শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:৫৩, রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
অনলাইন ভার্সন
মারপ্যাঁচের আবর্তে ভোটের রাজনীতি

আর মাত্র এক মাস পর অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনের ইতিহাস খুব সুখকর নয়। সংবিধান অনুযায়ী যদি প্রতি পাঁচ বছর পর সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ধারাবাহিকতা বজায় থাকত, তাহলে ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। কিন্তু তা না হয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, এর কারণ রাজনীতিতে অতিসচেতন বাংলাদেশের জনগণের না জানার কথা নয়। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, ষষ্ঠ এবং দ্বাদশ জাতীয় সংসদ তাদের পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেনি। স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৫ বছরের মধ্যে ১১টি বছর অর্থাৎ দুটি সংসদের পূর্ণ মেয়াদের বেশি সময় খেয়ে ফেলেছে সামরিক শাসন ও তথাকথিত সেনাসমর্থিত অনির্বাচিত বেসামরিক সরকার।

সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর প্রথম জাতীয় সংসদ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত গঠিত ১২টি জাতীয় সংসদের প্রতিটি গড়ে সাড়ে তিন বছরের কিছু বেশি সময় পেয়েছে। কিন্তু এই সাড়ে তিন বছর সব কটি সংসদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এসব সংসদের মধ্যে ১৯৯৬ সালে ষষ্ঠ সংসদের অস্তিত্ব ছিল সর্বনিম্ন ১২ দিন এবং দ্বাদশ সংসদ সাত মাস। ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত চারটি নির্বাচনের মধ্যে ২০০৮ সালের নির্বাচন দৃশ্যত সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক বলে দাবি করা হলেও নির্বাচনের ফলাফল প্রমাণ করেছে, নির্বাচনের ফলাফলকে আওয়ামী লীগের অনুকূলে নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন, বেসামরিক ও সামরিক প্রশাসন যা আবশ্যক সবকিছু করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে যেভাবে পরবর্তী তিনটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা নির্বাচনব্যবস্থাকে শুধু কলঙ্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধই করেনি, নির্বাচনের ওপর থেকে জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা উঠিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে।

আওয়ামী লীগের নগ্ন তরবারির নিচে নির্বাচন কমিশন পূর্ববর্তী তিনটি নির্বাচন (২০১৪, ২০১৮, ২০২৪) অনুষ্ঠানে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বাধীনভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারা তো দূরের কথা, তরবারির কোপে ধড় থেকে মস্তক বিদীর্ণ হওয়ার ভয়ে সরকার যা নির্দেশ দিয়েছে, তারা তা-ই করেছে। একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনারও যদি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, সৎ ও ন্যায়ানুগ হতেন, তাহলে তিনি সরকারের অন্যায় অসাংবিধানিক হুকুম-আহকামের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেন। তাঁর কাজে পদে পদে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে অভিযোগ এনে পদত্যাগ করতেন। তবু বোঝা যেত যে যা কিছু ঘটছে বা ঘটানো হয়েছে, তা অন্যায় ও সংবিধানপরিপন্থি এবং জনস্বার্থবিরোধী হয়েছে। বরং এর উল্টোই হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদে নির্বাচন কমিশনের সব প্রধান নির্বাচন কমিশনার দাবি করেছেন, তাঁদের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়েছে এবং নির্বাচন পরিচালনায় প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেছে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ঘুরে ঘুরে নির্বাচন কেন্দ্র দেখে সন্তুষ্ট হয়েছেন ইত্যাদি।

এই পটভূমিতে নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে দক্ষতার সঙ্গে পক্ষপাতহীনভাবে দায়িত্ব পালনের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। ইতোমধ্যে কিছু কিছু অভিযোগ উঠেছে, যা প্রবাদের ‘এক যাত্রায় দুই ফল’-এর মতো। দলবিশেষের যেসব প্রার্থী দ্বৈত নাগরিক বা বিদেশি নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করেননি, রিটার্নিং অফিসাররা তাঁদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিদেশি নাগরিকত্ব প্রত্যাহারের সার্টিফিকেট জমা দেওয়া সত্ত্বেও তাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। একই ঘটনা ঘটেছে, যাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা বিচারাধীন আছে, একটি দলের ক্ষেত্রে তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ করা হয়েছে, জামায়াত প্রার্থীর মামলা খারিজ হওয়া বা একই মামলা বিবেচনাধীন থাকা অবস্থায় আদালতের ছাড়পত্র জমা দিয়ে ২০০৮ সালে বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার প্রমাণপত্র দাখিল করলেও তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। প্রধান দুটি দল বিএনপি ও জামায়াতের নেতাদের নিরাপত্তাদানের ক্ষেত্রে প্রশাসনের পক্ষপাতিত্বের বিষয়ও নির্বাচন কমিশনের গোচরে আনা হয়েছে।

জামায়াতের জন্য ক্ষমতার রাজনীতিতে ভালো না করতে পারার প্রথম বাধা জামায়াতবিরোধী ইসলামি দল ও পীরের মুরিদরা। আওয়ামী লীগের নিজস্ব ভোট এবং তাদের সংরক্ষিত ‘ভোটব্যাংক’ হিসেবে বিবেচিত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের ভোট বাগাতে জামায়াত খুব একটা সুবিধা করতে পারবে না

অতীতের সব নির্বাচনের সঙ্গে আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনের তুলনা না করে ‘বেঞ্চমার্ক’ বা ‘মানদণ্ড’ হিসেবে যদি ২০০৮ সালের নির্বাচনের তুলনা হয়, তাহলেও সম্ভবত সুবিচার করা হবে না। কারণ একটি বড় দল, যারা স্বাধীন দেশের প্রায় অর্ধেক সময় ধরে সরকারে ছিল, সেই দলটি নির্বাচনে অনুপস্থিত। এখন নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দল দুটি-বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। একটি খণ্ডিত মেয়াদসহ বিএনপি তিনবার দেশের সরকার পরিচালনা করেছে। জামায়াতে ইসলামীর ভাগ্যে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান বা বাংলাদেশে সরকার পরিচালনার সুযোগ আসেনি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৯৯১ সালে জামায়াত সর্বোচ্চ ১২-১৩ শতাংশ ভোট এবং ১৮টি আসনে বিজয় লাভ করেছিল। ওই সময় দলটির প্রাপ্ত ভোটসংখ্যা ছিল ৪১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬১। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে জামায়াত হয় ক্ষমতায় যাওয়ার ব্যাপারে উচ্চাভিলাষী ছিল অথবা বিএনপিকে পরাজিত করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসানোর উদ্দেশ্যে মৌন সম্মতি দিয়ে তারা সংসদের ৩০০ আসনেই প্রার্থী দিয়েছিল। পেয়েছিল মাত্র ৩টি আসন।

আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়ে ২১ বছর পর সরকার গঠন করেছিল। কিন্তু তাতে কি আওয়ামী লীগ জামায়াতকে কোলে তুলে নিয়েছিল? নেয়নি। তারা আশা করেছিল, ২০০১ সালের নির্বাচনেও জামায়াত বিএনপির সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখবে এবং আবারও তারা ক্ষমতায় আসবে। কিন্তু আওয়ামী লীগের আশার গুড়ে বালি ঢেলে জামায়াত বিএনপির বক্ষলগ্ন হলে আওয়ামী লীগের সব ক্ষোভ গিয়ে পড়ে জামায়াতের ওপর। জামায়াতকে সাইজ না করতে পারলে তাদের পক্ষে যে ঝামেলামুক্তভাবে বারবার ক্ষমতায় যাওয়া সম্ভব নয়, তা তারা বুঝে গিয়েছিল।

আওয়ামী লীগকে এ ব্যাপারে ইন্ধনও জুগিয়েছিলেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তিনি দিল্লির পাঁচটি শীর্ষ দৈনিকের সম্পাদককে চা পানের আমন্ত্রণ জানিয়ে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে বাংলাদেশের জনগণের ২৫ শতাংশ জামায়াতে ইসলামীকে সমর্থন করে বলে জানান। বাংলাদেশ জঙ্গি রাষ্ট্র হতে যাচ্ছে মর্মে প্রমাণের অজুহাত হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য ভারতীয় গণমাধ্যম লুফে নেয়। আওয়ামী লীগপ্রধান শেখ হাসিনাও তক্কে তক্কে থাকেন কখন কীভাবে জামায়াত নির্মূল করা যায়। সে সুযোগ আসে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর। আওয়ামী লীগ সরকার, সরকারি দল ও অঙ্গসংগঠন, রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো জামায়াতের ওপর যে নারকীয়তায় আধুনিক বিশ্বের কোনো দেশে তার নজির পাওয়া যাবে না। তারা প্রহসনের বিচারে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের হত্যা করে। গুম ও হত্যার শিকার হয় আরও বহুসংখ্যক। তাদের আশ্রয়হীন করে ফেলা হয়।

জামায়াত যে পুনরায় সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবে, তা অন্তত আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করেনি। তারা নিজেদের অপকর্ম, সাফল্য ও আত্মপ্রশংসায় এত মগ্ন ছিল যে জামায়াতের নির্দোষ নেতাদের ওপর জঘন্য সব অপরাধের অভিযোগ এনে তাদের হত্যা করায় জনগণ যে ক্ষুব্ধ, আওয়ামী লীগ তা আঁচ করে উঠতে পারেনি ক্ষমতার মদমত্ততায়। বরং এই চরম অন্যায় করার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ মানুষের আস্থা হারিয়েছে এবং জামায়াতের প্রতি জনগণের উল্লেখযোগ্য অংশের সহানুভূতি বৃদ্ধি পেয়েছে। জুলুম থেকে মুক্তির আনন্দ ও সহানুভূতির কারণে আগামী নির্বাচনে জামায়াতের ভোট নিঃসন্দেহে বাড়বে। আসনসংখ্যাও যথেষ্ট বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু জামায়াত সরকার গঠন করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে সক্ষম হবে বলে আমি আমার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক বিচারবোধ থেকে বিশ্বাস করি না।

দেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের ওপর সার্বক্ষণিক দৃষ্টি রাখা এবং রাজনীতিতে ভূমিকা পালন করেন, তাঁদের সঙ্গে আলাপচারিতা, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়াশোনা এবং সর্বোপরি একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে আমার ব্যক্তিগত মূল্যায়নের উপসংহার হচ্ছে আগামী নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী যথেষ্ট ভালো করবে এবং প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় সংসদের বিতর্কে, বিভিন্ন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে নিজেদের আরও দক্ষ ও পরিপক্ব করে তোলার সুযোগ লাভ করবে।

এ কথা সত্য, জুলাই বিপ্লবের সময় থেকে মেঘনা-যমুনার পানি উল্টো দিকে বইতে শুরু করেছে। পানির ধারা নিম্নগামী না হয়ে উৎসের দিকে। শেখ হাসিনার পুরো মেয়াদজুড়ে নির্মম নিপীড়িত জামায়াত-শিবিরের দিকে সমর্থনের জোয়ার শুরু হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর কেটে যেতে না যেতেই শিবিরের প্রতি ছাত্রদের সমর্থন এত বেড়েছে যে, তাদের প্যানেল ডাকসু, রাকসু, চাকসু, জাকসু ও জকসু নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে। সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৯০ হাজার ছাত্র ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এই বিপুলসংখ্যক ছাত্র, তাঁদের পরিবার ও নিজস্ব মহলের বন্ধুরা আশা করা যায় নির্বাচনে জামায়াতের ভোটব্যাংক হিসেবে থাকবে।

কিন্তু আমরা যদি ২০০১ এবং ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অভিজ্ঞতার দিকে তাকাই, তাহলে দেখতে পাব, ২০০১ সালে বিএনপি আসন পেয়েছিল ১৯৩টি এবং ভোট লাভ করেছিল মোট প্রদত্ত ভোটের ৪০.৯৭ শতাংশ এবং আওয়ামী লীগ ৪০.১৩ শতাংশ ভোট পেয়ে জিতেছিল ৬২ আসনে। সরকার গঠন করেছিল বিএনপি। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ প্রদত্ত ভোটের ৪৮.০৪ শতাংশ পেয়ে জয়ী হয় ২৩০ আসনে এবং বিএনপি ৩২.৫০ শতাংশ ভোট পেয়ে আসন পায় মাত্র ৩০টি। বিএনপির জনপ্রিয়তায় তখনো এত ধস নামেনি যে তারা মাত্র ৩০টি আসন লাভ করবে এবং তাদের ৮ শতাংশ ভোট কমে যাবে। রাজনীতিসচেতন ব্যক্তিদের মনে থাকার কথা, ২০০৮-এর নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা প্রকাশ্যেই ফখরুদ্দীন-মইন উদ্দিন সরকারকে টোপ দিয়েছিলেন যে তাদের মেয়াদে যা কিছু আইনবহির্ভূত হয়েছে, সেসব থেকে তাদের দায়মুক্তি দেওয়া হবে। হাসিনার এই টোপ তাঁকে ক্ষমতায় বসাতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছিল বললে বাড়িয়ে বলা হবে না।

২০০৮-এর নির্বাচনে বিএনপির মতো সদ্য ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়া জনপ্রিয় দলকে সবার কাছে অগ্রহণযোগ্য ফলাফল মেনে নিতে বাধ্য করে। সে ক্ষেত্রে জামায়াতের পক্ষে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বুঝে ওঠা কতটা সম্ভব হবে, তাতে সংশয় রয়েছে। জামায়াত ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামিক ডেমোক্রেটিক পার্টি (আইডিএল) নামে মুসলিম লীগের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে প্রথমবার নির্বাচন করে এবং আইডিএল পায় ৬টি আসন। জোটের প্রাপ্ত ভোট ছিল ১৯,৪১,৩৯৪। জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করে ১৯৮৬ সালে এবং ১৩,১৪,০৫৯ ভোট পেয়ে ১০ আসনে জিতে। ১৯৯১ সালে ১৮ আসনে জেতে এবং ভোট পায় ৪১,৩৬,৬১১টি। এটিই ছিল জামায়াতের সর্বোচ্চ ভোট সংগ্রহ। ২০০৮ সালের নির্বাচনের সময় জামায়াত বেশ চাপের মধ্যে ছিল। বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচন করলেও জামায়াতের প্রার্থীসংখ্য ছিল মাত্র ৩০ জন। প্রার্থীসংখ্যা বিবেচনায় জামায়াতের আহরিত ভোটসংখ্যা বেশ ভালো ছিল- ৩২,৮৯,৯৬৭।

২০০৮-এর চেয়ে দেশে ভোটারসংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪-এ দেশে ভোটারসংখ্যা ছিল ১১,৯৬,৮৯,২৮৯, যা এখন ১২,৭৬,৯৫,১৮৩ অর্থাৎ দুই বছর আগের তুলনায় ৮০ লাখের বেশি ভোট বেড়েছে। এ সময়ের মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। পুরুষ ভোটারের সংখ্যা যেখানে ২.২৯ শতাংশ বেড়েছে, সে ক্ষেত্রে নারী ভোটার বেড়েছে ৪.১৬ শতাংশ। নারীর চেয়ে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা মাত্র সাড়ে ১৯ লাখ বেশি। তাৎক্ষণিক পরিসংখ্যান না পাওয়া গেলেও প্রথমবার ভোটার হয়েছেন, তাদেরসহ ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়স্ক ভোটারের সংখ্যা মোট ভোটারের প্রায় ২৫ শতাংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জামায়াতের জন্য ক্ষমতার রাজনীতিতে ভালো না করতে পারার প্রথম বাধা জামায়াতবিরোধী ইসলামি দল ও পীরের মুরিদরা। আওয়ামী লীগের নিজস্ব ভোট এবং তাদের সংরক্ষিত ‘ভোটব্যাংক’ হিসেবে বিবেচিত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের ভোট বাগাতে জামায়াত খুব একটা সুবিধা করতে পারবে না। আওয়ামী লীগের অবর্তমানে দলটির কর্মী-সমর্থকদের একটি অংশ ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকবে, আর যারা ভোট দেবে, তারা বিএনপি প্রার্থীকেই ভোট দেবে, অবশ্যই জামায়াতের প্রার্থীকে দেবে না। জামায়াত প্রার্থীরা মাঝারি পথ অবলম্বনকারীদের ভোট টানবে, যারা আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের অত্যাচার, চাঁদাবাজি, খুন-লুণ্ঠন-দখল সহ্য করেছে এবং গত দেড় বছরে বিএনপির মাঝারি নেতা-কর্মীদের কর্মকাণ্ড দেখে হতাশ হয়ে পড়েছে, তারা জামায়াতকেই তাদের উদ্ধারকারী বিবেচনা করছে। সবার অপেক্ষার সময় দ্রুত এগিয়ে আসছে।

লেখক : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

বিডি প্রতিদিন/মুসা

এই বিভাগের আরও খবর
দূষিত রক্তের কলুষিত রাজনীতি
দূষিত রক্তের কলুষিত রাজনীতি
ভালোবাসার ঢাকা: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতার ফারাক
ভালোবাসার ঢাকা: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতার ফারাক
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
কিছু সিদ্ধান্ত ভোগাবে নতুন সরকারকে, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ী-বিনিয়োগকারী
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
এখনো কেউ কি কলকাঠি নাড়ছে?
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
তারুণ্যের শক্তিতে হোক জালিয়াতিমুক্ত নতুন বাংলাদেশ
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
ইতিহাস ক্ষমা করেনি, করবে না
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
বন্দরকেন্দ্রিক সহিংসতা রোধে পদক্ষেপ জরুরি
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
এবারের নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের নয় দিন বদলেরও
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ভোটের ডামাডোলে মলিন ভাষার মাস
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের অগ্রাহ্যের জেরেই দুর্গতিতে দেশ-সরকার-জনগণ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
স্বাস্থ্য খাত : সংকট উত্তরণে জরুরি নীতি-পদক্ষেপ
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
নির্বাচন কি ‘ঈদ উৎসব’-এর মতো হবে?
সর্বশেষ খবর
নোয়াখালীতে ৮৭৫ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ, সাত বাহিনীর ১৬,৩৭৯ সদস্য মোতায়েন
নোয়াখালীতে ৮৭৫ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ, সাত বাহিনীর ১৬,৩৭৯ সদস্য মোতায়েন

২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

লক্ষ্মীপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম
লক্ষ্মীপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম

২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

পিএসএল : ৩ কোটি রুপিতে রাওয়ালপিন্ডিতে রিশাদ
পিএসএল : ৩ কোটি রুপিতে রাওয়ালপিন্ডিতে রিশাদ

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সিগঞ্জে দেশিয় অস্ত্রসহ আটক ১
মুন্সিগঞ্জে দেশিয় অস্ত্রসহ আটক ১

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চুয়াডাঙ্গার দুই সংসদীয় আসনে নির্বাচনী উপকরণ বিতরণ শুরু
চুয়াডাঙ্গার দুই সংসদীয় আসনে নির্বাচনী উপকরণ বিতরণ শুরু

১৪ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম, টহলে যৌথ বাহিনী
কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম, টহলে যৌথ বাহিনী

১৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

কঠোর নিরাপত্তায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ শুরু
কঠোর নিরাপত্তায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ শুরু

২১ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

কুমারখালীতে ভোট কেন্দ্রের সামনে থেকে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার
কুমারখালীতে ভোট কেন্দ্রের সামনে থেকে বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার

২২ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে আহত ৮
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে আহত ৮

৩৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মোংলায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম
মোংলায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম

৩৬ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেলের নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেলের নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সাক্ষাৎ

৩৯ মিনিট আগে | জাতীয়

রাজশাহীতে পেট্রোল বোমা ও ককটেল উদ্ধার
রাজশাহীতে পেট্রোল বোমা ও ককটেল উদ্ধার

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লার ১১ আসনের ১,৪৯১ কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালট ও ভোটের সরঞ্জাম
কুমিল্লার ১১ আসনের ১,৪৯১ কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালট ও ভোটের সরঞ্জাম

৪০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল শুক্রবার: ইসি সানাউল্লাহ
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল শুক্রবার: ইসি সানাউল্লাহ

৪১ মিনিট আগে | জাতীয়

যমুনা সেতু দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় পারাপার ৩৬ হাজারের বেশি যানবাহন
যমুনা সেতু দিয়ে ২৪ ঘণ্টায় পারাপার ৩৬ হাজারের বেশি যানবাহন

৪৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মেহেরপুরে দুইটি আসনে নির্বাচন ও গণভোটের সরঞ্জাম বিতরণ শুরু
মেহেরপুরে দুইটি আসনে নির্বাচন ও গণভোটের সরঞ্জাম বিতরণ শুরু

৪৫ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

মাদারীপুরে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানো হচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম
মাদারীপুরে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানো হচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম

৫০ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মেহেরপুরে মতবিনিময় সভা
নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মেহেরপুরে মতবিনিময় সভা

৫৩ মিনিট আগে | ভোটের হাওয়া

বলের আঘাতের পর স্টোকসের অস্ত্রোপচার
বলের আঘাতের পর স্টোকসের অস্ত্রোপচার

৫৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচনে নাশকতা প্রতিহত করতে কঠোর নির্দেশ বিজিবি মহাপরিচালকের
নির্বাচনে নাশকতা প্রতিহত করতে কঠোর নির্দেশ বিজিবি মহাপরিচালকের

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

বনানীতে ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান
বনানীতে ফ্রি এনিমেল ক্লিনিক উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভোট পর্যবেক্ষণে ঢাকায় ৩৯৪ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, ১৯৭ বিদেশি সাংবাদিক
ভোট পর্যবেক্ষণে ঢাকায় ৩৯৪ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, ১৯৭ বিদেশি সাংবাদিক

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচনের সরঞ্জাম বিতরণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নির্বাচনের সরঞ্জাম বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সংসদ নির্বাচন : যশোরে ৮২৪ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন
সংসদ নির্বাচন : যশোরে ৮২৪ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

যমুনা সেতু থেকে ২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি টাকা টোল আদায়
যমুনা সেতু থেকে ২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি টাকা টোল আদায়

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কুড়িগ্রামের ৭০৬ কেন্দ্রে নির্বাচনি সরঞ্জাম বিতরণ
কুড়িগ্রামের ৭০৬ কেন্দ্রে নির্বাচনি সরঞ্জাম বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ব্যস্ত সড়কে জরুরি অবতরণ করল ছোট উড়োজাহাজ
ব্যস্ত সড়কে জরুরি অবতরণ করল ছোট উড়োজাহাজ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোটের দিন ৫ ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
ভোটের দিন ৫ ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জয়পুরহাটে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম
জয়পুরহাটে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনি সরঞ্জাম

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

গোপালগঞ্জে নির্বাচন ও গণভোটের সরঞ্জাম বিতরণ শুরু
গোপালগঞ্জে নির্বাচন ও গণভোটের সরঞ্জাম বিতরণ শুরু

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সর্বাধিক পঠিত
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা হয় কীভাবে?
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা হয় কীভাবে?

১৯ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান
ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান

২৩ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করলো বিএনপি
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করলো বিএনপি

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান ঢাবি উপাচার্য
দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান ঢাবি উপাচার্য

২৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

বাংলাদেশের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: পিসিবি চেয়ারম্যান
বাংলাদেশের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেওয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য: পিসিবি চেয়ারম্যান

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তিতে ভীষণ দুশ্চিন্তায় ভারত!
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তিতে ভীষণ দুশ্চিন্তায় ভারত!

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি
রমজানে ব্যাংক লেনদেনে নতুন সময়সূচি

২২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ধানের শীষকে সমর্থন দিলেন ইসলামী নেতৃবৃন্দ
ধানের শীষকে সমর্থন দিলেন ইসলামী নেতৃবৃন্দ

১৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

সব যান বন্ধ নয়: কারা চলাচলে ছাড় পাচ্ছে
সব যান বন্ধ নয়: কারা চলাচলে ছাড় পাচ্ছে

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতার বিএনপিতে যোগদান
৬ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতার বিএনপিতে যোগদান

২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ছোটো দেশ, জনসংখ্যা মাত্র ৬০ লাখ; তবুও কেন তাদের হাতে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান?
ছোটো দেশ, জনসংখ্যা মাত্র ৬০ লাখ; তবুও কেন তাদের হাতে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান?

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির ‘অর্ধকোটি’ টাকাসহ আটক
বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির ‘অর্ধকোটি’ টাকাসহ আটক

১ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রতিশোধ নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে পাকিস্তান, পেছনে পড়ল ভারত
প্রতিশোধ নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে পাকিস্তান, পেছনে পড়ল ভারত

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোটের আগে নাটোরে ইসলামী ব্যাংকে চার কোটি টাকার লেনদেন, দুলুর অভিযোগ
ভোটের আগে নাটোরে ইসলামী ব্যাংকে চার কোটি টাকার লেনদেন, দুলুর অভিযোগ

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

জাতীয় ছাত্রশক্তি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৬০ নেতাকর্মীর ছাত্রদলে যোগদান
জাতীয় ছাত্রশক্তি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৬০ নেতাকর্মীর ছাত্রদলে যোগদান

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দেশের সব দোকান-শপিং মল আজ বন্ধ, খোলা কবে?
দেশের সব দোকান-শপিং মল আজ বন্ধ, খোলা কবে?

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

নির্বাচনে যেভাবে চ্যালেঞ্জিং প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠলেন জামায়াত আমির: রয়টার্স
নির্বাচনে যেভাবে চ্যালেঞ্জিং প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠলেন জামায়াত আমির: রয়টার্স

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

পাকিস্তান পাশে না দাঁড়ালে কী হতো বাংলাদেশের সঙ্গে
পাকিস্তান পাশে না দাঁড়ালে কী হতো বাংলাদেশের সঙ্গে

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যে চার উপায়ে জানবেন ভোটার নম্বর
যে চার উপায়ে জানবেন ভোটার নম্বর

৭ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

কুষ্টিয়ায় জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে জরিমানা, অনাদায়ে কারাদণ্ড
কুষ্টিয়ায় জামায়াত প্রার্থী আমির হামজাকে জরিমানা, অনাদায়ে কারাদণ্ড

২২ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জুটির রেকর্ড
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জুটির রেকর্ড

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হাসপাতালে ভর্তি রিজভী
হাসপাতালে ভর্তি রিজভী

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যে কারণে ইরানে আক্রমণ করলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে চড়া মূল্য দিতে হবে
যে কারণে ইরানে আক্রমণ করলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলকে চড়া মূল্য দিতে হবে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা, ছেলের ‘চোখ নষ্টের’ খবরে মায়ের মৃত্যু
নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা, ছেলের ‘চোখ নষ্টের’ খবরে মায়ের মৃত্যু

১৮ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ডাবের পানি স্বাস্থ্যের জন্য এতটা কার্যকর কেন?
ডাবের পানি স্বাস্থ্যের জন্য এতটা কার্যকর কেন?

৫ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

নির্বাচন শেষে কখন রাস্তায় ফিরবে মোটরসাইকেল
নির্বাচন শেষে কখন রাস্তায় ফিরবে মোটরসাইকেল

৬ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

মহাকাশ যুদ্ধে নতুন মোড়, যুক্তরাষ্ট্রের মাথা ঘুরিয়ে দিল চীন?
মহাকাশ যুদ্ধে নতুন মোড়, যুক্তরাষ্ট্রের মাথা ঘুরিয়ে দিল চীন?

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেসবুকে সম্পদের বিবরণী দিলেন প্রেস সচিব
ফেসবুকে সম্পদের বিবরণী দিলেন প্রেস সচিব

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোটের দিন কেন্দ্র দখল ও সহিংসতার পরিকল্পনা চলছে: আমান
ভোটের দিন কেন্দ্র দখল ও সহিংসতার পরিকল্পনা চলছে: আমান

২০ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

ভোট বেশি পড়লে বিএনপি, কম পড়লে জামায়াত সুফল পাবে : বিআইডিডি
ভোট বেশি পড়লে বিএনপি, কম পড়লে জামায়াত সুফল পাবে : বিআইডিডি

৫ ঘণ্টা আগে | ভোটের হাওয়া

প্রিন্ট সর্বাধিক
আশাবাদী জামায়াত
আশাবাদী জামায়াত

প্রথম পৃষ্ঠা

ভয়ংকর নির্বাচনি সাইবার যুদ্ধ
ভয়ংকর নির্বাচনি সাইবার যুদ্ধ

পেছনের পৃষ্ঠা

দুজন ছাড়া সব উপদেষ্টা কোটিপতি
দুজন ছাড়া সব উপদেষ্টা কোটিপতি

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে বসছে জিরো ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা
রাজধানীতে বসছে জিরো ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা

নগর জীবন

আত্মবিশ্বাসী বিএনপি
আত্মবিশ্বাসী বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

দেশের ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইতিবৃত্ত
দেশের ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইতিবৃত্ত

ভোটের মাঠে

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান
ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান

প্রথম পৃষ্ঠা

ভুল হলে সবাই ক্ষমা করবেন
ভুল হলে সবাই ক্ষমা করবেন

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজশাহীতে সাবেক এমপির মার্কেট দখল ও লুটপাট, তদন্তে পিবিআই
রাজশাহীতে সাবেক এমপির মার্কেট দখল ও লুটপাট, তদন্তে পিবিআই

নগর জীবন

জাপানের চুক্তি প্রভাব রাখবে কূটনীতিতে
জাপানের চুক্তি প্রভাব রাখবে কূটনীতিতে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঐতিহাসিক ভোটের লড়াই কাল
ঐতিহাসিক ভোটের লড়াই কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ সংশোধন ঘিরে দ্বন্দ্ব তীব্র
বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ সংশোধন ঘিরে দ্বন্দ্ব তীব্র

পেছনের পৃষ্ঠা

দেশের মানুষের হৃদয়রাজ্যে জিয়া পরিবার
দেশের মানুষের হৃদয়রাজ্যে জিয়া পরিবার

সম্পাদকীয়

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বড় প্রস্তুতি
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বড় প্রস্তুতি

প্রথম পৃষ্ঠা

ভোটের উৎসব চাই শান্তির দেশ চাই
ভোটের উৎসব চাই শান্তির দেশ চাই

প্রথম পৃষ্ঠা

এ নির্বাচন জাতিকে কী উপহার দেবে
এ নির্বাচন জাতিকে কী উপহার দেবে

সম্পাদকীয়

নির্বাচনি আমেজে ঢাকা ঈদের মতোই ফাঁকা
নির্বাচনি আমেজে ঢাকা ঈদের মতোই ফাঁকা

পেছনের পৃষ্ঠা

ইসলামী ব্যাংকের সন্দেহজনক লেনদেনে ভোট কেনার শঙ্কা দুলুর
ইসলামী ব্যাংকের সন্দেহজনক লেনদেনে ভোট কেনার শঙ্কা দুলুর

নগর জীবন

কেমন চলেছে ক্রীড়াঙ্গন
কেমন চলেছে ক্রীড়াঙ্গন

মাঠে ময়দানে

দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম
দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১৩তম

প্রথম পৃষ্ঠা

ভাষাভিত্তিক বই পড়ায় আলাদা টান অনুভব করি
ভাষাভিত্তিক বই পড়ায় আলাদা টান অনুভব করি

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়ে পাখির দৃষ্টি আকর্ষণে কৌশলী ধানি তুলিকার
মেয়ে পাখির দৃষ্টি আকর্ষণে কৌশলী ধানি তুলিকার

পেছনের পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিতে ৮৬ ভাগ পণ্যে শূন্য শুল্ক
যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিতে ৮৬ ভাগ পণ্যে শূন্য শুল্ক

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনে আতঙ্ক হতে পারে কিশোর গ্যাং
নির্বাচনে আতঙ্ক হতে পারে কিশোর গ্যাং

পেছনের পৃষ্ঠা

দুর্যোগকালীন সরঞ্জাম দেওয়া হলো সশস্ত্র বাহিনীকে
দুর্যোগকালীন সরঞ্জাম দেওয়া হলো সশস্ত্র বাহিনীকে

খবর

আসছেন সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আসছেন সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

কারচুপি করে পার পাওয়া যাবে না
কারচুপি করে পার পাওয়া যাবে না

প্রথম পৃষ্ঠা

ভিন্ন কৌশলে প্রচার!
ভিন্ন কৌশলে প্রচার!

দেশগ্রাম

নারী ভোটার টানতে নানান চেষ্টা
নারী ভোটার টানতে নানান চেষ্টা

দেশগ্রাম