানুষের অধিকার ও সুযোগের সাম্য প্রতিষ্ঠা এবং দারিদ্র্য দূর করা। রাজনীতির স্বচ্ছতা আরও জরুরি বিষয়। দায়বদ্ধতা-জবাবদিহির মতো জরুরি বিষয়গুলো রাজনীতিতে নিশ্চিত না থাকলে, রাজনীতি জনকল্যাণকর হতে পারে না''

কিন্তু বাংলাদেশে তো ঘটনা ভিন্ন হওয়ার কথা ছিল। ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদকে তো বাঙালিরা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গেই ত্যাগ করে। এ ক্ষেত্রে জিন্নাহর কাজের সঙ্গে বাঙালিদের কাজের একটা মিল দেখা যাচ্ছে। জিন্নাহও ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদ পরিত্যাগের কথা বলেছিলেন। কিন্তু ওই একবারই। তারপর তিনি ইসলাম ও মুসলমানদের ঐক্য বিষয়ে বলার কোনো ঘাটতি রাখেননি। তার চেয়ে বড় ব্যাপার এই যে পূর্ব বঙ্গের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানের স্থায়ী আধিপত্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা করতে চেয়েছিলেন। যুক্তি ছিল উর্দু মুসলমানদের ভাষা। বাঙালিদের পদানত করার উদ্দেশ্যে ধর্মের জায়গায় নতুন একটি অস্ত্র ব্যবহারে উদ্যত হয়েছিলেন তিনি, সেটি ভাষার।

বাংলাদেশ যে স্বাধীন হয়েছে তা ধর্মকে অস্ত্র ও পুঁজি হিসেবে ব্যবহারকারীদের তৎপরতা নস্যাৎ করে দিয়ে, তবেই। কিন্তু পরে দেখা গেল ধর্মভিত্তিক রাজনীতি পাকিস্তানি জমানার চেয়েও জোরেশোরে শুরু হয়ে যায়। এসব ঘটা শুরু হলো পঁচাত্তরের মধ্য-আগস্টের পর থেকে। রাষ্ট্রক্ষমতা নিরঙ্কুশ রাখার অভিপ্রায়ে কোনো শাসকই ওই কাজে বিরাম দেয়নি। ভোটের রাজনীতির নিয়ামক হিসেবেই ধর্ম ব্যবসায়ীদের আশকারা দিয়েছে, পাশে রেখেছে। ক্ষমতায় টিকে থাকতে এবং ওই উদ্দেশ্যেই ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহার করার পুরোনো কাজ আবার শুরু করে।

ধর্মভিত্তিক দলগুলোর একাত্তরে যে ভূমিকা ছিল, তাতে বাংলাদেশ থেকে তাদের হারিয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু তা হয়নি। বরং দেশিবিদেশি তহবিল ও রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে তারা দ্রুতই বেড়ে ওঠে। সুসংগঠিতও বটে। ব্যাপারটা কিন্তু ব্যবসাই, অন্য কিছু নয়। ইহকালে মুনাফা পাওয়া যাচ্ছে, পরকালেও পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়। এর সঙ্গে ধর্মকর্মের যেটুকু সম্পর্ক, তা প্রদর্শনের বটে, আদর্শের নয়। কিন্তু প্রতিকার কী? যা প্রয়োজন, তা হলো সত্যিকার গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। যে আন্দোলনের লক্ষ্য হবে সমাজে মানুষের সঙ্গে মানুষের অধিকার ও সুযোগের সাম্য প্রতিষ্ঠা এবং দারিদ্র্য দূর করা।

রাজনীতির স্বচ্ছতা আরও জরুরি বিষয়। দায়বদ্ধতা-জবাবদিহির মতো জরুরি বিষয়গুলো রাজনীতিতে নিশ্চিত না থাকলে, রাজনীতি জনকল্যাণকর হতে পারে না।

লেখক : ইমেরিটাস অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এই বিভাগের আরও খবর
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাবে নির্বাচন চরিত্র হারায়
অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাবে নির্বাচন চরিত্র হারায়
মুদ্রানীতি সহজ হওয়া প্রয়োজন
মুদ্রানীতি সহজ হওয়া প্রয়োজন
সর্বশেষ খবর
খরুচে বোলিংয়ের ঝুঁকি নিয়ে সফল এনগিডি
খরুচে বোলিংয়ের ঝুঁকি নিয়ে সফল এনগিডি

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কানাডায় জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ পেতে প্রয়োজন চিকিৎসকের অনুমোদন
কানাডায় জন্মনিয়ন্ত্রণ ওষুধ পেতে প্রয়োজন চিকিৎসকের অনুমোদন

৮ মিনিট আগে | পরবাস

শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেল জোহেইবের বিশ্বকাপ
শুরুর আগেই শেষ হয়ে গেল জোহেইবের বিশ্বকাপ

১২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর অভিযোগে দক্ষিণ কোরীয় গোয়েন্দা সংস্থায় অভিযান
উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর অভিযোগে দক্ষিণ কোরীয় গোয়েন্দা সংস্থায় অভিযান

১৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় নতুন হামলায় ৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজায় নতুন হামলায় ৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী

২১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর
নির্বাচনে বাধা নেই বিএনপির ৩ প্রার্থীর

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

আজকের স্বর্ণের দাম
আজকের স্বর্ণের দাম

২৬ মিনিট আগে | অর্থনীতি

অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক অবরোধ

৪১ মিনিট আগে | নগর জীবন

কুয়াকাটায় এতিম শিশুদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ব্যতিক্রমী আয়োজন
কুয়াকাটায় এতিম শিশুদের নিয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের ব্যতিক্রমী আয়োজন

৪২ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস
সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস

৫৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

প্রশান্ত মহাসাগরে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র
প্রশান্ত মহাসাগরে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি রয়েছে
ঢাকায় আজ যেসব কর্মসূচি রয়েছে

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই বাসের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের
দুই বাসের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ
এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক : ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান
নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক : ইইউ পর্যবেক্ষক প্রধান

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জনসভা, মিছিল বা শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ
১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জনসভা, মিছিল বা শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা
ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের বার্তা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ শীর্ষে ঢাকা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের জলসীমা থেকে মার্কিন জাহাজগুলোকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ ফেব্রুয়ারি)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১০ ফেব্রুয়ারি)

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিদ্বেষহীন মন জান্নাতের পথ সুগম করে
বিদ্বেষহীন মন জান্নাতের পথ সুগম করে

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ঐতিহাসিক করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ঐতিহাসিক করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিদিন সকালে ডিম খেলে মস্তিষ্কের অবস্থা কী হয় জানেন?
প্রতিদিন সকালে ডিম খেলে মস্তিষ্কের অবস্থা কী হয় জানেন?

২ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

নির্বাচন ঘিরে আজ মাঠে নামছেন ৬৫৫ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
নির্বাচন ঘিরে আজ মাঠে নামছেন ৬৫৫ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন
গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ হলো প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার
শেষ হলো প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার

৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আজকের নামাজের সময়সূচি, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজকের নামাজের সময়সূচি, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

সেনাপ্রধানের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
সেনাপ্রধানের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটের মাঠে অবৈধ অস্ত্রের ভয়
ভোটের মাঠে অবৈধ অস্ত্রের ভয়

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি
বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ দিতে পাকিস্তানের শর্ত, যা বলল আইসিসি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট
দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেল বাংলাদেশ
আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পেল বাংলাদেশ

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ক্ষমতায় গেলে যথাসময়ে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা তারেক রহমানের
ক্ষমতায় গেলে যথাসময়ে পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা তারেক রহমানের

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি
ভোটের দিন বাস চলবে কি না, জানাল মালিক সমিতি

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কোন দিকে হেফাজতের ভোটব্যাংক
কোন দিকে হেফাজতের ভোটব্যাংক

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভারতকে নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ত্রিদেশীয় সিরিজের দাবি
ভারতকে নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ত্রিদেশীয় সিরিজের দাবি

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ
পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌরভ

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যে সব মার্কিন ঘাঁটি ইরানি মিসাইল রেঞ্জে, ট্রাম্পের না ভেবে উপায় নাই!
মধ্যপ্রাচ্যে সব মার্কিন ঘাঁটি ইরানি মিসাইল রেঞ্জে, ট্রাম্পের না ভেবে উপায় নাই!

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান
মত বদলে ভারতের সঙ্গে খেলতে রাজি পাকিস্তান

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি সই, পাল্টা শুল্ক কমল ১৯ শতাংশ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি সই, পাল্টা শুল্ক কমল ১৯ শতাংশ

১২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত’, জামায়াত প্রার্থীর ভিডিও ভাইরাল
‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত’, জামায়াত প্রার্থীর ভিডিও ভাইরাল

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ট্রাম্পের হুমকির মুখে ৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভাঙলেন খামেনি?
ট্রাম্পের হুমকির মুখে ৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভাঙলেন খামেনি?

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?
ইসরায়েলের কোথায় কোথায় হামলা চালাবে জানাল ইরান?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের
ক্ষমতায় আসলে মামুনুল হককে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সিদ্ধান্ত বদল, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন ভোটাররা
সিদ্ধান্ত বদল, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিতে পারবেন ভোটাররা

১৪ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মায়ের গোপন ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন তরুণী, অতঃপর…
মায়ের গোপন ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন তরুণী, অতঃপর…

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ
হাইকোর্টের দুই বিচারপতির পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘জামায়াতের পক্ষে ‌ভোট চাইছেন’ শাকিব খান, সত্যিটা আসলে কী
‘জামায়াতের পক্ষে ‌ভোট চাইছেন’ শাকিব খান, সত্যিটা আসলে কী

১৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

টালমাটাল ব্রিটিশ রাজনীতি: স্টারমারের বিদায় ঘণ্টা বাজছে, নেতৃত্বে শাবানা?
টালমাটাল ব্রিটিশ রাজনীতি: স্টারমারের বিদায় ঘণ্টা বাজছে, নেতৃত্বে শাবানা?

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা
মঙ্গলবার থেকে ৪ দিন নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী
তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে ঢাকা-১৭ থেকে সরে দাঁড়ালেন এক প্রার্থী

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ
ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

আজকেরটাই সম্ভবত শেষ ব্রিফিং, বললেন প্রেস সচিব
আজকেরটাই সম্ভবত শেষ ব্রিফিং, বললেন প্রেস সচিব

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির
সিলেট-১ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিএনপির

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন
গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে যা জানালো চীন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান
ঢাকা-৫ আসনে ইপিজেড গড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: তারেক রহমান

১৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

১০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ
ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নেই : ইসি সানাউল্লাহ
ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নেই : ইসি সানাউল্লাহ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
বিএনপির বড় পরীক্ষা বেশির ভাগ আসনে
বিএনপির বড় পরীক্ষা বেশির ভাগ আসনে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

নির্বাচনি প্রচারের শেষ দিনেও হামলা সংঘর্ষ
নির্বাচনি প্রচারের শেষ দিনেও হামলা সংঘর্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি
নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি জোট ২০৮, জামায়াত জোটের সম্ভাব্য আসন ৪৬
বিএনপি জোট ২০৮, জামায়াত জোটের সম্ভাব্য আসন ৪৬

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের ফলাফল কি মেনে নেবে সব দল?
নির্বাচনের ফলাফল কি মেনে নেবে সব দল?

প্রথম পৃষ্ঠা

এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ
এক দিন পরই ভোটযুদ্ধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সৌরভ ছড়াচ্ছে ফুল বাগান
সৌরভ ছড়াচ্ছে ফুল বাগান

পেছনের পৃষ্ঠা

জাপানে বাজার খুললেও শর্ত কঠিন
জাপানে বাজার খুললেও শর্ত কঠিন

শিল্প বাণিজ্য

কৃষিঋণে গতি বাড়লেও নজরদারি এখন চ্যালেঞ্জ
কৃষিঋণে গতি বাড়লেও নজরদারি এখন চ্যালেঞ্জ

শিল্প বাণিজ্য

শাসকরা মালিক নয়, হবে সেবক
শাসকরা মালিক নয়, হবে সেবক

প্রথম পৃষ্ঠা

ষড়যন্ত্র রুখতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ
ষড়যন্ত্র রুখতে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ

পেছনের পৃষ্ঠা

তরুণদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই
তরুণদের হাতে নতুন দেশ তুলে দিতে চাই

প্রথম পৃষ্ঠা

৭২ ঘণ্টা বন্ধ মোটরসাইকেল
৭২ ঘণ্টা বন্ধ মোটরসাইকেল

পেছনের পৃষ্ঠা

অপরিবর্তিত নীতি সুদহার
অপরিবর্তিত নীতি সুদহার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিলুপ্তি চাইলেন র্যাব ডিজিএফআইয়ের
বিলুপ্তি চাইলেন র্যাব ডিজিএফআইয়ের

প্রথম পৃষ্ঠা

অধস্তন আদালতের বিচারকদের অবকাশ ছুটি দুই ধাপে
অধস্তন আদালতের বিচারকদের অবকাশ ছুটি দুই ধাপে

প্রথম পৃষ্ঠা

মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু কাল
মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু কাল

পেছনের পৃষ্ঠা

ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ২২১৬ টাকা
ফের বাড়ল সোনার দাম, ভরিতে ২২১৬ টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাষী দুই দলের ইশতেহারই
অতিমাত্রায় উচ্চাভিলাষী দুই দলের ইশতেহারই

প্রথম পৃষ্ঠা

এজাজের বিদায় ডিএনসিসিতে নতুন প্রশাসক
এজাজের বিদায় ডিএনসিসিতে নতুন প্রশাসক

পেছনের পৃষ্ঠা

মনে হয় ইসি কারও প্রভাবে কাজ করে
মনে হয় ইসি কারও প্রভাবে কাজ করে

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর

প্রথম পৃষ্ঠা

জামায়াত ধর্মের নামে বিভ্রান্ত করছে
জামায়াত ধর্মের নামে বিভ্রান্ত করছে

প্রথম পৃষ্ঠা

উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী দুই-এক দিনে
উপদেষ্টাদের সম্পদ বিবরণী দুই-এক দিনে

প্রথম পৃষ্ঠা

রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠনের লড়াই হবে
রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক পুনর্গঠনের লড়াই হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

সমালোচনা থাকলেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এনপিএ
সমালোচনা থাকলেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে এনপিএ

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বিঘ্ন নিরাপত্তার ছক
নির্বিঘ্ন নিরাপত্তার ছক

প্রথম পৃষ্ঠা

বিপিডিবির কাছে বিদ্যুৎ কোম্পানির পাওনা ১৪ হাজার কোটি টাকা
বিপিডিবির কাছে বিদ্যুৎ কোম্পানির পাওনা ১৪ হাজার কোটি টাকা

পেছনের পৃষ্ঠা

নারী ফুটবলের ট্রফি উন্মোচন
নারী ফুটবলের ট্রফি উন্মোচন

মাঠে ময়দানে